kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

এ সপ্তাহের সাক্ষাৎকার

আ. লীগের স্বার্থেই সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে-বাইরে মেরুকরণ, আগামী জাতীয় নির্বাচন, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ভবিষ্যৎ ও নেতৃত্ব—এসব বিষয় নিয়ে কালের কণ্ঠের কাছে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তৈমুর ফারুক তুষার

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



আ. লীগের স্বার্থেই সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার

কালের কণ্ঠ : বিএনপি কিছুদিন ধরে সারা দেশে কর্মসূচি পালন করছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। হামলার শিকার হচ্ছে। তবে মাঠ ছাড়ছে না।

বিজ্ঞাপন

বিএনপির এই রাজনৈতিক অবস্থানকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

হারুন-অর-রশিদ : যুক্তরাজ্যে যেমন লেবার পার্টি ও কনজারভেটিভ পার্টি আছে, ভারতে যেমন বিজেপি ও কংগ্রেস আছে, তেমনি আমাদের এখানে আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি হতে পারে। কিন্তু তার কিছু পূর্বশর্ত আছে। তাদের যেটা দরকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতের সঙ্গ সব সময়ের জন্য ত্যাগ করা। দুই. মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করা। তিন. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা। চার. জনগণের রায়ের প্রতি আস্থা রাখা। এগুলো যদি বিএনপি করতে পারে তাহলে একটা দায়িত্বশীল দল হিসেবে তাদের এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এতে খালেদা জিয়া বা তারেক রহমান দায়িত্বে থাকুক আর না থাকুক।

এই বিষয়গুলো পালন না করলে বিএনপির যে সংকট, সেখান থেকে উত্তরণের কোনো পথ দেখি না। তবে আমি মনে করি, এটা করা বিএনপির জন্য কঠিন। কারণ তারা যাদের নিয়ে রাজনীতি করে, যাদের ভিত্তির ওপর বিএনপি দাঁড়িয়ে আছে, তাদের মগজে রয়েছে পাকিস্তানি ভাবাদর্শ।

কালের কণ্ঠ : বিএনপির সংকট তাহলে কোথায়?

হারুন-অর-রশিদ : বিএনপির দুই ধরনের সংকট—একটা রাজনৈতিক আদর্শের সংকট, আরেকটা নেতৃত্বের সংকট। তবে বিএনপি কিছু কিছু শিক্ষা নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। তারা এখন আর ভারতের বিরুদ্ধে তেমন একটা কথা বলে না। আগে এটা খুব বলত।

বিএনপির নেতৃত্বে যদি একসময় জিয়া পরিবার না থাকে, অন্যরা যদি নেতৃত্বে আসে এবং তারা যদি মনে করে যে আমরা সংসদীয় ধারায় রাজনীতি করব; বোমা হামলা, সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড করব না, তাহলে তাদের একটা পরীক্ষা দিতে হবে। কাজের মধ্য দিয়ে জনগণকে বোঝাতে হবে যে আমি পরিবর্তন হয়েছি, আমি এখন গণতন্ত্রমনা হয়েছি। জনগণ যদি আবার সন্ত্রাস দেখে, হাঙ্গামা দেখে তাহলে তারা বিএনপির প্রতি আবার মুখ ফেরাতে পারে।

জনগণের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ আছে। একটা সরকার তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকলে কিছু অসন্তোষ এমনিতেই তৈরি হয়। কিন্তু তার পরও জনগণের সামনে বিকল্প বলে কিছু নেই। জামায়াত-বিএনপি তো বিকল্প হতে পারে না।

কালের কণ্ঠ : তাহলে বিএনপি কী করবে?

হারুন-অর-রশিদ : আমি মনে করি, আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির জন্য কল্যাণকর হবে সন্ত্রাসকে বিদায় জানানো। গণতান্ত্রিকভাবে সভা-সমাবেশ করার চেষ্টা করা। সর্বশক্তি নিয়ে নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্বাচনে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে কাকে ভোট দেবে। সেই নির্বাচনে যদি কারচুপি হয় তাহলে তো সারা বিশ্ব, গণমাধ্যম—সবাই দেখবে। অন্যায় করে কেউ জোর করে ক্ষমতায় থাকতে পারে না।

কালের কণ্ঠ : আপনি জন-অসন্তোষের কথা বললেন। তাহলে আগামী নির্বাচন কি আওয়ামী লীগের জন্য সহজ হবে?

হারুন-অর-রশিদ : আমি মনে করি, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট গঠন হবে এবং তাকে সক্রিয় করা হবে। এবার তো আওয়ামী লীগের সরকার চলছে। পরবর্তী সময়ে হবে মহাজোটের।

জামায়াতের নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন নেই। কিন্তু বিএনপির সঙ্গে তাদের বোঝাপড়া কোনো না কোনোভাবে থাকবে। কোনো কোনো আসনে জামায়াত দলীয় ব্যানার থেকে না দাঁড়িয়ে স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সেখানে বিএনপির সঙ্গে একটা সমঝোতা থাকবে। বিএনপি নতুন কিছু দলকেও সঙ্গে নেওয়ার চেষ্টা করবে। নাগরিক ঐক্য, অধিকার মঞ্চ, বাম জোট—এরা মিলে একটা জোট করতে পারে।

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গতবার যে ঐক্যফ্রন্ট হয়েছিল, সে রকম এবার হবে না।

কালের কণ্ঠ : আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলেও কিছুটা অসন্তোষ আছে। আগামী নির্বাচনে জোট গঠনে তার প্রভাব পড়তে পারে কি?

হারুন-অর-রশিদ : ১৪ দলের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও তা কমিয়ে ফেলা যাবে। যে কারণে ১৪ দল গঠন করা হয়েছিল, সে কারণগুলো শেষ হয়ে যায়নি। আগামী দিনে এ কারণগুলো আরো বেশি করে সামনে আসবে। আগামী নির্বাচনে ১৪ দল ঐক্যবদ্ধ থাকবে বলেই আমার মনে হয়। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ঐক্য আওয়ামী লীগের জন্য বিশেষ দরকারি।

কালের কণ্ঠ : দল হিসেবে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এবং তাদের সামনের চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

হারুন-অর-রশিদ : আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দল। অসাম্প্রদায়িক আদর্শে তাদের বিশ্বাস। তবে দলের অনেকের ব্যক্তিবিশেষে যে বিশ্বাস, সেটা আলাদা বিষয়। বঙ্গবন্ধুর দুটি লক্ষ্য ছিল—বাংলাদেশ স্বাধীন করা এবং দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। এখন দলের মধ্যে অনেকে আছে, যাদের আদর্শের বিচ্যুতি ঘটেছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছিল—ভোগ নয়, ত্যাগ। কিন্তু এরা ভোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এরা টাকা-পয়সার পেছনে ছুটছে। তবে আশার কথা হলো, সারা দেশে আওয়ামী লীগের লাখ লাখ সাধারণ কর্মী আছে, যারা কোনো দিন ক্ষমতার কাছে যাবে না, কিন্তু তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধরে রাখবে। এরাই হলো আওয়ামী লীগের শক্তি। ১৯৭৫ সালের পরে আওয়ামী লীগের ওপর যে ধকল বা আঘাত, সেটা যখন কাটিয়ে উঠেছে তখন আওয়ামী লীগকে নিয়ে কোনো সংশয় আর থাকে না।  

কালের কণ্ঠ : সে ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী এই দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব কে বা কেমন হবে?

হারুন-অর-রশিদ : শেখ হাসিনার পরে কে নেতৃত্বে আসবে, এই তো! এই মেয়াদে হয়তো সমস্যা দেখা দেবে না। কিন্তু এর পরের মেয়াদে এই প্রশ্ন সামনে আসবে। আমার মনে হয়, আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় দলের এ পরিকল্পনা অবশ্যই আছে।

কালের কণ্ঠ : বিএনপির ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার বিশ্লেষণ কী?

হারুন-অর-রশিদ : একসময়ের মুসলিম লীগ ও জামায়াত, এই রাজনৈতিক ধারার একটি সংস্করণ হলো বিএনপি। বাংলাদেশ তো দুই ধারায় বিভক্ত। দেশের একটা অংশ সাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনায় বিশ্বাসী, ভারতবিদ্বেষী, কট্টর বামপন্থী, যারা মূলত চীনপন্থী। এই অংশটাকেই প্রধানত নেতৃত্ব দেয় বিএনপি। ফলে বিএনপি কমবেশি একটা ধারা হিসেবে টিকে থাকবে। এ কারণেই ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকেও বিএনপি টিকে আছে। তাদের আশার আলো তারেক রহমান।

বিএনপি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে কতগুলো মৌলিক প্রশ্ন দেখা যায়। মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে তাদের অবস্থান কী? তারা কি গণতন্ত্রের চর্চা চায়, নাকি ক্ষমতাসীন হতে চায়—এটা বড় প্রশ্ন। ২০১৪-১৫ সালে তারা যে সন্ত্রাস করেছে, তা কোনো ফ্যাসিস্ট দলের পক্ষেও সম্ভব নয়। তারা মহাপাপ করেছে। তারা এখন সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছে।

কালের কণ্ঠ : বিএনপি কিভাবে তাদের সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারে?

হারুন-অর-রশিদ : বিএনপির সংকটমুক্তির পথ আমি দেখি না। তারেক রহমানের স্ত্রীকে যদি সামনে নিয়ে আসে তবে এক ধরনের শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব। তারেক রহমান লন্ডনে গিয়ে বসে আছেন। তাঁকে তো বাংলাদেশে আসতে কেউ নিষেধ করেনি। তাহলে আসছেন না কেন? রাজনীতি করতে গেলে এটুকু সাহস থাকবে না! রাজনীতি করলে সাহস থাকতে হবে। আমি আরাম-আয়েশে থাকব, নিরাপদে থাকব, নেতাও থাকব—এটা তো হয় না। তারেক রহমানের খোমেনি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ইরানে বিপ্লব হয়েছে, এরপর খোমেনি গিয়ে নেতৃত্বে বসেছেন। এটা তারেক জিয়ার ক্ষেত্রে হবে না। তারেকের মতাদর্শগত ভাবনায় হয়তো খোমেনি থাকতে পারে, কিন্তু বাস্তবতায় এটা সম্ভব নয় যে তিনি বিজয়ীর বেশে দেশে ফিরে আসবেন।

কালের কণ্ঠ : জাতীয় পার্টিতে আবার একটা অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আগামী নির্বাচনের আগে দলটি কী ধরনের অবয়ব পাবে? 

হারুন-অর-রশিদ : জাতীয় পার্টির দুই ধারায় বিভক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জি এম কাদেরের নেতৃত্বে একটি ধারা সরকারবিরোধী ভূমিকায় থাকবে। রওশন এরশাদের নেতৃত্বের অংশের ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের কণ্ঠ : জামায়াত ও জাতীয় পার্টির ভবিষ্যৎ আপনি কিভাবে দেখেন?

হারুন-অর-রশিদ : বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তারা একা ভোট করে তিনটি আসন পেয়েছিল। তাদের মোট ভোট ৬-৭ শতাংশের মধ্যেই ঘুরপাক খায়। পাকিস্তান আমলে যা, এখনো তা-ই।

জাতীয় পার্টি বহুধাবিভক্ত হবে। বিগত দিনের চেয়ে তারা আরো বেশি শক্তিহীন হয়ে যাবে। একসময়ে ভাসানী ন্যাপ যেমন ছিল, ভবিষ্যতে জাতীয় পার্টি তেমন হয়ে যাবে। জাতীয় পার্টির অনেকে আওয়ামী লীগে চলে আসবে।

কালের কণ্ঠ : আগামী নির্বাচন তাহলে কেমন হবে? দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন না করতে অনড় বিএনপি। আওয়ামী লীগ বর্তমান ব্যবস্থায় নির্বাচন করতে চায়।

হারুন-অর-রশিদ : ২০১৪ সালে নির্বাচন অনেকটা একতরফা হয়েছে। বিএনপি ওই নির্বাচন প্রতিরোধ করতে চেয়েছিল। ১৫৩ আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এটা আইন অনুযায়ী ঠিক আছে, কিন্তু এটাকে কোনো অর্থেই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলা যায় না।

কিন্তু এই নির্বাচনের পরে সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকেছে। তার মানে হলো, মানুষ এটাকে মেনে নিয়েছে। মানুষ যদি বীতশ্রদ্ধ হতো তাহলে কিন্তু সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারত না। মানুষ বিএনপি-জামায়াতের অপকর্মের কারণে এতই বেশি ক্ষুব্ধ যে তারা আওয়ামী লীগ সরকারের বিপক্ষে যায়নি। তবে মানুষ ভোট দিতেও যেতে চায় না।

আগে নির্বাচন একটা উৎসব ছিল। এই পরিবেশ নষ্ট করেছে এককথায় বললে বিএনপি-জামায়াত। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সন্ত্রাসের সংস্কৃতির জনক জিয়াউর রহমান। বিএনপি-জামায়াত একে স্থায়ী রূপ দিয়েছে। ফলে আওয়ামী লীগ ও তার বিরোধীদের যে দুটি ধারা এ দেশে চলছে, তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান শিগগিরই ঘটবে না।

এখন এটাকে কিভাবে কমিয়ে আনা যায়, ন্যূনতম একটা কাছাকাছি অবস্থানে এসে নির্বাচন আয়োজন করা যায়, সেটা নিয়ে কথা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। আমিও মনে করি, ২০১৪ সালে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন যে নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচন আর বাংলাদেশে হবে না, হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়।

২০২৪ সালের শুরুতে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক হয়, সেটা আমাদের করতে হবে। বারবার যদি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হয় তার একটা প্রভাব সমাজের ওপর পড়বে। অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমাদের বিপুল উন্নতি হয়েছে। এখন আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা গুরুত্বপূর্ণ, যেন ব্যক্তি না থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকে।

পরবর্তী নির্বাচন জাতীয় স্বার্থে, এমনকি আওয়ামী লীগের স্বার্থেও অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়া দরকার। সেটা নির্ভর করবে বিরোধী দলের ওপরও। তারা যদি বলে, আমরা নির্বাচনে যাব না, তাহলে জোর করে তো কেউ তাদের নির্বাচনে নিয়ে আসতে পারবে না। তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। তারপর আমরা বুঝতে পারব যে নির্বাচন সুষ্ঠু হলো কি না। যখন দলীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে, তখন আমরা বলতে পারব যে আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা শক্তি সঞ্চয় করেছে।

কালের কণ্ঠ : আপনাকে ধন্যবাদ।

হারুন-অর-রশিদ : আপনাকেও ধন্যবাদ।



সাতদিনের সেরা