kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

আয়োজন করে খেলা দেখা

আজ যুক্তরাজ্যের নটিংহামে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ থাকলে চারদিকে একটা উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। খেলা দেখা নিয়ে কতজনের কত আয়োজন! তারকারা কে কিভাবে খেলা দেখেন, জেনেছেন ইসমাত মুমু

২০ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আয়োজন করে খেলা দেখা

জাহিদ হাসান

প্রথম ম্যাচ দেখেছি শুটিং স্পটে

জাহিদ হাসান

এবারের খেলা দেখা নিয়ে তো আমি রীতিমতো বিরক্ত। এটা কোনো বিশ্বকাপ হলো! এটা তো জানা কথাই, ইংল্যান্ডে জুন-জুলাইয়ে বৃষ্টি হয়। এ সময় কেন আইসিসি সেখানে আসর বসাল! ক্রিকেটের প্রতি দিনকে দিন ওদের আগ্রহ শূন্যে নেমে আসছে, এটা তারই প্রমাণ। আমাদের উপমহাদেশে আয়োজন করলেই হতো। বাংলাদেশের খেলা হলে সময় বের করে দেখি। বাসায় থাকলে অন্যদের ম্যাচও দেখি। এই সেদিন চাচ্ছিলাম, বাসায় বসে আরাম করে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে খেলা দেখব। সেদিনই নামল বৃষ্টি। প্রতিটা ম্যাচেই বৃষ্টির আশঙ্কার কারণে আমার খেলা দেখার আগ্রহ অনেকটাই কমে গেছে। বাংলাদেশের প্রথম দুটা ম্যাচ আরাম করে দেখতে পেরেছি। প্রথমটা দেখেছি শুটিং স্পটে, দ্বিতীয়টা বাসায়। সামনে বাংলাদেশের কোনো এক ম্যাচের দিন ভাবছি বাসায় ছোটখাটো আয়োজন করব, সহকর্মীদের মধ্যে যারা ক্রিকেট বোঝে ভালো, তাদের ডেকে আনব।

 

জায়েদ খান

মাঠে বড় আয়োজন করে খেলা দেখব

জায়েদ খান

বাংলাদেশ যদি সেমিফাইনালে যেতে পারে, ইচ্ছে আছে এফডিসিতে শিল্পী সমিতির সামনের মাঠে বড় আয়োজন করে খেলা দেখব। শিল্পী, কলাকুশলী, সাংবাদিক—সবাই মিলে বড় পর্দায় হৈ-হুল্লোড় করে খেলা দেখাব, যেটা আমরা ফুটবল বিশ্বকাপেও করেছি। বাংলাদেশ সেমিফাইনালের দৌড়ে এগিয়ে গেলে আগে থেকেই করব, নইলে শুধুই ফাইনালের দিন। শিল্পী সমিতির স্টাডিরুমে এমনিতেও আমরা সবাই মিলে খেলা দেখি। সেখানে খাওয়াদাওয়া, হৈ-হুল্লোড় হয় নিয়মিতই। পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক হয়। খেলা নিয়ে বাজি ধরে কেউ কেউ। কাজ না থাকলে ওখানে আমরা সবাই আড্ডা দিই।

 

কোনাল

এই, স্কোর কত হলো?

সোমনুর মনির কোনাল

যখন গানের কাজ না থাকে, তখন তো আয়োজন করে খেলা দেখতে পারি। শুরুর দিকে বাংলাদেশের খেলার আগে-পিছে লাইভ শো পড়ে গিয়েছিল। লাইভের কারণে প্র্যাকটিসে যেতে হয়েছে। প্রাকটিসে বসে বসেও আমরা স্কোর দেখছিলাম। একটা গান শেষে হুড়োহুড়ি পড়ে যেত, এই স্কোর কত হলো? বাংলাদেশের প্রথম খেলার সময় চিরকুটের স্টুডিওতে ছিলাম। সুমি আপা ও তাঁর ব্যান্ডের সবাইকে নিয়ে আমরা একসঙ্গে খেলা দেখেছি। তখন তো রোজা ছিল। ইফতার করে আমরা একসঙ্গে বেশ মজা করে সেদিন খেলা দেখেছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ম্যাচের দিন বাসায়ই ছিলাম। পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে খেলা দেখেছি। ভালোমন্দ রান্না করেছি। চার-ছক্কা হলে বা মাশরাফিরা উইকেট পেলে চিৎকার করেছি। বাসায় থাকলে এ রকমটা প্রায়ই হয়।

 

পূজা চেরী

পক্ষে-বিপক্ষে ঝগড়া করি

পূজা চেরী

খেলা দেখায় আমার সঙ্গী বাবা ও ভাই। শুটিং না থাকলে প্রতিটি ম্যাচই দেখি। পক্ষে-বিপক্ষে ঝগড়া করি। বাংলাদেশের খেলায় তো সবাই একদল। তখন প্লেয়ারদের নিয়ে প্রতিযোগিতা হয়। আমার পছন্দের প্লেয়ারের খুঁত বের করে বাবা-ভাই। যদি বলি সৌম্য সরকার ভালো খেলছে, ওরা বলবে—দেখিস একটু পরেই আউট হবে। এমন অলক্ষুনে সব কথা বলে আমাকে খেপায়। এবার একসঙ্গে শুধু প্রথম ম্যাচটা দেখতে পেরেছিলাম। এরপর শুটিংয়ের ব্যস্ততা ছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে বাংলাদেশের খেলায় ছিলাম ‘শান’ ছবির শুটিং স্পটে। আমরা শুট করার ফাঁকেই খোঁজ নিয়েছি খেলার। বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠলে ইচ্ছে আছে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সবাই মিলে খেলা দেখব। এমনিতেও জাজের অফিসে বসে আমরা একসঙ্গে খেলা দেখি প্রায়ই।

মন্তব্য