• ই-পেপার

সপ্তম শ্রেণি : সমান্তরাল সরলরেখা

  • সাধন সরকার, সহকারী শিক্ষক, লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

পঞ্চম শ্রেণি : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ

দিলারা আক্তার, সহকারী শিক্ষক, মাধবপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ

পঞ্চম শ্রেণি : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

পঞ্চম অধ্যায়

 

[পূর্বপ্রকাশের পর]

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

৪। ভাষা আন্দোলনের কারণ কী ছিল?

     উত্তর : ভাষা আন্দোলনের কারণ ছিল পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করা, যার ফলে বাঙালিরা নিজেদের ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য আন্দোলনে নামে।

৫। মুজিবনগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য
কী ছিল?

     উত্তর : মুজিবনগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জন করা।

৬। যুক্তফ্রন্ট সরকার কেন বেশিদিন টিকতে পারেনি?

     উত্তর : কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠীর বিরোধিতা ও ষড়যন্ত্রের কারণে যুক্তফ্রন্ট সরকার বেশিদিন টিকতে পারেনি।

৭। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের গুরুত্ব কী?

     উত্তর : ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে, যা বাঙালির স্বাধীনতার দাবিকে শক্তিশালী করে।

৮। কালরাত বলতে কী বোঝায়?

     উত্তর : কালরাত বলতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতকে বোঝায়, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা চালায়।

৯। মুক্তিবাহিনী কারা ছিল?

     উত্তর : মুক্তিবাহিনী ছিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য গঠিত একটি সশস্ত্র বাহিনী, যেখানে সাধারণ মানুষ ও সামরিক সদস্যরা অংশ নেয়।

১০।                  মুক্তিবাহিনী কাদের সমন্বয়ে গঠিত হয়?

     উত্তর : মুক্তিবাহিনী গঠিত হয় যুবক, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, পুলিশ, ইপিআর সদস্য এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে।

১১।                  মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাবগুলোর নাম লেখো।

        উত্তর : মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাবগুলো হলো—বীরশ্রেষ্ঠ, বীর-উত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক।

 

বানানচর্চা

জিয়াউল হাসান সবুজ
বানানচর্চা

রঙ নয় রং

‘রং’ সঠিক, ‘রঙ’ বর্জনীয়। তবে অনুস্বারযুক্ত শব্দের সঙ্গে ‘কার-’ চিহ্ন যুক্ত হলে তা ‘ঙ’ হয়ে যায়। যেমন : ‘রং’-এর সঙ্গে ‘কার-’ চিহ্ন যুক্ত হওয়ার ফলে ‘রঙের’ ও ‘রঙিন’ বানানে ‘ঙ’ হয়েছে। একইভাবে ‘ব্যাং’ হবে। আবার ‘কার-’ চিহ্ন যুক্তের ফলে ‘ব্যাঙের’ ও ‘ব্যাঙাচি’ শুদ্ধ।

 

অধীনস্থ নয় অধীন

‘অধীন’ একটি বিশেষণ পদ। শব্দটির অর্থ আয়ত্ত, বশীভূত, অন্তর্গত, অন্তর্ভুক্ত, অনুগত, অধস্তন, বাধ্য, আশ্রিত ইত্যাদি। এর সঙ্গে ‘স্থ’ যোগ করে পুনরায় একই অর্থের বিশেষণে
রূপান্তর করা বাহুল্য।

‘অধীন’ ও ‘অধীনে’ কিছুটা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ
এটি মন্ত্রণালয়ের ‘অধীন’ একটি দপ্তর।

সালাম সাহেব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘অধীনে’ চাকরি করেন।

 

রুগ্ন নয় রুগ্‌ণ

ণত্ববিধান অনুযায়ী, র-এর পর স্বরধ্বনি ও ক-বর্গীয় বর্ণ থাকলে তারপর ‘ণ’ হয়।

‘রুগ্‌ণ’-কে ভাঙলে দাঁড়ায় : র + উ + গ্ ‌+ ণ।

দেখা যাচ্ছে, র-এর পর স্বরধ্বনি (উ) ও ক-বর্গীয় বর্ণ (গ) এসেছে বিধায় এখানে ‘ন’ না হয়ে ‘ণ’ হবে। অতএব ‘রুগ্ন’ নয়, লিখতে হবে ‘রুগ্‌ণ’।

 

জাহান্নাম নয় জাহান্নম

‘জাহান্নাম’ বেশ প্রচলিত হলেও এটি বর্জিত। প্রমিত বানান হলো ‘জাহান্নম’। বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান (মুদ্রণ: এপ্রিল ২০১৮)-এ ‘জাহান্নাম’ শব্দের উল্লেখ নেই, আছে ‘জাহান্নম’।

 

বাক্যে পদের অপপ্রয়োগ

বিশেষণের দ্বিত্বজনিত ভুল

বিশেষণ শব্দের সঙ্গে পুনরায় বিভ্রান্তিবশত বিশেষণবাচক উপসর্গ বা প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে কিছু কিছু ভুল শব্দ গঠিত হয়। এ ধরনের অশুদ্ধ শব্দের উদাহরণ—

আবশ্যক (‘আবশ্যকীয়’ নয়)

উৎকর্ষ (‘উৎকর্ষতা’ নয়)

সখ্য (‘সখ্যতা’ নয়)

ব্যাকুল (‘ব্যাকুলিত’ নয়)

নিঃশেষ (‘নিঃশেষিত’ নয়)

 

বাচ্যজনিত ভুল

কর্তৃবাচ্যে বিশেষ্য ও ‘করা’ ক্রিয়ারূপ থাকলে কর্মবাচ্যে বিশেষণ ও ‘হওয়া’ ক্রিয়ারূপ হয়। যেমন—

কর্তৃবাচ্য : [সে] আমাকে অপমান করেছে।

কর্মবাচ্য : [তার দ্বারা] আমি অপমানিত হয়েছি।

এদিক থেকে ‘আমি অপমান হয়েছি’ বাক্যে ‘অপমান’ শব্দের প্রয়োগ ভুল। শুদ্ধ প্রয়োগ হবে ‘অপমানিত’।

 

উদাহরণ

অপপ্রয়োগ : তোমার কথায় সন্তোষ হলাম।

শুদ্ধ বাক্য : তোমার কথায় সন্তুষ্ট হলাম।

অপপ্রয়োগ : এ কথা প্রমাণ হয়েছে।

শুদ্ধ বাক্য : এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।

 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের বৃত্তি দেবে ‘মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের বৃত্তি দেবে ‘মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল, বুয়েটসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রস্তুতি নিচ্ছেন—এমন সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রস্তুতি সহায়তা বৃত্তি দিচ্ছে ‘মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত আসন পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

 

যা যা সুবিধা মিলবে

♦ ভর্তি প্রস্তুতিকালে ৪-৫ মাস মাসিক ৪,০০০-৭,০০০ টাকা (গড়ে ৫,৫০০ টাকা) বৃত্তি।

♦ নির্ধারিত কোচিংয়ে ভর্তি শিক্ষার্থীদের জন্য বই কেনায় ২,২০০ টাকা।

♦ ভর্তি ফরম ও যাতায়াত ব্যয়ে ৫,০০০-১৫,০০০ টাকা এককালীন সহায়তা।

♦ বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিক্যালে ভর্তি নিশ্চিত হলে ১০,০০০-৩০,০০০ টাকা ভর্তি সহায়তা। ঢাকায় থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার দিকনির্দেশনা এবং বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন গাইডলাইন।

 

যারা আবেদন করতে পারবে

 ২০২৬ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার্থী।

এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষায় নিজ শ্রেণির প্রথম ১০ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে।

এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ন্যূনতম জিপিএ ৪.৮০ এবং মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪.৫০।

♦ আবেদনকারীকে সুবিধাবঞ্চিত, মেধাবী, সৎ ও পড়াশোনায় আগ্রহী হতে হবে।

 

যা জানা জরুরি

কোচিং ফি ও হোস্টেল বুকিং ফি দেওয়া হবে না। ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হবে। অন্য প্রতিষ্ঠানের ভর্তিসংক্রান্ত বৃত্তিপ্রাপ্তরা আবেদন করতে পারবে না।

সর্বোচ্চ ১০০ জন শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পাবে। নির্ধারিত আসন পূরণ হলেই আবেদন গ্রহণ বন্ধ হবে।

 

প্রাথমিক আবেদনের লিংক

https://forms.gle/H2Y5pJYwq4xKafMd9

 

বিস্তারিত

www.facebook.com/mmjfoundation.usa

 

নবম ও দশম শ্রেণি : কবিতা : জীবন বিনিময়

আতাউর রহমান সায়েম, সিনিয়র শিক্ষক, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

নবম ও দশম শ্রেণি : কবিতা : জীবন বিনিময়

বাংলা প্রথম পত্র

 

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

১। ‘জীবন বিনিময়’ কবিতাটি কার রচিত?

    উত্তর : গোলাম মোস্তফা।

২। ‘জীবন বিনিময়’ কবিতাটি কোন কাব্য থেকে নেওয়া?

    উত্তর : বুলবুলিস্তান।

৩। গোলাম মোস্তফার জন্মস্থান কোথায়?

    উত্তর : যশোরের শৈলকুপা থানার মনোহরপুর গ্রামে।

৪। গোলাম মোস্তফা কবে জন্মগ্রহণ করেন?

    উত্তর : ১৮৯৭ সালে।

৫। গোলাম মোস্তফা কোথা থেকে বিএ পাস করেন?

    উত্তর : কলকাতার রিপন কলেজ থেকে।

৬। কাব্যচর্চার ক্ষেত্রে গোলাম মোস্তফা কোথা থেকে প্রেরণা পেয়েছিলেন?

    উত্তর : ইসলামী ঐতিহ্য থেকে।

৭। গোলাম মোস্তফা কখন মৃত্যুবরণ করেন?

    উত্তর : ১৯৬৪ সালে।

৮। ‘বিশ্বনবী’ ও ‘মরুদুলাল’ কোন ধরনের রচনা?

    উত্তর : জীবনীমূলক রচনা।

৯। ‘শিকওয়া’ ও ‘জওয়াবে শিকওয়া’ কার লেখা থেকে অনুবাদ?

    উত্তর : আল্লামা ইকবালের।

১০।                  ‘রক্তরাগ’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?

    উত্তর : কাব্যগ্রন্থ।

১১।                  কোন সম্রাটের পুত্র হুমায়ুন?

    উত্তর : সম্রাট বাবরের।

১২।                  হুমায়ুন কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন?

    উত্তর : কবিতায় নির্দিষ্ট রোগের নাম উল্লেখ নেই, তবে রোগটি ছিল গুরুতর।

১৩।                  বাদশাহ বাবর কেন কাঁদছিলেন?

    উত্তর : তাঁর পুত্র হুমায়ুন মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে ছিলেন বলে।

১৪।                  কোন কোন ব্যক্তি হুমায়ুনের চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন?

    উত্তর : হেকিম, কবিরাজ ও দরবেশরা।

১৫।                  চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টার পরও হুমায়ুনের কী অবস্থা হয়েছিল?

    উত্তর : তাঁর অবস্থার আরো অবনতি হতে লাগল।

১৬।                  ‘বিনিময়’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর : বদল।

১৭।                  বাবর চিকিৎসকদের কী প্রশ্ন করেছিলেন?

    উত্তর : তিনি জানতে চেয়েছিলেন, হুমায়ুন বাঁচবে কি না।

১৮।                  চিকিৎসকরা কী উত্তর দিয়েছিলেন?

    উত্তর : তাঁরা নীরব ছিলেন, যা নেতিবাচক ইঙ্গিত বহন করছিল।

১৯।                  এক দরবেশ বাবরকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন?

    উত্তর : বাবর যদি সবচেয়ে মূল্যবান কিছু কোরবানি দেন, তবে আল্লাহ হুমায়ুনকে বাঁচাবেন।

২০।                  বাবরের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু কী ছিল?

    উত্তর : তাঁর নিজের জীবন।

২১।                  ‘নিদ’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর : ঘুম।

২২।                  দরবেশের কথা শুনে বাবর কী সিদ্ধান্ত নিলেন?

    উত্তর : নিজের প্রাণ উৎসর্গ করতে প্রস্তুত হলেন।

২৩।                  বাবর কোথায় বসে প্রার্থনা করলেন?

    উত্তর : নিরিবিলি গৃহে।

২৪।                  বাবর কী প্রার্থনা করলেন?

    উত্তর : নিজের প্রাণের বিনিময়ে হুমায়ুনের জীবন চাইলেন।

২৫।                  বাবরের প্রার্থনার পর তিনি কী অনুভব করলেন?

    উত্তর : মনে হলো, আল্লাহ তাঁর প্রার্থনা কবুল করেছেন।

২৬।                  ‘শঙ্কা’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর : ভয়।

২৭।                  ‘ভিষকবৃন্দ’ বলতে কী বোঝায়?

    উত্তর : চিকিৎসকরা।

২৮।                  প্রার্থনার পর বাবরের শরীরে কী পরিবর্তন দেখা দিল?

    উত্তর : তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন।

২৯।                  কবি বাবরের মৃত্যুকে কিভাবে ব্যাখ্যা করেছেন?

    উত্তর : তিনি মরেননি, বরং অমর হয়ে গেছেন।

৩০।                 কবিতায় বাবরের আত্মত্যাগকে কিভাবে দেখানো হয়েছে?

    উত্তর : বাবার ভালোবাসা মৃত্যুকেও পরাজিত করতে পারে।

৩১।                  ‘শেলসম’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর : তীক্ষ অস্ত্রের মতো।

৩২।                  ‘জীবন-প্রদীপ নিভিয়া আসিছে’—এর অর্থ কী?

    উত্তর : হুমায়ুনের জীবন প্রায় শেষ হয়ে আসছিল।

৩৩।                 ‘সবচেয়ে তব শ্রেষ্ঠ যে-ধন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

        উত্তর : বাবরের নিজের জীবন।