kalerkantho

শুক্রবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৭ সফর ১৪৪২

এটাও বিশ্বকাপ

উনিশই অনুপ্রেরণা সালমাদের

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উনিশই অনুপ্রেরণা সালমাদের

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপটা আকবর আলীর হাতে ওঠার আগে, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় সাফল্যই ছিল মেয়েদের এশিয়া কাপ জয়। টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ খেলতে এসে বাংলাদেশের মেয়েদের দলের অধিনায়ক সালমা খাতুন জানালেন, তাঁরাও অনুপ্রেরণা খুঁজছেন উনিশের সাফল্যেই! কিশোররা বিশ্বকাপ জিতেছে ভারতকে হারিয়ে, মেয়েরাও এশিয়ার সেরা হয়েছিল ভারতকেই হারিয়ে। সেই ভারতীয় দলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে মেয়েদের বিশ্বকাপ অভিযান। ২৪ ফেব্রুয়ারি পার্থে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ সালমা খাতুনের দলের। তার আগে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১০ দলের অধিনায়কদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সালমা জানিয়েছেন তাঁর দলের লক্ষ্যের কথা।

সিডনির তরোঙ্গা চিড়িয়াখানায় ‘ক্যাপ্টেন’স ডে’র অনুষ্ঠানে সালমা জানান, ‘আমাদের তরুণদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়টা ছিল দেশের ক্রিকেটের জন্য দারুণ একটা মুহূর্ত। এখন আমরা (নারী) বিশ্বকাপের জন্য তৈরি। এশিয়া কাপটাও ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা। তবে সব মনোযোগ এখন বিশ্বকাপেই। আমরা এখন দৃষ্টিটা নিউজিল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়ার দিকেই ফেরাতে চাই। অতীতে যা হয়েছে, সেসব নিয়ে আমরা গর্বিত।’ অস্ট্রেলিয়ায় খেলার অভিজ্ঞতা খুব বেশি নেই বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের। মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগে খেলা রুমানা আহমেদ জানালেন, ‘এখানে আসতে পারাটা ছিল আমার জন্য খুব বড় একটা সুযোগ। সেবারই প্রথম আমার অস্ট্রেলিয়ায় আসা। এখানে এসে আমি অনেক কিছু শিখেছি। বিশেষ করে বড় দলগুলো কিভাবে অনুশীলন করে, সেটা দেখেছি। প্রতিটি সেশনেই আমি নতুন কিছু শিখেছি। তারা কিভাবে জিমে ফিটনেস নিয়ে কাজ করে, সেটাও দেখেছি। আমার জন্য সুযোগটা সত্যিই খুব কাজে দিয়েছে।’ বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটারদের বিশ্বজয়ে অনুপ্রেরণা খুঁজছেন রুমানাও, ‘আমরা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাফল্যে খুবই গর্বিত। খুবই খুশি আর তাদের সাফল্য আমাদেরও আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।’ অস্ট্রেলিয়ায় এসে ওদের চোখে চোখ রেখে লড়তেও তাই ভয় পাচ্ছেন না বাংলাদেশের মেয়েরা। রুমানা তো বলেই দিলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আমাদের খেলা হয়নি, তারাও আমাদের দেখেনি। তাই আমরা আত্মবিশ্বাসী।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা