• ই-পেপার

অস্তিত্ব সংকটে বেঙ্গল টাইগার

বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করুন

বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করুন

বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত মূল্যবান ও অপরিহার্য সম্পদ। অথচ প্রতিদিন অবহেলা ও অসচেতনতার কারণে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে, যা দেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করছে। দিনের উজ্জ্বল আলো থাকা সত্ত্বেও খালি ঘরে বাতি ও পাখা অনর্থক চলছে, বিপণিবিতান ও অফিস-আদালতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় চালিয়ে দরজা-জানালা খোলা রাখা হচ্ছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সামান্য সচেতনতা, দায়িত্বশীল মনোভাব ও সঠিক ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। বিদ্যুৎ অপচয়ের ফলে শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কৃষিকাজে সেচ কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন, বিষয়টির গুরুত্ব গভীরভাবে অনুধাবন করে জাতীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান পরিচালনা করুন এবং অপচয় রোধে উপযুক্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। সবার সম্মিলিত সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও সহযোগিতায় বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করা সম্ভব হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

মুহাম্মদ শাফায়াত হুসাইন

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া

প্যারাসিটামল নিয়ে চাই সতর্কতা

প্যারাসিটামল নিয়ে চাই সতর্কতা

সামান্য মাথা ব্যথা বা একটু জ্বর জ্বর ভাব? কোনো চিন্তা না করেই আমরা পকেট থেকে বের করে খেয়ে নিচ্ছি একটি প্যারাসিটামল। মুড়ি-মুড়কির মতো ওষুধ কেনার এই সহজলভ্যতা আমাদের সাময়িক আরাম দিলেও অজান্তেই ঠেলে দিচ্ছে এক ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকির দিকে।

প্যারাসিটামল সেবনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সতর্কতা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা নিয়মিত অ্যালকোহল গ্রহণ করে বা যাদের লিভারে আগে থেকেই সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য প্যারাসিটামল অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্রতিবার ওষুধ সেবনের মাঝে অন্তত চার থেকে ছয় ঘণ্টার ব্যবধান রাখা বাঞ্ছনীয়। এই নিয়মের ব্যতিক্রম হলে এবং মাত্রাতিরিক্ত প্যারাসিটামল গ্রহণ করলে লিভার ও কিডনি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশে ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী, প্রেসক্রিপশন ছাড়া নির্দিষ্ট ওষুধ বিক্রি নিয়ন্ত্রিত হওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তবে এই আইন কার্যত উপেক্ষিত। সাধারণ মানুষের এই অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ কেনার প্রবণতা বন্ধে এবং ফার্মেসিতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি। প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

সোমনা আক্তার

শিক্ষার্থী, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ

সড়কে বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ করুন

সড়কে বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ করুন

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন বহু মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। দেখা গেছে, এসব দুর্ঘটনার পেছনে অন্যতম কারণ বেপরোয়া গতি। হাইওয়েতে বাস ছুটছে ১২০-১৩০ কিমি বেগে, আর শহরের ৩০ কিমি জোনে মোটরসাইকেল চলছে ৭০ কিমি বেগে। এই গতির নেশায় চালক মুহূর্তেই হারাচ্ছে নিয়ন্ত্রণ, আর তার খেসারত দিতে হচ্ছে নিরীহ পথচারী, রিকশাচালক আর স্কুলগামী শিশুদের। এমনকি চালক নিজেকেও। স্কুল-কলেজ, হাসপাতালের সামনেও গাড়ির গতি কমছে না। গতি নিয়ন্ত্রণের আইনও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এর প্রয়োগ চোখে পড়ে না। স্পিড গান, সিসি ক্যামেরা, স্বয়ংক্রিয় জরিমানার কথা আমরা কাগজে-কলমেই শুনি। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ, জনস্বার্থে এখনই সব সড়কে ডিজিটাল স্পিড মনিটরিং বাধ্যতামূলক করুন। ওভারস্পিডিং করলে কঠোর জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলের নিয়ম চালু করুন। একই সঙ্গে স্কুল, হাসপাতাল ও বাজার এলাকায় স্পিডব্রেকার ও সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বসান এবং চালকদের মানসিক স্বাস্থ্য ও গতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন।

মুহাম্মদ শাফায়াত হুসাইন

শিক্ষার্থী, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া

অবিলম্বে সড়কের সংস্কার চাই

অবিলম্বে সড়কের সংস্কার চাই

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার হাতেম আলী সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে করুণ দশায় থাকলেও সংস্কার হচ্ছে না। পৌর শহরের এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করে। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন গৌরীপুর পাইলট বালিকা, আরকে স্কুল, ইসলামাবাদ সিনিয়র মাদরাসা, পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অগ্রদূত হাই স্কুলের শিক্ষার্থীসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও মহল্লার বাসিন্দারা চলাচল করে। কিন্তু সহজ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি হলে পুকুরের ময়লা পানি আসে এই সড়কে। এ সময় বাসাবাড়ির শৌচাগারের ময়লাও সড়কে চলে আসে। এদিকে পৌর কর্তৃপক্ষ ভাঙা ইটের টুকরা ও মাটি দিয়ে সড়কটির মেরাতম করলেও তা সাময়িক। এতে স্থায়ী কোনো সমাধান হয় না। এলাকার বহুল ব্যবহৃত এই সড়কটির দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন। কোনো জোড়াতালি দিয়ে কাজ করলে হবে না, এখানে টেকসই ও পরিকল্পিত সংস্কারমূলক কাজ করতে হবে। এ জন্য গৌরীপুর পৌর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. হারুন মিয়া

গৌরীপুর, ময়মনসিংহ