একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সর্বশেষ তাঁরা ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে যুগ্ম সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন।
গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা এসব কর্মকর্তাকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে অবসর দেওয়া হয়েছে।
বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন চাঁদপুরের ডিসি মো. মাজেদুর রহমান খান, কুমিল্লার ডিসি মো. আবুল ফজল মীর, কুষ্টিয়ার ডিসি মো. আসলাম হোসেন, নেত্রকোনার ডিসি মঈনউল ইসলাম, বান্দরবানের ডিসি মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নাটোরের ডিসি মো. শাহরিয়ার, শরীয়তপুরের ডিসি কাজী আবু তাহের, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি এ জেড এম নুরুল হক, ময়মনসিংহের ডিসি মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের ডিসি মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, লক্ষ্মীপুরের ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল, রাঙামাটির ডিসি এ কে এম মামুনুর রশিদ, কক্সবাজারের ডিসি মো. কামাল হোসেন, সুনামগঞ্জের ডিসি মো. আব্দুল আহাদ, পাবনার ডিসি মো. জসিম উদ্দিন, ঝিনাইদহের ডিসি সরোজ কুমার নাথ, খাগড়াছড়ির ডিসি মো. শহিদুল ইসলাম, ফেনীর ডিসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান।
এ ছাড়া অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন বরিশালের ডিসি এস এম অজিয়র রহমান, ভোলার ডিসি মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পটুয়াখালীর ডিসি মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নীলফামারীর ডিসি নাজিয়া শিরিন, রাজশাহীর ডিসি এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার ডিসি মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের ডিসি মাহমুদুল কবীর মুরাদ, কিশোরগঞ্জের ডিসি মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর ডিসি সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার ডিসি মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের ডিসি আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের ডিসি মোছা. সুলতানা পারভীন, মানিকগঞ্জের ডিসি এস এম ফেরদৌস এবং চুয়াডাঙ্গার ডিসি গোপাল চন্দ্র দাশ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকার জনস্বার্থে তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া প্রয়োজন বলে বিবেচনা করায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে তাঁদের বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, তাঁরা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন। এর আগে গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩৩ জেলা প্রশাসককে ওএসডি করা হয়েছিল। সে সময় তাঁরা যুগ্ম সচিব হিসেবে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত ছিলেন।



