• ই-পেপার

স্বাস্থ্যচিত্র

হাত ধোয়ার সঠিক উপায়

ডায়াবেটিস

তীব্র গরমে ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়

ডা. শাহজাদা সেলিম

তীব্র গরমে ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়
ইনসুলিন ক্যারিয়ার বক্স

তীব্র গরমে কমবেশি সবারই নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। তবে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য সময়টা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। অতিরিক্ত গরমে পানিশূন্যতা, রক্তে শর্করার ওঠানামা এবং হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই গ্রীষ্মকালের উচ্চ তাপমাত্রা ও বাড়তি আর্দ্রতাপূর্ণ আবহাওয়ায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন।

* পর্যাপ্ত পানি পান করুন : তৃষ্ণা না পেলেও নিয়মিত পানি পান করুন। অতিরিক্ত ঘাম হলে পানির পরিমাণ বাড়ান। প্রয়োজনে ডাবের পানি, লেবুর শরবত (চিনি ছাড়া) বা ওরাল স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। কোমল পানীয় ও চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।

* রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন : গরমে অতিরিক্ত ঘাম হয়ে দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা। এ কারণে রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যেতে পারে। বমি, ডায়রিয়া বা অন্যান্য তাপজনিত অসুস্থতা  থেকেও গ্লুকোজের মাত্রায় তারতম্য হয়।

* ইনসুলিন সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন : সরাসরি রোদে বা অতিরিক্ত গরম জায়গায় ইনসুলিন বা ওষুধ রাখবেন না। ফ্রিজে রাখা সম্ভব না হলে আইসপ্যাক বা ইনসুলিন ক্যারিয়ার ব্যবহার করুন।

* বাইরে যাবেন সাবধানে : সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় কারণে বাইরে থাকা পরিহার করুন। এতে ডায়াবেটিসের পাশাপাশি অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকিও কমবে।

* খাওয়াদাওয়ায় সতর্কতা : পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক-সবজি ও ফলমূল খান। রাস্তার খোলা খাবার ও দূষিত পানি এড়িয়ে চলুন।

* ব্যায়াম করুন সময়মতো : ব্যায়াম বন্ধ করা যাবে না। ভোরে বা সন্ধ্যায় হাঁটা বা ব্যায়াম করুন। প্রচণ্ড গরমে কঠোর শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন।

* পায়ের যত্ন নিন : খালি পায়ে হাঁটবেন না। প্রতিদিন পা পরীক্ষা করুন। ফোসকা, ক্ষত বা সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কখন সতর্ক হবেন

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন

* অতিরিক্ত তৃষ্ণা পাওয়া

* মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়া

* বমি বা ডায়রিয়া

* অত্যধিক দুর্বলতা

* বিভ্রান্তি বা অস্বাভাবিক আচরণ

* রক্তে শর্করা ওঠানামা করা।

 

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক

এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

প্রোস্টেট স্ফীতি

পুরুষদের বার্ধক্যজনিত রোগ

বার্ধক্যের প্রভাবে প্রোস্টেট গ্রন্থির আকার বৃদ্ধি পায়। অনেকেই এর উপসর্গকে ক্যান্সার ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। প্রোস্টেট স্ফীতি কেন হয়, এর উপসর্গ ও চিকিৎসা নিয়ে লিখেছেন মেজর জেনারেল (অধ্যাপক) ডা. মো. শহীদুল ইসলাম, এসজিপি (অব.)

পুরুষদের বার্ধক্যজনিত রোগ

পুরুষের মূত্রথলির ঠিক নিচে বৃহদন্ত্রের (Rectum) সামনে ও মূত্রনালির (Urethra) ওপরের অংশকে ঘিরে প্রোস্টেট গ্রন্থি অবস্থিত। বীর্য তৈরি, শুক্রাণুর পরিচর্যা ও বীর্য বের হতে সাহায্য করে এটি। বয়সের সঙ্গে এর আকৃতি বৃদ্ধি পায়। পঞ্চাশোর্ধ্ব পুরুষদের মধ্যে ৬০ শতাংশেরই স্ফীত প্রোস্টেট গ্রন্থি রয়েছে। বয়স ৮০ পেরোলে এর হার ৯০ শতাংশ।

 

কেন বাড়ে প্রোস্টেট

ধারণা করা হয়, টেস্টোস্টেরন হরমোনের তারতম্য এর প্রধান কারণ। বংশগত কারণ ও অসংযত জীবনযাপনের কারণেও এমনটি হতে পারে। নিয়মিত কায়িক শ্রম বা ব্যায়াম করলে প্রোস্টেট স্ফীতির ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

 

উপসর্গ

* ঘন ঘন প্রস্রাব, দিনে কমপক্ষে ৮-১০ বার

* প্রস্রাবের বেগ হলে ধরে রাখার অক্ষমতা

* প্রস্রাব শুরু করতে দেরি হওয়া, সরু নালায় প্রস্রাব হওয়া অথবা থেমে থেমে হওয়া, চেপে চেপে প্রস্রাব বের করার প্রয়োজনীয়তা। প্রস্রাবের বেগ শেষেও কিছুক্ষণ ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব বের হওয়া

* রাতে কয়েকবার প্রস্রাব করা ইত্যাদি।

 

জটিলতা

প্রস্রাব আটকে থাকায় হতে পারে প্রস্রাবের নালি বা ব্লাডারে প্রদাহ, প্রস্রাবে রক্তপাত, মূত্রথলিতে পাথরের মতো জটিলতা। অ্যাডভান্সড স্টেজে প্রস্রাব পুরোপুরি আটকে যাওয়া বা কিডনি ফেইলিউরও দেখা দিতে পারে।

 

রোগ নির্ণয়

প্রোস্টেট স্ফীতি সন্দেহ হলে চিকিৎসক ডিজিটাল রেক্টাল এক্সাম করে দেখতে পারেন। প্রয়োজনে আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে প্রোস্টেট ও মূত্রথলির আকার, কিডনির সার্বিক পরিস্থিতি এবং কিডনির পরিস্থিতি পরীক্ষা করা যেতে পারে। ইউরোফ্লোমেটির মাধ্যমে রোগীর কতটুকু প্রস্রাব হয়, কেমন ধারায় হয় এবং কত সময় ধরে বেগ থাকে, সেটি বের করা যায়। এ ছাড়া মূত্র পরীক্ষা, রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা এবং পিএসএ পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনে প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে অতি সূক্ষ্ম যন্ত্র ঢুকিয়ে মূত্রনালি, প্রোস্টেট ও মূত্রনালি দেখা হয়। এসব পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

 

চিকিৎসা

* রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলে জীবনযাপন পরিবর্তনেই চিকিৎসা করা সম্ভব। ঠাণ্ডা পানীয়, অ্যালকোহল, ক্যাফেইন (চা, কফি, কোলা) এবং বিকল্প মিষ্টি পরিহার করা জরুরি। রাতে কম পানি খাওয়া, প্রস্রাব করে লম্বা ভ্রমণে বের হওয়া, বেশিক্ষণ প্রস্রাব ধরে না রাখা, প্রস্রাব করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার প্রস্রাব করার মতো অভ্যাস গড়ে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

* বৃদ্ধরা অনেক ধরনের ওষুধ গ্রহণ করেন, যা এসব উপসর্গ বাড়ায়। প্রয়োজনে বিকল্প ওষুধ প্রয়োগ করা যেতে পারে।

* অনিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব শুষে নিতে প্যাড পরা যেতে পারে। প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা জরুরি, তাই খেতে হবে সবজি ও ফলমূল।

* আলফা ব্লকার জাতীয় ওষুধ প্রোস্টেট ও মূত্রথলির মুখের মাংসপেশি শিথিল করে এবং প্রস্রাব করতে সহায়তা করে। আলফা রিডাকটেজ ইনহিবিটর প্রোস্টেট গ্রন্থির স্ফীতি কমাতে সহায়ক।

* অ্যাডভান্সড স্টেজে ইউরোলজিস্টের পরামর্শে অপারেশন করা যেতে পারে।

মনে রাখতে হবে, বয়স বাড়লে প্রোস্টেট বাড়বেই। উপসর্গ দেখা দিলেই ভীত হবেন না। তবে দ্রুত ইউরোলজিস্টের পরামর্শে চিকিৎসা নিন; অবহেলা করা যাবে না।

লেখক : সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ইউরোলজি

ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

শিশুদেরও হয় হৃদরোগ

সারা বিশ্বে প্রতি ১০০ শিশুর মধ্যে একটি শিশু হৃদরোগ নিয়ে জন্মায়। জন্মগত হৃদরোগের পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে হতে পারে শিশুদের হৃদরোগ। শিশুদের হৃদরোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা নিয়ে লিখেছেন ডা. শিরিন আক্তার

শিশুদেরও হয় হৃদরোগ
নবজাতকের হৃৎস্পন্দন পরীক্ষা করছেন চিকিৎসক। ছবি : সংগৃহীত

প্রচলিত ধারণা, হৃদরোগ শুধু বুড়োদের হয়। ছোটদেরও হৃদরোগ হতে পারে, এটি অনেকের অজানা। তাই শিশুদের হৃদরোগ দেখা দিলে এর উপসর্গ কেমন হয়, সেটি অনেকেই জানেন না। বুড়োদের হৃদরোগের উপসর্গ ছোটদের চেয়ে একেবারেই আলাদা। বুক ব্যথার মতো উপসর্গ সাধারণত শিশুদের বেলায় দেখা যায় না। হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুরা ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়ে, সব সময় থাকে ক্লান্ত ও দুর্বল। এসব উপসর্গ দেখে অভিভাবকরা ধরে নেন, শিশুটি জন্মগতভাবেই দুর্বল বা রোগা। উপসর্গগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা না করায় চিকিৎসকের শরণাপন্নও হন না অনেকে। ফলে ধীরে ধীরে হৃদরোগের প্রকোপ বাড়তে থাকে, স্থায়ী ক্ষতির শিকার হয় শিশু। তাই সবার উচিত শিশুদের হৃদরোগের বিষয়ে জানা, এর উপসর্গ নিয়ে সচেতন থাকা।

 

ধরন

শিশুদের হৃদরোগ দুই ধরনের। একটি জন্মগত হৃদরোগ (Congenital Heart Disease), অন্যটি অর্জিত হৃদরোগ (Acquired Heart Disease)| হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই হৃৎপিণ্ডে জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মায়। অন্য শিশুদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের কারণ হতে পারে বিভিন্ন ধরনের রোগ বা সংক্রমণের প্রভাবে।

হৃৎপিণ্ড বা রক্তনালির গঠনগত ত্রুটি থেকে হয় জন্মগত হৃদরোগ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যহৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর মাঝখানের পর্দায় ছিদ্র, হৃদযন্ত্রের ভালেভর ত্রুটি, বড় রক্তনালি অস্বাভাবিক সরু হওয়া কিংবা রক্তনালির অস্বাভাবিক সংযোগ। অন্যদিকে অর্জিত হৃদরোগের মধ্যে রয়েছে হৃৎপিণ্ডের আবরণী, দেয়াল বা ভালেভ সংক্রমণজনিত প্রদাহ এবং বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ। শিশুদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এ থেকেও হতে পারে হৃদরোগ।

 

কেন হয়

বেশ কিছু কারণে বাড়তে পারে জন্মগত হৃদরোগের ঝুঁকি। এর মধ্যে পারিবারিক ইতিহাস অন্যতম। এর পাশাপাশি যদি গর্ভবতী মায়ের রুবেলা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, উচ্চমাত্রার জ্বর, ডায়াবেটিস বা মৃগীরোগ হয়, সে ক্ষেত্রে সন্তানের হৃৎপিণ্ডে ত্রুটি দেখা দিতে পারে। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ধূমপান, মা-বাবার অধিক বয়সে সন্তান নেওয়া এবং মায়ের অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণেও শিশুর হৃদরোগ হতে পারে। পরিবারে জন্মগত হৃদরোগের ইতিহাস থাকলেও ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অর্জিত হৃদরোগের ক্ষেত্রে জীবাণু সংক্রমণ, বাতজ্বর, কিডনির রোগ, ভিটামিন বির অভাব এবং মারাত্মক রক্তশূন্যতা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে। দেহের অতিরিক্ত ওজন ও কিডনি রোগ থেকেও শিশুদের হৃদরোগ হতে পারে।

 

লক্ষণ ও নির্ণয়

হৃদরোগ মানেই বুকে ব্যথা হবেএমন নয়। শিশুদের হৃদরোগের উপসর্গ বড়দের চেয়ে আলাদা। রোগের ধরন অনুযায়ী শিশুর হৃদরোগের লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে। জন্মের পরপরই শ্বাসকষ্ট বা শরীর নীলচে হয়ে যাওয়া, বুকের দুধ খেতে কষ্ট হওয়া, ঘন ঘন সর্দিকাশি বা নিউমোনিয়া, অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে যাওয়া কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

রোগ নির্ণয়ের জন্য বুকের এক্স-রে, ইসিজি ও ইকোকার্ডিওগ্রাম করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে গর্ভাবস্থার ১৮ থেকে ২২ সপ্তাহের মধ্যে ফিটাল ইকোকার্ডিওগ্রামের মাধ্যমে কিছু জন্মগত হৃদরোগ আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব। মনে রাখতে হবে, হৃদরোগ যত আগে ধরা পড়বে, ততই চিকিৎসায় সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়বে।

 

প্রতিরোধ

জন্মগত হৃদরোগ প্রতিরোধে সঠিক বয়সে সন্তান নেওয়া জরুরি। পাশপাশি মায়েদের অবশ্যই রুবেলা ও অন্যান্য রোগের টিকা নিতে হবে, ক্রনিক রোগ রাখতে হবে নিয়ন্ত্রণে। মানসিক চাপ কমানো ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ সেবন করা জরুরি।

জন্মের পর শিশুকে যতটা সম্ভব রোগমুক্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে। কোনো রোগকেই হেলাফেলা করা যাবে না, ছোট-বড় সব রোগের সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। বুকের দুধ পান করানো জরুরি, বয়স ছয় মাস পেরোলে এর পাশাপাশি দিতে হবে সুষম খাবার।

 

চিকিৎসা

সব সময় জন্মগত হৃদরোগের চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হৃৎপিণ্ডের ছোট ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ওষুধের মাধ্যমে রোগের উপসর্গ ও বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ক্যাথ ল্যাব পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা যায় অনেকের, তবে জটিল সমস্যার জন্য সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

এ ধরনের আধুনিক চিকিৎসা এখন দেশেই সম্ভব। হৃদরোগের উপসর্গ দেখা দিলে তাই আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সময়মতো চিকিৎসা করা হলে অনেক শিশুর হৃদরোগ পুরোপুরি সেরে যায়। দেরিতে শনাক্ত হলে স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ায় অনেকটা সময় পেরিয়ে যায়, এতে শিশুর ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ে।

লেখক : এমবিবিএস, এফসিপিএস (পেডিয়াট্রিকস)

এমডি (পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি)

সহকারী অধ্যাপক ও কনসালট্যান্ট

শিশুরোগ বিভাগ

ইউনাইটেড মেডিক্যাল কলেজ হসপিটাল

মাইগ্রেনের জানা-অজানা

মাইগ্রেনের জানা-অজানা