• ই-পেপার

কোরআনের বর্ণনায় যাদের ধ্বংস অনিবার্য

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব-১১৫২

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

যখন কিয়ামতের দিন মানুষকে একত্র করা হবে, তখন সেগুলো হবে তাদের শত্রু এবং সেগুলো তাদের ইবাদত অস্বীকার করবে।...আমি কোনো নতুন রাসুল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের ব্যাপারে কী করা হবে। আমি আমার প্রতি যা ওহি করা হয় শুধু তারই অনুসরণ করি। আর আমি এক স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।

(সুরা : আহকাফ, আয়াত : ৬-৯)

আয়াতগুলোতে বিবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. কিয়ামতের দিন সব মিথ্যা উপাস্যরা উপাসকদের শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হবে এবং তারা পরস্পরকে অভিশাপ করবে।

২. অবিশ্বাসীরা কোরআনকে জাদু বলত এর অপ্রতিরোধ্য প্রভাবের কারণে। কেননা কোরআন অস্বীকার করলেও তা শুনে তারা নিজেরাও প্রভাবিত হয়ে যেত।

৩. কোনো নবীর জন্যও তাঁর প্রতি নাজিল হওয়া ওহিতে পরিবর্তন করার অনুমতি ছিল না। তাঁরা ছিলেন ওহির বিশ্বস্ত প্রচারক।

৪. (৯ নম্বর) আয়াতটি রহিত হয়ে গেছে। পরবর্তী একাধিক সুরা ও আয়াতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পরকালীন মর্যাদা ও অবস্থান বর্ণনা করা হয়েছে।

৫. কোরআন ও সুন্নাহ অনুসারে পরকালে আল্লাহ মহানবী (সা.)-কে অনন্য মর্যাদা দান করবেন। যেমন কাউছার দান করা, তাঁর সুপারিশে বিচার শুরু হওয়া, উম্মতের জন্য তাঁর সুপারিশ গ্রহণ করা, তাঁর জন্য সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজা খোলা ইত্যাদি। (তাফসিরে কুরতুবি : ১৯/১৮২)

বিশিষ্ট ইসলামী অর্থনীতিবিদ ড. ওমর চাপরার ইন্তেকাল

আবরার আবদুল্লাহ
বিশিষ্ট ইসলামী অর্থনীতিবিদ ড. ওমর চাপরার ইন্তেকাল

কিংবদন্তি ইসলামী অর্থনীতিবিদ, লেখক ও গবেষক ড. ওমর চাপরা ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। গত ১৩ জুন ২০২৬ (শনিবার) সৌদি আরবের মক্কায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। গতকাল রবিবার বাদ ফজর মসজিদুল হারামে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং তাঁকে মক্কার জান্নাতুল মুয়াল্লায় দাফন করা হয়।

ড. ওমর চাপরার মৃত্যুতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম তাঁর অফিশিয়াল ভেরিফায়েড ফেসবুকে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তানকে হারিয়েছে মানবসমাজ। ড. চাপরা তাঁর সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা, চিন্তার বিকাশ এবং জ্ঞানের মাধ্যমে মানবিক মর্যাদা সমুন্নত করার লক্ষ্যে।

ড. চাপরা ১৯৩৩ সালে ভারতের বোম্বেতে (বর্তমান মুম্বাই) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাকিস্তানের করাচি শহরে বেড়ে ওঠেন। তিনি ১৯৫০ সালে ইউনিভার্সিটি অব সিন্ধ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং ১৯৫৪ সালে ইউনিভার্সিটি অব করাচি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬১ সালে ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. চাপরা ১৯৬৫ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং প্রায় ৫৫ বছর ধরে সৌদি আরবের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। সৌদি আরবের ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরাবিয়ান মানিটরি এজেন্সির প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কাজ ও গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কারসহ একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার লাভ করেন। তিনি সৌদি আরবের নাগরিকত্বও লাভ করেন।

ড. চাপরার রচিত বইয়ের সংখ্যা ১৫টি এবং প্রবন্ধের সংখ্যা ৯০টির অধিক। আল্লাহ তাঁর ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমিন।

তথ্যসূত্র : দ্য হালাল টাইমস

আরব নিউজ ও দ্য ভাইবস ডটকম

কবরের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে মুক্তি পাবে যারা

আলেমা হাবিবা আক্তার
কবরের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে মুক্তি পাবে যারা

কবর অন্তহীন পরকালীন জীবনের প্রথম ঘাঁটি। ইসলামী আকিদা অনুসারে মুসলিম ও অমুসলিম সবাইকে পরকালে তিনটি প্রশ্ন করা হবে। এই তিন প্রশ্নের জবাব দিতে পারলে ব্যক্তির কবর হবে শান্তির, নতুবা তা জাহান্নামের টুকরায় পরিণত হবে। আর কবরে এই প্রশ্নগুলোর জবাব তারাই দিতে পারবে, যারা ঈমান ও ইসলামের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করবে।

কবরের প্রশ্ন ও তার জবাব

কবরে মানুষকে আল্লাহ, রাসুলুল্লাহ (সা.) ও ইসলাম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন : বান্দাকে যখন তার কবরে রাখা হয় এবং তাকে পেছনে রেখে তার সাথিরা চলে যায় (এতটুকু দূরে যে) তখনো সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়, এমন সময় তার কাছে দুজন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে দেন। অতঃপর তাঁরা প্রশ্ন করেন, এই যে মুহাম্মাদ! তাঁর সম্পর্কে তুমি কী বলো? তখন সে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসুল। তখন তাকে বলা হবে, জাহান্নামে তোমার অবস্থানের জায়গাটি দেখে নাও, যার পরিবর্তে আল্লাহ তাআলা তোমার জন্য জান্নাতে একটি স্থান নির্ধারিত করেছেন। নবী (সা.) বলেন, তখন সে দুটি স্থান একই সময় দেখতে পাবে। আর যারা কাফির বা মুনাফিক, তারা বলবে, আমি জানি না। অন্য লোকেরা যা বলত আমিও তাই বলতাম। তখন তাকে বলা হবে, না তুমি নিজে জেনেছ, না তিলাওয়াত করে শিখেছ। অতঃপর তার দুই কানের মাঝখানে লোহার মুগুর দিয়ে এমন জোরে মারা হবে, যাতে সে চিৎকার করে উঠবে, তার আশপাশের সবাই তা শুনতে পাবে মানুষ ও জিন ছাড়া। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৩৩৮)

যাদের কবরে প্রশ্ন করা হবে না

১. নবী-রাসুলদের : কোরআন ও হাদিসে এ কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়নি যে কবরে নবী-রাসুল (আ.)-কে প্রশ্ন করা হবে না। তবে ইবনুল কায়্যিম জাওজি (রহ.) বলেছেন, বেশির ভাগ আলেমের মত হলো, কবরে নবী-রাসুলদের প্রশ্ন করা হবে না। (আর-রুহ, পৃষ্ঠা-১১০)

২. শহীদদের : আল্লাহর রাস্তায় যাঁরা জীবন দান করেন তাঁদেরও কবরে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না। এক সাহাবি জিজ্ঞাসা করেন, হে আল্লাহর রাসুল! কেন শহীদ ছাড়া অন্য মুমিনরা কবরে ফিতনার সম্মুখীন হবে এবং এর কারণ কী? তিনি বললেন, তার মাথার ওপর তরবারির উজ্জ্বলতা তাকে কবরে ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকার জন্য যথেষ্ট হবে।

(সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ২০৫৩)

উল্লেখ্য, এখানে এই মর্যাদা শুধু সেসব শহীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে, যারা যুদ্ধের ময়দানে শহীদ হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন রোগ বা দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যু হলে যাদের শহীদ বলা হয়েছে তারা এই মর্যাদা পাবে না।

৩. সীমান্ত প্রহরীদের : ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা যারা পাহারা দেয় এবং কর্মরত অবস্থায় তাদের মৃত্যু হলেও কবরে কোনো প্রশ্ন করা হবে না। সালমানুল খায়ের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিন ও এক রাত সীমান্ত পাহারা দেয়, তার জন্য এক মাস রোজা রাখার ও রাত জেগে ইবাদতের সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি পাহারার কাজে নিয়োজিত থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তার জন্যও অনুরূপ সওয়াব রয়েছে। আর তাকে (জান্নাত থেকে) রিজিক বরাদ্দ দেওয়া হবে, আর সে সব ফিতনা (কবরের জিজ্ঞাসাবাদ ও শাস্তি) থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

(সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৩১৬৭)

৪. জুমার দিন মৃত্যু বরণকারীদের : যারা জুমার দিন মারা যাবে কবরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না। আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে মুসলিম জুমার দিনে বা রাতে মারা যাবে, আল্লাহ তাকে কবরের ফিতনা থেকে রক্ষা করবেন।

(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১০৭৪)

৫. পেটের পীড়ায় যাদের মৃত্যু হয় : পেটের পীড়ায় যাদের মৃত্যু হয় তাদের কবরে জিজ্ঞাসাবাদ ও শাস্তি হয় না। রাসুলুল্লাহ বলেছেন, যাকে তার পেট হত্যা করেছে তার কখনো কবরে শাস্তি হবে না।

(মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১৮৩১০)

৬. নিয়মিত সুরা মুলক পাঠকারী : যারা নিয়মিত সুরা মুলক পাঠ করে তাদেরও কবরে জিজ্ঞাসাবাদ ও শাস্তি হবে না। দীর্ঘ হাদিসের শেষে নবীজি (সা.) সুরা মুলক সম্পর্কে বলেছেন, সুরাটি প্রতিরোধকারী, নাজাত দানকারী। এটি কবরের আজাব থেকে পাঠকারীকে মুক্তি দেয়।

(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৮৯০)

বৃক্ষরোপণে অনন্ত সওয়াব

মাইমুনা আক্তার
বৃক্ষরোপণে অনন্ত সওয়াব

মানবজীবন, প্রাণিজগৎ ও পরিবেশের সুস্থতার সঙ্গে বৃক্ষের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টি গাছের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রেখেছেন, যে তা আমাদের অক্সিজেন দেয়, খাদ্য জোগায়, ছায়া দেয় এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। গাছপালার ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি ও পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে নয়নাভিরাম সর্বপ্রকার উদ্ভিদ উদ্গত করেছি। আর আমি আকাশ থেকে কল্যাণময় বৃষ্টি বর্ষণ করি এবং এর দ্বারা উদ্যান ও পরিপক্ব শস্যরাজি উদ্গত করি, যেগুলোর ফসল আহরণ করা হয়। (সুরা : কাফ, আয়াত : ৭-৯)

অন্য আয়াতে আল্লাহ ইরশাদ করেন, তারা কি লক্ষ করে না, আমি ঊষর ভূমির ওপর পানি প্রবাহিত করে তার সাহায্যে উদ্গত করি শস্য, যা থেকে তাদের গবাদি পশু এবং তারা নিজেরা আহার গ্রহণ করে। (সুরা : সাজদা, আয়াত : ২৭)

পবিত্র কোরআনের এই আয়াতগুলো দ্বারা বোঝা যায়, গাছপালা আমাদের পরম বন্ধু। কিন্তু বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, উষ্ণতা বৃদ্ধি ও পরিবেশদূষণ বিশ্ববাসীর জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে বর্তমান এই সংকটের সময়ে বলা যায়, বৃক্ষরোপণ শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি একটি ইবাদতও বটে।

ইসলাম প্রকৃতি সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। এমনকি পৃথিবীর শেষ মুহূর্তেও কল্যাণকর কাজ চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি নিশ্চিতভাবে জানো যে কিয়ামত এসে গেছে, তখন হাতে যদি একটি গাছের চারা থাকে, যা রোপণ করা যায়, তবে সেই চারাটি রোপণ করবে।

(আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৪৭৯)

বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশের উপকারই করে না, এটি মানুষের জন্য চলমান সদকাও হয়ে যায়। হাদিসে এসেছে, যদি কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষ রোপণ করে অথবা কোনো শস্য উৎপাদন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ কিংবা পাখি অথবা পশু ভক্ষণ করে, তবে তা উৎপাদনকারীর জন্য সদকা (দান) স্বরূপ গণ্য হবে।

(বুখারি, হাদিস : ২৩২০)

অন্য হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কোনো বৃক্ষ রোপণ করে, আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তাকে ওই বৃক্ষের ফলের সমপরিমাণ প্রতিদান দান করবেন। (মুসনাদে আহমাদ)

পক্ষান্তরে ইসলাম অকারণে বৃক্ষ নিধনকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহ করেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো বরইগাছ কাটবে আল্লাহ তাকে অধোমুখে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। ইমাম আবু দাউদ (রহ.)-কে এ হাদিসের অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ হাদিসের বক্তব্যটি সংক্ষিপ্ত্ত; এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, যে ব্যক্তি অকারণে বা অন্যায়ভাবে মরুভূমির কোনো বরইগাছ কাটবে, যেখানে পথিক বা কোনো প্রাণী ছায়া গ্রহণ করে আল্লাহ তাকে অধোমুখে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫২৩৯)

পবিত্র কোরআনের আয়াত ও হাদিসগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি গাছ শুধু একটি উদ্ভিদ নয়; এটি জীবন, কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আশার প্রতীক। তাই আসুন, আমরা বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করি, গাছের পরিচর্যা করি এবং আল্লাহর সৃষ্টি সংরক্ষণে নিজেদের দায়িত্ব পালন করি। এতে পরিবেশ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি আমরা আখিরাতের জন্যও অমূল্য সওয়াব সঞ্চয় করতে পারব।