• ই-পেপার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম পদক্ষেপ নিন

মিরপুর-১০-এ স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল চাই

মিরপুর-১০-এ স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল চাই

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত ট্রাফিক সিগন্যাল হলো মিরপুর-১০ গোলচত্বর। নগরের প্রায় প্রতিটি রুটের যানবাহনের যাতায়াত এই মোড় দিয়ে। প্রতিদিন লাখ লাখ যানবাহনের চাপে অতিষ্ঠ অত্র এলাকা দিয়ে চলাচলকারীরা। যানবাহনের চাপ বেশি হওয়ার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি খাদ্য সরবরাহকারী বাহন। নিয়ম না মেনে যত্রতত্র চলা যানবাহনের কারণে বাড়ে জটিলতা। গভীর রাতেও যানজটের কারণে গোলচত্বর পাড়ি দিতে অনেক সময় লেগে যায়। এ থেকে এলাকাবাসীর মুক্তি মিলবে কবে? সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকা এই জনদুর্ভোগের মূল কারণ। এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যার সুফল পাচ্ছে চলাচলকারীরা। ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলছে অত্র এলাকা দিয়ে চলাচলকারী সব যানবাহন। এই জনদুর্ভোগ কমাতে এবং মিরপুর-১০ গোলচত্বরের ট্রাফিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

নাফিজ উর রহমান

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ

সেতুর কাজ অসম্পূর্ণ, জনভোগান্তি

সেতুর কাজ অসম্পূর্ণ, জনভোগান্তি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ-মনাকষা সড়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলছিল। তবে কিছুদিন আগে থেকে সেখানে আর কোনো শ্রমিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের ধারণা, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে পালিয়ে গেছে।

সেতুর দুই পাশের কাজ শেষ হলেও মাঝখানের অংশ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। স্থানীয় শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে চলাচল করছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠবে। সেতুর কাজ বন্ধ থাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সময় ও অর্থের অপচয় বাড়ছে। দীর্ঘদিনেও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।

তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, এলজিইডি ও কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, যেন দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

আব্দুল কাদির বিন আহাসান

শিক্ষার্থী, আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ

রাস্তার করুণ দশা

রাস্তার করুণ দশা

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বাট্রা বাজার থেকে স্বল্প হয়ে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত সড়কটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত করুণ। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ, ভাঙন ও জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি কাদাময় হয়ে পড়ে। ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই সড়কটি বাট্রা, স্বল্প ও রামচন্দ্রপুর গ্রামের মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তার করুণ দশার কারণে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছতে পারে না। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষও প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, ব্যবসায়ীদের পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও হয়ে উঠেছে কষ্টসাধ্য। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি, জনস্বার্থে বাট্রা-স্বল্প-রামচন্দ্রপুর সড়কের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ দ্রুত শুরু করা হোক। একটি নিরাপদ ও টেকসই সড়ক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, কৃষকদের উৎপাদন, ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করবে।

মো. রেজাউল করিম রনি

তারাকান্দা, ময়মনসিংহ

আম বাজারে ওজন নিয়ে প্রতারণা কেন

আম বাজারে ওজন নিয়ে প্রতারণা কেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট দেশের অন্যতম বৃহৎ আম বাজার হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত এখানে কোটি কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয় এবং শত শত ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বৃহৎ বাজারে কৃষকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ওজনে প্রতারণা করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এক মণ সমান ৪০ কেজি হলেও অনেক আড়তে ৪৫ থেকে ৫৬ কেজি পর্যন্ত এক মণ ধরা হয়। একজন কৃষক বছরের পর বছর পরিশ্রম করে একটি আমবাগান গড়ে তোলেন। কিন্তু বাজারে এসে যদি তাঁকে অতিরিক্ত ওজনে আম বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে তাঁর শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হয় না। এই অন্যায় ব্যবস্থার কারণে অনেক কৃষক আম চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। তাই প্রশাসনের উচিত বাজার তদারকি জোরদার করা এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৪০ কেজিতে এক মণ নিশ্চিত করা। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার ও সুবিচার নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

আব্দুল কাদির বিন আহাসান

শিক্ষার্থী, আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম পদক্ষেপ নিন | কালের কণ্ঠ