• ই-পেপার

লুলাকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার নেতা

সিয়াটলে খাদ্য উৎসবে গুলি, নিহত ৩

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সিয়াটলে খাদ্য উৎসবে গুলি, নিহত ৩

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সিয়াটল শহরে স্পেস নিডল পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের কাছে খাদ্য উৎসব চলাকালে গুলিতে তিনজন নিহত ও কমপক্ষে চারজন আহত হয়েছেন। সিয়াটল পুলিশের সহকারী প্রধান টাইরন ডেভিস জানান, দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত আরেকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সহকারী পুলিশ প্রধান আরো বলেন, বন্দুকধারী দুজন ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। একজনকে আটক করা হয়েছে। আরেকজন পালিয়ে গেছেন। স্থানীয় সময় রবিবার সিয়াটল পুলিশ গুলির ঘটনার বিষয়ে জানায়। আহতদের মধ্যে দুই বছর বয়সী এক শিশু আছে। সিয়াটল পুলিশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছে। সেখানে তারা লিখেছে, সিয়াটল সেন্টারে গুলির ঘটনা ঘটেছে। সূত্র : বিবিসি

 

রিসোর্টের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

রিসোর্টের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে নির্মিতব্য বিলাসবহুল রিসোর্টের বিরুদ্ধে গতকাল বিক্ষোভ করা হয়। ছবি : রয়টার্স

বার্লিন প্রাইডে গাড়ি হামলায় হতাহতের স্মরণে নির্মিত স্মারক

বার্লিন প্রাইডে গাড়ি হামলায় হতাহতের স্মরণে নির্মিত স্মারক
বার্লিন প্রাইডে গাড়ি হামলায় হতাহতের স্মরণে নির্মিত স্মারক বেদিতে গতকাল শ্রদ্ধা জানান এক ব্যক্তি। ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন যুবক আবদুল বাল্লাউত ওরফে আবদুল বিকে গুলি করে হত্যা করেছে বার্লিন পুলিশ। ছবি : রয়টার্স

চীনের ‘নিষিদ্ধ নগরী’ আজও পর্যটক টানে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
চীনের ‘নিষিদ্ধ নগরী’ আজও পর্যটক টানে

চীনে এমন এক সুবিশাল রাজপ্রাসাদ রয়েছে, যাতে রয়েছে প্রায় ৯ হাজার ঘর। প্রায় ১০০টি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠা এই প্রাসাদে টানা ৫০০ বছর সাধারণ মানুষের প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ ছিল। সিনেমার কোনো কাল্পনিক গল্পের মতো শোনাক না কেন, বেইজিংয়ের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিস্ময়কর ঐতিহাসিক স্থাপত্যটির নাম ফরবিডেন সিটি (নিষিদ্ধ নগরী)।

ইউনেসকো ঘোষিত এই বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানটি ছিল চীনের সম্রাটদের আবাসস্থল, রাজনৈতিক ক্ষমতার মূল কেন্দ্র এবং রাজকীয় রহস্যে ঘেরা এক প্রাসাদ। বহু শতাব্দী ধরে এই প্রাসাদে সম্রাট, তাঁর পরিবার, রাজকীয় কর্মকর্তা এবং বিশ্বস্ত প্রাসাদ অনুচর ছাড়া অন্য কারো প্রবেশের অনুমতি ছিল না। বিনা অনুমতিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে চরম শাস্তি, এমনকি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া হতো।

চায়নিজ ভাষায় প্রাসাদটিকে বলা হয় জিজিনচেং বা পার্পল ফরবিডেন সিটি। প্রাচীন চীনারা বিশ্বাস করত, উত্তর তারা ছিল স্বর্গীয় সম্রাটের নিবাস। যেহেতু চীনের সম্রাটকে স্বর্গের সন্তান বলে গণ্য করা হতো, তাই পৃথিবীতে তাঁর প্রাসাদটিকেও সেই স্বর্গীয় প্রাসাদের প্রতিচ্ছবি হিসেবেই তৈরি করা হয়েছিল।

১৪০৬ থেকে ১৪২০ সালের মধ্যে সম্রাট ইয়োংলে রাজধানী নানজিং থেকে বেইজিংয়ে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে ১০ লাখেরও বেশি শ্রমিক ও কারিগর টানা ১৪ বছর পরিশ্রম করে প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। ১৪২০ থেকে ১৯২৪ সাল পর্যন্ত মিন ও চিং রাজবংশের মোট ২৪ জন সম্রাট এখান থেকে চীন শাসন করেছেন। ১৯১২ সালে চীনের শেষ সম্রাট পুয়ি তাঁর সিংহাসন হারান এবং ১৯২৪ সালে প্রাসাদ ত্যাগ করেন। এরপর এটি প্যালেস মিউজিয়াম হিসেবে সাধারণ মানুষের পরিদর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হয়। বিশাল এই ফরবিডেন সিটির আয়তন প্রায় ৭২ হেক্টর। এতে ৯৮০টি সংরক্ষিত ভবনে মোট আট হাজার ৮৮৬টি কক্ষ রয়েছে। এত দিন ধারণা করা হতো, এখানে ঠিক ৯ হাজার ৯৯৯টি ঘর আছে, তবে আধুনিক জরিপ সেটিকে ভুল প্রমাণিত করেছে। সূত্র : এনডিটিভি