kalerkantho

সোমবার  । ১২ আশ্বিন ১৪২৮। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৯ সফর ১৪৪৩

অ ধ্যা য় ভি ত্তি ক প্র শ্ন

পঞ্চম শ্রেণি - বাংলা

মো. নূরুন্নবী বাবু, সহকারী শিক্ষক, শাহজাহানপুর রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা

২ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



পঞ্চম শ্রেণি - বাংলা

কবিতা

ঘাসফুল

 জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র

 

১।        প্রদত্ত কবিতাংশটুকু পড়ে প্রশ্নের উত্তর লেখো :

 

            আমরা ঘাসের ছোট ছোট ফুল

            হাওয়াতে দোলাই মাথা,

            তুলো না মোদের দলো না পায়ে

            ছিঁড় না নরম পাতা।

            শুধু দেখ আর খুশি হও মনে

            সূর্যের সাথে হাসির কিরণে

            কেমন আমরা হেসে উঠে আর

            দুলে দুলে নাড়ি মাথা।

            ধরার বুকের স্নেহ-কণাগুলি

            ঘাস হয়ে ফুটে ওঠে।

            মোরা তারই লাল নীল সাদা হাসি

            রূপকথা নীল আকাশের বাঁশি-

            শুনি আর দুলি বাতাসে

            যখন তারারা ফোটে।

            নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর

            লেখ :

(ক)       ঘাসফুল হাওয়াতে কিভাবে মাথা দোলায়?

            উত্তর : ঘাসফুল মাথা উঁচু করে ফুটে থাকে। হাওয়া এলে হাওয়ার সাথে ঘাসফুল দুলতে থাকে। এভাবেই হাওয়াতে ঘাসফুল মাথা দোলায়।

 

(খ)       কেন ঘাসফুল নিজেদের তুলতে মানা করছে?

            উত্তর : ঘাসফুল ঘাসের সৌন্দর্য। তা ছাড়া তারা পরিবেশের সৌন্দর্যও বাড়ায়, তাদেরও জীবন আছে। তাই তারা নিজেদের তুলতে মানা করেছে।

 

(গ)       ‘দোলো না পায়ে’—ঘাসফুল এ কথা কাদের বলেছে?

            উত্তর : ‘দোলো না পায়ে’— ঘাসফুল এ কথা মানুষকে বলেছে।

            কারণ মানুষ অসচেতনভাবে পথ চলে, পায়ের নিচে পড়ে অনেক ফুল আর পাতা নষ্ট হয়ে যায়।

 

(ঘ)       ঘাসের পাতা নরম কেন?

            উত্তর : ঘাস মানে খুব ছোট জাতের উদ্ভিদ। এরা মাটিতে জন্মে এবং এদের কোনো কাঠ হয় না। এদের বিরুৎ বলা হয়। এসব কারণেই ঘাসের পাতা খুব নরম হয়।

 

(ঙ)       ঘাসফুল দেখতে কেমন?

            উত্তর : ঘাসফুল দেখতে খুব ছোট। কারণ ঘাসও খুব ছোট প্রজাতির উদ্ভদ। ঘাস যত ছোট, ঘাসফুল তার চেয়েও অনেক বেশি ছোট।

 

(চ)       ধরার কী ঘাস হয়ে ফুটে ওঠে?

            উত্তর : এই পৃথিবীতে স্নেহ, আদর, ভালোবাসা সবই প্রকৃতির কাছে পাওয়া যায়। ধরার বুকের এই স্নেহ-কণা আদর, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা ঘাস হয়ে ফুটে ওঠে।

 

(ছ)       ‘মোরা তারই লাল নীল সাদা হাসি’ বলতে কী বোঝো?

            উত্তর : এই পৃথিবীতে স্নেহ, আদর, ভালোবাসা সবই প্রকৃতির কাছে পাওয়া যায়। তাই প্রকৃতির অপার দান ঘাসফুল আমাদের মনে স্নেহ, ভালোবাসার মায়া ছড়িয়ে দিয়ে বলেছে মোরা স্নেহ-আদর, ভালোবাসার লাল, নীল, সাদা হাসি।

 

(জ)       যখন তারারা ফোটে তখন ঘাসফুল কী করে?

            উত্তর : যখন তারারা ফোটে তখন ঘাসফুল রূপকথার নীল আকাশের বাঁশি শোনে আর শান্ত বাতাসে দোলে।

 

(ঝ)       ঘাসকে কেন স্নেহ-কণা বলা হয়েছে?

            উত্তর : ঘাস প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর জিনিস। বিভিন্ন রকমের ঘাস প্রকৃতির মধ্যে মহিমা এনে দিয়েছে। এ জন্যই ঘাসকে ধরার স্নেহের কণা বলা হয়।

 

(ঞ)      শান্ত বাতাসে ঘাস কী করে?

            উত্তর : শান্ত বাতাস যখন বয়ে চলে, কখন ঘাসফুলের মনেও আনন্দ আসে। তারা মাথা দুলিয়ে আনন্দ করে, প্রকৃতির সাথে তারা আনন্দঘন মনোভাব প্রকাশ করে।

 

(ট)  কবিতাংশটুকুর মূলভাব

            লেখ :

            উত্তর : ঘাস আমাদের পরিবেশ আর প্রকৃতির উপাদান। এটা পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়ায়। ঘাসফুল মানুষ বিনা কারণে বেশি নষ্ট করে। এটা ঠিক নয়। ঘাসফুল খুব সুন্দর। প্রকৃতির মধ্যে ঘাসের সৌন্দর্য অসীম। প্রকৃতিতে যেসব সৌন্দর্য আছে তাদের সাথে মিলেমিশে ঘাসও পরিবেশকে আনন্দঘন করে তোলে।

 

 

২।         শব্দার্থ লেখো :

                        স্নেহ, রূপকথা, দোলা, ধরা, তারা, দোলো না, নরম, মোদের।

            উত্তর :

            স্নেহ—মমতা

            রূপকথা—কাল্পনিক কথা

            দোলা—নাড়াচাড়া করা

            ধরা—পৃথিবী

            তারা—নক্ষত্র

            দোলো না—মাটিতে নষ্ট করো না।

            নরম—খুব পাতলা।

            মোদের—আমাদের।

 

৩।        ক্রিয়াপদগুলোর চলিত রূপ লেখো :

            হাসিতেছে, তুলিবে, নাড়িতেছে, ফুটিয়াছে, দোলাইতেছে।

            উত্তর :

            হাসিতেছে—হাসছে

            তুলিবে—তুলবে

            নাড়িতেছে—নাড়ছে

            ফুটিয়াছে—ফুটেছে

            দোলাইতেছে—দোলাচ্ছে