• ই-পেপার

বিডা

৪০ কোটি ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ বাস্তবায়নের পথে

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র

আদালতের আদেশে দায়িত্ব ফিরে পাচ্ছে ডা. নাজিমউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ট্রাস্টি বোর্ড

বিশেষ প্রতিনিধি
আদালতের আদেশে দায়িত্ব ফিরে পাচ্ছে ডা. নাজিমউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ট্রাস্টি বোর্ড

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্ব ফিরে পাচ্ছে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মুক্তিযোদ্ধা ডা. নাজিমউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। উচ্চ আদালতের আদেশে শিগগিরই তারা প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এ জন্য পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ জুলাই এক আদেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডসংক্রান্ত বিরোধে তিনটি সম্পূরক নিবন্ধিত দলিলের কার্যকারিতা চার মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুল জারি করে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেন আদালত। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ডা. নাজিমউদ্দিন আহমেদ নিম্ন আদালতের দুটি আদেশের বিরুদ্ধে সিভিল রিভিশন আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত ৫৩১ দিনের বিলম্ব মার্জনা করে আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং রুল জারি করেন।

রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত জেলা জজ, অষ্টম আদালতের দেওয়া আদেশ এবং ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট ঢাকার সিনিয়র সহকারী জজ, দ্বিতীয় আদালতের টাইটেল স্যুট নম্বর-৩৭২/২০২৩-এ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজের আদেশ বাতিল করা হবে না।

হাইকোর্ট আদেশে ২০০৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির আইভি-১৭/২০২৮, ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বরের আইভি-৮০/১১ এবং ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারির আইভি-০১/২৫ নম্বর সম্পূরক নিবন্ধিত দলিলের কার্যকারিতা চার মাসের জন্য স্থগিত করেন। এ সময়ের মধ্যে অথবা রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

তবে আদালত স্পষ্ট করেছেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে বিরোধের মূল দেওয়ানি মামলা (নম্বর-৩৭২/২০২৩) স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। মামলার নথি তলবেরও প্রয়োজন নেই বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে আরো বলা হয়, আবেদনকারীকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে রুল জারির জন্য প্রয়োজনীয় রিকুইজিট দাখিল করতে হবে এবং বিবাদীদের কাছে আইন অনুযায়ী নোটিশ পাঠাতে হবে।

আদালতে বাদীপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ফাহাদ মাহমুদ খান।

আদালতের এই রায়ের ফলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা। তাঁরা হলেনআলতাফুন্নেসা, আবুল কাশেম চৌধুরী, সন্ধ্যা রায়, মনজুর কাদির আহম্মেদ, শিরীন পারভীন হক, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও আব্দুল কাদের আজাদ।

গত ২৯ এপ্রিল কালের কণ্ঠে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষমতার দাপটে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিকে সরিয়ে দেন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও শিরীন পারভীন হক। রিজওয়ানা ছিলেন তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা। নিয়ম ভেঙে তখন তাঁরা নিজেরাই নিজেদের ট্রাস্টি হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

জানা গেছে, আদালতের আদেশে ওই তিনটি ট্রাস্টি দলিল স্থগিত হওয়ায় বর্তমানে ডা. নাজিমউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের দায়িত্ব গ্রহণে আইনগত কোনো বাধা নেই। এই বোর্ডের সদস্যসংখ্যা পাঁচজন। অন্যরা হলেনঅধ্যাপক নজরুল ইসলাম, ডা. শাহজাহান, অধ্যাপক ডা. মনোয়ারা বেগম ও অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।

জানা গেছে, ডা. নাজিমউদ্দিন আহমেদ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মারা যাওয়ার পর তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্ব বুঝে নেন। তবে ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট জোর করে পদত্যাগপত্রে সই নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয় ডা. নাজিমউদ্দিনকে।

জানতে চাইলে গতকাল রাতে ডা. নাজিমউদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, আদালতের আদেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র দখলবাজমুক্ত হলো। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি। তারা আমাদের অভয় দিয়ে পাশে থাকার কথা বলেছে। আমরা খুব শিগগির প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বুঝে নেব।

 

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন মূল্যায়নে ঢাকায় আসছে এপিজি প্রতিনিধিরা

এম সায়েম টিপু
মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন মূল্যায়নে ঢাকায় আসছে এপিজি প্রতিনিধিরা

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে আর্থায়ন মূল্যায়নে আগামী ১১ আগস্ট ঢাকায় আসছে এপিজির (এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিং) একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। ১৩ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিনিধিদলটি ঢাকায় অবস্থান করবে। সফরকালে তারা দেশের আইনগত কাঠামো, ঝুঁকি মূল্যায়ন, তদন্ত ও বিচার ব্যবস্থা, সম্পদ জব্দ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা করবে। এই সফরের মধ্য দিয়েই ২০২৭-২৮ সালের চতুর্থ মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন বা পারস্পরিক মূল্যায়নের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হবে। এ বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমন্বয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র জানায়, সভায় এপিজির সুপারিশ, সরকারের প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন সংস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্সকে আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এপিজির মূল্যায়ন শুধু আইন থাকার বিষয়টি দেখবে না, বরং আইন বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, সেটিই এবার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। তদন্ত, বিচার, সম্পদ জব্দ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা যাচাই করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকি মোকাবেলায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে তৃতীয় জাতীয় ঝুঁকি
মূল্যায়ন, সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকি বিশ্লেষণ, এনজিও ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং ভার্চুয়াল অ্যাসেট ও ভার্চুয়াল অ্যাসেট সার্ভিস প্রোভাইডার খাতের ঝুঁকি নিরূপণ।

সরকারি সূত্র জানায়, এপিজির মূল্যায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) লিড এজেন্সি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিএফআইইউ প্রধানকে করা হয়েছে প্রধান সমন্বয়কারী। এরই মধ্যে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে ফোকাল পারসন মনোনয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণাদি উপস্থাপন করা যায়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্বল মূল্যায়ন হলে দেশের আর্থিক খাতের ওপর অতিরিক্ত নজরদারি আরোপ হতে পারে। আন্তর্জাতিক লেনদেনেও জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। এতে করে ঋণমানেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই আগস্টে এপিজির সফরের আগে সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দেখানো যে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন মোকাবেলায় বাংলাদেশ শুধু আইন প্রণয়নেই নয়, বাস্তব প্রয়োগেও কার্যকর অগ্রগতি অর্জন করেছে।

কার্যপত্র অনুযায়ী, এপিজি ও ফিন্যানশিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের (এফএটিএফ) মূল্যায়ন হবে দুই ধাপে। প্রথম ধাপে টেকনিক্যাল কমপ্লায়েন্সের আওতায় দেশের আইন, বিধিমালা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যাচাই করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ইফেকটিভনেস মূল্যায়নের মাধ্যমে দেখা হবে, এসব আইন বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে ১১টি নির্ধারিত সূচকের ভিত্তিতে তদন্ত, বিচার, সম্পদ জব্দ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হবে।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জানিয়েছে, নিজস্ব প্রসিকিউশন সার্ভিস না থাকায় মানি লন্ডারিংয়ের মতো জটিল মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করা কঠিন হচ্ছে। এ কারণে সিআইডিতে একটি স্থায়ী প্রসিকিউশন সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলে নদীভাঙন

তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলে নদীভাঙন
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলে নদীভাঙন ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। গতকাল চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

নোয়াখালীতে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবার দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক স্কুলছাত্রী। পরে এলাকাবাসী গণপিটুনি দিয়ে ধর্ষককে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পটুয়াখালীর দুই উপজেলায় এবং ঢাকার সাভারে ধর্ষণচেষ্টায় গ্রেপ্তার হয়েছে তিনজন। এ ছাড়া গাজীপুর ও পিরোজপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

নোয়াখালী : সুবর্ণচর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবার   দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানতে পেরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

বুধবার রাতে চরজব্বর থানায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলা করেন। একই দিন সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিনকে (৫৫) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

চরজব্বর থানার ওসি রফিকুল হাসান জানান, নির্যাতিতা ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

পটুয়াখালী : কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে ১১ বছরের এক শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল তাঁকে গ্রেপ্তার করে কলাপাড়া আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল শিশুটি। এ সময় তার মা-বাবা বাড়ির বাইরে ছিলেন। ওই সুযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় লোকজন ঘটনাস্থলে চলে এলে তিনি পালিয়ে যান।

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) : মৌডুবি ইউনিয়নের ভূইয়াকান্দা গ্রামে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই মামলায় জাহাঙ্গীর হাওলাদার (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীর ভূইয়াকান্দা গ্রামের আক্কেল আলী হাওলাদারের ছেলে। গতকাল সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সাভার (ঢাকা) : পৌর এলাকার বক্তারপুর পোড়াবাড়ী মহল্লায় বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে দুই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে উথান হরি (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক মো. আলিম।

গ্রেপ্তারকৃত উথান হরি বক্তারপুর পোড়াবাড়ী মহল্লার ইছাক আলীর ছেলে।

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে পিতার যাবজ্জীবন : গাজীপুর থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, নিজ মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে লম্পট এক বাবাকে সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। গাজীপুর মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আবুবক্কর সিদ্দিক গতকাল আসামির উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন।

গত বছরের ২৬ মার্চ রিপন হোসেন নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে পরদিন কাশিমপুর থানায় স্বামীকে আসামি করে মামলা করেন।

কিশোরী ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড : পিরোজপুর প্রতিনিধি জানান, ভাণ্ডারিয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলার আসামি তন্ময় মিস্ত্রিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গতকাল পিরোজপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁকে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তন্ময় মিস্ত্রি উপজেলার সিংহখালী গ্রামের উত্তম কুমার মিস্ত্রির ছেলে।