• ই-পেপার

দল ভাঙাচ্ছে টিভিকে, রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিরোধীরা

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার পর বাথরুমে পুঁতে রাখল স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার পর বাথরুমে পুঁতে রাখল স্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যা করে বাড়ির বাথরুমের মেঝের নিচে মরদেহ চাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে। এ ঘটনার প্রায় ৪৫ দিন পরে পুলিশের তদন্তে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, অভিযুক্ত স্ত্রী রুবি শর্মা হত্যার আগে তার স্বামী সুরেন্দ্র শর্মাকে খাবারের সঙ্গে ১৫ থেকে ২০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। 

প্রতিবেদনে পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৮ মে থেকে সুরেন্দ্র নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় গত ২৬ মে রুবি ও তার দেবর অনিল থানায় একটি অভিযোগ করেন। 

অন্যদিকে রুবি নিজেও স্বামীকে খুঁজে বের করার নাটক করেন এবং প্রতিবেশীদের সামনে কান্নাকাটি করে নিজেকে শোকাহত হিসেবে উপস্থাপন করেন। পুলিশের ভাষ্য, প্রতিবেশী ও স্বজনরা সুরেন্দ্রের খোঁজ জানতে চাইলে রুবি বারবার বলতেন, তিনি বাইরে গেছেন এবং শিগগিরই ফিরে আসবেন।

তবে সুরেন্দ্রের পরিবারের সদস্যরা রুবির বক্তব্যে অসংগতি লক্ষ করলে পুলিশ তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। ফলে প্রথমে ঘটনাটি নিখোঁজের মামলা হিসেবে তদন্ত শুরু হলেও পরে তা হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়।

রুবির দাবি, ভরতপুরে মদ্যপ অবস্থায় সুরেন্দ্র আত্মীয়দের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। এরপর সম্ভাব্য আইনি জটিলতা ও আদালতে যাতায়াতের আশঙ্কা থেকেই তিনি হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

তদন্তে আরও জানা যায়, হত্যার পর রুবি স্বামীর মরদেহ টেনে বাড়ির মাটির বাথরুমে নিয়ে যান। পরদিন তিনি শ্রমিক ডেকে সেখানে অতিরিক্ত মাটি ফেলান এবং মরদেহ পুরোপুরি ঢেকে দেন। এরপর একজন রাজমিস্ত্রি দিয়ে বাথরুমের মেঝেতে কংক্রিটের নতুন ফ্লোর নির্মাণ করান।

হত্যার পরপরই বাথরুম সংস্কারের কাজ হওয়ায় শ্রমিকদের কারো সন্দেহ হয়নি এবং কোনো দুর্গন্ধও টের পাওয়া যায়নি। প্রায় ৪৫ দিনের তদন্তের অগ্রগতিতে পুলিশ বাথরুমের কংক্রিটের মেঝে ভেঙে সুরেন্দ্রের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

এই হত্যাকাণ্ডে রুবিকে অন্য কেউ সহায়তা করেছে কি না, সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানায় ভারতীয় পুলিশ।

নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কোনি আইল্যান্ডে ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে চার শিশুসহ অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে এক নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। খবর এনবিসি নিউজ

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (৪ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টা ৩৭ মিনিটে একাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। সেখানে আটজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীদের বয়স ৬ থেকে ৩৭ বছরের মধ্যে। আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে বুকে গুলিবিদ্ধ ২১ বছর বয়সী এক তরুণীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আহত শিশুদের মধ্যে একটি ৬ বছর বয়সী ছেলের পেটে, ৭ বছর বয়সী ছেলের দুই পায়ে, ১২ বছর বয়সী ছেলের পায়ে এবং ১৪ বছর বয়সী কিশোরের ঊরুতে গুলি লেগেছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে তদন্তকারীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে কোনি আইল্যান্ড থেকে বাসে ৪৭ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত নিউইয়র্ক নিউজার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামার কথা রয়েছে ব্রাজিলের। এতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ আরলিং হালান্ডের নরওয়ে।

স্কুল-কলেজের আশপাশে এনার্জি ড্রিংকস নয়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
স্কুল-কলেজের আশপাশে এনার্জি ড্রিংকস নয়
সংগৃহীত ছবি

ভারতের মহারাষ্ট্রে স্কুল-কলেজের ৫০০ মিটারের মধ্যে এনার্জি ড্রিংকস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তে অনুপ্রাণিত হয়ে কর্ণাটকেও এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি উঠেছে। 

শুক্রবার বিজেপি বিধায়ক বিক্রম পচপুতের তোলা এক প্রশ্নের জবাবে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল বিধানসভায় এই নির্দেশনার কথা জানান। তিনি জানান, এনার্জি ড্রিংকসের নামে শিশুদের জন্য ক্ষতিকর উচ্চ-ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়ের বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

বিধায়ক বিক্রম পচপুতে বিধানসভায় ‘স্ট্রিং’ নামে একটি জনপ্রিয় এনার্জি ড্রিংকসের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, স্কুলগামী শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর আসক্তি তৈরি করছে। পচপুতে যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘বোতলের গায়েই সতর্কতা লেখা থাকে যে এই পানীয়টি শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য উপযুক্ত নয়। তারপরও, স্কুলের ঠিক বাইরেই এটি অবাধে বিক্রি হচ্ছে। শিশুদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই এনার্জি ড্রিংকটি অ্যালকোহলের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর প্রমাণিত হচ্ছে।’

বিজেপি বিধায়কের উদ্বেগের সঙ্গে একমত পোষণ করে মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল জানান, সরকার স্কুলের চারপাশে ৫০০ মিটারের নিষেধাজ্ঞা অঞ্চল কঠোরভাবে কার্যকর করবে। এর আওতায় মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি এনার্জি ড্রিংকস বিক্রিও নিষিদ্ধ থাকবে।

মহারাষ্ট্র সরকারের এ সিদ্ধান্তের একদিন পর কর্ণাটকেও একই দাবি উঠেছে। রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান শশীধর কোসাম্বে রাজ্যের সমস্ত স্কুল ও কলেজের ৫০০ মিটারের এনার্জি ড্রিংকস এবং অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমারকে চিঠি লিখেছেন। মহারাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে কোসাম্বে তার চিঠিতে লেখেন, শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার স্বার্থে কর্ণাটককেও একই ধরনের নীতি গ্রহণ করা উচিত। কোসাম্বে রাজ্যের স্কুলগুলোর আশপাশে বিভিন্ন এনার্জি ড্রিংকসের ক্রমবর্ধমান বিক্রি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, এই ধরনের পানীয় শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। 

তিনি উল্লেখ করেন, এই পানীয়গুলোতে প্রায়ই কৃত্রিম রং এবং রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা নিয়মিত পান করলে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, কর্ণাটক শিক্ষা বিভাগ ইতিমধ্যে স্কুল ও কলেজের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।

তার আবেদনে, তিনি সরকারের কাছে এই নিষেধাজ্ঞার পরিধি ১০০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০০ মিটার করার এবং এর মধ্যে এনার্জি ড্রিংকস ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
 

মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি

অনলাইন ডেস্ক
মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি
রয়টার্স ছবি

ভারতের মুম্বাই ও আশপাশের শহরগুলোতে রাতভর ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে গত ২৪ ঘণ্টায় শহরের কয়েকটি এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে রবিবার সকালে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও আরও ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ফলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি রেখেছে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)। এমন অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না গিয়ে সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে মুম্বাইয়ের নগর কর্তৃপক্ষ ব্রিহানমুম্বাই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শহরের কয়েকটি এলাকায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি এবং কয়েকটি স্থানে ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। 

রবিবার সকালে মেট্রো ও ব্রিহানমুম্বাই ইলেকট্রিক সাপ্লাই অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টের (বেস্ট) বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে যাত্রীরা জানিয়েছেন, শহরতলির ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

এমন অবস্থায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তার জন্য বিএমসির ১৯১৬ নম্বর হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে এবং সব ধরনের সতর্কবার্তা মেনে চলতে নাগরিকদের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে নিচু এলাকা ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ এদিন বিকেল ৩টার পর ৪ দশমিক ১৯ মিটার উচ্চতার জোয়ারের পূর্বাভাস রয়েছে। এছাড়া আগামীকাল সোমবার ভোর ৩টা ৪১ মিনিটে ৩ দশমিক ৫১ মিটার উচ্চতার আরেকটি জোয়ার হতে পারে।

এর আগে শনিবারের প্রবল বর্ষণে মাত্র ১২ ঘণ্টায় মুম্বাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। এতে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়, বিভিন্ন সড়কে ধস নামে, গাছ উপড়ে পড়ে, ঘরবাড়ি ধসে পড়ে এবং সড়ক ও রেল চলাচল ব্যাহত হয়। টানা বৃষ্টিতে পাশের থানে, পালঘর, নবি মুম্বাই এবং পুনে অঞ্চলও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও ভূমিধস, কোথাও জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়েও নেওয়া হয়েছে।

আইএমডি জানিয়েছে, রোববারও কয়েকটি এলাকায় ভারি এবং বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া শহর ও আশপাশের এলাকায় ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

বিএমসির তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৩১০ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে ভিখরোলি পশ্চিমের বিল্ডিং প্রপোজাল অফিস এলাকায়। এরপর কোলাবা পাম্পিং স্টেশনে ৩০৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার এবং ভিখরোলির ঠাকুর নগর মিউনিসিপ্যাল স্কুল এলাকায় ৩০১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ ছাড়া মালাবার হিল, মান্ডাভি ফায়ার স্টেশন, কোলাবা, মেমনওয়াড়া ফায়ার স্টেশন, ভিখরোলি ফায়ার স্টেশন, পাওয়াইয়ের পাসপোলি মিউনিসিপ্যাল স্কুল, ভান্ডুপ কমপ্লেক্স, আন্দেরি ফায়ার স্টেশন, চাকালা মিউনিসিপ্যাল স্কুল, জোগেশ্বরী এবং গোরেগাঁওয়ের আরে কলোনিসহ বিভিন্ন এলাকায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল শনিবার দুপুরে রেললাইনে পানি জমে যাওয়ায় সেন্ট্রাল রেলওয়ে ও ওয়েস্টার্ন রেলওয়ের শহরতলির ট্রেন চলাচল কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।

এছাড়া কারিগরি ত্রুটির কারণে মেট্রোর ২এ লাইনের পরিষেবাও সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়।