সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে কর্মরত ২৬ বছর বয়সী নেপালি নিরাপত্তা প্রহরী তায়াব খান এবং তাঁর চার বন্ধু লটারিতে ৩০ মিলিয়ন দিরহামের (প্রায় ১০০ কোটি টাকা) মেগাজ্যাকপট জিতেছেন। ২০২৪ সালের শুরু থেকে পাঁচ বন্ধু মিলে নিয়মিত টাকা জমিয়ে লটারির টিকিট কিনতেন। গত সপ্তাহে দি ইউএই লটারির লাকি ডে ড্রয়ে তাঁদের ভাগ্য খোলে এবং প্রত্যেকে ছয় মিলিয়ন দিরহাম করে ভাগ পান। চার বছর ধরে প্রবাসে থাকা তায়াব জানান, এই অর্থ দিয়ে তিনি প্রথমে নেপালে পরিবারের জন্য একটি নতুন বাড়ি তৈরি করবেন। বাকি টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করার পাশাপাশি নিজের শখের গাড়ি ও ঘড়ি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এই জয় তাঁদের পাঁচ বন্ধুর জীবনকেই বদলে দিয়েছে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
সংক্ষিপ্ত
মায়ানমারের ভেতরে কোণঠাসা বিদ্রোহীরা
আবুধাবিতে লটারি জিতলেন নেপালি যুবক তায়াব খান

যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিবাসনবিরোধী সহিংসতা

যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিবাসনবিরোধী সহিংসতা চলাকালে বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে পুড়ছে নিউটাউনার্ডস রোড এলাকা। ছবি : রয়টার্স
দল বাঁচাতে সোনিয়ার বাড়িতে মমতা, নানা জল্পনা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয় ও লোকসভায় সংসদীয় দলে ভাঙন ধরায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। এমন দুর্দিনে দলের অখণ্ডতা রক্ষায় কংগ্রেসের শরণাপন্ন হয়েছে টিএমসি।
দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকের পরদিন গত মঙ্গলবার (৯ জুন) কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর ১০ জনপথের বাসভবনে তাঁর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর গতকাল বুধবার সকালে একই ভবনে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেড় ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠক করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
পিটিআই জানিয়েছে, দুই দলের শীর্ষ নেতারা ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপিবিরোধী দলগুলোকে ‘ইন্ডিয়া’ জোটে ভেড়ানো নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন। আবার দল ভেঙে দিয়ে মমতার কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তনের গুঞ্জনও শোনা গেছে। এদিকে এই বৈঠকের সময়ই কলকাতায় তৃণমূলের সদর দপ্তর ও মমতার বাসভবনে রাজ্য সিআইডি তল্লাশি চালিয়েছে। তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন একে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে তীব্র নিন্দা করেছেন। সূত্র : দ্য হিন্দু ও পিটিআই
ককরোচ জনতা পার্টি নিয়ে নরম সুর বিজেপির

ভারতে সম্প্রতি যাত্রা শুরু করা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দেশটিতে বিদ্যমান বেকারত্ব, প্রশ্ন ফাঁস ও অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধ যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, তার প্রতি এবার কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নিজেদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার তরুণ প্রজন্মকে কোনোভাবেই ‘বদনাম’ করা যাবে না। দলটির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, যুবসমাজের ক্ষোভকে অবহেলা করা উচিত হবে না। মঙ্গলবার এক জ্যেষ্ঠ বিজেপি নেতা বলেন, বিভিন্ন ইস্যুতে যুবকদের আক্রমণাত্মক অবস্থানের কারণে তাদের কলঙ্কিত করা ঠিক নয়। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ফলে প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও বাংলাদেশে সরকার পতনের ঘটনাও ঘটেছে। বিজেপির অভ্যন্তরে অনেকেই মনে করছেন, তরুণদের উত্থাপিত অভিযোগ ও ক্ষোভকে অবহেলা করা হলে তা ভবিষ্যতে আরো বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে রূপ নিতে পারে। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
