হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র
দ্বিতীয় অধ্যায় : ‘ক’ বিভাগ
প্রাথমিক আলোচনা, জাবেদা ও খতিয়ান
[পূর্বপ্রকাশের পর]
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
২৬। সরবরাহকারীদের ব্যক্তিগত হিসাবসমূহ পাওয়া যায় কোন খতিয়ানে?
উত্তর : ক্রয় খতিয়ানে।
২৭। সমজাতীয় লেনদেনগুলোকে শ্রেণিবিন্যাস করা যায় কোথায়?
উত্তর : খতিয়ানে।
২৮। আধুনিক হিসাবরক্ষণ পদ্ধতিতে কী কী লেখা হয় না?
উত্তর : To ও By লেখা হয় না।
২৯। স্থানান্তরকরণ বা Posting কাকে বলে?
উত্তর : জাবেদা থেকে লেনদেনগুলোকে সংশ্লিষ্ট খতিয়ানে স্থানান্তর করাকে স্থানান্তরকরণ বা Posting বলে।
৩০। সম্পত্তিবাচক হিসাব ডেবিট নাকি ক্রেডিট?
উত্তর : সম্পত্তিবাচক হিসাব সর্বদা ডেবিট জের প্রকাশ করে। শুধু ব্যাংক হিসাবের ক্রেডিট জেরও হতে পারে।
৩১। রেওয়ামিলের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করা যায় কোথায়?
উত্তর : খতিয়ানে।
৩২। সমাপ্তি রেখা কী?
উত্তর : খতিয়ানের জের টানার পর এর দুই দিকের নিচে যে দুটি রেখা টানা হয়, তাকে সমাপ্তি রেখা বা ঈষড়ংরহম বলে।
৩৩। ‘Ledger’ বা খতিয়ানের উৎপত্তি ইংরেজি কোন শব্দ থেকে?
উত্তর : ইংরেজি ‘Ledge’ শব্দের অর্থ ‘তাক’ বা শেলফ। এই ‘Ledge’ শব্দ থেকেই ‘Ledger’ বা খতিয়ানের উৎপত্তি।
৩৪। খতিয়ান থেকে কী জানা যায়?
উত্তর : প্রতিটি হিসাবের ফলাফল।
৩৫। খাতওয়ারি আয়-ব্যয় কিসের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়?
উত্তর : খতিয়ানের মাধ্যমে।
৩৬। জাবেদা দাখিলাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী?
উত্তর : দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :
ক. সরল দাখিলা, খ. মিশ্র দাখিলা।
৩৭। হিসাববিজ্ঞানের প্রবেশদ্বারকে কী বলে?
উত্তর : জাবেদা।
৩৮। আদর্শ ছক কী?
উত্তর : খতিয়ানের চলমান জের ছককে আদর্শ ছক বা Standard form বলা হয়।
৩৯। সাধারণ খতিয়ানে কী রাখা হয়?
উত্তর : সব ধরনের সম্পত্তি, দায় ও মালিকানা স্বত্বের যাবতীয় হিসাবগুলো সাধারণ খতিয়ানে রাখা হয়।
৪০। কারবারি বাট্টার জন্য খতিয়ান তৈরি করা হয় না কেন?
উত্তর : কারবারি বাট্টার জন্য খতিয়ান তৈরি করা হয় না। কারণ এটি কোনো হিসাব খাত নয়।
৪১। ব্যক্তিক খতিয়ান কী?
উত্তর : প্রতিষ্ঠানের সত্তামূলক খতিয়ানকে ব্যক্তিক খতিয়ান বলে, যাকে প্রাইভেট খতিয়ানও বলা হয়।
৪২। খতিয়ানের মাধ্যমে কখনো প্রতিষ্ঠানের কী জানা যায় না?
উত্তর : লাভ-ক্ষতির অবস্থা।
৪৩। হিসাবচক্র কাকে বলে?
উত্তর : হিসাববিজ্ঞান কার্যাবলির পর্যায়ক্রমিক ও ধারাবাহিক আবর্তনকে হিসাবচক্র বলে।
৪৪। হিসাবচক্রের মাধ্যমে কী করা যায়।
উত্তর : হিসাবচক্রের মাধ্যমে বিগত ও চলতি বছরের হিসাবের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যায়।
৪৫। হিসাবের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য হিসাবচক্রে কী কী লক্ষ করা যায়?
উত্তর : হিসাবের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য হিসাবচক্রে সমন্বয়, সমাপনী, বিপরীত ও প্রারম্ভিক দাখিলা লক্ষ করা যায়।
৪৬। হিসাবচক্রের ঐচ্ছিক ধাপ কোনগুলো?
উত্তর : হিসাবচক্রের ঐচ্ছিক ধাপগুলো হলো রেওয়ামিল, কার্যপত্র ও বিপরীত দাখিলা।
৪৭। হিসাবচক্রের এড়ানোযোগ্য ধাপ কোনটি?
উত্তর : ভুল সংশোধনী দাখিলা।
৪৮। হিসাবচক্রের ধাপ নয় কোনটি?
উত্তর : ভুলের তদন্তকরণ বা নিরীক্ষা।
৪৯। গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই হিসাবচক্রের কী?
উত্তর : গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই হিসাবচক্রের বাধ্যতামূলক ধাপ নয়।
৫০। আর্থিক বিবরণীগুলো প্রস্তুতকরণ?
উত্তর : হিসাবচক্রের গুরুত্ব্বপূর্ণ ধাপ।
৫১। ডেবিটের টাকা ও ক্রেডিটের টাকা সমান অর্থ কী?
উত্তর : শূন্য ব্যালান্স।
৫২। ধারণাগত দিক থেকে ব্যবসা কী?
উত্তর : কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা।
৫৩। হিসাব তালিকা (Chart of accounts) কী?
উত্তর : হিসাব তালিকা (Chart of accounts) হলো খতিয়ান হিসাবসমূহের একটি তালিকা, যেখানে প্রতিটি হিসাবের নাম নম্বরসহ উল্লেখ থাকে। নম্বরগুলো খতিয়ানে হিসাবটির অবস্থান নির্দেশ করে।
৫৪। যৌগিক দাখিলা (Compound entry) কাকে বলে?
উত্তর : যেসব জাবেদা দাখিলায় তিন বা ততোধিক হিসাব সংশ্লিষ্ট থাকে তাকে যৌগিক দাখিলা (Compound entry) বলে।
৫৫। সাধারণ দাখিলায় কয়টি হিসাব খাত সংশ্লিষ্ট থাকে।
উত্তর : সাধারণ দাখিলায় শুধু দুটি হিসাব খাত সংশ্লিষ্ট থাকে।
৫৬। ডেবিট ও ক্রেডিট কী?
উত্তর : ডেবিট একটি হিসাবের বাম দিক এবং ক্রেডিট ডান দিক।
৫৭। জাবেদায় লেনদেনগুলোকে কিসের ক্রমানুসারে প্রাথমিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়?
উত্তর : জাবেদায় লেনদেনগুলোকে তারিখের ক্রমানুসারে প্রাথমিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়?
৫৮। হিসাবচক্রের সর্বশেষ ধাপ কী?
উত্তর : প্রারম্ভিক দাখিলা প্রদান।
৫৯। হিসাব (Account) কাকে বলে?
উত্তর : হিসাববিজ্ঞান প্রক্রিয়ার একটি দলিল (Record) বা খাত, যেখানে বিশেষ কোনো সম্পত্তি, দায় বা মালিকানা স্বত্বের হ্রাস-বৃদ্ধি সংক্রান্ত দফাগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে হিসাব (Account) বলে।
৬০। কিসের মাধ্যমে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করা যায়?
উত্তর : খতিয়ানের জের দিয়ে রেওয়ামিল তৈরি করে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করা যায়।
৬১। দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি নীতির কিভাবে বাস্তবায়ন হয়?
উত্তর : খতিয়ানে প্রতিটি লেনদেনের একটি পক্ষকে ডেবিট এবং সমপরিমাণ অর্থ দ্বারা অন্য পক্ষকে ক্রেডিট করার ফলে দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি নীতির বাস্তবায়ন হয়।