• ই-পেপার

হাজিরা বিমানে সর্বোচ্চ ৪৭ কেজি মালামাল পরিবহন করতে পারবেন

রোডক্র্যাশ প্রাণহানি বেড়েছে

নিরাপদ ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিরাপদ ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের সুপারিশ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) দুপুর ১টায় রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে ‘রোডক্র্যাশ রোধে নিরাপদ ঈদযাত্রায় করণীয়’ শীর্ষক গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় এই সুপারিশ জানান সাংবাদিকরা।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের রোড সেফটি প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান সরকারের প্রতি জরুরি কিছু সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে ঈদযাত্রাকালীন রোডক্র্যাশ ও প্রাণহানি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেশের সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে। তাই মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জরুরি।

সভায় ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সীমিত করা, স্পিডগানের মাধ্যমে অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, টোল প্লাজায় দ্রুত ডিজিটাল বুথ চালু এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কথা বলা হয়।

শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) সাধারণ সম্পাদক ও ইউএনবির বিশেষ প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাইওয়েতে রোডক্র্যাশ কমাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক হাইওয়ে পুলিশ মোতায়েনসহ বাস টার্মিনাল থেকে যাতে ফিটনেসবিহীন বাস বের হতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, ঈদের সময় টোলপ্লাজায় বা ব্রিজের ওপর গাড়ির লম্বা লাইনের ফলে যানজট সৃষ্টি হয়। এই যানজট নিরসনে টোল প্লাজায় বুথ বাড়ানো দরকার।

দেশে অনেক আইন প্রণয়ন হলেও আইনের বিভিন্ন ফাঁকফোকড়ের সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সহজেই পার পেয়ে যায়। সড়ক পরিবহন আইনেও এমন কিছু দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যার কারণে কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না এবং রোডক্র্যাশ কমিয়ে আনা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।

বক্তারা মনে করেন, গণমাধ্যমে সবসময় রোডক্র্যাশের সংবাদ প্রকাশ করা হয়। কিন্তু কেন রোডক্র্যাশ হলো? কারণ কি? এগুলো বেশিরভাগ সংবাদে থাকে না বা এর পরবর্তী ফলোআপ প্রতিবেদনও থাকে না। তাই যেকোনো রোডক্র্যাশের ফলোআপ প্রতিবেদন থাকা জরুরি। সড়ক নিরাপত্তা কোনো একক সংস্থা বা ব্যক্তির না, এটি সবার দায়িত্ব, সমন্বিত উদ্যেগ এবং গণমাধ্যকেও এই সমন্বিত উদ্যেগের অংশ হতে হবে।

সভায় সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী নিশ্চিত করা, বেপরোয়া লেন পরিবর্তন বন্ধ, বাম পাশের লেন মোটরসাইকেল চলাচলের জন্য সুনিদৃষ্ট করা ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করেন। পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, সেইফ সিস্টেমের আলোকে সড়ক নিরাপত্তা আইন যত দ্রুত প্রণয়ন হবে এবং যত দ্রুত এর কঠোর বাস্তবায়ন বা প্রয়োগ নিশ্চিত হবে, সরকারের পক্ষে তত দ্রুত সড়কের এই বিশৃঙ্খলা রোধ করা সম্ভব হবে। তাই সড়ক নিরাপত্তা আইন দ্রুত প্রণয়ন ও এর কঠোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতি ঈদ যাত্রাসহ সবসময় সবার জন্য নিরাপদ ও আরো আনন্দের যাত্রা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান করণীয় হওয়া উচিত।

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে জ্বালানি খাতই মেরুদণ্ড : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে জ্বালানি খাতই মেরুদণ্ড : প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বৈদেশিক নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের মূল মেরুদণ্ড হচ্ছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ খাত।

বুধবার (২০ মে) গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত কামতা-২ নম্বর কূপের স্পাড-ইন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ছাড়া দেশের শিল্পায়ন সম্ভব নয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৫৭০টি শিল্প-কারখানা গ্যাস সংযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। এতে হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আটকে আছে। এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন একটি অবস্থানে পৌঁছাতে চাই, যেখানে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে কোনো ব্যবধান থাকবে না। সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে।’

পরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে : গণপূর্তমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে : গণপূর্তমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দ্রুত নগরায়ণের এই সময়ে পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত ‘২০২৫-২৬ অর্থবছরে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত ৩টি প্রকল্প বিষয়ক জাতীয় সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত তিনটি প্রকল্পের পরিকল্পনায় কৃষিজমি সংরক্ষণ, পরিবেশ সুরক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিকাশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলা, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, জনবান্ধব ও উন্নত শহর গঠনে স্থানিক পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে এ ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমানে উপস্থাপিত তিনটি প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এম মাহমুদ আলী নির্ধারিত তিনটি প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ ছাড়া প্রকল্প পরিচালকরা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, বাস্তবায়ন পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও অংশগ্রহণকারীরা প্রকল্পসমূহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও ফলাফল নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চার দশকের পুরনো

বাবার স্মৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন গাজীপুরের ডিসি

অনলাইন ডেস্ক
বাবার স্মৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন গাজীপুরের ডিসি
সংগৃহীত ছবি

কথায় বলে, শাসকের কোনো ঘর থাকে না, রাজমুকুটের নিচে লুকিয়ে রাখতে হয় সব ব্যক্তিগত কান্না। কিন্তু বুধবার গাজীপুরের সাতাশ মৌজার এক চিলতে বিকেলে, সমস্ত রাজকীয় প্রটোকল, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আর হাজারো মানুষের স্লোগানকে এক নিমেষে ম্লান করে দিল একজন পুত্রের অবাধ্য চোখের জল।

আয়োজনটি ছিল দেশের প্রথম ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের। রাষ্ট্রীয় গাম্ভীর্যে মোড়া এক নিখুঁত অনুষ্ঠান। কিন্তু সেই মঞ্চেই যখন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন একটি বিশেষ স্মারক, তখন চারপাশের দেয়ালগুলো যেন মুহূর্তের জন্য অদৃশ্য হয়ে গেল।

আরো পড়ুন
সুন্দরবনে ট্রলারসহ ১২ জেলে অপহরণের অভিযোগ

সুন্দরবনে ট্রলারসহ ১২ জেলে অপহরণের অভিযোগ

 

উপহারের মোড়কটি খোলার পর জানা গেল, এটি কোনো আধুনিক স্মারক নয়; এটি ১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বরের এক খণ্ড জীবন্ত ইতিহাস। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান যখন গাজীপুরকে মহকুমা ঘোষণা করেছিলেন, এটি ছিল সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের এক অম্লান স্মারক চিহ্ন।

যেখানে একাকার অতীত আর বর্তমান

স্মারকটি হাতে নিতেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত দুটি যেন সামান্য কেঁপে উঠল। ৪৮ বছর! কম সময় তো নয়। এই দীর্ঘ চার দশকে পদ্মা-মেঘনা দিয়ে কত জল গড়িয়ে গেছে, তার নিজের জীবনে এসেছে কত ঝড়-ঝাপটা, একাকিত্বের দীর্ঘ প্রবাস জীবন আর রাজনীতির নির্মম কণ্টকপথ। কিন্তু বাবার এই স্মৃতিচিহ্নটি হাতে নেওয়া মাত্রই তিনি যেন এক পলকে ফিরে গেলেন তার সেই চেনা শৈশবে।

তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু ওই মুহূর্তে তিনি আর রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন না; তিনি ছিলেন এক নিঃসঙ্গ পুত্র, যে বহুকাল পর বাবার কোনো একটা প্রিয় জিনিস খুঁজে পেয়েছেন।

12121

প্রধানমন্ত্রী স্মারকটির গায়ে আলতো করে হাত বোলালেন। তার চোখ দুটি বন্ধ হয়ে এলো। উপস্থিত সবাই এক পরম বিস্ময়ে দেখল, এক জননেতার কঠোর অবয়ব গলে কিভাবে এক ব্যাকুল সন্তানের আকুলতা প্রকাশ পাচ্ছে। স্মারকটির প্রতিটি কোণ ছুঁয়ে তিনি যেন অনুভব করতে চাইলেন বাবার সেই চওড়া হাত, তার গায়ের চেনা সুবাস, আর তার সেই চিরন্তন কর্মের ‘ফিল’। কিছুক্ষণের জন্য সাতাশের সেই মঞ্চে এক মহিমান্বিত নীরবতা নেমে এলো—যেন চার দশক পর পিতা আর পুত্র কোনো এক অদৃশ্য কোলাকুলিতে মেতে উঠেছেন।

হৃদয় দিয়ে ছোঁয়া এক অনন্য উপহার

আজকের দিনে যখন রাষ্ট্রীয় উপহার মানেই কেবলই কিছু আনুষ্ঠানিকতা, সেখানে জেলা প্রশাসকের এই দূরদর্শী ও স্পর্শকাতর উদ্যোগটি ছিল এককথায় অনন্য। উপহার যে শুধু চোখকে নয়, সরাসরি আত্মাকে ছুঁয়ে যেতে পারে—এই ঘটনা তারই এক চিরকালীন উদাহরণ হয়ে রইল। বাবার এমন এক জাদুকরী স্মৃতি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঞ্চেই জেলা প্রশাসকের প্রতি তাঁর গভীর, আন্তরিক ও ব্যতিক্রমী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুধীজন ও সাধারণ মানুষের চোখও তখন ভিজে উঠেছিল। প্রত্যেকেই জেলা প্রশাসকের এই গভীর ভাবনার ভূয়সী প্রশংসা করে বলছিলেন, ‘দামি জিনিস অনেকেই দিতে পারে, কিন্তু এভাবে কারো বুক চিরে স্মৃতি এনে উপহার দেওয়ার ক্ষমতা সবার থাকে না। রাজনীতির মঞ্চে কত ইতিহাসই তো লেখা হয়, কিন্তু সাতাশের গোধূলি সাক্ষী রইল এক অলিখিত কাব্যের। যেখানে সময়ের সীমানা পেরিয়ে, এক টুকরো স্মারকের হাত ধরে, এক পুত্রের একলা হৃদয়ে পিতা ফিরে এলেন তার সমস্ত গৌরব আর ভালোবাসা নিয়ে।’

বিকেলের সোনাঝরা আলো যখন ম্লান হয়ে আসছিল, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যখন ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিল, তখনও সাতাশের বাতাসে যেন এক পরম সত্য প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল—মানুষ চলে যায়, কিন্তু পিতার রেখে যাওয়া আদর্শ আর সন্তানের হৃদয়ের টান সময়কেও হারিয়ে দেয়।

হাজিরা বিমানে সর্বোচ্চ ৪৭ কেজি মালামাল পরিবহন করতে পারবেন | কালের কণ্ঠ