• ই-পেপার

কাঁঠালের বিচির মজাদার পদ

  • বর্ষায় বাংলাদেশের সবখানেই জাতীয় ফল কাঁঠালের ম ম ঘ্রাণ। কাঁঠাল খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি কাঁঠালের বিচিও বেশ মজার। কেবল কাঁঠালের বিচি ভাজিই নয়—নানা পদের ভর্তা, তরকারিও অনেকের প্রিয় পদ। কাঁঠালের বিচির পাঁচ পদ রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী জান্নাত আরা এ্যানি

বুদ্ধি বাড়ায় দাবা খেলা

আজ আন্তর্জাতিক দাবা দিবস। নিয়মিত দাবা খেলায় রয়েছে নানান উপকার। এমন কয়েকটি দিক নিয়ে লিখেছেন আয়েশা সিদ্দিকা স্বর্ণা

বুদ্ধি বাড়ায় দাবা খেলা
দাবা খেললে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়

অনেকেই আছেন, যাঁরা কোনো কিছুতেই মন বসাতে পারেন না। সারাক্ষণ অস্থিরতা কাজ করে। তাঁদের জন্য নিয়মিত দাবা খেলা উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। দাবা প্রশিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, দাবা শুধু আমাদের মনকে শান্ত করে তা-ই নয়, মনঃসংযোগ বৃদ্ধি, মনকে প্রফুল্ল করা এবং মানুষের আইকিউ বাড়াতেও ভীষণ সাহায্য করে।

স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি

বয়স হলে মানুষ স্মৃতিশক্তির দুর্বলতায় ভোগে। ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ রোগে ভোগে। তা থেকে বাঁচার একটি উপায় হচ্ছে নিয়মিত দাবা খেলা। যারা দাবা খেলে, তারা যারা দাবা খেলে না, তাদের চেয়ে বুদ্ধিমান হয়। ছোট থেকে দাবা খেললে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

বুদ্ধি ও সৃজনশীলতা বাড়ে

দাবা একটি কৌশলগত খেলা, যেখানে দ্রুত এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে হয়। দাবা খেলতে কোনো খরচা লাগে না, মাঠে দৌড়াতে হয় না। এখানে মগজ দিয়ে চিন্তা করে চাল চালতে হয়। প্রতিপক্ষের কৌশলকেও পরাস্ত করতে হয় চিন্তা করে। দাবা খেলতে গিয়ে অনেক সময় নতুন কৌশল তৈরি করতে হয়। এতে মগজের উভয় পাশে ব্যায়াম হয় এবং আমাদের বুদ্ধি ও সৃজনশীলতা বাড়ে।

হতাশা ও উদ্বেগ দূর করে

নিয়মিত দাবা খেলা আমাদের যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত ও দৃঢ় থাকার মানসিকতা তৈরি করে। এই খেলায় দরকার একাগ্র মনোযোগ। এ জন্য মস্তিষ্ক অহেতুক অন্যদিকে মনোযোগ দিতে পারে না। ফলে খেলার সময় হতাশা ও উদ্বেগ থেকে মুক্ত থাকা যায়।   

আত্মবিশ্বাসী ও কৌশলী হতে শেখায়

দাবা খেলার সময় খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং নিয়ম মানার অভ্যাস গড়ে ওঠে। খেলায় জয়ী হলে যেমন নিজের ওপর আস্থা বৃদ্ধি পায়, তেমনি হারলেও শেখার সুযোগ থাকে। সামাজিক পরিমণ্ডল বৃদ্ধি পায়। সবার সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে। প্রতিপক্ষকে হারাতে হলে অনেক হিসাব-নিকাশ করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা ব্যক্তিগত জীবনে মানুষকে কৌশলী হতে সাহায্য করে।

চাকরি ও মেধা বিকাশ

দাবা খেলায় ভালো করলে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পুরস্কার জেতা সম্ভব। দেশি-বিদেশি দাবা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে গ্র্যান্ড মাস্টারসহ বিভিন্ন খেতাব জিতে নিজের ও দেশের জন্যও সম্মান বয়ে আনতে পারেন যে কেউ। এ ছাড়া খেলোয়াড় কোটায় চাকরি পাওয়ারও সুযোগ রয়েছে।

এতসব কারণেই হয়তো ইউরোপের দেশ আর্মেনিয়ায় ছয় বছরের ওপর সব শিশুকেই দাবা খেলা শেখানো হয়। দেশটির কর্তৃপক্ষের ধারণা, ছোট থেকে দাবা খেললে একটা বুদ্ধিভিত্তিক বিকাশের মধ্য দিয়ে বড় হবে শিশুরা, যা ভবিষ্যতে চিন্তা-ভাবনার ক্ষেত্রে কাজে দেবে।

 

 

 

ব্যায়ামের ভুল

শরীরের সুস্থতার জন্যই আমরা জিমে যাই, ব্যায়াম করি। কিন্তু ব্যায়ামের ভুলের কারণে ঘটতে পারে উল্টোটাও। ব্যায়ামের ভুলের নানা দিক নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন জিম ট্রেইনার রবিন মোল্লা। লিখেছেন আহমেদ ইমরান

ব্যায়ামের ভুল
জিমে দ্রুত ফল আশা করাটা ভুল। জিমের সময় তাড়াহুড়া করাও অনুচিত।মডেল : লিন্ডা লিও

ফিটনেস ফ্রিক হিসেবেও খ্যাতি রয়েছে ভারতীয় অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিংয়ের। যত কাজই থাকুক, নিজের ফিটনেসের বেলায় কোনো ছাড় দেন না ‘দে দে পেয়ার দে’ অভিনেত্রী। কিছুদিন আগে ব্যায়ামের ভুলের জন্য বড় খেসারত দিতে হয়েছে রাকুলকে। এ জন্য টানা ৪০ দিন শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। সেফটি বেল্ট না পরেই ৮০ কেজি ওজনের ডেডলিফট করতে গিয়ে কোমরে মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন। ওয়ার্ক আউটের সময় করা এই একটিমাত্র ভুলের কারণে তাঁর স্লিপড ডিস্ক হয়ে যায়। এর জেরে টানা কয়েক দিন তীব্র শারীরিক কষ্ট আর মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। ব্যায়ামের সময় এমন কিছু ভুলের খেসারত দিতে হতে পারে আপনাকেও। এ জন্য আগে থেকে এসব বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

অনিরাপদ জামা-জুতা

জিম হোক বা পার্কে হাঁটা কিংবা দৌড়ানো। এর জন্য জুতসই এক জোড়া জুতা অবশ্যই থাকা চাই। কেননা সারা শরীরের ভর পা তথা জুতার ওপরই পড়ে। ভালো মানের এবং সঠিক মাপের জুতা না পরে হাঁটলে বা দৌড়ালে পা ব্যথা, ফোসকার মতো জটিলতা হতে পারে। প্রতি ছয় থেকে ৯ মাস পর কিংবা ৫০০ মাইল দৌড়ানোর পর জুতা বদলে নিন। এমন পোশাক পরুন, যা আরামদায়ক, ব্রিদেবল এবং দ্রুত ঘাম শুষে নেয়। জিমে বড়মাপের পোশাক পরিহার করুন।

স্ট্রেচিং না করা

জিমে পা রেখেই দ্রুত ব্যায়াম শুরু করলেন। এতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি। শরীরচর্চায় কখনোই দ্রুত কিছু হয় না। তাই স্ট্রেচিং না করে ব্যায়াম শুরু করবেন না। হুট করে ব্যায়াম শুরু করলে শরীরের মাংসপেশিতে টানসহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ব্যায়ামের শুরুতে যেমন ওয়ার্ম আপ করা জরুরি, তেমনি ব্যায়াম শেষেও কুলডাউন করতে ভুলবেন না। 

দ্রুত ফল আশা করা

ব্যায়ামের ক্ষেত্রে দ্রুত কোনো পরিবর্তন আশা করবেন না। অনেকেই আছেন, হঠাত্ মোটিভেটেড হয়ে প্রথম দিন থেকেই তেড়েফুড়ে ব্যায়াম শুরু করেন। এরপর শরীর ব্যথায় বিছানা থেকে উঠতে পারেন না। একই সঙ্গে কাউকে দেখে কিংবা তাড়াহুড়া করে ব্যায়ামের ধরন পরিবর্তন করবেন না। কিছুদিন যেতে না যেতেই বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট খেতে শুরু করেন। এমনটি করাও অনুচিত। ব্যায়ামের ভালো ফল আসতে সময় লাগে। সময় নিয়ে ধৈর্য ধরে নিয়মিত লেগে থাকুন।

বিশ্রাম না নেওয়া

জিম করতে গিয়ে ঠিকঠাক বিশ্রাম না নেওয়াও ব্যায়ামের বড় ভুল। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও মাংসপেশি ব্যায়ামের কারণে সক্রিয় থাকে। মাংসপেশিতে পরিবর্তন আনতে একেকটি ব্যায়ামের পরে বিশ্রাম দরকার। মাংসপেশির উন্নয়নের জন্য ব্যায়ামের পরে অবশ্যই বিশ্রাম নিতে হবে।

শো অফ করা

টানা জিমে গেলে তার সুফল আপনি পাবেনই। একটি কমিউনিটিও গড়ে উঠবে আপনার। এর মধ্যে অনেক ধরনের বডি বিল্ডার বা সুঠাম দেহের মানুষও খুঁজে পাবেন। তাদের সঙ্গে পাল্লা দেবেন না। নিজের সক্ষমতার চেয়ে বেশি ভারী ওজন তুলতে যাওয়া উচিত নয়। ধীরে শুরু করুন। প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না। রিলস তৈরির জন্য বা শো অফ দেখাতে গিয়ে সেফটি গিয়ার ছাড়া জিম করাও উচিত নয়।

প্রশিক্ষকের পরামর্শ না মানা

জিমে গিয়ে প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিয়মিত মেনে চলুন। আপনার শারীরিক কোনো অসুস্থতা বা ওষুধ সেবন করার তথ্য আগেই প্রশিক্ষককে জানিয়ে রাখুন। অন্য কারো জিম করা দেখে তাকে অনুসরণ করতে যাবেন না। হঠাত্ এক দিন মাত্রাতিরিক্ত বা দীর্ঘক্ষণ ব্যায়াম করবেন না। এতে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন। যেসব জিম করার আগে সেফটি বেল্ট পরতে হয়, সেটি যথাযথভাবে মেনে চলুন।

অনিয়মিত ডায়েট

প্রতিদিন ব্যায়াম করছেন, কিন্তু শরীরের পুষ্টিতে কোনো নজর নেই, তাহলেও ব্যায়াম করে খুব একটা লাভ হবে না। শুধু ব্যায়াম করে মাংসপেশির উন্নয়ন সম্ভব নয়, প্রয়োজন পুষ্টিরও সমন্বয়। পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে একটি সঠিক ডায়েট চার্ট বানিয়ে নিন। খালি পেটে ব্যায়াম করা উচিত নয়। ব্যায়ামের আগে পানি, কলা ও ফলের সালাদ বা ওয়ার্ক আউট মিল খাওয়া উচিত। ব্যায়ামের আগে ভারী খাবার পরিহার করতে হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কাঁঠালের বিচির পুষ্টিগুণ

কাঁচা ও পাকা দুই অবস্থায়ই খাওয়া যায় কাঁঠাল। ফলের মতো এর বিচিরও রয়েছে অনন্য গুণাগুণ। লিখেছেন ফাতেমা ইয়াসমীন

কাঁঠালের বিচির পুষ্টিগুণ
ছবি : সংগৃহীত

কাঁচা অবস্থায় সবজি হিসেবে কাঁঠাল দিয়ে রান্না করা যায় সুস্বাদু নানা পদ। রান্নার পরে স্বাদ অনেকটা মাংসের মতো লাগে। গ্রীষ্মকালে এই ফলটি দিয়ে কাঁঠাল ভুনা, কাঠালের কাবাব, চপ, কোফতা ইত্যাদি রান্না করার চল বেশ পুরনো। শুধু তা-ই নয়, পাকা ফল থেকে যে বিচি পাওয়া যায়, সেটিও একটি উত্কৃষ্ট সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। বাজারে আলাদাভাবে কেজি দরেও কিনতে পাওয়া যায় কাঁঠালের বিচি। পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো বলেন, ‘কাঁঠাল এমন একটি ফল, যার পুরোটাতেই রয়েছে উপকারী নানা গুণ। কাঁঠালের বিচিতে উদ্ভিদ যৌগ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এর বিচি ভিটামিন বি১ ও ভিটামিন বি১২-এর ভালো উত্স। বিচিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে স্টার্চ, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এক আউন্স বা ২৮ গ্রাম কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে মাত্র ৫৩ ক্যালরি, ১১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ গ্রাম প্রোটিন, ০.৫ গ্রাম ফাইবার, দৈনিক পুষ্টি চাহিদার ৮ শতাংশ রিবোফ্লাভিন, ৭ শতাংশ থায়ামিন, ৫ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম এবং ৪ শতাংশ ফসফরাস।’

*   কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে থায়ামিন ও রিবোফ্লাভিন। শরীরে শক্তি সঞ্চয় করতে ভূমিকা রাখে উপাদান দুটি। পাশাপাশি নার্ভস সিস্টেম, হূদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, অন্ত্র, মাংসপেশি ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।

*    কাঁঠালের বিচিতে থাকা ফাইবার ও রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ মাত্রাতিরিক্ত ক্ষুধা নিবারণ করে, রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়, হজমক্রিয়া ও ইনসুলিন সেনসিটিভির উন্নতি ঘটায়।

*   এতে থাকা পটাসিয়াম ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। হজমশক্তি ও প্রজননক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

*   এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েডস, স্যাপোনিনস ও ফেনোলিকস শরীরের ইনফ্ল্যামেশনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। বাড়াতে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

*  অন্যান্য ফলের বিচির মতো কাঁঠালের বিচিতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ফাইবার থাকে। এ ধরনের ফাইবার অন্ত্রের কার্যকলাপ সঠিকভাবে পরিচালনা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

*   কাঁঠাল বিচি বেশি করে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে উপশম পাওয়া যায়। এটি পাইলসের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

*   কাঁঠালের বিচি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমায়, আর ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়ায়। এইচডিএল হূদ্যন্ত্রের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।

* কাঁঠালের বিচিতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আমাদের বলিরেখা দূর করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করে। চুলের আগা ফেটে যাওয়া প্রতিরোধ করে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

* এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আমাদের শরীরের হাড়ের সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

*    কাঁঠালের বিচিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো ক্যান্সার প্রতিরোধী এবং বার্ধক্যের প্রভাব সৃষ্টিকারী উপাদানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।

*   কাঁঠালের বিচির প্রোটিন অত্যন্ত উপকারী। মাছ-মাংস যাদের কম খাওয়া হয়, তাদের আমিষের চাহিদা মেটাতে এটি একটি উত্কৃষ্ট খাবার।

 

 

 

 

খোঁজখবর

খোঁজখবর

বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির অফার

বিয়ের আয়োজনকে আরো উত্সবমুখর করে তুলতে ওয়েডিং প্যাকেজ নিয়ে এসেছে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। আটটি আধুনিক ব্যাংকোয়েট হলে বিয়ে, গায়েহলুদ, মেহেদিসন্ধ্যা ও বউভাত আয়োজনের জন্য রয়েছে সুস্বাদু ক্যাটারিং এবং পেশাদার সেবা। হোটেলটিতে সিলভার, গোল্ড ও প্রিমিয়ামএই তিন ধরনের ওয়েডিং প্যাকেজের পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ অফার। অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন কমপ্লিমেন্টারি ভেন্যু, ভেন্যু ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, ক্যাটারিং, সাজসজ্জা, কমপ্লিমেন্টারি রুমসহ বিভিন্ন সুবিধা। এ ছাড়া বিয়ের অতিথিদের রুম বুকিংয়েও রয়েছে বিশেষ ছাড়। যোগাযোগ  : ০১৭১৩৩৩২৫১১।

খোঁজখবর

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েশন ফ্যাশন শো

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি (এফডিটি) বিভাগ সম্প্রতি ৪৪তম ব্যাচের গ্র্যাজুয়েশন ফ্যাশন শো আয়োজন করে। ১১ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্স অডিটরিয়ামে আয়োজিত এই শোয়ের প্রতিপাদ্য ছিল এভরি স্টিচ টেলস আওয়ার স্টোরি। স্মার্ট ক্যাজুয়াল, এথনিক, স্ট্রিটওয়্যার, ইভনিং ওয়্যার ও ফেসটিভ ওয়্যারপাঁচটি থিমভিত্তিক কালেকশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফ্যাশন ভাবনাকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. লুত্ফর রহমান।