• ই-পেপার

ভেন্টিলেটর সংকটে ইসলামাবাদের সরকারি হাসপাতাল, দুর্ভোগে রোগীরা

যুক্তরাষ্ট্রে খাবার উৎসবে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৫

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে খাবার উৎসবে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৫
ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরে একটি জনপ্রিয় খাবার উৎসবে বন্দুক হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি ছোট শিশু রয়েছে। হামলার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রবিবার সন্ধ্যায় সিয়াটলের বিখ্যাত 'স্পেস নিডল' টাওয়ারের কাছের 'সিয়াটল সেন্টারে' এ ঘটনা ঘটে। সিয়াটল অগ্নিনির্বাপণ বিভাগের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বন্দুক হামলায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে সিয়াটল সেন্টারে চলা ‘বাইট অব সিয়াটল’ খাবার উৎসবের মধ্যে গুলির ঘটনা ঘটে। হামলার খবর পাওয়ার পর বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য, দমকলকর্মী এবং জরুরি সেবা কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তারা পুরো এলাকা খালি করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেন। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে নগরীর কেন্দ্রের ঠিক উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে।
 
হারবারভিউ মেডিকেল সেন্টারের মুখপাত্র সুসান গ্রেগ জানান, হাসপাতালে চারজন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক ছোট শিশু, ২৩ বছর বয়সী এক তরুণ এবং দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী রয়েছেন। তিনি জানান, আহতদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার সময় উৎসবে উপস্থিত ছিলেন এস্তান ওয়াকোনাবো। তিনি জানান, তিনি ও তার বান্ধবী একটি ছবি তোলার বুথের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ কেউ তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। ঘুরে তাকিয়ে তিনি দেখেন, চারদিকে মানুষ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়াচ্ছে।

ওয়াকোনাবো বলেন, 'মানুষ নিরাপদ জায়গায় লুকানোর চেষ্টা করছিল। সবাই একে অন্যকে ধাক্কা দিচ্ছিল। অনেকে মাটিতে পড়ে যাচ্ছিল। এমনকি শিশুদের ঠেলাগাড়িও উল্টে যাচ্ছিল।'  এরপরই তিনি গুলির শব্দ শুনতে পান। তার ভাষায়, “আমি যখন ‘পপ, পপ, পপ’ শব্দ শুনলাম, তখনই বুঝতে পারলাম একজন বন্দুকধারী গুলি চালাচ্ছে।”  তিনি জানান, প্রথমে তিনি তার বান্ধবীকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। পরে আবার ঘটনাস্থলে ফিরে এসে মাটিতে পড়ে থাকা একাধিক আহত ব্যক্তিকে দেখতে পান।

উল্লেখ্য যে, ‘বাইট অব সিয়াটল’ শহরের অন্যতম বড় খাবার উৎসব। আয়োজকদের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে এই উৎসব শুরু হয়। প্রতি বছর তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিভিন্ন ধরনের খাবার, পানীয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ অংশ নেন।
 

জাহাজে হামলার পর ইউক্রেনকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

অনলাইন ডেস্ক
জাহাজে হামলার পর ইউক্রেনকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
ছবি: রয়টার্স

কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় ইউক্রেনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, এই হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং ইরান কোনো হামলা বিনা জবাবে ছেড়ে দেবে না।

রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আজিজি এ কথা বলেন। এর আগে কাস্পিয়ান সাগরে ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নাবিক নিহত এবং আরেকজন আহত হন। ইরান এই হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে। আজিজি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি বা হামলার জবাব দিতে দেশটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি লেখেন, ‘ইরানের ওপর যেকোনো হামলার মূল্য দিতে হয়। অতীতেও তা হয়েছে, এখনো হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এটি ভালোভাবেই জানে। ইউক্রেনও খুব শিগগির বুঝতে পারবে, ইরান কোনো পদক্ষেপের জবাব না দিয়ে ছেড়ে দেয় না।’ আরেকটি পোস্টে তিনি বলেন, ‘যারা ভুল হিসাব করেছে, তাদের তালিকা আরো বড় হচ্ছে।’

একই ঘটনায় রবিবার প্রতিক্রিয়া জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচি। তিনি ইরানি জাহাজে হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এ ঘটনার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে। এক্সে দেওয়া পোস্টে আরাগচি দাবি করেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেই ইরানি জাহাজে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দেননি। তিনি আরো অভিযোগ করেন, ইউরোপকে নিজেদের যুদ্ধে টেনে আনতে ইসরায়েলের ইচ্ছায় এই হামলা চালানো হয়েছে এবং এর মাধ্যমে জাতিসংঘ সনদ লঙ্ঘন করা হয়েছে। আরাগচি লেখেন, ‘জেলেনস্কি একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছেন। এতে একজন নাবিক নিহত হয়েছেন। ইউরোপকে নিজেদের যুদ্ধে টেনে আনতে ইসরায়েলের ইচ্ছায় প্রকাশ্যে জাতিসংঘ সনদ লঙ্ঘন করে এই হামলা চালানো হয়েছে।’ তিনি আরো জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময়ও তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই হামলার জবাব না দিয়ে ইরান বসে থাকবে না।

হামলার ঘটনায় এর আগেই তেহরানে ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করে ইরান। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, ইউরেশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মহাপরিচালক মানুচেহর মোরাদি ইউক্রেনের কূটনীতিবিদের কাছে তেহরানের কড়া প্রতিবাদ তুলে ধরেন। তিনি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক কাজ’ বলে উল্লেখ করেন। মোরাদির ভাষ্য, এই হামলা জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন এবং এটি আগ্রাসনের শামিল। পাশাপাশি কাস্পিয়ান সাগরসংলগ্ন দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্যও এটি একটি বড় হুমকি। তিনি বলেন, এই ঘটনার জন্য ইউক্রেনকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটি নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের ওপর কোনো হামলা বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না। ইরানের কূটনৈতিক প্রতিবাদের আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক্সে এক পোস্টে জানান, ইউক্রেন রাশিয়ার সামরিক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে দূরপাল্লার হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, এসব হামলার মধ্যে কাস্পিয়ান সাগরের লক্ষ্যবস্তুও ছিল। তবে জেলেনস্কি তার পোস্টে কোনো ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কথা উল্লেখ করেননি।

‘নিউইয়র্কে আসবই’, মামদানিকে পাল্টা জবাব নেতানিয়াহুর

অনলাইন ডেস্ক
‘নিউইয়র্কে আসবই’, মামদানিকে পাল্টা জবাব নেতানিয়াহুর
ছবি: রয়টার্স

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির বিরোধিতা সত্ত্বেও আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু । একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, মামদানি শহরে বিভাজন, ঘৃণা এবং ইহুদিবিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন।

রবিবার ফক্স নিউজের ‘সানডে মর্নিং ফিউচার্স’ অনুষ্ঠানে মারিয়া বার্তিরোমোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মামদানির উদ্দেশ্যে আমার জবাব হলো, আমি নিউইয়র্কে যাব। আমি জাতিসংঘের মঞ্চ থেকে সত্য তুলে ধরব। আমি ইসরায়েলের পক্ষে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের পক্ষে কথা বলব।’ এর আগে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলে আখ্যা দিয়ে মন্তব্য করেন, তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে স্বাগত নন। এর জবাবে নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, মামদানি হামাসের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছেন এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার ঘটনাকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করছেন। 

নেতানিয়াহুর দাবি, মামদানির স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা ৭ অক্টোবরের হামলাকে উদ্‌যাপন করেছিলেন। তিনি বলেন, ওই হামলা ছিল হলোকাস্টের পর ইহুদিদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। তিনি আরো বলেন, ‘হামাস আমাদের নারীদের ধর্ষণ করেছে, অনেককে হত্যা করেছে, শিশুদের জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে এবং ২৫১ জন নিরীহ মানুষকে জিম্মি করেছে। মামদানি তাদেরই সমর্থন করছেন।’ তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সাক্ষাৎকারে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে নেতানিয়াহু সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, গণহত্যার জন্য হামাসই দায়ী। তার ভাষ্য, হামাসের ঘোষিত লক্ষ্যই হলো ইসরায়েল ও ইহুদিদের ধ্বংস করা। তিনি বলেন, ‘তারা সুযোগ পেলে ইসরায়েলের প্রতিটি ইহুদিকে হত্যা করত। তাই গণহত্যার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধেই প্রযোজ্য।’ তিনি আরো দাবি করেন, হামাস সাধারণ মানুষের মধ্যে অবস্থান নেয় এবং বেসামরিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে যেতে বাধা দেয়। তার মতে, এতে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির দায়ও হামাসের।

নিউইয়র্ক সিটির নেতৃত্ব নিয়েও সমালোচনা করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, আগের মেয়ররা সব সম্প্রদায়কে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বর্তমান মেয়র মানুষকে বিভক্ত করছেন। তিনি বলেন, ‘একজন মেয়রের দায়িত্ব হলো শহরের সব মানুষের প্রতিনিধি হওয়া। ইহুদি, মুসলিম, খ্রিস্টান—সবার জন্য সমানভাবে কাজ করা। কিন্তু মামদানি এক সম্প্রদায়কে আরেক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছেন।’ নেতানিয়াহুর দাবি, মামদানির বক্তব্যের কারণে নিউইয়র্কের ইহুদি বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তার ভাষায়, ‘আমি নিউইয়র্কের অনেক ইহুদি-আমেরিকানের সঙ্গে কথা বলি। তারা এখন নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।' সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কের একটি সিনাগগের বাইরে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল ও তার বিরুদ্ধে মামদানির বক্তব্যের পরদিনই ওই হামলা ঘটে। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না এটি কাকতালীয় ঘটনা। একজন ব্যক্তি ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চিৎকার করতে করতে এক ইহুদিকে ছুরিকাঘাত করেছে। এটি লজ্জাজনক এবং নিউইয়র্কের জন্যও খারাপ।”

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫১ বছর বয়সী রাউল মোরালেস নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে দ্বিতীয় ডিগ্রির হত্যাচেষ্টার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইডে তিনি প্রথমে ৫৭ বছর বয়সী এক এশীয় ব্যক্তির পেছন থেকে এসে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চিৎকার করেন এবং তাকে ছুরিকাঘাত করেন। এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল থেকে চার ব্লক দূরে একটি সিনাগগ থেকে বের হওয়া কিপ্পাহ পরা এক ইহুদি ব্যক্তির বুকে স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে আঘাত করেন বলেও প্রসিকিউটরদের অভিযোগ। নেতানিয়াহু বলেন, নিউইয়র্ক সিটি হলের রাজনৈতিক বিরোধিতা তাকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে বাধা দিতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘আমি এই শরতে নিউইয়র্কে যাব এবং বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের জোটের পক্ষে কথা বলব।’

উল্লেখ্য যে, গত বুধবার জোহরান মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্ক সিটিতে স্বাগত নন। শুধু তিনিই নন, কোনো অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীরই এখানে অবাধে চলাফেরা করা উচিত নয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার গ্রেপ্তার হওয়া এবং বিচার হওয়া উচিত।’ এর কয়েক দিন আগে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশ নিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে শহরের আইনি ক্ষমতার সীমা কী, তা নিয়ে তার প্রশাসন নিউইয়র্ক সিটির আইন বিভাগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে।
 

রাশিয়ার এলব্রুস পর্বতে ঝড়ের কবলে পড়ে ৫ পর্বতারোহীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার এলব্রুস পর্বতে ঝড়ের কবলে পড়ে ৫ পর্বতারোহীর মৃত্যু
ছবি : রয়টার্স

ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বত রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রুসে এক ভয়াবহ ঝড়ের কবলে পড়ে পাঁচ পর্বতারোহী প্রাণ হারিয়েছেন। চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও বাকি তিনজনের দেহ এখনো পাহাড় থেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ।

রাশিয়ার জরুরি সেবা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৫,৩৫০ মিটার (১৭,৫৫০ ফুট) উচ্চতা থেকে উদ্ধারকারীরা জীবিত উদ্ধার হওয়া দুই পর্বতারোহীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তদন্ত কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আরো তিনটি মরদেহ চিহ্নিত করা হলেও সেখানকার প্রবল ঝড় ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তা এখনো উদ্ধার করা যায়নি। রুশ গণমাধ্যম জানায়, এ দুর্ঘটনায় নিহত ও জীবিত উদ্ধার হওয়া পর্বতারোহীরা সবাই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জেনিকা শহরের বাসিন্দা ছিলেন। এই সাতজনের মধ্যে এক বিবাহিত দম্পতি এবং একজন নারী চিকিৎসকও ছিলেন।

জর্জিয়া সীমান্তের ঠিক উত্তরে অবস্থিত ৫,৬৪২ মিটার উঁচু এই মাউন্ট এলব্রুস পর্বতটি হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তন এবং বরফঝড়ের জন্য অত্যন্ত কুখ্যাত। তুষারঝড় ও প্রবল বাতাসের কারণে সেখানে উদ্ধারকাজ চালাতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে।