kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৩০ নভেম্বর ২০২১। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

জর্জ হ্যারিসন

[নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে জর্জ হ্যারিসনের উল্লেখ আছে]

২৪ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জর্জ হ্যারিসন

১৯৪৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের লিভারপুলে জন্ম নেওয়া জর্জ হ্যারিসন (George Harrison) ছিলেন একাধারে বিংশ শতাব্দীর অত্যন্ত প্রতিভাবান জনপ্রিয় গায়ক, গিটারিস্ট ও সংগীত পরিচালক। ছিলেন বিখ্যাত ব্যান্ড ‘দ্য বিটলস’-এর চার সদস্যের একজন। তাঁর পিতা হ্যারল্ড হারগ্রিভস হ্যারিসন ছিলেন হোয়াইট স্টার লাইনের বাস কন্ডাক্টর; মা লুইজ ফ্রেঞ্চ ছিলেন আইরিশ বংশোদ্ভূত এবং লিভারপুলের একটি দোকানের সহকারিণী। হ্যারিসন ছিলেন পিতা-মাতার চার সন্তানের মধ্যে চতুর্থ।

১৯৬০-এর দশকের মধ্যভাগে বিটলস অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা লাভ করে। মূলত লিড গিটারিস্ট হলেও বিটলসের প্রতিটি অ্যালবামেই হ্যারিসনের নিজের লেখা ও সুরে দু-একটি একক গান থাকত, যা তাঁর প্রতিভার পরিচায়ক ছিল। ১৯৬০-এর মাঝামাঝি থেকে হ্যারিসন ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হন। ১৯৬৯ সালে বিটলস ভেঙে গেলেও হ্যারিসন থেমে থাকেননি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় তহবিল সংগ্রহের জন্য জর্জ হ্যারিসন তাঁর বন্ধু রবিশঙ্করের পরামর্শে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেন। মঞ্চে তাঁর গাওয়া ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ গানটি সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দেয়। এই কনসার্ট থেকে সংগৃহীত দুই লাখ ৫০ হাজার ডলার ইউনিসেফের মাধ্যমে বাংলাদেশের উদ্বাস্তুদের জন্য দেওয়া হয়। কনসার্ট ফর বাংলাদেশ পৃথিবীর ইতিহাসে একটি অন্যতম সফল আয়োজন।

১৯৮০ সালে হ্যারিসনের পুরনো বন্ধু বিটলসের অন্যতম সদস্য জন লেনন আততায়ীর হাতে নিহত হন। তাঁর মৃত্যু হ্যারিসনকে মানসিকভাবে আহত করে। লেননের উদ্দেশে তিনি গান করেন ‘অল দোজ ইয়ার্স এগো’। ১৯৯৩ সালের আগস্ট মাসে তাঁর The 30th Anniversary Concert Celebration অ্যালবাম প্রকাশিত হয়।

জর্জ হ্যারিসনের বিখ্যাত গানের মধ্যে মাই সুইট লর্ড (১৯৭০), গিভ মি পিস অন আর্থ (১৯৭৩), গট মাই মাইন্ড সেট অন ইউ (১৯৮৭) উল্লেখযোগ্য।

কিংবদন্তি গায়ক জর্জ হ্যারিসন ২০০১ সালের ২৯ নভেম্বর ৫৮ বছর বয়সে ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যান।

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল



সাতদিনের সেরা