শনিবার ভোররাতে মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটেছে তা খুবই পরিচিত। বুধবারও এমনটা ঘটেছিল, যখন কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত, ৬০ জন আহত এবং আন্তর্জাতিক টার্মিনালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। বিমান হামলার সাইরেন, মানুষের ফোনের অ্যালার্ম, পাল্টাপাল্টি আক্রমণ—পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটাই যেন এক নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, আলোচনায় অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোর, মধ্যস্থতাকারীদের এবং জিসিসির জন্য শুধু অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোই নয়, বরং যুদ্ধ বন্ধের একটি পর্যায়ে পৌঁছানোও ততই কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রতিবার এ ধরনের হামলা রাজনৈতিক ও সামরিক অবস্থানকে আরো কঠোর করে তুলছে এবং তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ধারণাটিকে আরো বেশি ভঙ্গুর করে দিচ্ছে।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অবরোধের ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি যে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা এই গ্রহবাসী দেখছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
সামরিক কৌশলের ব্যবহার বাড়ছে : আলোচনা চলাকালে সুবিধা আদায়ের জন্য উভয় পক্ষই একই ধরনের সামরিক কৌশল অবলম্বন করছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যখনই তারা কোনো ধরনের মীমাংসার কাছাকাছি চলে আসে, তখনই এই অঞ্চলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো না কোনো আগ্রাসী পদক্ষেপ দেখতে পাওয়া যায়। বিশ্ববাসী লেবাননে এমনটা ঘটতে দেখছে এবং এর ফলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনার টেবিলে স্বাভাবিক নিয়মে নিজেদের সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে। কিন্তু ইসরায়েল যা করার চেষ্টা করছে তা হলো এক ধরনের বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা বজায় রাখা। কারণ যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি, দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতা বা কোনো মীমাংসায় একমত হতে পারে, তবে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সমাধানের একটি মঞ্চে পরিণত হবে। এবং ইসরায়েল এটিকে এই অঞ্চলে তার প্রভাব ও ক্ষমতার অবক্ষয় হিসেবে দেখে। চলমান যুদ্ধের প্রায় ১০০ দিনে এখন পর্যন্ত এটাই মূল গতি-প্রকৃতি।
ইরানের নতুন সামরিক কৌশল : কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিশ্ববাসী যা শুনে আসছে, তা লক্ষণীয়ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত সপ্তাহে আইআরজিসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত যেকোনো দেশ বা আকাশসীমা থেকে হামলা চালানো হলে তারা তার প্রতিশোধ নেবে। অর্থাৎ উপসাগরীয় অঞ্চলের যেকোনো স্থানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে দেশটি হামলার বৈধ টার্গেট বিবেচনা করে। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি নিয়ে সাম্প্রতিক বিবাদে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি তেলবাহী ট্যাংকার কোনো সমন্বয় ছাড়াই প্রণালিটি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। আইআরজিসির বিবৃতি অনুসারে, তারা সেগুলোর মধ্যে একটিকে সতর্ক করে দেয় এবং সেটি ফিরে যায়। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির দিকে মুখ করে থাকা কেশেম দ্বীপ এবং সিরি দ্বীপে রেভল্যুশনারি গার্ডের একটি টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান স্পষ্টভাবে জানায়, তারা এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে, বিশেষ করে কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তরে।
তবে কয়েক সপ্তাহ ধরে দেখা যাচ্ছে, ইরান সংঘাতকে বিস্তৃত না করেই এই অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এটিকে একটি নতুন সামরিক পরিকল্পনা হিসেবে উপস্থাপন করছে। গত কয়েক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধ, লেবানন সীমান্ত নিয়ে বিরোধ এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ লক্ষ করা গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা যুদ্ধবিরতির অবস্থাকে প্রভাবিত করেনি বা করতে পারেনি। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে কথা বলেন ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। এ সময় তিনি বলেন, লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা যদি চলতে থাকে, তবে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাতিল করে সরাসরি যুদ্ধের পথে হাঁটতে পারে। সূত্র : আল জাজিরা, অ্যাক্সিওস, রয়টার্স



শিরোপাপ্রত্যাশী এই দলের প্রাণভোমরা কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদে মৌসুমটা শিরোপাহীন কাটলেও বড় মঞ্চ রাঙানোর অপেক্ষায় এই তারকা। ফ্রান্সের তারকাসমৃদ্ধ আক্রমণভাগে এমবাপ্পের সঙ্গে আছেন ব্যালন ডি
গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনালে পণ্ডিত জওয়াহেরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে দর্শকের দেখা মেলেনি। গতকাল ফাইনাল বলে ভারতীয় কিছু সমর্থক মাঠে এসেছিলেন, যাঁরা কিনা ম্যাচজুড়েই স্বাগতিকদের সমর্থন জুগিয়ে গেছেন। এর প্রতিদানও