শ্রমবাজার
চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুন
- আল-আমিন নয়ন, ম্যানেজার, ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার
সংস্কারে স্বপ্নের আগামী

অপার সম্ভাবনার শ্রমবাজার : প্রয়োজন যেসব সংস্কার
শেখ রফিকউজ্জামান, শিক্ষার্থী, রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

দুচোখে স্বপ্ন এবং বুকভরা এক আকাশ পরিমাণ আশা নিয়ে নিজ মাতৃভূমি, মা-বাবা, পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব ফেলে হাজার মাইল দূরের অজানা দেশের উদ্দেশে পাড়ি জমানো। উদ্দেশ্য পরিবারের
অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনা এবং একটু ভালো ও উন্নত জীবন লাভ করা। কারো গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের স্বপ্নপুরী সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন কিংবা ওমান। কেউ বা যাচ্ছেন পাশ্চাত্যের আধুনিকতায় মোড়ানো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ কিংবা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড। এ ছাড়া অনেকেরই যাত্রা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ; যেমন—মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড কিংবা ব্রুনেই। এতক্ষণে নিশ্চয় আঁচ করতে পেরেছেন আমি কাদের কথা বলছি। বলছিলাম পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশের প্রবাসীদের কথা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশে প্রবাসীর সংখ্যা ৫০ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫৮ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবাস আয় দাঁড়িয়েছে ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। আমাদের জিডিপির একটা বড় অংশ আসে এই প্রবাস আয় বা রেমিট্যান্স থেকে।
অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান খুব উচ্ছ্বসিতভাবে পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমে প্রচার করা হলেও বাংলাদেশের শ্রমবাজার এবং রেমিট্যান্স খাতের ইতিবাচক সংস্কারের তাড়না তেমন একটা দেখা যায় না। যেমন ধরুন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোনো যুবক যদি মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে যাওয়ার উদ্যোগ নেয় তাহলে তাকে পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়। আবেদন করা থেকে শুরু করে ভিসা পেয়ে বিমানে ওঠা পর্যন্ত পদে পদে সিন্ডিকেট এবং অর্থদণ্ড। এইসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সময়ে সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া হলেও নির্মূল করা যাচ্ছে না অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা মন্ত্রণালয় ও যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়সহ প্রবাসীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে যদি ব্যাপক সংস্কার ও শুদ্ধি অভিযান করা হয় তাহলে এসব সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ভিসাসংক্রান্ত অফিসগুলোতে পর্যাপ্ত দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন জনবল নিয়োগ দিতে হবে। প্রয়োজনে অফিসগুলোতে স্বেচ্ছাসেবক টিম ও ম্যানুয়াল গাইডলাইন থাকবে, যা বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নবীন প্রবাসীদের সাহায্য করবে এবং হাতে-কলমে পুরো প্রক্রিয়া দেখিয়ে দেবে। এ ছাড়া আমাদের এয়ারলাইনস ব্যবস্থা এবং বিমানবন্দরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অসহযোগিতা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ বারবার বলে আসছেন প্রবাসীরা। আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনরা বাংলাদেশের বিমানবন্দরে তাঁদের প্রাপ্য সেবা ও সহযোগিতার নিশ্চয়তা চান।
আমাদের জনসম্পদকে ফ্রি ভিসার ফাঁদ থেকে রক্ষা করতে হবে। এক শ্রেণির অসৎ স্বার্থন্বেষী দালালচক্র, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের ফ্রি ভিসার লোভ দেখিয়ে সহজ-সরল প্রবাসীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভুল বুঝিয়ে তাঁদের বিদেশে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর অচেনা পরিবেশের অথই জলে ভাসতে থাকা অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত এবং অদক্ষ প্রবাসী শ্রমিকটি বিদেশে মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকেন এবং বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর ভূমিকা অনেকটা বিমাতাসুলভ। প্রবাসীদের বিপদে কিংবা কোনো প্রয়োজনে সেই দেশে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস ঠিকমতো দায়িত্বশীল ও অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারে না। কাজে দীর্ঘসূত্রতা, ভোগান্তি এবং অবকাঠামোগত সংস্কারহীনতা যেন দূতাবাসগুলোর চিরাচরিত রূপ।
শ্রমিকদের বাংলাদেশ থেকে পাঠানোর আগে সরকারিভাবে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করার প্রয়োজনীয়তা আছে। নামকাওয়াস্তে স্বল্প কিছু গুচ্ছ কোর্স নয়, বরং ছয় মাস থেকে এক বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বিভিন্ন দক্ষতামূলক কাজ; যেমন—গাড়ি চালানো, উন্নত প্রযুক্তি চালানো, ভোকেশনাল ট্রেনিং, রন্ধনশিল্প, যোগাযোগের জন্য ন্যূনতম ইংরেজি এবং যে দেশে যাবেন সেই দেশের ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া, মহিলাদের ক্ষেত্রে গৃহস্থালির কাজ সামলানো ইত্যাদি ট্রেনিং। পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশ, যেমন—ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের যদি তুলনা করি তাহলে বাংলাদেশিদের মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে যেতে খরচ দুই থেকে তিন গুণ বেশি লাগে। কখনো কখনো সেটা বেড়ে চার-পাঁচ গুণও হয়। প্রবাসীদের ব্যাপারে গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক দর-কষাকষি বরাবরই স্বার্থবিরুদ্ধ একপক্ষীয় এবং খুবই ভঙ্গুর। কিছুদিন আগে পর্যন্ত ইউরোপের বেশির ভাগ দেশের ভিসা পেতে আমাদের পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হতো। তবে আশার কথা হচ্ছে, বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ঐকান্তিক চেষ্টায় ইউরোপের অনেক দেশ ঢাকায় তাদের ভিসা সেন্টার খুলেছে। বাংলাদেশের অফুরন্ত শ্রমবাজার গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের একটি দারুণ ‘বার্গেনিং টুল’ হতে পারে। ভিসা নবায়ন, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ‘আকামা’ জটিলতা নিরসন, কর্মস্থলে শ্রমিকদের নিরাপত্তা, প্রাপ্য বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ সব অধিকার, নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, যেসব শ্রমিক বিদেশের মাটিতে মারা যান তাঁদের মৃতদেহ কিভাবে খুব সহজে দেশে আনা যায় সে ব্যাপারে এবং কিভাবে বাংলাদেশ খুব সহজে বিপুল পরিমাণ অভিবাসী পাঠাতে পারে সে ব্যাপারে কূটনৈতিক দর-কষাকষির এখনই উপযুক্ত সময়। এ ছাড়া ইচ্ছাকৃত বা জোরপূর্বক শ্রমিক দেশে পাঠানোর ব্যাপারে গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সমতাভিত্তিক দীর্ঘস্থায়ী সমঝোতার ব্যবস্থা করতে হবে।
একজন অভিবাসী তাঁর সারা জীবন কষ্ট করে জীবনের এক পর্যায়ে অবসর নিয়ে দেশে ফেরেন যখন, তখন দেখা যায়, অনেকেই নিঃস্ব এবং সহায়-সম্বলহীন হয়ে যান। জীবনের বাকি সময়টুকু সুখে কাটানোর মতো তেমন বিশেষ কিছু অবশিষ্ট থাকে না। এ রকম পরিস্থিতিতে পড়া বা যাঁরা অকালে প্রবাস থেকে চলে আসেন তাঁদের সামাজিক নিরাপত্তা এবং শুধু একান্তই ব্যক্তিগত সঞ্চয়ের জন্য সরকারের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার উদ্যোগ নিতে হবে। এ ছাড়া যথাযথভাবে এর বাস্তবায়ন করতে হবে, প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জিত অর্থ যাতে কেউ নয়ছয় করতে না পারে সে ব্যাপারে সরকারের কঠোর আইন প্রণয়ন করা একান্ত জরুরি।
নতুন বাংলাদেশে সবাই নতুন করে সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। আমাদের রেমিট্যান্স ফাইটাররাও অপার আশার আলোয় বুক বেঁধেছেন। সব শেষে এইটুকুই প্রত্যাশা করি, আমাদের রেমিট্যান্স ফাইটার ভাই-বোনদের চাপা আর্তনাদ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মহল পর্যন্ত পৌঁছবে। সেই সঙ্গে এটাও বিশ্বাস করি, রাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে প্রবাসীদের স্বার্থকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে বিশ্বের বুকে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করার দৌড়ে শামিল হবে।
আর্থিক খাতে কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন
আনোয়ার হোসেন, শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দেখা যায় তলাবিহীন ঝুড়ির মতো। এর থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হলো টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কার। এই সংস্কার এক-দুই দিনের জন্য নয়, একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ করে এগোতে হবে। বর্তমানে দেশের দায়িত্ব হাতে নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। দেশের অর্থনীতির চাকা বেগবান করতে তাদের মূল লক্ষ্য রাখতে হবে কিভাবে অতি দ্রুত ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়া যায়। নতুন নতুন কর্মসংস্থানের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে, যেন শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কমিয়ে আনা যায়। সেই সঙ্গে গ্রামীণ কুটির শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বিকশিত করতে যথাযথ সহায়তা প্রদান করতে হবে। এই ভেঙে যাওয়া অর্থনীতিকে আগের তুলনায় আরো সামনে নিয়ে যেতে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারের হস্তক্ষেপ দরকার। প্রয়োজনে সরকারি সহযোগিতায় বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমশক্তিতে রূপান্তর করে বহির্বিশ্বের কর্মক্ষেত্রে নিয়োগের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। ফলে তারা বৈদেশিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে বিশেষ ভুমিকা পালন করতে পারবে। একই সঙ্গে আমদানি হারের পরিমাণ কমিয়ে দেশকে রপ্তানিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে। বৈদেশিক বাণিজ্যের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া যেতে পারে। মোটকথা, দেশকে বাণিজ্যিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে। কৃষি থেকে শুরু করে শিল্প—সব খাতকে যার যার জায়গা থেকে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রেখে যেতে হবে। তাহলেই আগামীর বাংলাদেশ হবে স্বপ্নের বাংলাদেশ।
কেমন ব্যাংকিং খাত চাই
মো. জোবায়েদ হোসেন, শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আমরা যে উচ্চ আয়ের দেশের স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশকে সেই কাঙ্ক্ষিত উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে প্রয়োজন আর্থিক খাতের উন্নয়ন। আর্থিক খাতের বড় একটা অংশ জুড়ে আছে ব্যাংক খাত, যে খাতের উন্নয়ন ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা দেশকে উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করা সম্ভব নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, যে আর্থিক খাতের ওপর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বড় একটা অংশ নির্ভর করছে, সেই আর্থিক খাতকেই শোষণযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বছরের পর বছর গুটিকয়েক মানুষ নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে।
চলতি বছরের নভেম্বরে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় দুই লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকটের মুখ্য কারণগুলোর মধ্যে খেলাপি ঋণ এবং দেশ থেকে অর্থপাচার অন্যতম। যার ফলে এই খেলাপি ঋণের ভার নিতে না পারা ব্যাংকগুলো জনগণের আস্থা হারিয়ে বর্তমানে দেউলিয়া হওয়ার পথে।
ব্যাংক খাতকে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি দক্ষ, স্বাধীন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। ঋণদানের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যতিরেকে সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে ঋণগ্রহীতাকে ঋণ প্রদান করতে হবে এবং ঋণ আদায়ের কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারা অন্যান্য ব্যাংকের কার্যকলাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য কঠোর নীতি গ্রহণ করতে হবে।
ব্যাংক খাতের সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এর সফল সংস্কারের জন্য সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক কর্মকর্তা ও গ্রাহক—সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ব্যাংক খাতকে ঢেলে সাজানোর কাজটা অন্তর্বর্তী সরকার চাইলেই নিরপেক্ষতার সঙ্গে করতে পারবে।
সর্বোপরি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে আর্থিক খাতের ওপর সরকারের বিশেষ নজর দিতে হবে। তাহলেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করা সম্ভব হবে।
