• ই-পেপার

স্টার অব দ্য উইক : শাকিরা

বিশ্বকাপ সমর্থক একাদশ

যুক্তরাষ্ট্রে আজ বসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর। মাঠে খেলবে ৪৮টি দল। আমাদের দেশে অবশ্য ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকই বেশি। স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালের সমর্থকের দেখাও মেলে এখন। প্রিয় দলের জয়-পরাজয় নিয়ে ঘরে ঘরে বাধে তর্ক, চলে মান-অভিমান, মারামারি পর্যন্ত গড়ায়। শোবিজ তারকারাও এর বাইরে নন। শোবিজের ১১ জন ফুটবল সমর্থকের কথা শুনেছেন হৃদয় সাহা

বিশ্বকাপ সমর্থক একাদশ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তারকাদের ছবি তৈরি করেছেন হাবিবুর রহমান তারেক ও ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

এবারও হাসি ফোটাবে আর্জেন্টিনা

খায়রুল বাসার অভিনয়শিল্পী

আমি আর্জেন্টিনার গুণমুগ্ধ ভক্ত। আমাদের বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলার মেসিরও বেড়ে ওঠা। মেসি যত জনপ্রিয় হয়েছে, আমরা তত খেলা দেখার ভক্ত হয়েছি। মেসিকে জানতে গিয়েই আর্জেন্টিনার ভক্ত হয়েছি, আরো জেনেছি ম্যারাডোনাকেও৷ তাতে আরো ভক্ত হয়ে উঠি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে আমি বিশ্বকাপ উন্মাদনা দেখেছি। বিশ্বকাপ এলেই মুহসীন হলের মাঠে বিশাল পর্দায় দেখানো হতো খেলা। খেলার মাঝখানে সমর্থকদের উল্লাস, হৈ-হুল্লোড় এমনকি মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। টিএসসিতে গিয়েও খেলা দেখেছি। আর্জেন্টিনা নিয়ে সব সময়ই প্রত্যাশা থাকে, তবে অতীতে আমাদের শুধু মন খারাপ করে কাঁদিয়ে ছাড়ত। ২০১৪ সালে ফাইনালের পরাজয় এখনো চোখে ভাসে৷ তবে গত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আমাদের মনোবল আরো দৃঢ় হয়েছে। মেসির সঙ্গে নবীনরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এবার লড়ে যাবে। আশা রাখি, এবারও সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে। এবারের খেলাগুলো বন্ধুদের সঙ্গে দেখার জন্য দাওয়াত পেয়েছি।

 

ব্রাজিল সমর্থক হলেও মেসি আমার প্রিয়

আইশা খান অভিনয়শিল্পী

আমার পছন্দের দল ব্রাজিল। সবাই যেমন বলে মিশন হেক্সা এবার সফল হবে, সবার মতো আমার চাওয়া—ব্রাজিলের ঘরে আরেকবার কাপ উঠুক। কাকার খেলা দেখে আমি ব্রাজিলের ভক্ত হই। যদিও নিয়মিত খেলা দেখা হয় না আমার, বিশ্বকাপে চেষ্টা করব ম্যাচ দেখার। ব্রাজিল পছন্দের হলেও আমার প্রিয় খেলোয়াড় মেসি। এটা শুনে অনেকেই অবাক হয়। তাই মেসির প্রতিও শুভ কামনা থাকবে। ২০১০ বিশ্বকাপের সময় আমি স্কুলে পড়ি, এখনো মনে আছে, বন্ধুদের মধ্যে যারা ব্রাজিল সাপোর্টার ছিল সবাই মিলে বিশাল বড় একটা পতাকা বানিয়েছিলাম, সেই নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক উচ্ছ্বাস ছিল।

 

মনে হচ্ছিল নিজেই বিশ্বকাপ পেয়েছি

সুমাইয়া শিমু অভিনয়শিল্পী

আমার পছন্দের দল আর্জেন্টিনা। ছোটবেলায় দেখতাম পরিবারের সবাই আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করছে, তখন থেকেই এই দল মনে গেঁথে আছে। তারপর যত বড় হয়েছি, আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা আরো বেড়েছে। গতবারের বিশ্বকাপে যখন আর্জেন্টিনা কাপ জিতল, মনে হচ্ছিল যেন নিজেই বিশ্বকাপ পেয়েছি। এবারেও প্রত্যাশা থাকবে।

 

আমি আর্জেন্টিনার কট্টর ভক্ত

তানজিকা আমিন অভিনয়শিল্পী

ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের ভক্ত। শুধু ভক্ত নই, বলতে পারেন কট্টর ভক্ত। তাদের খেলা আমার সব সময়ই ভালো লাগে। প্রিয় দলের জন্য সব সময়ই ভালো কিছু প্রত্যাশা করি। এবারেও চাইব প্রিয় দলের ঘরে কাপ উঠুক। মেসি আরেকবার বিশ্বকাপ স্পর্শ করুক, আরেকবার আবেগাক্রান্ত হই আমরা।

 

আমি স্পেনের সমর্থক

সিয়াম আহমেদ অভিনয়শিল্পী

বন্ধুমহলে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার সমর্থক বেশি হলেও স্পেনের নান্দনিক খেলা আমাকে সব সময়ই টেনেছে। আমি এই দুই দলের দ্বন্দ্বের মধ্যে নেই। বিশেষ করে আমার কলেজ লাইফে ২০০৮-১২ সালের মধ্যে দুইবার ইউরো কাপ এবং একবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন, তাদের তখনকার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আমাকে তাদের ভক্ত হতে বাধ্য করেছিল।  আমার পছন্দের খেলোয়াড় ডেভিড ভিয়া, তার খেলা আমাকে আকর্ষণ করত। এ কথা সত্য, গত বিশ্বকাপগুলোতে তারা নিজেদের পারফরম দিয়ে প্রথম রাউন্ড পার হতে পারেনি, তবে তাদের খেলার প্রশংসা সবাই করেছে। এবারের বিশ্বকাপেও স্পেনের জন্য শুভ কামনা থাকবে। কারণ নান্দনিক খেলায় যেকোনো সময় তারা জ্বলে উঠতে পারে।

 

আর্জেন্টিনা আমাদের ইমোশন

ইরফান সাজ্জাদ অভিনয়শিল্পী

একদম ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার হাই হার্ড ফ্যান। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপের কথা মনে আছে, তখনো আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলাম। আর্জেন্টিনার যে দিকটা সবচেয়ে ভালো লাগে তা হলো তারা দলগতভাবে খেলে। ভক্তদের মতো তারাও খুব ইমোশনাল। আমরা যারা আর্জেন্টিনার ভক্ত, তারা একটি বিশ্বকাপ অর্জনের জন্য তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করেছি। ২০১৪ সালে ফাইনালে দুঃখজনক পরাজয়ের পর ২০২২ সালে যখন শিরোপা জিতে নেয়, তখন অন্যদের মতো আমিও আবেগাক্রান্ত হয়েছিলাম। কারণ আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয় ছিল আমাদের কাছে একটা ইমোশনাল জার্নি। শিরোপা জয়ের পর এবার খুব বেশি প্রত্যাশা নেই, তবে আশা রাখি অন্তত সেমিফাইনাল পর্যন্ত যাবেই।

 

এবার ভালো কিছু করবে জার্মানি

তৌসিফ মাহবুব অভিনয়শিল্পী

ফুটবল আমাকে বরাবরই খুব টানে। সুযোগ পেলেই খেলার চেষ্টা করি। ছোটবেলায় নির্দিষ্ট কোনো দল প্রিয় ছিল না আমার। ২০১৪ সালে জার্মানির খেলা দেখে সিদ্ধান্ত নিই এখন থেকে আমি এই দলকেই সমর্থন করব। সেই বছর ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয় একটা ট্র্যাজেডি হলেও জার্মানির জয়ে আমি খুশি হয়েছিলাম। জার্মানি গত বিশ্বকাপে ভালো পারফরম করতে পারেনি। এইবার ভালো কিছু করবে, আমার প্রত্যাশা। জার্মানির জন্য রইল শুভ কামনা।

 

খেলা নিয়ে মারামারি পছন্দ করি না

জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি অভিনয়শিল্পী

বিশ্বকাপ এলেই খেলা নিয়ে আমরা মেতে উঠি। সব খেলা দেখতে না পারলেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো দেখার চেষ্টা করি। আমি যেহেতু ব্রাজিল টিমকে পছন্দ করি, তাই চাইব এই দল চ্যাম্পিয়ন হোক। গতবার শুটিং স্পটে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছিলাম। সেখানে আমি ছাড়া সবাই আর্জেন্টিনা সাপোর্টার ছিল, সেদিন আমি ছিলাম ফ্রান্স। এমবাপ্পে যখন গোল দিল, আমি চিৎকার দিয়েছিলাম, আবার যখন শেষে আর্জেন্টিনাই জিতে শিরোপা নিয়ে নিল তখন সবাই আমাকে খেপিয়েছে বেশ। খেলা নিয়ে এই মজা আমি পছন্দ করি, কিন্তু দেখা যায়, এই তর্কাতর্কিতে মারামারি পর্যন্ত লেগে যায়, এটা আমি পছন্দ করি না। ব্রাজিল টিমের পাশাপাশি আমার প্রিয় খেলোয়াড় মেসির প্রতিও শুভ কামনা থাকবে।

 

রোনালদোর হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চাই

আরশ খান অভিনয়শিল্পী

আমার পছন্দের দল পর্তুগাল। আমি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাগল ভক্ত। জীবনে আমরা যারা ভয়ানক পরিশ্রম করে পথ চলছি, রোনালদোর জীবনের সঙ্গে সেটা অনেকটা মিলে যায়। তিনি গড গিফটেড খেলোয়াড় নন, বা ম্যাজিক্যাল কিছু নন—দিনের পর দিন বহু পরিশ্রম করে তিনি এই জায়গায় এসেছেন। রোনালদোর এটা শেষ বিশ্বকাপ। তাঁর মতো ফুটবলারের হাতে বিশ্বকাপ নেই, এটা ভাবতেই খারাপ লাগে, তাঁর হাতে বিশ্বকাপ দেখতে পেলে আমার চেয়ে খুশি কেউ হবে বলে মনে করি না।

 

পরিবারের সবাই ব্রাজিল ভক্ত

অবন্তী সিঁথি কণ্ঠশিল্পী

পারিবারিকভাবেই ব্রাজিলের ভক্ত আমরা। ছোটবেলায় বড়দের মুখে ব্রাজিলের প্রশংসা শুনে শুনে ব্রাজিল দলকে পছন্দ করা শুরু করি। ব্রাজিল ভালোও খেলত তখন, তাদের প্রতি এই যে ভক্তদের এত প্রত্যাশা, এটা দেখেই অবাক হতাম। বড় হয়েও ব্রাজিলের প্রতি মুগ্ধতা কাটেনি। প্রতিবারই খেলা দেখার চেষ্টা করি, তবে এবার আমার ছোট সন্তান আছে, খেলা দেখতে পারব কি না জানি না।

 

রোনালদিনহোর খেলা দেখে ব্রাজিল সমর্থক

পার্থ শেখ অভিনয়শিল্পী

আমরা পারিবারিকভাবেই ব্রাজিল সাপোর্টার।  আমার বাবা করতেন, আমার বড় আপুসহ কাজিন যারা ছিল সবাই ব্রাজিল টিমকে পছন্দ করত। সেই সূত্রেই ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসা শুরু। তবে একদম ভক্ত হই যেটা দেখে সেটা হচ্ছে রোনালদিনহোর খেলা দেখে। আমাদের তখন কিশোর বয়স, তখন উনার যে জনপ্রিয়তা, খেলার ধরন তাতে যে কারোরই পছন্দ হওয়ার কথা। এরপর আরো বহু ফুটবলার এসেছে ব্রাজিলে। ব্রাজিল কখনো ছন্দে থাকে, কখনো পিছিয়ে পড়ে৷ বিশ্বকাপেও সেটার রেশ থাকে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এই দলের কাছে আমাদেরও প্রত্যাশা থাকে৷ একজন ভক্ত হিসেবে আশা রাখতেই পারি, এবার শেষ হাসিটা যেন আমরাই হাসতে পারি।

যুক্তরাষ্ট্রে আজ বসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর। মাঠে খেলবে ৪৮টি দল। আমাদের দেশে অবশ্য ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকই বেশি। স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালের সমর্থকের দেখাও মেলে এখন। প্রিয় দলের জয়-পরাজয় নিয়ে ঘরে ঘরে বাধে তর্ক, চলে মান-অভিমান, মারামারি পর্যন্ত গড়ায়। শোবিজ তারকারাও এর বাইরে নন। শোবিজের ১১ জন ফুটবল সমর্থকের কথা শুনেছেন হৃদয় সাহা

শোবিজে আরো আর্জেন্টিনা সমর্থক

অভিনয়শিল্পী : মামুনুর রশীদ, ইলিয়াস কাঞ্চন, জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, ফেরদৌস, নিপুণ, দীপা খন্দকার, সুমাইয়া শিমু, তানভিন সুইটি, নাদিয়া আহমেদ, নুসরাত ইমরোজ তিশা, আদনান ফারুক হিল্লোল, আব্দুন নূর সজল, জাকিয়া বারী মম, নিরব হোসেন, মামনুন ইমন, জায়েদ খান, পপি, পরীমনি, মাহিয়া মাহি, পূজা চেরী, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা, কল্যাণ কোরাইয়া, মিম মানতাশা, ইরফান সাজ্জাদ, সালহা খানম নাদিয়া, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।

কণ্ঠশিল্পী : সামিনা চৌধুরী, হাবিব ওয়াহিদ, শারমিন সুলতানা সুমী, দিলশাদ নাহার কণা, আরফিন রুমি, ইমরান মাহমুদুল, জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া, ঝিলিক।
শোবিজে আরো ব্রাজিল সমর্থক

অভিনয়শিল্পী : ওমর সানী, মৌসুমী, মিশা সওদাগর, মাহফুজ আহমেদ, জয়া আহসান, মোশাররফ করিম, রিয়াজ, আফসানা মিমি, আদিল হোসেন নোবেল, তারিন জাহান, বিজরী বরকতউল্লাহ, অপু বিশ্বাস, আনিসুর রহমান মিলন, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, আফরান নিশো, বিদ্যা সিনহা মিম, শতাব্দী ওয়াদুদ, মোনালিসা, রওনক হাসান, সাইমন সাদিক, বাপ্পী চৌধুরী, মিশু সাব্বির, বিপাশা কবির।

নির্মাতা : মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, অমিতাভ রেজা, দেবাশীষ বিশ্বাস,

কণ্ঠশিল্পী : কুমার বিশ্বজিৎ, আসিফ আকবর, বাপ্পা মজুমদার, আঁখি আলমগীর, রাশেদউদ্দিন আহমেদ তপু, সোমনুর মনির কোনাল, লুৎফর হাসান, সাবরিনা পড়শী।

 

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার বাইরে যাঁরা

জার্মানি সমর্থক : অভিনেতা আজিজুল হাকিম, এফ এস নাঈম, সাবিলা নূর, সাফা কবির, অর্চিতা স্পর্শিয়া ও তৌসিফ মাহবুব।

পর্তুগাল সমর্থক : অভিনেতা আরশ খান।

স্পেন সমর্থক : সিয়াম আহমেদ ও অমৃতা খান।

ইতালি সমর্থক : শবনম ফারিয়া ও জাহারা মিতু [যদিও ইতালি এবার বিশ্বকাপে নেই]।

কেমন চলছে ঈদের ছবি

ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছে আটটি ছবি। ঈদের ছবি দেখতে সিনেমা হলগুলোতে দর্শকের উপস্থিতি কেমন, কোন ছবি কেমন চলছে, সিনেমা হল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন হৃদয় সাহা

কেমন চলছে ঈদের ছবি
‘রকস্টার’ ছবিতে শাকিব খান

বেশ কয়েক বছর ধরেই ঈদকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে ঢাকাই সিনেমা। এবারের দুই ঈদেও মিলল তার প্রমাণ। দেশের সিঙ্গল স্ক্রিন ক্রমেই কমছে, গুটিকয়েক যা টিকে আছে তার বেশির ভাগেরই পরিবেশ ভালো নয়। পাশাপাশি গড়ে উঠেছে বেশ কিছু মাল্টিপ্লেক্স। এগুলোর ওপর ভরসা করেই কোরবানির ঈদে মুক্তি পেয়েছে আটটি ছবি—আজমান রুশোর ‘রকস্টার’, মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের ‘বনলতা সেন’, সাইফ চন্দনের ‘মালিক’, সৈকত নাসিরের ‘মাসুদ রানা’, জাহিদ জুয়েলের ‘পিনিক’ এবং বদিউল আলম খোকনের ‘তছনছ’ ও ‘অফিসার’।

ঈদে আটটি ছবি মুক্তির সিদ্ধান্ত যে ভালো ছিল না, তার সত্যতা পাওয়া যায় সিনেমা হলে দর্শকের কম উপস্থিতিতে। গত কয়েক বছরের ঈদে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের সমাগম দেখা গেলেও এবার চিত্রটা ভিন্ন। দর্শকের উপস্থিতি মোটেও সন্তোষজনক নয়। ছবির মান, গল্প নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে অনেক দর্শক। এই প্রসঙ্গে সিনেপ্লেক্সের প্রধান মিডিয়া কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ঈদে স্টার সিনেপ্লেক্সে দর্শকের কাছ থেকে যেমন সাড়া পাওয়ার আশা আমরা করেছিলাম, বাস্তব চিত্রটি ঠিক তেমন হয়নি। আমাদের প্রত্যাশা আরো বেশি ছিল।’

প্রতিবারের মতো এবারেও ঈদের প্রধান আকর্ষণ শাকিব খান অভিনীত ছবি। আজমান রুশো তাঁর ‘রকস্টার’-এ এক রকস্টারের জীবনী তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। মূল চরিত্রে শাকিব খানের সঙ্গে আছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা। আগে থেকেই এই ছবি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ-উন্মাদনা শাকিব ভক্তদের। তবে ছবি দেখার পর পাওয়া গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, যার প্রভাব পড়েছে শোগুলোতে। এই প্রসঙ্গে সিনেপ্লেক্সের প্রধান মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, ‘শাকিব খান আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মেগাস্টার এবং তাঁর ছবির প্রতি দর্শকের প্রত্যাশা সব সময়ই আকাশচুম্বী থাকে। এই ছবিতে তিনি একদম ভিন্ন লুকে এবং একটি এক্সপেরিমেন্টাল চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মেগাস্টারের যেকোনো নতুন কিছু করার চেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। শাকিব খানের নিজস্ব একটি বিশাল দর্শকশ্রেণি আছে, যারা নিয়মিত হলে আসছে। হয়তো ঈদের অন্য মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির তুলনায় এর দর্শক কিছুটা নির্দিষ্ট, তবে মাল্টিপ্লেক্সের দর্শক হিসেবে আমরা এই বৈচিত্র্যকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি।’ ‘রকস্টার’ নিয়ে যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাসের  বিপণন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান মাহবুব বলেন, “গত ঈদে ডিসিপি সমস্যা থাকার পরেও আমরা ‘প্রিন্স’ চালিয়েছি, ভালো সাড়াও পেয়েছি। তবে এবার আমরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাইনি। সম্ভবত শাকিব খানের যারা ভক্ত আছে, তারা এই চরিত্রে শাকিবকে দেখে পছন্দ করতে পারেনি।” যমুনা ব্লকবাস্টার কাঙ্ক্ষিত দর্শক না পেলেও ‘রকস্টার’ দেখতে দর্শক বেশ ভিড় জমিয়েছে লায়ন সিনেমাসে, এমনটাই জানিয়েছেন তাদের কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভ আব্দুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, ছুটির দিনগুলোতে শো হাউসফুল গেলেও এখন দর্শক কিছুটা কমেছে।

 

কেমন চলছে ঈদের ছবি

‘মালিক’-এর পোস্টারে শুভ ও মিম

 

‘রকস্টার’-এর পরেই সাইফ চন্দনের ‘মালিক’। ‘তারকাঁটা’, ‘সাপলুডু’র প্রায় সাত বছর পর এই ছবিতে জুটি বেঁধে পর্দায় ফিরেছেন আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম। ব্লকবাস্টারসের বিপণন কর্মকর্তা বলেন, “রকস্টারের পর ‘মালিক’ ছবিতে আমরা বেশি সাড়া পাচ্ছি, দিন যত গড়াচ্ছে ‘মালিক’-এর দর্শক বাড়ছে।”

পারিবারিক টানাপোড়েন ও অ্যাকশন দৃশ্য থাকায় ছবিটি পছন্দ করছে অনেক দর্শক।

 

কেমন চলছে ঈদের ছবি

‘রইদ’-এর দৃশ্য

 

‘আর্ট হাউস’ ঘরানার ছবি মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ এবং মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের ‘বনলতা সেন’, দুটি ছবিই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানছে, যা আশাব্যঞ্জক বলে মনে করছে হল কর্তৃপক্ষ। ‘রইদ’-এ নাজিফা তুষি ও মুস্তাফিজুর নূর ইমরানের অভিনয় ভূয়সী প্রশংসা পাচ্ছে। পাশাপাশি এই ছবির গল্প,  সমাপ্তি নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। অন্যদিকে সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘বনলতা সেন’-এর নির্মাণশৈলী চোখ জুড়িয়েছে বহু দর্শকের। এ ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাসুমা রহমান নাবিলা, খায়রুল বাসার, সোহেল মণ্ডল, মায়মুনা মম, প্রিয়ন্তী উর্বী প্রমুখ।

ডিসিপি সমস্যার কারণে সৈকত নাসিরের ‘মাসুদ রানা’ নিয়ে শুরুতে বিপাকে পড়েছিল ব্লকবাস্টারস সিনেমাস। পরে সেই সমস্যা কেটে গেছে। এই ছবি দেখতেও ভিড় জমাচ্ছে দর্শক। জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত এই ছবিতে মাসুদ রানার ভূমিকায় রাসেল রানাকে পছন্দ করছে দর্শক। জাহিদ জুয়েলের ‘পিনিক’ও শুরুতে আশানুরূপ সাড়া পায়নি। তবে আদর আজাদ ও শবনম বুবলী জুটি অভিনীত ছবিটিও এখন দেখতে আসছে দর্শক। 

ঈদের বাকি দুই ছবি বদিউল আলম খোকনের ‘অফিসার’ ও ‘তছনছ’ সেভাবে এখনো সাড়া ফেলতে পারেনি।

 

‘শহরের উষ্ণতম দিনে’ গায়কের মুখোমুখি ‘সত্যি বলছি’র গায়ক

সুব্রত ঘোষ—ওপার বাংলার ব্যান্ড ‘গড়ের মাঠ’-এর সদস্য। আরো বড় পরিচয়, তিনি ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র কালজয়ী বহু গানের অন্যতম স্রষ্টা। এই শিল্পীর মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশের গায়ক-সুরকার জয় শাহরিয়ার

‘শহরের উষ্ণতম দিনে’ গায়কের মুখোমুখি  ‘সত্যি বলছি’র গায়ক

কলকাতায় বছরের শেষ সকাল। ‘শহরের উষ্ণতম দিন’ হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। বরং হালকা শীতের আমেজ চারদিকে। উবার কল করে রওনা হলাম লর্ডস মোড়ের দিকে। গন্তব্য দ্য স্টুডিও স্পেস। উদ্দেশ্য এক প্রিয় গানওয়ালার সঙ্গে সাক্ষাৎ, যিনি আমার কৈশোর রাঙিয়েছেন তাঁর সুরে-কণ্ঠে। ‘ধাঁধার থেকেও জটিল তুমি’, ‘শহরের উষ্ণতম দিনে’, ‘মানুষ চেনা দায়’, ‘যখন ধোঁয়া মেঘে’, ‘তোমায় দিলাম’—এমন সব দারুণ গানের সুরকার আর কণ্ঠশিল্পী তিনি

 

কেমন আছেন দাদা? কেমন চলছে গান?

ভালো আছি, জয়। নিজ শহর থেকে দূরে প্রবাসজীবনে চাইলেও মন ভরে বাংলা গান নিয়ে অনেক কিছু করতে পারি না৷ তবে চেষ্টা করি গানের মধ্যেই থাকতে, কারণ সেটাই আমার অক্সিজেন।

 

দাদা গানের সঙ্গে সখ্য কিভাবে? আপনার গান বানানোর গল্প জানার খুব ইচ্ছা আমার।

গাইছি তো ছোটবেলা থেকেই৷ বাসায় বোনেরা গান করতেন, তাঁদের সঙ্গেই শুরু। কিন্তু গান বানাব, সেটা ভেবেছি অনেক পরে। আমাদের কলেজের ফ্রেশার্স রিসেপশনে ইন্দ্রনীল সেন এলেন। তিনি দুটি গান গাইলেন, যার একটি জীবনানন্দ দাশের ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাকে সুর করে বানানো, আরেকটি ছিল গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের গান ‘কথা দিয়া বন্ধু’। তখনো গৌতমদার সঙ্গে পরিচয় হয়নি। গান দুটি শুনে খুব ইম্প্রেসড হলাম। মনে হলো, এমন তো আমরাও চেষ্টা করতে পারি৷ নিজেরা গান তৈরি করে গাইতে পারি। প্রথম দিকে ইংরেজি গানের ভাবানুবাদ করে বাংলায় গাইতাম। তারপর ধীরে ধীরে নিজেরাই বানানো শুরু করলাম।

 

প্রথম কোন গান সুর করলেন, মনে পড়ে?

হ্যাঁ, মনে আছে। হঠাৎ করেই করা। তখন কলেজে পড়ি। আমি, উপল আর জয়জিৎ। আমরা তিন বন্ধু মিলেই বানাই আমাদের সেই গান। উপল দার্জিলিং থেকে ফিরে এসে লিখল দুটি লাইন—‘ও আমার প্রিয় হিমালয়, হাতছানি দিয়ে ডাকছ আমায়, মন তাই হয়েছে উতলা, বলো আজ কে আর থামায়?’ পরে বাকিটুকু জয়জিৎ লেখে। প্রথমটুকু উপল সুর করে, মাঝের অন্তরা আমি, আর শেষেরটুকু জয়জিৎ। এভাবেই তিন বন্ধু মিলে বানালাম একটি গান, যেটা আমার জীবনে প্রথম মৌলিক গানের সুর করা।

 

এরপর নিয়মিত গান বানানো শুরু করলেন? কবে থেকে সেটা?

অনেকটা তা-ই। কলেজের কথা। প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়তাম। একদিন কলেজের মাঠে শুনলাম ছেলেরা গাইছে ‘হায় ভালোবাসি’। তারপর কারো কাছে প্রথম ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র ক্যাসেট পেলাম। শুনে দারুণ ইন্সপায়ার্ড হলাম। মনে হলো, ইংরেজি গানের ভাবানুবাদ আর কেন? নিজেরাই তো লিখে, সুর করে বানাতে পারি। ব্যাস, লেগে পড়লাম। জয়জিৎ লিখে ফেলল ‘ঘেন্না করো, কলেজ ক্যান্টিন, বাড়লে বয়েস’। আমি সুর করলাম। তৈরি হতে থাকল আমাদের নিজেদের গান।

 

গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের কাছে আপনাদের গান পৌঁছল কিভাবে?

আমরা তো গান বানাচ্ছি; কিন্তু সেগুলো কিভাবে কী করব তা বুঝতে পারছি না। আমার পাড়ার এক দাদা তখন বললেন, ‘চলো, তোমাদের নিয়ে যাই আমার এক দাদার কাছে। তিনি তোমাদের পথ দেখাতে পারবেন।’ সেই মানুষটি হলেন গৌতম চট্টোপাধ্যায়। এভাবেই পরিচয় হলো দাদার সঙ্গে। আমরা অ্যালবাম বের করতে গিয়েছিলাম। গৌতমদা বললেন, ‘এখন অ্যালবাম করার চিন্তা ছাড়ো, গান বানাও, গান করো।’ সেটা ১৯৮৯ সালের কথা। আমরাও গৌতমদার সঙ্গে মিশে গেলাম। আমাদের সৃষ্টি, ভাবনা সব তাঁর সঙ্গে শেয়ার করতাম। সেভাবেই চলতে থাকল।

 

‘গড়ের মাঠ’ শুরু হলো কবে, কিভাবে? ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ সম্পাদিত গানের অ্যালবামে যুক্ত হওয়ার গল্পটাও শুনতে চাই।

এর সবকিছুই এক সুতোয় গাঁথা। ১৯৯৩ সালের দিকে গৌতমদা একটি সরকারি কাজ পেলেন, মৌলিক গানের ভিডিও নির্মাণের প্রজেক্ট। সেই কাজ করতে করতে তাঁর বাজেট গেল ফুরিয়ে। গৌতমদা যা-ই করতেন সব গ্র‍্যান্ড স্কেলে করতেন। তখন তাঁর হঠাৎ বুদ্ধি এলো যে ভিডিওর গানগুলো অডিও রেকর্ড করে ক্যাসেট বের করা যাক। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, বিক্রি হবে কোথায়? তিনি বললেন, বইমেলায়। তাহলে একটা বই লাগবে। যেই ভাবা সেই কাজ। গানগুলোর লিরিকসমেত বই হলো। ক্যাসেট হলো। বইমেলায় স্টলের সামনে আমরা সবাই জড়ো হয়ে গানগুলো গাইতাম। মানুষের আগ্রহ হলে স্টলে গিয়ে বই আর ক্যাসেট কিনত। প্রত্যাশার চেয়ে ভালো সাড়া পেলাম আমরা। ১০ দিনে সব বিক্রি হয়ে গেল। এভাবেই হলো ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ সম্পাদিত গানের প্রথম অ্যালবাম ‘আবার বছর কুড়ি পরে’। সেখানেই স্থান পেলো আমার আর জয়জিতের গান ‘ঘেন্না করো’ বা ‘ধাঁধার থেকেও জটিল তুমি’। সেই গান প্রকাশের সময় আমাদের দলের একটি নাম দরকার হলো। তখন ঠিক হলো ব্যান্ডের নাম—‘গড়ের মাঠ’। গৌতমদা ব্যান্ডের একটি নাম চাইলে জয়জিৎ তিনটি নাম দেয়। সেখান থেকে গৌতমদাই পছন্দ করেন ‘গড়ের মাঠ’। ব্যান্ডে আমার দুই ভাইও ছিল আমাদের সঙ্গে—সুখেন্দু আর সুমন্ত। সুখেন্দু সাউন্ড করত, সুমন্ত বাজাত বেইস। এ ছাড়া ছিল সুব্রত লোধ টিটো, সে বাজাত পারকাশান। আর জয়জিৎ লাহিড়ী লিখত লিরিক। এভাবেই তৈরি হলো ‘গড়ের মাঠ’।

 

‘তোমায় দিলাম’ আর ‘মানুষ চেনা দায়’—দাদা, আপনার কালজয়ী এই দুই গানের গল্প শুনতে চাই।

দুটি গানই জয়জিৎ লাহিড়ীর লেখা, আমার সুর ও কণ্ঠ। আমরা খুব বন্ধু, স্কুল থেকেই। জয়জিৎ একটি সরকারি চাকরি পেয়ে চলে গেল কলকাতার বাইরে। তখন কলকাতায় আসতে হলে একটাই ট্রেন লাইন ছিল পুরুলিয়া থেকে। তাই চাইলেই যেকোনো সময় সে আসতে পারত না কলকাতায়। সেই সময় সে দারুণ মিস করত এই শহর। শহরের ফুটপাত, বেলুনগাড়ি, দালানকোঠা—সব। সেই মিস করা থেকেই লেখা ‘তোমায় দিলাম’ গানটি। ১৯৯৫ সালে প্রথম অ্যালবামটা বের হওয়ার পরেই তৈরি হয় এই গান। ১৯৯৬ সালে আমরা প্রথম স্টেজে পারফরম করি। আর ‘মানুষ চেনা দায়’ গানটি অনেক আগে করা; কলেজে থাকতেই। এই গানের একটি মজার ঘটনা আছে। প্রথমে গানটি ছিল মেজর স্কেলে। পরে আমাদের এক আড্ডায় অনুপ ঘোষালের একটি গান শোনায় আমার বন্ধু উপল, নাম ‘আদালতের জবানবন্দি’। সেখানে মেজর থেকে মাইনরে চলে যায় গানটি একসময়। সেটা শুনে আমার এতই ভালো লাগে যে আমি এ গানটিকে পরে মাইনর কর্ডসে নিয়ে যাই। ভিন্ন সময়ে করা হলেও দুটি গানই ১৯৯৬ সালে ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ সম্পাদিত গানের দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ঝরা সময়ের গান’-এ প্রকাশ পায়।

 

গান নিয়েই তো আছেন। বর্তমানে কী করছেন আর ভবিষ্যতের জন্য কী ভাবছেন?

নতুন গান করছি। আশা করি, প্রকাশ পাবে এ বছর। একটি ইন্টারনেট রেডিও করার পরিকল্পনা আছে৷ বর্তমান, ভবিষ্যৎ যা-ই হোক, গানেই থাকতে চাই।

 

পাঠক

পাঠক

আপনার লেখা, এমনকি ছবিও ছাপা হতে পারে রঙের মেলায়। বিনোদনজগতের সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি আপনার মনে দাগ কেটেছে, সে বিষয়ে মূল্যবান মতামত দিন। লিখতে পারেন প্রিয় তারকাকে নিয়েও। কোনো চলচ্চিত্র, সংগীত, টিভিনাটক বা মঞ্চনাটকের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। সুলিখিত হলে অবশ্যই তা ছাপা হবে।

প্রিয় তারকার সঙ্গে ছবি তোলা বা তাঁর অটোগ্রাফ নেওয়া অনেকের শখ। আপনার সংগ্রহে যদি সে রকম কোনো ছবি বা অটোগ্রাফ থাকে, সেই ছবি ও অটোগ্রাফের সঙ্গে নেপথ্যের গল্প লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে।

 

লেখা ও ছবি পাঠানোর নিয়ম

 

      পৃষ্ঠার এক পাশে লিখুন  

      লিখতে হবে ৩০০ শব্দের মধ্যে

      অটোগ্রাফ বা ছবির অনুলিপি পাঠাতে হবে

     ছবি ও অটোগ্রাফ সংগ্রহের স্থান, সময় উল্লেখ করতে ভুলবেন না

      লেখার নিচে ই-মেইলসহ [থাকলে] পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা লিখুন

      ই-মেইলে লেখা পাঠানোর ঠিকানা : [email protected]

      ডাকে পাঠানোর ঠিকানা : রঙের মেলা, কালের কণ্ঠ, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯