• ই-পেপার

মদ্যপ অবস্থায় দুর্ঘটনা, কারাগারে থাইল্যান্ডের ‘মাইকেল জ্যাকসন’

যুদ্ধে অপহরণের শিকার ৩৭ লেবানিজ

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধে অপহরণের শিকার ৩৭ লেবানিজ
সংগৃহীত ছবি

২০২৪ সাল থেকে লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত দেশটির অন্তত ৩৭ নাগরিককে আটক বা অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের খোঁজে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্বজনরা।

সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

দক্ষিণ লেবানন থেকে প্রতিবেদক জেইনা খোদর জানিয়েছেন, ১৮ বছর বয়সী জাওয়াদ এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ।

তার মা সাওসান জানান, দক্ষিণ লেবাননে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিল, তখন ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল । সেসময় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা ছিল এবং অনেক বাসিন্দা নিজেদের গ্রামে ফিরতে শুরু করেছিলেন। 

তবে বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ছিল। সংঘাতের সামনের সারির অবস্থানও বারবার পরিবর্তিত হচ্ছিল, ফলে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এসব পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ ভুলবশত ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত বা অভিযান চলমান এলাকায় প্রবেশ করে আটক হয়েছেন। নিখোঁজদের পরিবারগুলো স্বজনদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাচ্ছে না।

‘কুকুর’ উদ্ধারে যাওয়া দমকল কর্মীদের জন্য অপেক্ষা করছিল বড় চমক

অনলাইন ডেস্ক
‘কুকুর’ উদ্ধারে যাওয়া দমকল কর্মীদের জন্য অপেক্ষা করছিল বড় চমক
ছবি : সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে একটি হ্রদে ডুবে যাওয়ার উপক্রম হওয়া প্রাণীকে কুকুর ভেবে উদ্ধার করতে গিয়ে চমকে যান উদ্ধারকারীরা। পরে তারা জানতে পারেন, সেটি আসলে একটি ‘কায়োটি’ বা নেকড়ে শাবক।

কেপ কোরাল ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানায়, সোমবার সকালে ব্রিটানিয়া লেকের একটি খালে একটি কুকুর পানিতে ভাসছে, এমন খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে যায়। তখন প্রাণীটিকে নজরে রেখে অনুসরণ করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে প্রাণীটি একটি জেটির নিচে আশ্রয় নেয়। এতে উদ্ধারকারীরা সেটিকে নিরাপদে পানি থেকে তুলে আনতে সক্ষম হন।

তবে উদ্ধার করার পর দেখা যায়, সেটি কোনো কুকুর নয়, বরং একটি নেকড়ে শাবক। এ ঘটনায় উদ্ধারকারীরাও বিস্মিত হন। দমকল বিভাগের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে শাবকটি বেশ ক্লান্ত ছিল। তাই তাকে সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে না দিয়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য একটি প্রাণী পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এদিকে উদ্ধারকাজে সহায়তা করার জন্য ডেনাই জুড এবং তার প্রতিবেশী ব্রায়ানকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। দমকল বিভাগ জানায়, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতার কারণেই প্রাণীটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

চীনের গ্লোবাল টাইমসে কলাম

তারেক রহমানের সফরে নতুন উচ্চতায় যেতে পারে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক

অনলাইন ডেস্ক
তারেক রহমানের সফরে নতুন উচ্চতায় যেতে পারে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করার লক্ষ্য নিয়ে তিন দিনের দ্বিপাক্ষিক সফরে চীনে আছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর, যার দ্বিতীয় গন্তব্য হিসেবে বেইজিংকে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে দেশের কূটনৈতিক ও ব্যবসা-বাণিজ্য মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই সফরে দুই দেশের মধ্যে শিল্পখাত ও মেগা অবকাঠামোসহ বহুমাত্রিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ১৫টিরও বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের এক মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী শুক্রবার পর্যন্ত চীন সফর করবেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম বিদেশ সফর এবং দ্বিতীয় গন্তব্য হিসেবে চীনে এসেছেন। বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো এ সফর নিয়ে ব্যাপক আশাবাদী। তাদের ধারণা, এ সফরে ১৫টির বেশি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতা সই হতে পারে, যার মধ্যে বড় অবকাঠামো ও শিল্প খাতের প্রকল্পও থাকবে।

চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে একে-অপরের বন্ধু, প্রতিবেশী এবং কৌশলগত সহযোগী। কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতির ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার সম্পর্ক বজায় রেখেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও তারা একটি উদাহরণ তৈরি করেছে।

রাজনৈতিক পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্বে’ উন্নীত করা হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে টানা ১৫ বছর ধরে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি হওয়া শতভাগ শুল্কযোগ্য পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা দিয়েছে বেইজিং।

অবকাঠামো উন্নয়নেও দুই দেশের সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য। পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

আঞ্চলিক পর্যায়ে চীন ও বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করছে এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায়ও সহযোগিতা করছে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় তাদের সহযোগিতা আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে দারিদ্র্য বিমোচন ও আঞ্চলিক সুশাসন নিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মও গড়ে তুলেছে উভয় দেশ।

তবে এসব সাফল্যের পরও দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রভাব। কিছু পরাশক্তি বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কাঠামোর মধ্যে টানার চেষ্টা করছে। এমনকি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়েও হস্তক্ষেপ, অসম চুক্তির চাপ এবং ‘ঋণের ফাঁদ’ তত্ত্বের মতো বর্ণনা ব্যবহার করে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নীতির ধারাবাহিকতা। তৃতীয় চ্যালেঞ্জ দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য। দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও অনেকের মধ্যে চীন সম্পর্কে ধারণা সীমিত। বাংলাদেশের কিছু প্রভাবশালী মহল পশ্চিমা উন্নয়ন মডেলের প্রতি বেশি আস্থাশীল এবং চীনের উন্নয়নপথ ও শিল্প সহযোগিতার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নেয়।

আবার অন্যদিকে, কিছু অভিজাত মহল চীনের উন্নয়ন মডেল ও সহযোগিতার সুবিধা স্বীকার করলেও যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে দেশের কিছু আলোচনায় বাণিজ্য ঘাটতির জন্য শুধু চীনা পণ্যের প্রবেশকে দায়ী করা হয়, অথচ রপ্তানি পণ্যের সীমিত বৈচিত্র্য ও সক্ষমতার মতো কাঠামোগত বিষয়গুলো উপেক্ষিত থাকে।

তবে এসব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা অসম্ভব নয়। এজন্য উভয় পক্ষের আরও দূরদর্শিতা ও ধৈর্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে পারস্পরিক দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য কমাতে খোলামেলা আলোচনা ও যোগাযোগ বাড়ানো জরুরি।

একই সঙ্গে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের প্রকৃত অর্থে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের রাজনৈতিক সাহস দেখাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে কতটা গভীর সহযোগিতা চায়, তা দুই দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরবে।

বাংলাদেশি গণমাধ্যমে সফরটির যেসব গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়েছে, তা থেকে বোঝা যায় দুই দেশ আরও ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতার দিকে এগোচ্ছে। প্রথমত, শিল্প খাতে সহযোগিতা আরও বাড়বে। চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনে উৎসাহিত করছে। তুলনামূলক কম শ্রমব্যয়ের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন করে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।

দ্বিতীয়ত, গ্লোবাল সাউথ এবং আঞ্চলিক পর্যায়ের সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এশিয়ার শিল্প শৃঙ্খল ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা কাঠামোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হতে পারবে। চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা ব্যবস্থার মতো প্ল্যাটফর্ম এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে।

সবশেষে, সুশাসন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়ানো হবে, যাতে বাংলাদেশ নিজস্ব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নপথ খুঁজে নিতে পারে। রাজনৈতিক দল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ আরও জোরদার করা যেতে পারে।

উন্নয়নের কোনও একক মডেল নেই। পূর্ব ও পশ্চিম—উভয় অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নিজস্ব আধুনিকায়নের পথ অনুসরণ করার মতো সক্ষমতা ও সুযোগ বাংলাদেশের রয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসে এই মতামত নিবন্ধটি লিখেছেন লিউ জোংই। তিনি সাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর সেন্টার ফর সাউথ এশিয়া স্টাডিজ-এর পরিচালক।

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, ফ্রান্সে ৬৮০০০ পরিবার বিদ্যুৎহীন

অনলাইন ডেস্ক
ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, ফ্রান্সে ৬৮০০০ পরিবার বিদ্যুৎহীন
ছবি : রয়টার্স

ইউরোপজুড়ে চলা রেকর্ড তাপপ্রবাহের কারণে বুধবার উত্তর-পশ্চিম ফ্রান্সে প্রায় ৬৮ হাজার পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। দেশটিতে চলমান তীব্র গরমের মধ্যে এটিই প্রথম বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অতিরিক্ত তাপের কারণে বিদ্যুৎ গ্রিডের একটি ট্রান্সফর্মারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় এই বিভ্রাট ঘটে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ব্রিটানি অঞ্চলের কুইম্পার শহরের কাছে এরগ-গ্যাবেরিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ফিনিস্টের প্রিফেকচার।

ফরাসি গ্রিড অপারেটর আরটিই এবং এনেডিসের দলগুলো সমস্যাটি সমাধানের জন্য সারারাত কাজ করলেও দিনের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা নেই। মঙ্গলবার দিনের শেষে ফ্রান্সে এক লাখ ছয় হাজারের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন। ইউরোপজুড়ে চলা তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশটি ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণ দিনের মুখোমুখি হয়েছে।

ফরাসি বিদ্যুৎ সঞ্চালন সংস্থা আরটিই জানিয়েছে, কারিগরি সমস্যার কারণে মঙ্গলবার দিনের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তবে যত দ্রুত সম্ভব বুধবারের মধ্যে সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

বুধবার ফ্রান্সের ৫৮টি অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা বা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে ফিনিস্তেরও রয়েছে। ব্রিটানি থেকে প্যারিস অঞ্চল পর্যন্ত অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষ ধরনের বায়ুপ্রবাহ ও আবহাওয়াগত পরিস্থিতির কারণে গরম বাতাস দীর্ঘ সময় ধরে এক এলাকায় আটকে থাকছে। আর জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে এই তাপপ্রবাহ আরো তীব্র হয়ে উঠছে।