• ই-পেপার

৭০০ মেগাহার্জ যুগে বাংলাদেশ

  • সাধারণত ৪জি নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয় ১৭০০-২৬০০ মেগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির তরঙ্গ। ফলে ৪জি নেটওয়ার্কের গতি বেশি হলেও এর রেঞ্জ ও পেনিট্রেশন কিছুটা কম। এ সমস্যা মোকাবেলায় ১ জুন গ্রামীণফোন চালু করেছে ৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম। এর বিশেষত্ব নিয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিনের সঙ্গে কথা বলেছেন এস এম তাহমিদ

এআই টুল বানাবে গুগল-এ২৪

টেকবিশ্ব ডেস্ক
এআই টুল বানাবে গুগল-এ২৪

ব্যাকরুমস, মার্টি সুপ্রিমের মতো ছবির জন্য বিখ্যাত প্রোডাকশন কম্পানি এ২৪-এর সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে গুগল ডিপমাইন্ড। তবে এ২৪-এর কোনো ছবির ফুটেজ এআই ট্রেনিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে না। এ২৪-এর তৈরি কোনো ছবিতে ব্যবহৃত হবে না কোনো এআই জেনারেটেড ক্লিপ। ভিডিও এডিটিং, স্টোরিবোর্ড তৈরি ও স্পেশাল ইফেক্টসের জন্য বিশেষায়িত এআই টুলস তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করবে এ দুটি প্রতিষ্ঠান। তবুও এ খবরে চটেছেন অনেকে। এই চুক্তির ফলে অনেকেই চাকরি হারাবেন বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। হলিউডে শুধু স্টোরিবোর্ডিংয়ের জন্যই বিভিন্ন স্টুডিওতে কাজ করেন দুই হাজারেরও বেশি কর্মী। এআই টুলসের প্রভাবে তাঁরা চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন। কালারিস্ট, স্পেশাল ইফেক্টস ও অন্যান্য পোস্ট-প্রোডাকশন কাজে জড়িতদের অনেকেরই চাকরি চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

 

একনজরে

নিজস্ব চিপ আনল ওপেনএআই

নিজস্ব চিপ আনল ওপেনএআই
হালাপিনো প্রসেসর হাতে স্যাম অল্টম্যান ও হক ট্যান

এনভিডিয়ার ওপর নির্ভরতা কমাতে নিজস্ব এআই চিপ তৈরি করেছে ওপেনএআই। ২৪ জুন এটি উন্মোচন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এবং ব্রডকমের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী হক ট্যান। ব্রডকমের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি এই চিপকে বলা হচ্ছে ইন্টেলিজেন্স প্রসেসর, নাম দেওয়া হয়েছে হালাপিনো (jalapeno)। প্রসেসরটির পারফরম্যান্স বর্তমান সব এআই চিপের কাছাকাছি, অথচ এনভিডিয়ার প্রসেসরগুলোর চেয়ে বিদ্যুৎ ব্যয় কম। ওপেনএআই ও ব্রডকম চাইছে এই প্রসেসর ব্যবহার করে গিগাওয়াট ক্ষমতার ডেটাসেন্টার তৈরির, যাতে গুগল বা অ্যানথ্রোপিক সেসব ভাড়া নিতে পারে। মজার বিষয়, এআই ডিজাইনিং সিস্টেম কাজে লাগিয়ে মাত্র ৯ মাসে এই চিপ ডিজাইন করা হয়েছে। নিজস্ব চিপ ব্যবহারের ফলে এআই ডেটাসেন্টার তৈরির ব্যয় অনেকটাই কমবে আশা করছে ওপেনএআই।

এলো স্টিম মেশিন

সাদিয়া আফরিন হীরা
এলো স্টিম মেশিন
গেম কনসোল-পিসি হাইব্রিড ডিভাইস স্টিম মেশিন

স্টিম ডেকের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ভালভ তৈরি করেছে স্টিম ওএসচালিত পিসি-কনসোল হাইব্রিড ডিভাইস স্টিম মেশিন। ২২ জুন এটি বাজারে এসেছে। গেমারদের আশা ছিল প্লে স্টেশন ও এক্সবক্সের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হবে এটি। সেই আশা গুঁড়েবালি করে দিয়েছে চলমান হার্ডওয়্যার সংকট।

 

সাদামাটা হার্ডওয়্যার

স্টিম মেশিন দেখতে কালো রঙের ৬ ইঞ্চি কিউব। সামনের প্যানেল নিজের ইচ্ছামতো বদলানো যায়, এর মধ্যে রয়েছে আরজিবি লাইটিং সিস্টেমও। কনসোলের বিভিন্ন তথ্য এই লাইটের মাধ্যমে জানা যায়। স্টিম মেশিনের পেছনের অংশে রয়েছে এর বাদবাকি সব পোর্ট। চাইলে কি-বোর্ড-মাউস যুক্ত করে পিসির মতোই ব্যবহার করা যায়। স্টিম মেশিনের প্রসেসর এবং জিপিইউ সরবরাহ করেছে এএমডি। প্রসেসরের ডিজাইন সেমি কাস্টম দাবি করেছে ভালভ, যদিও প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন এটি রাইজেন ৭৭০০ সিরিজের মতে। জিপিইউ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রেডিওন ৭৬০০এম। প্রায় দুই বছরের পুরনো এন্ট্রি লেভেল গেমিং ল্যাপটপের জিপিইউটির সঙ্গে থাকছে ৮ জিবি ভির‌্যাম। বর্তমানে ৮ জিবি ভির‌্যাম একেবারেই অপ্রতুল, দাবি করেছে অনেক গেমার। এতে র‌্যাম থাকছে ১৬ জিবি, ব্যবহারকারীরা চাইলে পরে বাড়িয়ে নিতে পারবে। স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এম.২ এনভিএমই ড্রাইভ, সেটিও ব্যবহারকারীরা চাইলে বদলাতে পারবে। ল্যাপটপ প্রসেসর ও জিপিইউ ব্যবহারের ভালো দিক, পুরো ডিভাইস সর্বোচ্চ ১২০-১৩০ ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।এটির সিপিইউ, জিপিইউ, র‌্যাম, ভির‌্যাম এবং এনভিএমই ড্রাইভ ঠাণ্ডা করার জন্য একটি বড় হিট সিংক ও দুটি ফ্যান ব্যবহার করেছে ভালভ। মাত্র ১২০ ওয়াটের মেশিন ঠাণ্ডা করতে এর চেয়ে বেশি দরকারও নেই।

 

প্রশ্নবিদ্ধ পারফরম্যান্স

ভালভের দাবি, স্টিম মেশিনে ৪কে রেজল্যুশনে ৬০ এফপিএস গতিতে গেম খেলা যায়। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এ দাবিকে মিসলিডিং বলেছেন বিশ্লেষকরা। মিডিয়াম থেকে হাই গ্রাফিকসে সর্বোচ্চ ১০৮০পি রেজল্যুশনে ঠিকমতো খেলা যায় বেশির ভাগ গেম। ৪কে রেজল্যুশনে ৩০ এফপিএস ফ্রেমরেটের জন্যও বেগ পেতে হয়। এএমডি এফএসআর প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কিছু গেম ৪কে রেজল্যুশনে খেলা যায়, তবে গ্রাফিকসের মান একেবারেই যায় নেমে। একই গেম প্লে স্টেশন ৫ কনসোলে অনায়েসে ৪কে রেজল্যুশনে চলে, পিএস৫-এর দাম স্টিম মেশিনের অর্ধেকেরও কম। তাই স্টিম মেশিন কেনার যৌক্তিকতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তবে প্লে স্টেশন বা এক্সবক্স কনসোল সাধারণত লোকসানে বিক্রি হয়, গেম ও অন্যান্য সেবা বিক্রির মাধ্যমে কনসোলের দামে ভর্তুকি দেয় সনি ও মাইক্রোসফট। তাই কনসোলের দাম ৬৫০ বা ৭০০ ডলার রাখা সম্ভব হয়। এগুলোর হার্ডওয়্যারের প্রকৃত দাম আরো অনেক বেশি। ভালভ কনসোলের মূল্যে ভর্তুকি দেয়নি। ফলে স্টিম মেশিনের পারফরম্যান্স কম হওয়াই স্বাভাবিক।

 

এআইয়ের ধাক্কায় কুপোকাত গেমিং ইন্ডাস্ট্রি

ভালভ জানিয়েছে, স্টিম মেশিনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৫০ ডলার। এআই ডেটাসেন্টারের চাহিদার প্রভাবে র‌্যাম ও স্টোরেজের দাম বর্তমানে আকাশছোঁয়া, সহসা দাম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। জিপিউ ও প্রসেসরের দামও একই কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই স্টিম মেশিনের দামও বাড়াতে বাধ্য হয়েছে ভালভ।

যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তি লড়াই

‘বৈরী রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে চীনের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে দেশটি এখনো ২-৫ ন্যানোমিটারের সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। তবে অচিরেই এ অবস্থা বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে পূর্ব-পশ্চিমের প্রযুক্তিগত বিভাজন আরো বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। লিখেছেন শাহরিয়ার মোস্তফা

যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তি লড়াই
এএসএমএল-এর একটি লিথোগ্রাফি মেশিন। ছবি : সংগৃহীত

প্রসেসর, এআই অ্যাকসেলারেটর, জিপিইউ, স্টোরেজ ও র‌্যামের মতো হার্ডওয়্যার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় সিলিকন চিপ। সিলিকন ওয়েফার থেকে লিথোগ্রাফি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব চিপ তৈরি করা হয়। লিথোগ্রাফি প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল, এ কাজে ব্যবহৃত যন্ত্র মুষ্টিমেয় কিছু প্রতিষ্ঠান তৈরি করে থাকে। সর্বাধুনিক ২ বা ৩ ন্যানোমিটার লিথোগ্রাফিতে ব্যবহৃত যন্ত্র মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়, যার নাম এএসএমএল। নেদারল্যান্ডভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের যন্ত্র কাজে লাগিয়ে চিপ তৈরি করে টিএসএমসি, ইন্টেল ও স্যামসাংয়ের মতো চিপ জায়ান্ট। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, এএসএমএল কোনো যন্ত্র চীনের কাছে বিক্রি করতে পারবে না। নিষেধাজ্ঞার আগে যেসব যন্ত্র কিনেছে চীন, সেগুলোও সার্ভিস করা যাবে না। অর্থাৎ চীনকে কোনোভাবেই অত্যাধুনিক প্রসেসর বা এআই হার্ডওয়্যার তৈরি করতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। হুয়াওয়ে বা লুংসুনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো শক্তিশালী এবং ব্যাটারি সাশ্রয়ী প্রসেসর বানাতে না পারার নেপথ্য কারণ এটাই।

 

ঘোস্ট মেশিন

১৫ জুন যুক্তরাষ্ট্রের কমার্স সেক্রেটারি হাওয়ার্ড লাটনিক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে জানা গেছে যে এএসএমএল তাদের সর্বাধুনিক ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির লিথোগ্রাফি মেশিন চীনের কাছে বিক্রি করেছে। বর্ডাররক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সেটি চোরাচালানি পথে চীনে প্রবেশ করেছে বলে তিনি জানান। এএসএমএলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এমন দাবি হাস্যকর। লিথোগ্রাফি মেশিনের ওজন প্রায় ১৮০ টন, সেটি বহনের জন্য এএসএমএল নিজস্ব কাস্টোমাইজড বোয়িং ৭৪৭ বিমান ব্যবহার করে থাকে। বিশ্বে মোট ৩১৪টি মেশিন ডেলিভারি করেছে তারা, এর কোনোটিই বর্তমানে চীনে অবস্থান করছে না। লিথোগ্রাফি মেশিন ঠিকমতো সেটআপ করা অত্যন্ত কঠিন, এএসএমএলের ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া কেউ করতে পারবেন না। তাই যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে বলা হচ্ছে অযৌক্তিক। এএসএমএলের যন্ত্র চীনে প্রবেশ করেছে কি না, এ নিয়ে চলমান আলোচনার মাধ্যমে উঠে এসেছে চীনা প্রযুক্তি বাজারের বর্তমান চিত্র নিয়ে বেশ কিছু আশ্চর্যজনক তথ্য।

 

নিষেধাজ্ঞার চাপে উদ্ভাবন

এখন চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এক্সট্রিম আলট্রাভায়োলেট (ইইউভি) প্রযুক্তির লিথোগ্রাফি, যা চীনের কাছে সরবরাহ করা নিষেধ। চীনা চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে রয়েছে পুরনো প্রযুক্তির ডিপ আলট্রাভায়োলেট (ডিইউভি) মেশিন। ফলে এখনো চীনের কোনো নির্মাতা ৫ বা ৩ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির চিপ তৈরি করতে পারেনি। তবে একপ্রকার ওয়ার্ক অ্যারাউন্ড তারা ঠিকই বের করেছে।

নতুন এ পদ্ধতির নাম মাল্টি প্যাটার্ন এচিং। পুরনো প্রযুক্তি ব্যবহার করেও আধুনিক ৭ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির চিপ তৈরি করা যায় এতে। লিথোগ্রাফির প্রক্রিয়ায় লেজারের মাধ্যমে সিলিকন ওয়েফার কেটে (বঃপযরহম) চিপ তৈরি করা হয়। সাধারণত এক ধাপেই এচিং সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। মাল্টি প্যাটার্ন প্রক্রিয়ায় একাধিক ধাপে একটু একটু করে এচিং করা হয়। এ প্রক্রিয়ার সমস্যা, প্রতিটি ধাপে ঠিক একই জায়গায় লেজার ফোকাস করা জরুরি। এক ন্যানোমিটার এদিক-সেদিক হলেও পুরো ওয়েফার বাতিল, অর্থাৎ নষ্ট হয় কয়েক শ থেকে কয়েক হাজার চিপ।

 

শেষ রক্ষা হবে কি?

পুরনো যন্ত্র দিয়ে আপাতত কাজ চালিয়ে নিচ্ছে চীন। কিন্তু পুরনো যন্ত্রগুলো কত দিন সচল থাকবে, সেটি ভাবার বিষয়। লিথোগ্রাফির যন্ত্রগুলো কিছুদিন পরপরই নতুন করে ক্যালিব্রেট করতে হয়, বদলাতে হয় কিছু পার্টস। পার্টস ও সার্ভিসের জন্য এএসএমএলের সঙ্গে কাজ করা জরুরি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, চীনের সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যবসা করতে পারবে না এএসএমএল। পুরনো যন্ত্রগুলোর ভবিষ্যৎ তাই হুমকির মুখে। নতুন প্রযুক্তি যতই উদ্ভাবন করা হোক, সেটি তৈরির উপায় না থাকলে চীনা প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

 

মনোপলি ভাঙা জরুরি

আশ্চর্য হলেও সত্য, বিশ্বের সিলিকন চিপ ইন্ডাস্ট্রির পুরোটাই মাত্র কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল। এ তালিকায় রয়েছে এএসএমএল, টিএসএমসি, কার্ল-জাইস থেকে শুরু করে জাপানের আজিনোমটো পর্যন্ত। ভবিষ্যতে যদি এসব প্রতিষ্ঠানের বিকল্প তৈরি না হয়, সে ক্ষেত্রে তথ্য-প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই রয়ে যাবে। দিন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ ক্রেতারা। যেমনটা এখন দেখা যাচ্ছে র‌্যাম ও স্টোরেজের ক্ষেত্রে, এআই ডেটাসেন্টারের চাহিদা মেটাতে বাদ পড়ছে অন্যান্য ডিভাইসের জন্য প্রয়োজনীয় র‌্যাম ও স্টোরেজ চিপ তৈরি। এতে বাজারে সৃষ্টি হয়েছে চরম সংকট। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৮ পর্যন্ত প্রতি প্রান্তিকে র‌্যামের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হারে বাড়তেই থাকবে।