kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

‘অংশগ্রহণমূলক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে না’

‘রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও অর্থনৈতিক ফলাফল’ বইয়ের ওপর আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশ এগিয়ে গেলেও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন হচ্ছে না। আর অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে স্বাধিকার ও উন্নয়নের সুফল মিলবে না। সমতাভিত্তিক টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ এসব কথা বলেন।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ মিলনায়তনে ‘রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও অর্থনৈতিক ফলাফল’ বইয়ের ওপর আলোচনাসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বইটির লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। ১৯৭১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও অর্থনৈতিক ফলাফল নিয়ে চারটি অধ্যায়ে বইটি লেখা হয়েছে। সংহতি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ১৩৬ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য ৩০০ টাকা।

উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান রিয়াজুল হকের সভাপতিত্বে ও নিয়াজ আহমেদ খানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আনু মুহাম্মদ ও বিশ্লেষক মোস্তাক এইচ খান। এ ছাড়া উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষকরাও বক্তব্য দেন।

রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বা কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা মোস্তাক এইচ খান বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সুশৃঙ্খল হতে হবে। সুশৃঙ্খল না হওয়ায় অনেক দেশ উন্নয়নের পথে গিয়েও হোঁচট খেয়েছে। দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো মানা হচ্ছে না। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনগণের সেবার মান বাড়াতে হবে। ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে খেলাপি হলেও আবার তাকেই ঋণ দেওয়া হয়। গণতন্ত্র না থাকলেও দেশ উন্নয়নশীল হবে এটা ভুল। গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে দেশ এগিয়ে যাবে বেশি।

আনু মুহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশ ক্রমেই পুঁজিবাদের দিকেই ঝুঁকছে। দেশে টাকার প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে। তবে বছর বছর প্রবৃদ্ধি বাড়লেও সেবার মান তো বাড়ছে না। রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের অর্থনীতিকে চালিয়ে রাখছে; কিন্তু তাদের স্বার্থে যেসব নীতিমালা করা হয় সেটা সংগতিপূর্ণ নয়।

মন্তব্য