<p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">ময়লার স্তূপে ভরা টঙ্গীর মাজার বস্তি ঘরে বিলাসবহুল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ। সুসজ্জিত বিলাসী ওই সব কক্ষে বসে সব ধরনের মাদক সেবন করেন ভিআইপি মাদকসেবীরা। আবার  তাদের পালানোর জন্য ওই সব কক্ষের সঙ্গে রয়েছে বেশ কটি সুড়ঙ্গপথ। টঙ্গী এলাকায় প্রায় দুই মাস ধরে চলা মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে চাঞ্চল্যকর এসব কক্ষ ও সুড়ঙ্গপথের সন্ধ্যান মেলে। এই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় ৮৫৯ জনকে। </span></span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) নেতৃত্বে ধারাবাহিক এই অভিযান পরিচালিত হয়। গতকাল রবিবার জিএমপি সূত্র এসব তথ্য জানায়। পুলিশ জানায়, গত ৪ মার্চ থেকে ৬ মে পর্যন্ত ৫৯ দিনে মাদক ও ছিনতাই বিরোধী বিশেষ এই অভিযানে ৮৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৫৫৯ গ্রাম হেরোইন, দুই হাজার ১৫৫ পিস ইয়াবা, প্রায় ছয় কেজি গাঁজা, ২১০ পিস প্যাথেডিন, ৪৫ বোতল ফেনসিডিলি ও ১০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মাদক কারবারি ৮৯ জন, মাদকসেবী ৬৪৯ জন, ছিনতাইকারী ১১৩ জন, চোর ১৪ জন এবং একজন চোরাকারবারি রয়েছে।</span></span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় মাদকের হাট টঙ্গী। এখানকার ১৯টি বস্তির প্রায় পাঁচ শতাধিক আন্ত জেলা মাদক কারবারির একটি সিন্ডিকেট প্রায় দুই যুগ ধরে অবাধে মাদক কারবার চালিয়ে আসছে। বস্তিগুলো হলো টঙ্গী বাজার এলাকার গোহাটা বস্তি, হাজি মাজার বস্তি, এরশাদনগর বাস্তুহারা বস্তি, নতুন বাজার এলাকার ব্যাংকের মাঠ বস্তি, আমতলী এলাকার কেরানীরটেক বস্তি, রেলওয়ে বস্তি, মাছিমপুর এলাকার জিন্নাতের পেছনের বস্তি, নিশাতনগর এলাকার নিশাত মহল্লা বস্তি, চুড়ি ফ্যাক্টরি বস্তি, নামাবাজার বস্তি, কলাবাগান বস্তি, বেক্সিমকোসংলগ্ন বেঙ্গলের মাঠ বস্তি, টঙ্গী মেডিক্যালের পেছনের বস্তি, পরানমণ্ডলের টেক কাঁঠালদিয়া বস্তি, নেকারবাড়ী বস্তি, বেলতলা বস্তি, সান্ডারপাড়া বস্তি, খৈরতুলের ব্যাংকপাড়া বস্তি, কড়ইতলা বস্তি ইত্যাদি। জানা গেছে, ১৯ বস্তিতে পাঁচ হাজারের বেশি মাদক কারবারি রয়েছে। আর মাদক সেবন, মাদক কারবার, মাদকের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা মিলিয়ে মাদক ব্যবসার নিরাপদ রুট তৈরিতে জড়িত এই বস্তিগুলোর অন্তত ২০ শতাংশ মানুষ। আসন্ন গাজীপুর  সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এই মাদকের আশ্রয়দাতাদের মধ্যে টঙ্গীর ১৫টি ওয়ার্ডে অন্তত ৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, </span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">‘</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">মাদক ব্যবসায়ীদের স্বমূলে উচ্ছেদ করতে দিনরাত কাজ করছে পুলিশ। এরই মধ্যে ধারাবাহিক অভিযানে অনেক মাদকসেবী ও কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেক মাদক বিক্রয়কেন্দ্র সিলগালা করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">’</span></span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p> </p> <p> </p>