• ই-পেপার

যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তি লড়াই

  • ‘বৈরী রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে চীনের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে দেশটি এখনো ২-৫ ন্যানোমিটারের সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। তবে অচিরেই এ অবস্থা বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে পূর্ব-পশ্চিমের প্রযুক্তিগত বিভাজন আরো বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। লিখেছেন শাহরিয়ার মোস্তফা

এআই টুল বানাবে গুগল-এ২৪

টেকবিশ্ব ডেস্ক
এআই টুল বানাবে গুগল-এ২৪

ব্যাকরুমস, মার্টি সুপ্রিমের মতো ছবির জন্য বিখ্যাত প্রোডাকশন কম্পানি এ২৪-এর সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে গুগল ডিপমাইন্ড। তবে এ২৪-এর কোনো ছবির ফুটেজ এআই ট্রেনিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে না। এ২৪-এর তৈরি কোনো ছবিতে ব্যবহৃত হবে না কোনো এআই জেনারেটেড ক্লিপ। ভিডিও এডিটিং, স্টোরিবোর্ড তৈরি ও স্পেশাল ইফেক্টসের জন্য বিশেষায়িত এআই টুলস তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করবে এ দুটি প্রতিষ্ঠান। তবুও এ খবরে চটেছেন অনেকে। এই চুক্তির ফলে অনেকেই চাকরি হারাবেন বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। হলিউডে শুধু স্টোরিবোর্ডিংয়ের জন্যই বিভিন্ন স্টুডিওতে কাজ করেন দুই হাজারেরও বেশি কর্মী। এআই টুলসের প্রভাবে তাঁরা চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন। কালারিস্ট, স্পেশাল ইফেক্টস ও অন্যান্য পোস্ট-প্রোডাকশন কাজে জড়িতদের অনেকেরই চাকরি চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

 

একনজরে

নিজস্ব চিপ আনল ওপেনএআই

নিজস্ব চিপ আনল ওপেনএআই
হালাপিনো প্রসেসর হাতে স্যাম অল্টম্যান ও হক ট্যান

এনভিডিয়ার ওপর নির্ভরতা কমাতে নিজস্ব এআই চিপ তৈরি করেছে ওপেনএআই। ২৪ জুন এটি উন্মোচন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এবং ব্রডকমের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী হক ট্যান। ব্রডকমের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি এই চিপকে বলা হচ্ছে ইন্টেলিজেন্স প্রসেসর, নাম দেওয়া হয়েছে হালাপিনো (jalapeno)। প্রসেসরটির পারফরম্যান্স বর্তমান সব এআই চিপের কাছাকাছি, অথচ এনভিডিয়ার প্রসেসরগুলোর চেয়ে বিদ্যুৎ ব্যয় কম। ওপেনএআই ও ব্রডকম চাইছে এই প্রসেসর ব্যবহার করে গিগাওয়াট ক্ষমতার ডেটাসেন্টার তৈরির, যাতে গুগল বা অ্যানথ্রোপিক সেসব ভাড়া নিতে পারে। মজার বিষয়, এআই ডিজাইনিং সিস্টেম কাজে লাগিয়ে মাত্র ৯ মাসে এই চিপ ডিজাইন করা হয়েছে। নিজস্ব চিপ ব্যবহারের ফলে এআই ডেটাসেন্টার তৈরির ব্যয় অনেকটাই কমবে আশা করছে ওপেনএআই।

এলো স্টিম মেশিন

সাদিয়া আফরিন হীরা
এলো স্টিম মেশিন
গেম কনসোল-পিসি হাইব্রিড ডিভাইস স্টিম মেশিন

স্টিম ডেকের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ভালভ তৈরি করেছে স্টিম ওএসচালিত পিসি-কনসোল হাইব্রিড ডিভাইস স্টিম মেশিন। ২২ জুন এটি বাজারে এসেছে। গেমারদের আশা ছিল প্লে স্টেশন ও এক্সবক্সের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হবে এটি। সেই আশা গুঁড়েবালি করে দিয়েছে চলমান হার্ডওয়্যার সংকট।

 

সাদামাটা হার্ডওয়্যার

স্টিম মেশিন দেখতে কালো রঙের ৬ ইঞ্চি কিউব। সামনের প্যানেল নিজের ইচ্ছামতো বদলানো যায়, এর মধ্যে রয়েছে আরজিবি লাইটিং সিস্টেমও। কনসোলের বিভিন্ন তথ্য এই লাইটের মাধ্যমে জানা যায়। স্টিম মেশিনের পেছনের অংশে রয়েছে এর বাদবাকি সব পোর্ট। চাইলে কি-বোর্ড-মাউস যুক্ত করে পিসির মতোই ব্যবহার করা যায়। স্টিম মেশিনের প্রসেসর এবং জিপিইউ সরবরাহ করেছে এএমডি। প্রসেসরের ডিজাইন সেমি কাস্টম দাবি করেছে ভালভ, যদিও প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন এটি রাইজেন ৭৭০০ সিরিজের মতে। জিপিইউ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রেডিওন ৭৬০০এম। প্রায় দুই বছরের পুরনো এন্ট্রি লেভেল গেমিং ল্যাপটপের জিপিইউটির সঙ্গে থাকছে ৮ জিবি ভির‌্যাম। বর্তমানে ৮ জিবি ভির‌্যাম একেবারেই অপ্রতুল, দাবি করেছে অনেক গেমার। এতে র‌্যাম থাকছে ১৬ জিবি, ব্যবহারকারীরা চাইলে পরে বাড়িয়ে নিতে পারবে। স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এম.২ এনভিএমই ড্রাইভ, সেটিও ব্যবহারকারীরা চাইলে বদলাতে পারবে। ল্যাপটপ প্রসেসর ও জিপিইউ ব্যবহারের ভালো দিক, পুরো ডিভাইস সর্বোচ্চ ১২০-১৩০ ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।এটির সিপিইউ, জিপিইউ, র‌্যাম, ভির‌্যাম এবং এনভিএমই ড্রাইভ ঠাণ্ডা করার জন্য একটি বড় হিট সিংক ও দুটি ফ্যান ব্যবহার করেছে ভালভ। মাত্র ১২০ ওয়াটের মেশিন ঠাণ্ডা করতে এর চেয়ে বেশি দরকারও নেই।

 

প্রশ্নবিদ্ধ পারফরম্যান্স

ভালভের দাবি, স্টিম মেশিনে ৪কে রেজল্যুশনে ৬০ এফপিএস গতিতে গেম খেলা যায়। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এ দাবিকে মিসলিডিং বলেছেন বিশ্লেষকরা। মিডিয়াম থেকে হাই গ্রাফিকসে সর্বোচ্চ ১০৮০পি রেজল্যুশনে ঠিকমতো খেলা যায় বেশির ভাগ গেম। ৪কে রেজল্যুশনে ৩০ এফপিএস ফ্রেমরেটের জন্যও বেগ পেতে হয়। এএমডি এফএসআর প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কিছু গেম ৪কে রেজল্যুশনে খেলা যায়, তবে গ্রাফিকসের মান একেবারেই যায় নেমে। একই গেম প্লে স্টেশন ৫ কনসোলে অনায়েসে ৪কে রেজল্যুশনে চলে, পিএস৫-এর দাম স্টিম মেশিনের অর্ধেকেরও কম। তাই স্টিম মেশিন কেনার যৌক্তিকতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তবে প্লে স্টেশন বা এক্সবক্স কনসোল সাধারণত লোকসানে বিক্রি হয়, গেম ও অন্যান্য সেবা বিক্রির মাধ্যমে কনসোলের দামে ভর্তুকি দেয় সনি ও মাইক্রোসফট। তাই কনসোলের দাম ৬৫০ বা ৭০০ ডলার রাখা সম্ভব হয়। এগুলোর হার্ডওয়্যারের প্রকৃত দাম আরো অনেক বেশি। ভালভ কনসোলের মূল্যে ভর্তুকি দেয়নি। ফলে স্টিম মেশিনের পারফরম্যান্স কম হওয়াই স্বাভাবিক।

 

এআইয়ের ধাক্কায় কুপোকাত গেমিং ইন্ডাস্ট্রি

ভালভ জানিয়েছে, স্টিম মেশিনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৫০ ডলার। এআই ডেটাসেন্টারের চাহিদার প্রভাবে র‌্যাম ও স্টোরেজের দাম বর্তমানে আকাশছোঁয়া, সহসা দাম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। জিপিউ ও প্রসেসরের দামও একই কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই স্টিম মেশিনের দামও বাড়াতে বাধ্য হয়েছে ভালভ।

৭০০ মেগাহার্জ যুগে বাংলাদেশ

সাধারণত ৪জি নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয় ১৭০০-২৬০০ মেগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির তরঙ্গ। ফলে ৪জি নেটওয়ার্কের গতি বেশি হলেও এর রেঞ্জ ও পেনিট্রেশন কিছুটা কম। এ সমস্যা মোকাবেলায় ১ জুন গ্রামীণফোন চালু করেছে ৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম। এর বিশেষত্ব নিয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিনের সঙ্গে কথা বলেছেন এস এম তাহমিদ

৭০০ মেগাহার্জ যুগে বাংলাদেশ
৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রামের টাওয়ার স্থাপন করা হচ্ছে। ছবি : জিপি

৭০০ মেগাহার্জ কেন গোল্ডেন স্পেকট্রাম?

৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রামের পেনিট্রেশন বা ভেদন ক্ষমতা অনেক বেশি। একটি স্টেশনে এই লেয়ার যোগ করলে তা প্রায় ২.৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভালো ডেটা কাভারেজ দিতে পারে। সাধারণ ফ্রিকোয়েন্সি যেখানে বিল্ডিংয়ের ভেতরে বা লিফটে পৌঁছতে পারে না, ৭০০ মেগাহার্টজ সেখানে সহজেই পৌঁছে যায়। তাই একে বলা হয় গোল্ডেন স্পেকট্রাম

 

৭০০ মেগাহার্জ যুগে বাংলাদেশকয়টি জেলায় এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে?

আমরা গত ১ জুন, ২০২৬ স্পেকট্রামটি সক্রিয় করার অনুমতি পাই এবং মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ৯০০টি সাইটে এটি চালু করেছি। এখন পর্যন্ত এটি ৪৪টি জেলায় সক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, এ বছরের শেষ নাগাদ ৫৯টি জেলায় পৌঁছানো। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা সেই সব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যেখানে গ্রাহকদের সিগন্যাল নিয়ে ভোগান্তি বেশি।

 

শহর ও গ্রামে নেটওয়ার্কজনিত সমস্যা আলাদা কি?

হ্যাঁ, সমস্যার ধরন দুই জায়গায় দুই রকম। ঢাকার মতো শহরে সাইটগুলো খুব কাছাকাছি (২০০-৩০০ মিটার) থাকে, তাই এখানে মূল সমস্যা কোয়ালিটি বা ইনডোর কাভারেজের। যেমনড্রয়িং রুমে সিগন্যাল থাকলেও বেডরুম বা লিফটে পাওয়া যায় না। ৭০০ মেগাহার্টজ এই ডেড জোন বা ব্ল্যাক স্পটগুলো দূর করে ইনডোর কোয়ালিটি নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে গ্রাম পর্যায়ে এটি মূলত কাভারেজ নিশ্চিত করবে। ফলে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত সকল ব্যবহারকারী পাবে মানসম্মত নেটওয়ার্কসেবা।

 

এটি ব্যবহারের জন্য কী প্রয়োজন?

আপনার কাছে যদি ৪জি (4G) ইউসিম (USIM) থাকে, তবে সিম পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। ডিভাইসের ক্ষেত্রে এটি এলটিই ব্যান্ড ২৮ (LTE Band 28) সাপোর্ট করতে হয়। বর্তমানে গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কের প্রায় ৬৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এই ব্যান্ড সাপোর্ট করে। নতুন যেসব ফোন বাজারে আসছে, সেগুলোর বেশির ভাগই এই প্রযুক্তিসম্পন্ন। আশা করছি, আগামী তিন বছরের মধ্যে ৯০ শতাংশ হ্যান্ডসেট এর আওতায় চলে আসবে।

৭০০ মেগাহার্জ থেকে নতুন কী আশা করা যায়?

আমাদের বুঝতে হবে যে ৭০০ মেগাহার্টজ মূলত একটি কাভারেজ এবং কোয়ালিটি লেয়ার, এটি ক্যাপাসিটি লেয়ার নয়। এটি গতির লড়াইয়ের জন্য নয় বরং কনসিস্টেন্সির বা মানসম্মত সেবার জন্য। অর্থাৎ আপনি দূরে থাকলেও বাফারিং ছাড়া ইউটিউব দেখতে পারবেন বা ক্লিয়ার ভয়েস কল করতে পারবেন। এটি ভোল্টি (VoLTE) সেবাকে আরো উন্নত করবে, ফলে কল ড্রপ কমে যাবে এবং শব্দের মান ক্রিস্টাল ক্লিয়ার হবে।

 

বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে চ্যালেঞ্জ কী কী?

বাংলাদেশের বাজারে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বেশ কিছু ইউনিক চ্যালেঞ্জ আছে। প্রথমত, রেডিয়েশন নিয়ে মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা কাজ করে। যদিও আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সীমার ১০০ ভাগের ১ ভাগ সিগন্যাল জেনারেট করি, তবুও অনেকেই নেটওয়ার্ক টাওয়ারের রেডিয়েশন নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে সাইট স্থাপনে বাধা প্রদান করেন। দ্বিতীয়ত, নগর পরিকল্পনা। বড় বড় ভবন নির্মাণের সময় মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য কোনো জায়গা রাখা হয় না, যা সিগন্যাল ব্লকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা চাই সরকার মোবাইল নেটওয়ার্ককে পানি বা বিদ্যুতের মতো ইউটিলিটি হিসেবে বিবেচনা করুক এবং প্রতিটি ভবনে এর জন্য ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করুক।

 

দেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব কেমন হতে পারে?

কানেক্টিভিটি সরাসরি জিডিপির সঙ্গে যুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ব্রডব্যান্ড ১০ শতাংশ বাড়লে জিডিপি ১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। তবে বাংলাদেশে স্পেকট্রামের দাম এবং ট্যাক্স অনেক বেশি। যদিও সরকার সিম ট্যাক্স তুলে দিয়েছে, যা একটি ভালো উদ্যোগ, কিন্তু স্মার্টফোনের উচ্চমূল্য এখনো একটি বড় বাধা। লোকাল ম্যানুফ্যাকচারিং বাড়ালে এবং টেলিকম খাতে ট্যাক্স কমানো গেলে ডিজিটাল ইকোনমি আরো শক্তিশালী হবে।

 

ভোল্টি (VoLTE) বা ওয়াইফাই কলিং (VoWiFi) সেবা সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত নয়, কেন?

এ বিষয়ে আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের মনে বেশ ভুল ধারণা রয়েছে। আসলে ভোল্টি প্রযুক্তির জন্য প্রতিটি হ্যান্ডসেটে নেটওয়ার্কভিত্তিক সফটওয়্যার প্যাচ (Patch) থাকতে হয়। ল্যাবে বিভিন্ন হ্যান্ডসেট টেস্ট করে যখন আমরা নিশ্চিত হই যে কোনো ফোনে কল ড্রপ হবে না, শুধু সেগুলোই হোয়াইটলিস্ট করা হয়। এটি গ্রাহকের ভালো অভিজ্ঞতার জন্যই করা হয়ে থাকে, এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ নেই। হোয়াইটলিস্টে প্রতিনিয়ত নতুন ডিভাইস যোগ হচ্ছে, সব গ্রাহকই ধীরে ধীরে এই সেবাগুলো পাবে।

 

৩জি এর পর কি তবে ২জি বন্ধ হচ্ছে? এ প্রযুক্তির ভবিষ্যত কী?

উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে গেছে। তবে বাংলাদেশে এখনো একটি বড় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ব্যবহার করে টুজি হ্যান্ডসেট। তাদের কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা এখনই এটি বন্ধ করতে পারছি না। স্মার্টফোনের দাম আরও সহজলভ্য হলে এবং প্রান্তিক গ্রাহকরাও ৪জি হ্যান্ডসেট ব্যবহার শুরু করলে ভবিষ্যতে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।