
[ কত অজানারে ]
কিটম্যানের কাজ কী
- আল সানি
ফেউ
লেখা : ইমদাদুল হক মিলন, আঁকা : তানভীর মালেক

টুবাইয়ের রথ
পৃথ্বীজিৎ চৌধুরী, আগরপাড়া স্বামী বিবেকানন্দ একাডেমি, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

ছোট্ট টুবাই বাবার কাছে খুব বায়না করে তিনতলা রথের জন্য। বাবা একতলা রথ কিনে দিয়ে বলেছিল পরেরবার কিনে দেবে। তাই একতলা রথ নিয়েই টুবাই বেরোয়, মন খারাপ। পাড়ার বন্ধু রনি আর জোজো খুব খেপায়। বলে, ‘কিরে টুবাই, একতলা রথ তোর? আমার দেখ তিনতলা। একতলায় বলরাম, দোতলায় সুভদ্রা আর একদম ওপরের তলায় জগন্নাথ ঠাকুর।
তোর বাবা তোকে একতলা রথ কিনে দিয়েছে? তুই আমাদের বন্ধু না।’ টুবাই বারবার বলে, ‘ঠাকুর তো রথে থাকবে, ঘুরবে। একতলা তিনতলায় কী হবে রে? আমরা সবাই তো বন্ধু, এমন করিস না আমার সঙ্গে।’ ওরা তাও কথা বলছিল না। হাসছিল টুবাইকে নিয়ে। শুধু তোতলা বলে রবিকে ওরা দলে নেয় না। আর রবির রথও নেই। ওর বাবা দূরে কাজে গেছে, ফিরতে পারেনি। রবি তাই দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। টুবাই ওকে ডেকে বলল, ‘চল, আমরা আজ দুজনে রথ নিয়ে ঘুরব।’ রবি তো খুব খুশি। জড়িয়ে ধরে বলল, ‘টুবাই, তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।’ ‘জয় জগন্নাথ’ বলে ওরা রথের দড়িতে টান দিল। রথ এগিয়ে চলল।
যাই যাই রোদ
সারওয়ার-উল-ইসলাম

বিকেল শেষে
সাঁঝের আগে
রং বদলের খেলা,
নীলচে আকাশ
কমলা-লাল
আহ্ গোধূলি বেলা!
শেষ বিকেলের
যাই যাই রোদ
বারান্দাতে পড়ে,
টবের চারার
কচি পাতা
আনন্দে নাচ ধরে।
বিদায়ি রোদ
কচি পাতায়
মিষ্টি পরশ বুলায়,
নীলাকাশে
নাম না-জানা
ফিরছে পাখি কুলায়।
খোকন ছাদে
গায়ে সাদা
ফিনফিনে পাঞ্জাবি,
বলছে আকাশ,
গোধূলি রং
গায়েতে মাখাবি?
খোকন খোঁজে
প্রশ্নকারী
আশপাশে তাকায়,
হাত বাড়িয়ে
গোধূলি রং
সারা গায়ে মাখায়।

