• ই-পেপার

বিহারে ছাত্র বিক্ষোভে একে-৪৭ দিয়ে গুলি, জড়িত পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত

এক দশক পর আবারও নেপালে ভারতীয় নোট ব্যবহারের অনুমতি, দেখে নিন নিয়মগুলো

ক্রীড়া ডেস্ক
এক দশক পর আবারও নেপালে ভারতীয় নোট ব্যবহারের অনুমতি, দেখে নিন নিয়মগুলো

ভারতীয় এবং নেপালি নাগরিকদের ২০০ ও ৫০০ রুপির ভারতীয় নোট দেশে আনতে বা দেশ থেকে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে নেপাল সরকার। গত বৃহস্পতিবার নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংক (এনআরবি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আদেশ জারি করে।

এর মাধ্যমে দীর্ঘ এক দশক ধরা চলা ২০০ ও ৫০০ রুপি নোটের ওপর নিষেধাজ্ঞার অবসান হলো। ২০১৬ সালে ভারতে নোট বাতিলের পর থেকে কেবল ১০০ রুপির নোট ব্যবহারের অনুমোদিত ছিল নেপালে। খবর এনডিটিভি

প্রায় এক দশক পর ভারতীয় ও নেপালি নাগরিকদের জন্য ২০০ ও ৫০০ রুপির ভারতীয় নোট নেপালে আনা-নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে নেপাল।

বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি জানিয়েছে, ভারতীয় এবং নেপালি নাগরিকরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ৯ নভেম্বর, ২০১৬ বা তার পরে ইস্যু করা ২০০ এবং ৫০০ রুপির নোট জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৫ হাজার পর্যন্ত বহন করতে পারবেন।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন তৈরি করা হয়। পরে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল। নিয়মগুলো পুনরায় মনে করিয়ে দিতে এবং কিভাবে এগুলো কার্যকর করা হবে তা পরিষ্কার করতেই নতুন করে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত শনিবার নতুন নিয়মটি পরিষ্কার করে নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংকের মুখপাত্র গুরু প্রসাদ পৌডেল জানিয়েছেন, নেপালি নাগরিকরা ভারত ছাড়া অন্য কোনো দেশ থেকে নেপালে ভারতীয় মুদ্রা নিয়ে আসতে পারবেন না। একইভাবে, তারা ভারত ছাড়া অন্য কোনো তৃতীয় দেশে নেপাল থেকে ভারতীয় মুদ্রা নিয়ে যেতেও পারবেন না।

তিনি বলেন, নতুন এ ব্যবস্থা নেপাল ভ্রমণকারী ভারতীয় পর্যটক এবং ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ও ব্যবসায় যুক্ত নেপালি নাগরিকদের জন্য সুবিধাজনক হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নেপালি নাগরিক এবং বিদেশি পর্যটকরা শুল্ক ঘোষণা ছাড়াই ৫ হাজার মার্কিন ডলার বা এর সমপরিমাণ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা নেপালে আনতে পারবেন। তবে এর বেশি অর্থ আনলে নেপালে প্রবেশের সময় কাস্টমসকে তা জানাতে হবে।

গুরু প্রসাদ পাউডেল বলেন, ভারতীয় মুদ্রার ক্ষেত্রে ১০০ রুপি বা তার কম মূল্যমানের নোট হলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ কাস্টমসে ঘোষণা ছাড়াই আনা যাবে। তবে এর বেশি হলে কাস্টমসে ঘোষণা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

ভারত ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১ হাজার রুপির নোট বাতিল করে। পরে নতুন নকশার ৫০০ রুপির নোট চালু করা হয় এবং ২ হাজার রুপির নতুন নোট বাজারে আনা হয়। যদিও পরবর্তীতে ২ হাজার রুপির নোটও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ভারতের ওই সিদ্ধান্তের পর নেপাল ১০০ রুপির বেশি মূল্যমানের ভারতীয় নোটের প্রবেশ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। তখন ভারতীয় মুদ্রা বহনের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার রুপি অপরিবর্তিত থাকলেও কার্যত ১০০ রুপি বা তার কম মূল্যমানের নোটই বহন করা যেত।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এখন ভারতীয় ও নেপালি নাগরিকরা ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বরের পর ইস্যু করা নতুন নকশার ৫০০ রুপির নোট এবং ২০০ রুপির নোট বহন করতে পারবেন। তবে আগের মতোই সর্বোচ্চ সীমা থাকবে ২৫ হাজার রুপি।

অন্যদিকে ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বরের আগে ইস্যু করা ৫০০ ও ১ হাজার রুপির ভারতীয় নোট নেপালে এখনও নিষিদ্ধ থাকবে। এ সিদ্ধান্তে ভারত ও নেপালের মধ্যে ভ্রমণ এবং সীমান্তবর্তী লেনদেন আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ, ভারত ও নেপালের মধ্যে উন্মুক্ত সীমান্ত এবং দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ভারত নেপালের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দেশটিতে পর্যটকের অন্যতম প্রধান উৎস। একই সঙ্গে হাজার হাজার নেপালি নাগরিক ভারতে বসবাস, চাকরি, পড়াশোনা ও ব্যবসা করেন।

হরমুজের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আলোচনায় কোনো অনুরোধ জানানো হয়নি : ইরান

অনলাইন ডেস্ক
হরমুজের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আলোচনায় কোনো অনুরোধ জানানো হয়নি : ইরান
ছবি : রয়টার্স

ইরানের ওপর টানা ১৩ দিন বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার মধ্যে চাউর হয়েছে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে, এমন খবর নাকচ করে দিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর টানা ১৩ দিনের বিমান হামলা বন্ধ করার পর সোমবার এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তেহরান।

এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার খবরগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলোচনার অনুরোধ করা আমাদের ডিএনএতে নেই।’

 আলোচনার খবর অস্বীকার করলেও বাঘাই জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে এখনো বার্তা আদান-প্রদান চলছে। ইরান কূটনীতিকে পুরোপুরি বর্জন করেনি।

ইরান দাবি করেছে, সোমবার সকালে তাদের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করায় তারা ছয়টি ‘আইন লঙ্ঘনকারী’ জাহাজকে ফিরিয়ে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাবার উৎসবে বন্দুকধারীদের গোলাগুলিতে নিহত বেড়ে ৩

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের খাবার উৎসবে বন্দুকধারীদের গোলাগুলিতে নিহত বেড়ে ৩
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে শহরে জনপ্রিয় খাবার  উৎসবে দুই বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বেড়ে ৩ জন। এতে এক শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় সিয়াটেল সেন্টারের ঐতিহ্যবাহী স্পেস নিডলের কাছে বার্ষিক ‘বাইট অব সিয়াটেল’ উৎসব চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। 

সিয়াটেল পুলিশ জানিয়েছে, দুই ব্যক্তি একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর রয়টার্স 

হামলার খবর পাওয়ার পর বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য, দমকলকর্মী এবং জরুরিসেবা কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তারা পুরো এলাকা খালি করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেন। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।

একই সঙ্গে নগরীর কেন্দ্রের ঠিক উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

হারবারভিউ মেডিক্যাল সেন্টারের মুখপাত্র সুসান গ্রেগ জানান, হাসপাতালে চারজন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক ছোট শিশু রয়েছে।

আহতদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ‘বাইট অব সিয়াটল’ শহরের অন্যতম বড় খাবার উৎসব। আয়োজকদের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে এই উৎসব শুরু হয়। প্রতিবছর তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিভিন্ন ধরনের খাবার, পানীয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ অংশ নেয়।

মিয়ানমারে বেসামরিকদের ওপর হামলা বেড়েছে, পর্যবেক্ষক সংস্থার সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
মিয়ানমারে বেসামরিকদের ওপর হামলা বেড়েছে, পর্যবেক্ষক সংস্থার সতর্কবার্তা
ছবি : রয়টার্স

সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্ট (এসিএলইডি) বলেছে, নতুন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, মার্চের শেষ দিকে নতুন সামরিক প্রধান দায়িত্ব নেওয়ার পর সেনাবাহিনীর কৌশলে পরিবর্তন এসেছে। ওই সময় আগের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসিএলইডির দাবি, সামরিক কমান্ড কাঠামো পুনর্গঠনের পর থেকে বেসামরিক মানুষ আরো বেশি দমন-পীড়ন ও তীব্র বিমান হামলার শিকার হচ্ছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে দুই থেকে পাঁচটি যুদ্ধবিমান নিয়ে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এসব দল একই লক্ষ্যবস্তুতে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি মিয়ানমার সরকার। এসিএলইডি জানিয়েছে, তারা গণমাধ্যম, স্থানীয় সহযোগী, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এবং স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য বিশ্লেষণ করে মিয়ানমারের সংঘাত পরিস্থিতির প্রতিবেদন তৈরি করে।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই মিয়ানমার গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর, যেখানে বেশিরভাগ বিরোধী দল অংশ নিতে পারেনি, মিন অং হ্লাইং রাষ্ট্রপতি হওয়ার কয়েক দিন আগে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ইয়ে উইন উ-কে সেনাবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর সেনাবাহিনী দেশের কয়েকটি সীমান্ত এলাকায় নতুন করে অভিযান শুরু করেছে। এসব এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও বাণিজ্য পথ রয়েছে।

এসিএলইডি বলেছে, মিন অং হ্লাইং রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর সামরিক সরকার নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরো শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। ফলে বেসামরিক মানুষের জন্য পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা খুবই কম। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বেসামরিক মানুষের ওপর সামরিক বাহিনীর হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এসিএলইডি আরো জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে তারা মিয়ানমারে এক ডজনের বেশি গণহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এসব ঘটনায় ৪৫০ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের প্রায় ৪০ শতাংশই দেশের মধ্যাঞ্চলের শুষ্ক আনিয়ার অঞ্চলের বাসিন্দা।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে শত শত সেনা বাগানের প্রাচীন মন্দির এলাকার কাছে নদীতীরবর্তী মিত চায় শহরে অভিযান চালায়। স্থানীয় তিন বাসিন্দার দাবি, ওই অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত হন। স্থানীয় বাসিন্দা ইয়ে নাউং রয়টার্সকে বলেন, প্রায় ৭০০ সেনা শহরে ঢুকে মানুষের জিনিসপত্র লুট করে এবং অনেককে মারধর ও হত্যা করে। তবে রয়টার্স এই ঘটনার পূর্ণ বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। এসিএলইডির তথ্যভান্ডারে ঘটনাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং স্থানীয় গণমাধ্যমে অন্তত পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এসিএলইডির মতে, ২০২৬ সালে সামরিক বাহিনীর কৌশলে কিছু পরিবর্তন এলেও বেসামরিক মানুষের ওপর নির্যাতন কমেনি। বরং হামলার ধরন আরো বদলে গেছে। এদিকে মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশটিকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতাও বেড়েছে। এর অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি মিন অং হ্লাইং সম্প্রতি ভারত ও চীন সফর করেছেন।

মিয়ানমারের নতুন প্রশাসন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ান-এর সঙ্গেও সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর আসিয়ান মিয়ানমারের সামরিক শাসকদের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে দেয়নি। তবে সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে সীমিত পরিসরে আবার যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

কূটনৈতিক স্বীকৃতি বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিন অং হ্লাইং আগামী ৬ ও ৭ আগস্ট থাইল্যান্ডে সরকারি সফর করবেন। এই সফরে দুই দেশের সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
 

সর্বশেষ সংবাদ