kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

ঈদের গয়না

পোশাকের বড় অনুষঙ্গ গয়না। ঈদে তাই নতুন পোশাকের সঙ্গে চাই ম্যাচিং গয়না। ঈদ বাজারে গয়নার খোঁজে গিয়েছিলেন জিনাত জোয়ার্দার রিপা

৬ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঈদের গয়না

মডেল : পল্লবী

পুরনো নকশাগুলোই ঘুরেফিরে এসেছে নতুনরূপে। কিছু ক্ষেত্রে আদি নকশার মূল থিম একই রকম থাকছে। কিছু গয়নায় পুরনোর সঙ্গে আধুনিক মোটিফের সমন্বয় ঘটেছে।

ধাতব গয়নার উপকরণে রুপা।

বিজ্ঞাপন

এ বছর রুপা ছাড়া অন্যান্য ধাতব গয়নাও চলছে। পিতল, ব্রোঞ্জ, ব্রাস মেটালের গয়নায় মুক্তা, পুঁতি, বিডস, স্টোন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করে নতুনত্ব আনা হচ্ছে।

পশুপাখি, ময়ূর, প্রজাপতি, ফুল-পাতার নকশা, প্রাকৃতিক নানা মোটিফের পাশাপাশি জ্যামিতিক মোটিফে হয়েছে ঈদের গয়না। গলার হার ও কানের দুলের সেট, লম্বা মালা বা চেইন, চোকার, সীতাহার, নেকলেস, লকেট সেট, বালা, চুড়ি, কানের দুল, আংটি, বাজু, পায়েল ব্রেসলেট, খোঁপার কাঁটাসহ রয়েছে সব ধরনের গয়না। চাঁদনীচকের মা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী আমিনুল ইসলাম রানা জানান, ‘রুপা ও মেটাল গয়নার চাহিদা ছিল সব সময়ই, এখনো আছে। তবে আগে মেটাল গয়নায় সোনার প্রলেপ দেওয়া গোল্ড প্লেটেড গয়না জনপ্রিয় ছিল। এখন রুপালি বা অক্সিডাইজ গয়নার চাহিদা বেশি। ’ এবার ঈদ যেহেতু বৃষ্টি আর ভাপসা গরমে, হালকা গয়নার বেচাকেনা তাই বেশি। মার্কেটগুলোতে পুঁতি, কাঠ, পিতল, কড়ি, ঝিনুকের শেল, সুতাসহ নানা ধরনের গয়না আর চুড়ির দেখা মিলছে। কনক দ্য জুয়েলারি প্যালেসের ডিজাইনার লাইলা খায়ের কনক বলেন, ‘খাঁটি দেশীয় রুপা থেকে শুরু করে মেটাল, পুঁতি, বিডস, স্টোনসহ বিভিন্ন ধরনের গয়না রেখেছি ঈদ কালেকশনে। বিভিন্ন স্টোনের গয়নাও চলবে এবার। ’

যাঁদের ধাতুতে অ্যালার্জি আছে তাঁদের জন্য সুতা বা ফেব্রিক্সের গয়না ভালো বিকল্প। সুতা দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে চুড়ি ও গলার মালা। সুতার সঙ্গে বিভিন্ন ধাতব নকশাও থাকছে। ছোট-বড় ধাতব লকেটেও ঝোলানো হয়েছে রঙিন সুতা। আছে কাঠের ওপর হ্যান্ডপেইন্ট ও বিভিন্ন রঙের বিডস দিয়ে তৈরি গয়না। সব পোশাকের সঙ্গেই মিলিয়ে কেনা যাবে ছিমছাম আরামদায়ক এসব গয়না। আর দামেও রুপা বা মেটাল গয়নার তুলনায় সাশ্রয়ী হওয়ায় পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কিনতে বাজেট নিয়ে ভাবতে হবে না।

রূপ বিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন জানালেন, ‘উৎসবের লুক ফুটিয়ে তুলতে বড় একটি গয়নাই যথেষ্ট। ঈদের কামিজ সাধারণত একটু নকশাদার হয়, তাই গলা বা কানে যেকোনো একটি গয়না বেছে নিন। চুড়িদারের সঙ্গে পায়ের নূপুর কিংবা আংটিও ভালো দেখাবে। শাড়ির সঙ্গে কানে দুলের বদলে গলায় চোকার বা ভরাট একটি নেকলেস পরতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কানে ছোট কানপাশা পরুন। অথবা কানে বড় ঝুমকা বা দুল পরলে গলা খালি রাখলেই ভালো। আবার জিন্স আর টপসের মতো পশ্চিমা পোশাকের সঙ্গে সনাতনি দেশি গয়না পরেই বোহেমিয়ান লুক ফুটিয়ে তুলছে মেয়েরা। ’