• ই-পেপার

শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, সই শুক্রবার

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে : এরদোয়ান

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে : এরদোয়ান
ফাইল ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধাবস্থার অবসান ও হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে ঘোষিত দ্বিপক্ষীয় চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান। এই ঐতিহাসিক চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

মিডলইস্টআইয়ের লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে দীর্ঘ সময় ধরে পুরো বিশ্ব যে সুসংবাদের অপেক্ষায় ছিল, সেটি আমাদের অঞ্চলে একটি স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার পরিবেশ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে।’

গণমাধ্যমটি জানায়, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পূর্ববর্তী এই সংবেদনশীল সময়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন এরদোয়ান।

তিনি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার অন্তর্বর্তী সময়ে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন যেকোনো ধরনের বাগাড়ম্বর, উসকানি এবং পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার জন্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বা চুক্তি ভঙ্গের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

উল্লেখ্য, মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর গত রবিবার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ সমাপ্তি এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছায়। এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এর আগে অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিবৃতি দিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে ১৮ বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করবে জাপান

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাজ্যে ১৮ বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করবে জাপান
ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাজ্য ও জাপান বহু বিলিয়ন পাউন্ডের একটি বিনিয়োগ চুক্তিতে পৌঁছেছে। এই চুক্তির আওতায় জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাজ্যের অবকাঠামো, আর্থিক খাত, জ্বালানি এবং প্রযুক্তি খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, এই চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় 'নতুন এক যুগের' সূচনা করবে।

ডাউনিং স্ট্রিটের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের অবকাঠামো ও আর্থিক খাতে ৯ বিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বিনিয়োগ করবে। পাশাপাশি সমুদ্রের তীরে স্থাপিত বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে আরো প্রায় ৯ বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে বিনিয়োগের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন পাউন্ডের বেশিও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরকার বলছে, এই বিনিয়োগের ফলে আগামী কয়েক বছরে যুক্তরাজ্যে কয়েক দশ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও শক্তিশালী হবে। লন্ডনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকের সময় এই ঘোষণা দেন কিয়ার স্টারমার। পরে ডাউনিং স্ট্রিটে দুই নেতা জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে স্টারমার আলোচনাকে 'খুবই ফলপ্রসূ' বলে উল্লেখ করেন।

তবে এই বিনিয়োগের পুরো অর্থ নতুন করে আসছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ডাউনিং স্ট্রিট বিনিয়োগের যে হিসাব প্রকাশ করেছে, তার একটি অংশ আগে থেকেই ঘোষিত প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এই চুক্তি এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি নানারকম চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। যদিও চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দেশটির অর্থনীতি ০.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা জি-৭ দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল, তবুও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন আগামী মাসগুলোতে প্রবৃদ্ধির গতি কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনার প্রভাব যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছে, উন্নত অর্থনীতিগুলোর মধ্যে এই ধরনের বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব যুক্তরাজ্যের ওপর তুলনামূলকভাবে বেশি পড়তে পারে।

তবে আইএমএফ মনে করছে, দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি আবারও ঘুরে দাঁড়াবে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বছর ইউরোপের জি-৭ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য সবচেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। যদিও তখন প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে ১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসবে।

বৈঠকে দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করেছে। ইতালিকে সঙ্গে নিয়ে যে জিসিএপি (গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম) যুদ্ধবিমান প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সে বিষয়ে উভয় দেশ আবারও নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। স্টারমার এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া ব্রিটিশ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান রোলস-রয়েস জাপানের অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির সঙ্গে যৌথভাবে নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে একটি নতুন প্রযুক্তি সহযোগিতা চুক্তিও হয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের গবেষণা, উদ্ভাবন ও সফটওয়্যার উন্নয়নের দক্ষতার সঙ্গে জাপানের শক্তিশালী উৎপাদন খাতকে যুক্ত করা হবে।

দোভাষীর মাধ্যমে বক্তব্য দিতে গিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, যুক্তরাজ্য জাপানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশীদার।

ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, মিতসুবিশি এস্টেট, মিতসুই ফুডোসান এবং নোমুরা রিয়েল এস্টেটসহ কয়েকটি বড় জাপানি প্রতিষ্ঠান আগামী পাঁচ বছরে যুক্তরাজ্যের অবকাঠামো ও রিয়েল এস্টেট খাতে কয়েক বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করবে।

এদিকে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। দলের ছায়া ব্যবসা ও বাণিজ্যবিষয়ক মন্ত্রী অ্যান্ড্রু গ্রিফিথ বলেছেন, যুক্তরাজ্যে বিনিয়োগ নিয়ে আসে- এমন যেকোনো চুক্তিকে তারা সমর্থন করেন। তবে তিনি লেবার সরকারের সমালোচনা করে বলেন, কর বৃদ্ধি এবং নিয়োগদাতাদের জন্য অতিরিক্ত প্রশাসনিক জটিলতা ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তার দাবি, এর ফলে চাকরি কমছে এবং আরো বেশি মানুষ সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

সব মিলিয়ে, জাপানের সঙ্গে নতুন এই বিনিয়োগ চুক্তিকে যুক্তরাজ্য সরকার অর্থনীতি চাঙ্গা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। তবে এর প্রকৃত প্রভাব কতটা হবে এবং বিনিয়োগের কত অংশ নতুন অর্থ, তা আগামী দিনগুলোতে আরো পরিষ্কার হবে।
 

ট্রাম্পের জন্মদিনে পুতিন ও জেলেনস্কির ফোনালাপ, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পের জন্মদিনে পুতিন ও জেলেনস্কির ফোনালাপ, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন এবং আসন্ন জি৭ শীর্ষ সম্মেলনের আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পের সাথে ফোনে কথা বলেছেন। রুশ প্রেসিডেন্টের সহকারী ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন, পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। 

ফোনালাপে ট্রাম্প একটি যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং এই বিষয়ে ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে কথা বলার প্রস্তুতি জানান। ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, দ্রুত যুদ্ধ শেষ করা গেলে তা মার্কিন-রুশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। জবাবে পুতিন বলেন, জেলেনস্কি যদি বৈঠক করতে চান, তবে তাকে মস্কোতে আসতে হবে। এ ছাড়া ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং তা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে বলে ট্রাম্প পুতিনকে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পের সাথে তার ফোনালাপকে ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেছেন। ট্রাম্পকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়ার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান। তারা দুজনে শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় এবং পূর্বাঞ্চলীয় ফ্রন্ট লাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য আগামী জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করার বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন। 

এ কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই যুদ্ধক্ষেত্রে হামলা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার ওরিওল ও ব্রায়ানস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় দুজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ৪৪০ মাইল দূরে ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের একটি রুশ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। অপরদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন যে, ফরাসি কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথ অভিযানে ইংলিশ চ্যানেল থেকে রাশিয়ার স্মিরটোস নামের একটি সন্দেহভাজন তেল ট্যাংকার আটক করেছে ব্রিটিশ বাহিনী। জাহাজটি যুদ্ধ-সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত রাশিয়ার ছায়া নৌবহরের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস এবং চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।

সোমবার (১৫ জুন) মিডলইস্টআই-এর লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

এক যৌথ বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেন, ক্যানবেরা লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য ধারাবাহিকভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে গৃহীত সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে তারা সাধুবাদ জানান।

বিবৃতিতে অস্ট্রেলীয় নেতৃদ্বয় উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর থেকে চাপ কমাতে হরমুজ প্রণালীতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত অপরিহার্য।

সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের ওপর জোর দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ নেতারা সব পক্ষকে ‘সংলাপের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি’ অর্জনের জন্য উৎসাহিত করেছেন। তবে একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানকে অবশ্যই তার পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের উদ্বেগগুলোর সমাধান করতে হবে।

এই ঐতিহাসিক চুক্তির পেছনে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে বিবৃতিতে। ওমান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্কসহ আলোচনায় জড়িত অন্যান্য দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করে নেতারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রসারের জন্য অস্ট্রেলিয়া তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাবে।