kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় সে ব্যবস্থা করা আছে

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি ভয়েস অব আমেরিকার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের উত্তরণ, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন। সংক্ষিপ্ত আকারে তা তুলে ধরা হলো

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় সে ব্যবস্থা করা আছে

ভয়েস অব আমেরিকা : ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় স্থান করে নেবে। আগামী ৫-১০ বছরে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জগুলো কী? 

শেখ হাসিনা : ২০২১ সালকে লক্ষ্য করে আমরা আমাদের পরিকল্পনাটা নিলাম। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ২০১৪ সালে নির্বাচন হলো। জনগণ আমাদের কাজে খুশি হয়ে আমাদের আবার ভোট দিল, আমরা দ্বিতীয়বার এলাম।

বিজ্ঞাপন

এর সুবিধা হলো ধারাবাহিকতা থাকলে কাজগুলো আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তৃতীয়বারও যখন নির্বাচন হলো তখন আমাদের ভোট দিল এবং আমাদের কাজগুলো করতে পারলাম। দারিদ্র্য ৪১ শতাংশ থেকে ২০.৫ শতাংশে নামালাম। আমাদের লক্ষ্য ছিল দারিদ্র্যের হার কমিয়ে ১৬-১৭ শতাংশে নিয়ে আসব। এর মধ্যে করোনাভাইরাস এসে আমাদের অগ্রযাত্রাটা একটু ব্যাহত করে দিল। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ, সেটাও একটা বাধা সৃষ্টি করল।

ভয়েস অব আমেরিকা : বাংলাদেশ ৯ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে । সম্প্রতি একাধিকবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেছেন বাংলাদেশ আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেবে না। এমন একটা সিদ্ধান্ত কেন নিচ্ছেন?

শেখ হাসিনা : আমাদের তো এমনিতেই ঘনবসতির দেশ। তার ওপর এত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া। দীর্ঘদিন পর্যন্ত এভাবে থাকা তো একটা বোঝার মতো হয়ে যাওয়া। কত দিন এই রিফিউজি থাকবে, তাদের তো নিজের দেশে ফিরে যেতে হবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বারবার অনুরোধ করেছি যে আপনারা একটা ব্যবস্থা নেন যাতে তারা নিজের দেশে ফিরে যেতে পারে। তারা দীর্ঘদিন থাকার ফলে কক্সবাজারের সমস্ত পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। ইদানীং আবার মিয়ানমারে গোলমাল শুরু হয়েছে। তো এ জন্যই বলা হয়েছে, আমরা তো আর নিতে পারব না, সম্ভব না।

ভয়েস অব আমেরিকা : বিএনপি আগামী নির্বাচনে একটি নির্বাচনকালীন ও নিরপেক্ষ সরকারের দাবি জানিয়ে আসছে। এ বিষয়ে আপনার অবস্থান কী?

শেখ হাসিনা : আইনের মাধ্যমে কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশন তৈরি হয়েছে। তাদেরকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন যাতে ফেয়ারভাবে করতে পারে, সে ব্যবস্থা করা আছে।

ভয়েস অব আমেরিকা : বাংলাদেশে গুম-খুনের যে অভিযোগগুলো আছে সেগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আপনার সরকার কী চিন্তা-ভাবনা করছে?

শেখ হাসিনা : আমাদের একটা মানবাধিকার কমিশন আছে। তারা কিন্তু তদন্ত করছে। যখন আমরা তালিকা চাইলাম, তখন ৭০ জনের একটা তালিকা দেওয়া হলো। সেখানে দেখা গেল বেশির ভাগই বিএনপির অ্যাকটিভিস্ট, তারা মিছিল করছে। অনেকে ব্যক্তিগত কারণে ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না, এ জন্য নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। মারা গেছে এমন সাতজনের তথ্য পাওয়া গেছে। আমরা মানবাধিকার লঙ্ঘন না, আমরা মানবাধিকার সংরক্ষণ করেছি।



সাতদিনের সেরা