ক্রিকেট
ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তান, প্রথম টেস্ট, চতুর্থ দিন
সরাসরি, রাত ৮টা
পিটিভি স্পোর্টস ও ফ্যানকোড
কমনওয়েলথ গেমস, গ্লাসগো, সরাসরি, দুপুর ২-৩০ মিনিট, সনি স্পোর্টস ২ এইচডি
ডুরান্ড কাপ, সরাসরি, বিকেল ৫টা, সনি স্পোর্টস ৫ এইচডি

ক্রিকেট
ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তান, প্রথম টেস্ট, চতুর্থ দিন
সরাসরি, রাত ৮টা
পিটিভি স্পোর্টস ও ফ্যানকোড
কমনওয়েলথ গেমস, গ্লাসগো, সরাসরি, দুপুর ২-৩০ মিনিট, সনি স্পোর্টস ২ এইচডি
ডুরান্ড কাপ, সরাসরি, বিকেল ৫টা, সনি স্পোর্টস ৫ এইচডি

ক্রিকেট
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
কলম্বো ক্যাপস-জাফনা কিংস
সরাসরি, রাত ৮টা
গ্লোবাল সুপার লিগ
ডেজার্ট ভাইপার্স-পার্থ স্করচার্স
সরাসরি, বুধবার ভোর ৫টা

পেপ গার্দিওলা রাজি না হওয়ায় ইতালির কোচ হওয়ার দৌড়ে শীর্ষে ছিলেন আন্দ্রেয়া পিয়েরলো। কিন্তু ২০০৬ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকাও কোচ হচ্ছেন না আজ্জুরিদের। কারণ রাশিয়ান জুয়া প্রতিষ্ঠান ‘ফনবেট’-এর শুভেচ্ছা দূত পিয়েরলো এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে ইতালির বর্তমান অবস্থানের সঙ্গেও রয়েছে তাঁর চিন্তাধারায় অমিল। তিনি নিজেই ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আমি আর প্রার্থী নই।’ রয়টার্স

আরেকটি বিশ্বকাপ জয় থেকে মাত্র হাতছোঁয়া দূরত্বে ছিলেন তিনি। কিন্তু টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতার ইতিহাস আর গড়া হয়নি লিওনেল স্কালোনির। স্পেনের কাছে ফাইনালে ১-০ গোলে হেরে তাই অঝোরে কেঁদেছিলেন এই আর্জেন্টাইন কোচ। তবু নিজ শহর পুহাতোতে ফিরে ভক্ত-সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। সেই শহর ছেড়ে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট চিঠি আকারে শেয়ার করেছেন স্কালোনি। চিঠিতে আরেকটি শিরোপা দেশে আনতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং দলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ধরে রাখায় ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় কোচ হিসেবে স্কালোনি কৃতিত্ব দেখাতেন টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার। ইতালির কোচ ভিত্তোরিও পোজ্জো ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে গড়েছিলেন সেই কীর্তি। গতবার স্কালোনি আলবিসেলেস্তেদের হয়ে ঘরে তোলেন বিশ্বকাপ। তাঁর অধীনেই আবার ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। টানা এমন সাফল্য ধরা দিয়েছে খুব কম কোচের ভাগ্যেই। তবু হতাশ স্কালোনি তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘আমি আপনাদের জন্য আরো একটি ট্রফি এনে দিতে পারিনি বলে সত্যি দুঃখিত।’ অবশ্য এই পোস্টে মুহূর্তেই তাঁর প্রতি সমর্থন ও শুভ কামনা জানিয়ে অজস্র প্রতিক্রিয়া দেখায় ফলোয়াররা। স্কালোনি ফাইনাল ম্যাচের পর তাঁর মনে ভর করে থাকা কঠিন আবেগী বিষয়টিও তুলে ধরেন, ‘একসঙ্গে মিশে গেছে দুঃখ ও আনন্দ! এক পাশে চোখের জল, অন্য পাশে হাসি; একদিকে যন্ত্রণা, তো অন্যদিকে মনের শান্তি।’ স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় নিজ শিষ্যদের প্রায়ই ‘আমার যোদ্ধা’ হিসেবে সম্বোধন করার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি এই পোস্টে।
বিশ্বকাপ চলার সময়ে আলবিসেলেস্তেদের ভালো কিছু করার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছিল অনেকেই। তাদের প্রতিও জোরালো বক্তব্যে স্কালোনি লিখেছেন মোটা অক্ষরে, “এটি বরফশীতল ঠাণ্ডা জলের বালতি সহ্য করার মতোই। এই ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতাই হলো ‘আসল ট্রফি’।” অনেক ধরনের সমালোচনাকে পাশ কাটিয়ে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি দলের কর্মকর্তারাও রেখেছেন বড় অবদান। তাই খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সব কর্মীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই কোচ। পর্দার আড়ালে থেকে দলের জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা মানুষদের বিশেষভাবে স্মরণ করেন স্কালোনি, ‘যার একজন আর্জেন্টাইন বন্ধু আছে, তার কাছে একটি রত্ন রয়েছে।’ পোস্টে তাঁর আর্জেন্টিনা দলে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠলেও তা এড়িয়ে গেছেন এই কোচ। ডিসেম্বরে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তিনি কি থাকতে চাইবেন আর্জেন্টিনার ডাগ ডাউটে? অবশ্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত তাঁকে রেখে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে এএফএ—এমন আলোচনা শোনা যাচ্ছে বেশ আগে থেকেই। টিওয়াইসি