kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সিপিডির ভার্চুয়াল সভা

ঋণ পেতে সমস্যায় সিএমএসএমই খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তারা। অথচ তাঁদেরই ব্যাংকঋণ পেতে সমস্যা হচ্ছে। কারণ তাঁদের অনেকেরই ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন কাগজপত্র নেই। তাই প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ের জন্য ব্যাংকিং নীতিমালা সংস্কার জরুরি। প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নে জরুরি ভিত্তিতে একটি সমন্বিত ডাটাবেইস গড়ে তোলা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা।

গতকাল বুধবার সিটিজেনস প্ল্যাটফর্ম ফর এসডিজিস, বাংলাদেশ এবং বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘করোনা-পরবর্তী কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবস্থা এবং প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকারিতা’ বিষয়ে ভার্চুয়াল নীতি সংলাপে অংশ নিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিল্ডের চেয়ারপারসন আবুল কাশেম খান।

ভার্চুয়াল আলোচনায় এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি সৈয়দ আসিফ ইব্রাহীম, ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই বিভাগের প্রধান সৈয়দ আব্দুল মোমেন, আইটি উদ্যোক্তা সৈয়দ আলমাস কবিরসহ কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন।

উদ্যোক্তারা বলেন, সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য প্রথমেই ঘোষণা করা ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সাপোর্ট থেকে নির্ধারিত সময়ে ছাড় হয়েছে চার হাজার ১২০ কোটি টাকা, যা বরাদ্দের মাত্র ২০.৫ শতাংশ। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য তিন হাজার কোটি টাকা থেকে ছাড় হয়েছে মাত্র এক হাজার ৬০ কোটি টাকা। এ অবস্থায় অক্টোবরের মধ্যে প্রণোদনা ছাড়ের প্রক্রিয়া শেষ করতে জোরদার কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের সুপারিশ করেছেন বক্তারা। মূল প্রবন্ধে আবুল কাশেম খান বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সিএমএসএমই খাত ২৫ শতাংশ অবদান রাখছে। প্রাইভেট সেক্টরের ৯৯.৮৪ শতাংশে সিএমএসএমই খাতের অংশগ্রহণ রয়েছে। এই সেক্টর ৭ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন কর্মসংস্থান করেছে, যা দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা