• ই-পেপার

দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা লাভের দোয়া

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব-১১৪২

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

মুত্তাকিরা থাকবে নিরাপদ স্থানে, উদ্যান ও ঝরনার মধ্যে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমি বস্ত্র এবং মুখোমুখি হয়ে বসবে। এরূপই ঘটবে, আমি তাদের সঙ্গিনী দান করব আয়তলোচনা হুর, সেখানে তারা প্রশান্তচিত্তে বিবিধ ফলমূল আনতে বলবে, প্রথম মৃত্যুর পর তারা সেখানে আর মৃত্যু আস্বাদন করবে না। আর তাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করবেন তোমাদের প্রতিপালক নিজ অনুগ্রহে। এটাই মহাসাফল্য। আমি তাদের ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা করো, তারাও প্রতীক্ষমাণ। (সুরা : দুখান, আয়াত : ৫১-৫৯)

আয়াতগুলোতে জান্নাতের নিয়ামতগুলো বর্ণনা করা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. আয়াতে জান্নাতিদের প্রত্যাশিত ও প্রয়োজনীয় ছয়টি নিয়ামত প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

২. ছয়টি নিয়ামত হলো : ক. উত্তম বাসস্থান, খ. উত্তম পোশাক, গ. আকর্ষণীয় জীবনসঙ্গী, ঘ. সুস্বাদু খাবার, ঙ. নিয়ামতগুলোর স্থায়িত্বের নিশ্চয়তা, চ. দুঃখ-কষ্ট থেকে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা।

৩. জান্নাতে জান্নাতিদের বিয়ে হবে সম্মানজনক, নতুবা সেখানে বিধি-বিধানের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

৪. জান্নাতে জীবনের স্বাদ বিনষ্টকারী মৃত্যু থাকবে না। কিয়ামত দিবসে পুনরুত্থানের পর মানুষের আর মৃত্যু হবে না।

৫. কোরআন থেকে উপদেশ গ্রহণ করা সহজ এবং কোরআন উপেক্ষা করার পরিণতি ভয়াবহ। (বুরহানুল কুরআন : ৩/৩৪১)

প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

প্রশ্ন-উত্তর

নামাজ চলাকালে অজু চলে গেলে করণীয়

প্রশ্ন : একজন ব্যক্তি মসজিদের প্রথম কাতারে নামাজে দাঁড়িয়েছে। নামাজের মাঝখানে হঠাৎ তার অজু ভেঙে যায়। তার পেছনে অনেক লোক ছিল। এ অবস্থায় সে বুঝে উঠতে পারছিল না যে কী করবে! আমার জানার বিষয় হলো, এ রকম পরিস্থিতিতে পড়লে করণীয় কী? সে কি বের হয়ে চলে আসবে, নাকি নামাজ শেষ করবে?

রিয়াদ, উত্তরা

 

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ব্যক্তি অজু ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুসল্লিদের কাতার ভেদ করে কিংবা মুসল্লিদের সামনে দিয়ে অতিক্রম করে মসজিদের একপাশ দিয়ে বের হয়ে আসবে এবং অজু করে ইমামের সঙ্গে নামাজে শরিক হবে। আর যদি বের হওয়া কষ্টকর হয়, তাহলে নামাজের নিয়ত ছেড়ে দিয়ে আপন জায়গায় বসে থাকবে, এ অবস্থায় নামাজ চালু রাখবে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১২২১, হেদায়া : ১/১২৮, হালবি কাবির : ৪৫২, ফাতাওয়ায়ে রশিদিয়া : ৩৪৪, মাহমুদিয়া : ৬/৫৮০)

মনীষীদের কথা

মনীষীদের কথা

দ্বিনের ওপর দৃঢ় থাকাই সবচেয়ে বড় কারামাত (অলৌকিকত্ব)।

ইবনে তাইমিয়া (রা.)

দুঃস্বপ্ন দেখে ভয় পেলে দোয়া

দুঃস্বপ্ন দেখে ভয় পেলে দোয়া

উচ্চারণ : আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মা-তি মিন গজবিহি ওয়া ইক্বাবিহি ওয়া শাররি ইবাদিহি ওয়া মিন হামাযাতিশ শায়াত্বিনি ওয়া আঁঁই-ইয়াহদ্বুরুন।

অর্থ : আমি আল্লাহর ক্রোধ ও আজাব থেকে, তাঁর বান্দাগণের উপদ্রব থেকে, শয়তানের প্ররোচনা থেকে এবং আমার কাছে শয়তানের আগমন থেকে আল্লাহর পূর্ণ কলেমাসমূহের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

উপকার : ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে খালিদ ইবনে ওলীদ (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বললেন, আমি নিদ্রাবস্থায় (স্বপ্নে) ভয় পাই। রাসুল (সা.) বলেন, তুমি (শোয়ার সময়) এই দোয়া পাঠ কোরো। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হাদিস : ১৭১৪)

দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা লাভের দোয়া | কালের কণ্ঠ