kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

সলিল চৌধুরী

সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও সুরকার সলিল চৌধুরীর জন্ম ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ১৯ নভেম্বর ১৯২৫ সালে। তাঁর বাবা জ্ঞানেন্দ্রময় চৌধুরী আসামের লতাবাড়ি চা বাগানে ডাক্তারি করতেন। বাবার কাছেই তাঁর সংগীতশিক্ষার হাতেখড়ি। পিতৃব্য নিখিল চৌধুরীর কাছেও সংগীতের তালিম নেন এবং মূলত তাঁর ঐক্যবাদন দল ‘মিলন পরিষদ’-এর মাধ্যমেই গানের জগতে শৈশবেই সম্পৃক্তি। তিনি হারিনাভি বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পরে কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। আধুনিক বাংলা গানের সুরস্রষ্টা হিসেবে এবং গণসংগীতের প্রণেতা হিসেবে তিনি স্মরণীয়। তাঁর সংগীতপ্রতিভা মূলত ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পেই ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। তিনি একজন আয়োজক ছিলেন এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র যেমন—বাঁশি, পিয়ানো, এসরাজ প্রভৃতি বাজাতে জানতেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সাংস্কৃতিক দল ভারতীয় গণনাট্য সংঘ বা আইপিটিএতে যোগ দেন। এ সময় তিনি গণসংগীত লেখা ও সুর করা শুরু করেন। তাঁর প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র ‘পরিবর্তন’ মুক্তি পায় ১৯৪৯ সালে। ১৯৫৩ সালে বিমল রায় পরিচালিত দো ভিঘা জামিন চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালক হিসেবে হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে। তাঁর ছোটগল্প ‘রিকসাওয়ালা’ অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি তৈরি হয়। চলচ্চিত্রটি তাঁর কর্মজীবনকে নতুন মাত্রা যোগ করে এবং তিনি ফিল্মফেয়ার সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ৭৫টির বেশি হিন্দি চলচ্চিত্র, ৪০টি বাংলা চলচ্চিত্র, ২৬টি মালয়ালাম চলচ্চিত্র এবং তামিল, তেলেগু, কান্নাডা, গুজরাটি, ওড়িয়া চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন। ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা