• ই-পেপার

পাকিস্তানে অগ্নিকাণ্ডে ৭২ জন নিহতের ঘটনায় বিচারের মুখোমুখি ১১ বছরের শিশু

থাকুন আরামে, বাঁচান অর্থ

অনলাইন ডেস্ক
থাকুন আরামে, বাঁচান অর্থ
সংগৃহীত ছবি

একটা স্মার্ট ডিভাইস আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে বিশ্ব এখন আপনার হাতের মুঠোয়। আপনি কোথায় থাকছেন, কী করছেন; তাতে অনেক নিয়োগদাতার কিছুই যায় আসে না। আপনাকে দেওয়া কাজ ঠিকঠাকমতো করে দিলেই হলো।

নির্দিষ্ট একটা অফিস, সেখানে ১০টা-৫টা হাজিরার গৎবাঁধা ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসছেন অনেকে। একটা ল্যাপটপ আর কফিশপের একটা নিরিবিলি কোণেই চলছে আস্ত একটা অফিস। করোনা যখন বিশ্বজুড়ে সবকিছু স্থবির করে দেয়, তখনও ওয়ার্ক ফর্ম হোম বা বাসায় বসে অফিস করার ধারণা দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। 

ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ধারণাকে ওয়ার্ক ফ্রম মানালিতে বদলে নিয়েছেন ভারতের এক কর্পোরেট দম্পতি। ব্যস্ত শহরের কোলাহল ছেড়ে তারা ডেরা বেধেছেন হিমালয়ের কোলে শান্ত, স্নিগ্ধ, প্রশান্তির মানালিতে। অনেকে অনেক পরিকল্পনা করে ব্যস্ত জীবন থেকে দুদিনের ছুটি নিয়ে মানালিতে বেড়াতে যান, আর এই দম্পতি মানালিতেই খুঁজে পেয়েছেন জীবনের মানে।

তাদের এই নতুন জীবন নিয়ে দুজনের করা একটি ভিডিও ইনস্ট্রগ্রামে পোস্ট করতেই সেটি দারুণ ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে তো অবসর জীবনটা শহরের বাইরে কোনো নিরিবিলি জায়গায় কাটাতে চান। কিন্তু অঞ্জলি আর নামান, নামের এই জুটি ব্যস্ত কর্মজীবনেই খুজে নিয়েছেন প্রশান্তির ছোঁয়া। 

তারা মূলত প্রশান্তির খোঁজেই মানালি গিয়েছিলেন। এখন হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, জীবনযাত্রার মান অক্ষুন্ন রেখেও মাসে তাদের ৩০ হাজার রুপিরও বেশি সাশ্রয় হচ্ছে। এটা অবশ্য তারা করতে চাননি, এটা তাদের বোনাস প্রাপ্তি।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ভিডিওতে তারা বলেন, খরচ কমানো নয়, তারা আসলে জীবনের গতি কমাতে চেয়েছিলেন। ব্যস্ত শহরের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে হাফিয়ে উঠেছিলেন তারা।

ভিডিওতে অঞ্জলি বলেন, ‘কোনো চেষ্টা ছাড়াই আমরা হঠাৎ করেই প্রতি মাসে ৩০ হাজার রুপিরও বেশি বাঁচাতে শুরু করেছি।’

ভিডিওতে এই সুখী জুটি বলেন, ‘হাই, আমরা অঞ্জলি এবং নামান। আমরা মানালিতে বসবাসকারী একটি রিমোট কর্পোরেট দম্পতি। আমরা এখানে টাকা বাঁচাতে আসিনি, আমরা আমাদের কর্পোরেট চাকরি ঠিক রেখেই ধীরগতির ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিতে এসেছিলাম।’

এরপর তারা মাসে ৩০ হাজার রুপিরও বেশি সাশ্রয়ের একটা বাস্তবসম্মত হিসাব দেন। সবচেয়ে বড় সাশ্রয় হয়েছে বাড়ি ভাড়ায়। শহরে যেখানে তাদের ভাড়া বাবদ মাসে তাদের গুনতে হতো ৪৫ হাজার রুপি, মানালিতে আসার পর তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার রুপিতে। ফলে বাড়ি ভাড়া খাতে তাদের বেঁচে যচ্ছে ১৭ হাজার রুপি। রিমোট কাজের কারণে তাদের প্রতিদিনের যাতায়াত খরচও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, যা প্রতি মাসে অন্তত ৩ হাজার রুপি বাঁচিয়ে দিচ্ছে।

এ ছাড়া অফিস শেষে রাতের খাবার, কফি বা টুকটাক নাস্তা খাওয়ার মতো যে খরচগুলো আগে নিয়মিত বিষয় ছিল; তা-ও এখন নাটকীয়ভাবে কমে গেছে। এর ফলে তাদের মাসিক বাজেট থেকে আরও প্রায় সাড়ে ৭ হাজার রুপি কম খরচ হচ্ছে।

তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল তাদের ছুটির দিনের ভ্রমণের খরচ একেবারে বন্ধ হয়ে যাওয়া। শহরে থাকার সময় ব্যস্ত জীবন থেকে মুক্তি পেতে তারা ছোটখাটো ভ্রমণের পেছনে মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার রুপি খরচ করতেন। মানালিতে আসার পর তাদের আর আলাদা করে এমন কোনো ছুটির পরিকল্পনা করতে হয় না। কারণ প্রকৃতি ও শান্ত পরিবেশ এখন তাদের দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ। প্রতিদিন তারা ছুটির মেজাজেই থাকতে পারেন।

অঞ্জলি জোর দিয়ে বলেন যে, এই আর্থিক লাভটি ছিল তাদের জন্য স্রেফ একটি অপ্রত্যাশিত উপহার। তিনি বলেন, ‘আমরা কম খরচে থাকার জন্য রিমোট কাজের সুযোগ বেছে নিইনি; আমরা এটি বেছে নিয়েছিলাম ভিন্নভাবে বাঁচার জন্য। এই সাশ্রয়টা ছিল কেবলই একটি বাড়তি পাওনা।’

ভিডিওটি অনলাইনে নাগরিক জীবনের নানান খাতের খরচ রিমোট কাজের আর্থিক সুবিধা এবং কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনের মাঝে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখতে মহানগর ছেড়ে ছোট শহরগুলোতে পেশাজীবীদের পাড়ি জমানোর ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নগদ অর্থ ছাড়াও যে প্রশান্তি মিলছে, আর্থিক মূল্যে তার দাম ধরা সম্ভব নয়।

শহরের যানজট, আর ধুলাবালিতে জেরবার জীবন থেকে এমন আরামের জীবনে বদলে যাওয়া তাদের স্বাস্থ্যেও দারুণ ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে। চিকিৎসা খাতেও নিশ্চয়ই তাদের খরচ কমে যাবে, বেড়ে যেতে পারে তাদের প্রত্যাশিত আয়ু।

অনেকে তাদের ভিডিওতে নানারকম মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ ভিন্নমতও পোষণ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘কিন্তু সন্ধ্যায় কি খুব শান্ত হয়ে যায় না? যেহেতু আমি সারাজীবন একটা মহানগরীতে থেকেছি, আমার মনে হয় আমি কোলাহলে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। মানছি যে মাঝে মধ্যে সবার একটু শান্তি ও নীরবতা প্রয়োজন। কিন্তু মানালির একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমার পুরো জীবনটা সরিয়ে নিয়ে যাওয়াটা একটু অবাস্তবই মনে হচ্ছে।’ 

আরেকজন লিখেছেন, ‘শহুরে জীবনের ধকল সামলাতেই টাকা খরচ হয়ে যায়।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করার এটা আসল সুবিধা, উন্নত জীবনযাত্রা, কিন্তু খরচ কম।’

তবে অনেকের মনের কথাটা বলেছেন আরেক মন্তব্যকারী, ‘মানালি থেকে মাসে ৩০ হাজার রুপি সঞ্চয় করাটা এমন এক স্বপ্নের মত, যা অনেক কর্পোরেট কর্মী গোপনে দেখে থাকেন।’

তবে এ সুখী দম্পতি মানালির আগে কোন শহরে থাকতেন বা কোন প্রতিষ্ঠানে তারা চাকরি করেন; সে ব্যাপারেও ভিডিওতে কিছু উল্লেখ করেননি।

ইরান-কাতার

সমুদ্র বাণিজ্যের দুয়ার খুললেও রয়েছে শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সমুদ্র বাণিজ্যের দুয়ার খুললেও রয়েছে শঙ্কা
রয়টার্স ছবি

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরে প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর সমুদ্রপথে ইরান ও কাতারের বাণিজ্য আবার শুরু হয়েছে। রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহায় নিযুক্ত ইরানের বাণিজ্যিক সহদূত আব্বাস আবদোলখানি।

তবে এই উপসাগরে প্রবেশ ও বের হওয়ার নৌপথ নিয়ে এখনো রয়ে গেছে কিছু বিরোধ ও অনিশ্চয়তা। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স

আব্বাস আবদোলখানি জানান, ইরানি দূতাবাস ও কাতারি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে ইরানের দাইয়ার বন্দর এবং কাতারের আল রুয়াইস বন্দরের মধ্যে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দাইয়ার ও আল রুয়াইস—দুই বন্দরই মূলত আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ চলাকালে দাইয়ার বন্দর একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছিল।

এদিকে গত মাসে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী সমঝোতার মাধ্যমে চার মাসের সংঘাতের অবসান ঘোষণা করা হয়।

ওই সমঝোতায় উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সময়ের মতো সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও জাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধারের কথা বলা হলেও উপসাগরে প্রবেশ ও বের হওয়ার নৌপথ নিয়ে এখনো কিছু বিরোধ ও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

গত জুনের শেষ দিকে ইরানের ট্রেড প্রোমোশন অর্গানাইজেশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে আটকে থাকা ইরানি পণ্য ছাড় করা শুরু হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম এই বন্দরে পণ্য ছাড়ের ঘটনাকে উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই তীরের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার পর বাথরুমে পুঁতে রাখল স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার পর বাথরুমে পুঁতে রাখল স্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যা করে বাড়ির বাথরুমের মেঝের নিচে মরদেহ চাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে। এ ঘটনার প্রায় ৪৫ দিন পরে পুলিশের তদন্তে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, অভিযুক্ত স্ত্রী রুবি শর্মা হত্যার আগে তার স্বামী সুরেন্দ্র শর্মাকে খাবারের সঙ্গে ১৫ থেকে ২০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। 

প্রতিবেদনে পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৮ মে থেকে সুরেন্দ্র নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় গত ২৬ মে রুবি ও তার দেবর অনিল থানায় একটি অভিযোগ করেন। 

অন্যদিকে রুবি নিজেও স্বামীকে খুঁজে বের করার নাটক করেন এবং প্রতিবেশীদের সামনে কান্নাকাটি করে নিজেকে শোকাহত হিসেবে উপস্থাপন করেন। পুলিশের ভাষ্য, প্রতিবেশী ও স্বজনরা সুরেন্দ্রের খোঁজ জানতে চাইলে রুবি বারবার বলতেন, তিনি বাইরে গেছেন এবং শিগগিরই ফিরে আসবেন।

তবে সুরেন্দ্রের পরিবারের সদস্যরা রুবির বক্তব্যে অসংগতি লক্ষ করলে পুলিশ তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। ফলে প্রথমে ঘটনাটি নিখোঁজের মামলা হিসেবে তদন্ত শুরু হলেও পরে তা হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়।

রুবির দাবি, ভরতপুরে মদ্যপ অবস্থায় সুরেন্দ্র আত্মীয়দের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। এরপর সম্ভাব্য আইনি জটিলতা ও আদালতে যাতায়াতের আশঙ্কা থেকেই তিনি হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

তদন্তে আরও জানা যায়, হত্যার পর রুবি স্বামীর মরদেহ টেনে বাড়ির মাটির বাথরুমে নিয়ে যান। পরদিন তিনি শ্রমিক ডেকে সেখানে অতিরিক্ত মাটি ফেলান এবং মরদেহ পুরোপুরি ঢেকে দেন। এরপর একজন রাজমিস্ত্রি দিয়ে বাথরুমের মেঝেতে কংক্রিটের নতুন ফ্লোর নির্মাণ করান।

হত্যার পরপরই বাথরুম সংস্কারের কাজ হওয়ায় শ্রমিকদের কারো সন্দেহ হয়নি এবং কোনো দুর্গন্ধও টের পাওয়া যায়নি। প্রায় ৪৫ দিনের তদন্তের অগ্রগতিতে পুলিশ বাথরুমের কংক্রিটের মেঝে ভেঙে সুরেন্দ্রের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

এই হত্যাকাণ্ডে রুবিকে অন্য কেউ সহায়তা করেছে কি না, সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানায় ভারতীয় পুলিশ।

নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কোনি আইল্যান্ডে ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে চার শিশুসহ অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে এক নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। খবর এনবিসি নিউজ

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (৪ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টা ৩৭ মিনিটে একাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। সেখানে আটজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীদের বয়স ৬ থেকে ৩৭ বছরের মধ্যে। আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে বুকে গুলিবিদ্ধ ২১ বছর বয়সী এক তরুণীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আহত শিশুদের মধ্যে একটি ৬ বছর বয়সী ছেলের পেটে, ৭ বছর বয়সী ছেলের দুই পায়ে, ১২ বছর বয়সী ছেলের পায়ে এবং ১৪ বছর বয়সী কিশোরের ঊরুতে গুলি লেগেছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে তদন্তকারীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে কোনি আইল্যান্ড থেকে বাসে ৪৭ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত নিউইয়র্ক নিউজার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামার কথা রয়েছে ব্রাজিলের। এতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ আরলিং হালান্ডের নরওয়ে।