• ই-পেপার

কংগ্রেসের সঙ্গে মতবিরোধে ‘ইন্ডিয়া জোটে’র বৈঠকে অংশ নেবে না ডিএমকে

বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম
রয়টার্স ছবি

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি বৃহত্তর চুক্তির আশা বেড়ে যাওয়ায় এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায় কমেছে তেলের দাম। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, জিএমটি সময় ১০টা ২২-এ ব্রেন্ট ফিউচারস ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ১.১৪ ডলার বা ১.২ শতাংশ কমে ৯৬.৬৭ ডলারে নেমে আসে। 

অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৯০ সেন্ট বা ০.৯ শতাংশ কমে ৯৫.১২ ডলারে দাঁড়ায়।

এর আগে কুয়েতে ইরানের হামলা এবং হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হওয়া এই দাম প্রায় দুই শতাংশ বেড়েছিল। তবে একদিনের ব্যবধানে আজ আবারও কমেছে তেলের দাম।

দক্ষিণ চীন সাগরে রহস্যময় কাঠামো মুহূর্তেই উধাও!

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ চীন সাগরে রহস্যময় কাঠামো মুহূর্তেই উধাও!

প্রশান্ত মহাসাগরের এক গুরুত্বপূর্ণ বলয়ে অবস্থিত দক্ষিণ চীন সাগর। অর্থনীতি, কূটনীতি ও রাজনীতির দিক থেকে সাগরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলের স্কারবোরো শোল এলাকায় রহস্যময় একটি কাঠামোর উপস্থিতি প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও তা দৃশ্যমান হওয়ার পরপরই উধাও হয়ে গেছে। এ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট ছবিতে প্রবালপ্রাচীরটির লেগুন প্রবেশমুখে একটি সন্দেহজনক কাঠামো দেখা গেলেও কয়েক দিনের মধ্যে সেটি অদৃশ্য হয়ে যায়, যা চীনের কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা ২৭, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের স্যাটেলাইট ছবিতে স্কারবোরো শোলের লেগুনের প্রবেশপথের কাছে একটি ভাসমান ভেলা বা বয়াসদৃশ বস্তু দেখা যায়।

বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ভ্যানটরের বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এটি কোনো স্থায়ী বা আধা-স্থায়ী কাঠামো হতে পারে।

এ ছাড়া ২৭ ও ২৯ মে তোলা ছবিতে লেগুনের মুখজুড়ে একটি বাধার মতো বস্তুও দেখা যায়, যা প্রবেশপথ আংশিকভাবে আটকে রেখেছিল বলে মনে হয়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিলাইট গত ২৮ মে তোলা আরেকটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে। সেখানে একটি ছোট প্রতিফলকধর্মী বস্তু দেখা গেছে, যা সাময়িক আলোক প্রতিফলনের ফল নয়, বরং স্থায়ী কোনো কাঠামো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে ১ জুন তোলা পরবর্তী স্যাটেলাইট ছবিতে ওই কাঠামোর কোনো অস্তিত্ব দেখা যায়নি। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অথবা অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ম্যানিলায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

তদন্তে ফিলিপাইন

রহস্যময় বস্তুটির বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে ফিলিপাইন। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত শাংরি-লা ডায়ালগ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় তিনি এ বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য পেয়েছেন এবং বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।

এর আগে গত এপ্রিল মাসেও স্যাটেলাইট ছবিতে স্কারবোরো শোলের প্রবেশমুখে চীনা জাহাজ এবং একটি ভাসমান বাধা দেখা গিয়েছিল। তখন ফিলিপাইন দাবি করেছিল, প্রায় ৩৫২ মিটার দীর্ঘ একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক স্থাপন করা হয়েছে, যা লেগুনে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার অংশ।

দীর্ঘ বিরোধ

চীনে ‘হুয়াংইয়ান দাও’ এবং ফিলিপাইনে ‘বাজো দে মাসিনলোক’ নামে পরিচিত দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম বিতর্কিত অঞ্চল স্কারবোরো শোল। সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদ, সম্ভাব্য তেল-গ্যাস মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এলাকাটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২০১২ সালে চীন ও ফিলিপাইনের জাহাজের মধ্যে অচলাবস্থার পর থেকে প্রবালপ্রাচীরটি কার্যত চীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপর থেকেই চীনা কোস্টগার্ড ও ফিলিপাইনের জেলেদের মধ্যে একাধিকবার উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত রায় দিয়েছিল যে স্কারবোরো শোলে চীনের অবরোধ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। তবে আদালত সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। চীন সেই রায় প্রত্যাখ্যান করে এবং এখনো দক্ষিণ চীন সাগরের অধিকাংশ অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা

বিশ্লেষকদের মতে, স্কারবোরো শোলে রহস্যময় কাঠামোর উপস্থিতি এবং দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যাওয়া দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কার্যক্রম নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামুদ্রিক মহড়ার পর এলাকাটিতে চীনের টহল কার্যক্রমও জোরদার হয়েছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনাকে ঘিরে ভুল হিসাব বা ভুল বোঝাবুঝি বড় ধরনের কূটনৈতিক কিংবা সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। ফলে দক্ষিণ চীন সাগরের এই বিরোধপূর্ণ অঞ্চল আবারও আন্তর্জাতিক নজরদারির কেন্দ্রে চলে এসেছে।

‘পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার সাহস নেই’ লিখে ছাত্রীর আত্মহনন

অনলাইন ডেস্ক
‘পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার সাহস নেই’ লিখে ছাত্রীর আত্মহনন
সংগৃহীত ছবি

গত ৩ মে অনুষ্ঠিত ভারতে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা (নিট-ইউজি) পরীক্ষায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেন। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষাটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২১ জুন পুনঃ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। 

দরিদ্র পরিবারের ১৮ বছর বয়সী আকাঙ্ক্ষা চতুর্বেদীও ওই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরিবারের আর্থিক সংকট সত্ত্বেও বাবার নেওয়া ঋণের টাকায় তার মেডিক্যাল পরীক্ষার প্রস্তুতির কমতি ছিল না। পরীক্ষার পরেও উত্তীর্ণ হওয়ার নিশ্চয়তা ছিল খুব মেধাবী এই তরুণীর। কিন্তু পরীক্ষা বাতিল হওয়ার খবরটি সহ্য করতে না পেরে অবশেষে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন আকাঙ্ক্ষা। মৃত্যুর ঠিক আগে পরিবারের উদ্দেশে এক চিরকুটে তিনি লেখেন, ‘পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার সাহস নেই, আমাকে ক্ষমা করে দিও।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, মৃত্যুর দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর তার কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি হাতে লেখা চিরকুটে এসব তথ্য জানা গেছে। 

চিঠিতে আকাঙ্ক্ষা তার বাবা-মায়ের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘মা-বাবা, তোমরা বিশ্বাস করেছিলে তোমাদের মেয়ে কঠোর পরিশ্রম করে ডাক্তার হবে। কিন্তু আবার নিট পরীক্ষা দেওয়ার আমার আর সাহস নেই। প্রথমবারেই আমি ভালো নম্বর পেতাম, কিন্তু এখন আর কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমি সব কিছু নষ্ট করে ফেলেছি, আমাকে ক্ষমা করে দিও।’

যেভাবে নিভে গেল চিকিৎক হওয়ার স্বপ্ন

আকাঙ্ক্ষার বাবা কৃষ্ণ কুমার চতুর্বেদী জানান, নাগপুরে কোচিং করে আসা তার মেয়ে পরীক্ষার পর খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা দিয়ে ফোন করে আমার মেয়ে খুব খুশি ছিল। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা বাতিলের খবর আসার পর সে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। তার মনে হয়েছিল, এত দিনের সব পরিশ্রম বৃথা গেল।’

প্রায় দুই দশক ধরে নাগপুরে রাঁধুনির কাজ করেন কৃষ্ণ কুমার। পরিবারের আর্থিক সংকট সত্ত্বেও মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে তিনি প্রায় ৩ লাখ রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে খুব মেধাবী ছিল। ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখত। আমরা ঋণ নিয়ে তার পড়াশোনার খরচ চালিয়েছি। পরীক্ষার পর সে নিশ্চিত ছিল যে নির্বাচিত হবে।’

আর্থিক চাপ

আকাঙ্ক্ষার চাচা দাদ্দি প্রসাদ চতুর্বেদী বলেন, ‘পরীক্ষা বাতিলের পর মেয়েটি ধীরে ধীরে সবার কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। ঠিকমতো খেত না, কারো সঙ্গে কথা বলত না। তার ধারণা হয়েছিল, এবার সুযোগ হাতছাড়া হলে পরিবার আরেকবার কোচিং ও পরীক্ষার খরচ বহন করতে পারবে না।’

পরিবারের দাবি, আকাঙ্ক্ষার কোচিং ও শিক্ষার খরচ চালাতে কৃষক ঋণ (কিষাণ ক্রেডিট কার্ড) এবং আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকেও টাকা ধার করা হয়েছিল।

কী ঘটেছিল সেদিন?

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ মে দুপুরে পরিবারের সবাই খাবার খেলেও আকাঙ্ক্ষা পরে খাবে বলে নিজের ঘরে চলে যায়। দুপুরের পর পরিবারের অন্য সদস্যরা বিশ্রাম নিতে যান। বিকেল ৩টার দিকে মা নীলম চতুর্বেদী তাকে ডাকলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ঘরে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

তবে ঘটনার সময় কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্যরা তার জিনিসপত্র গোছাতে গিয়ে হাতে লেখা ওই চিঠিটি খুঁজে পান।

আকাঙ্ক্ষার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে নাগপুরের আম্বাজরি থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষাটি বাতিল হওয়ায় আকাঙ্ক্ষা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১২

অনলাইন ডেস্ক
শ্রীলঙ্কায় বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১২
ছবি : এপি

শ্রীলঙ্কার পশ্চিমাঞ্চলে একটি বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২ জন নিহত ও আরো আটজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় কলম্বো থেকে প্রায় ৬৫ ​​কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে কালুতারা জেলার আঙ্গুরুওয়াতোটায় অবস্থিত মাওপিয়া সেভানা বৃদ্ধাশ্রমে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশের মুখপাত্র ফ্রেডরিক উটলার জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৫১ জন বাসিন্দাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সেখানে মানসিক রোগীদেরও রাখা হতো বলে জানান তিনি।

প্রথমে ১১ জনের মৃত্যুর খবর এলেও পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন মারা যাওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ৮ জন গুরুতর আহত হয়ে হোরানা বেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যুর অভিযোগ এনে বৃদ্ধাশ্রমটির মালিক ও পরিচালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ফুটেজে দেখা গেছে, ভবনটি ভস্মীভূত হয়ে গেছে, এর আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং আশপাশে মৃতদেহ পড়ে আছে।

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল হিরুর লাইভ দৃশ্যে দেখা গেছে, দমকলকর্মী, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনটিতে মোট ৭১ জন বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সহায়তায় ৫১ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

ন্যাশনাল সেক্রেটারিয়েট ফর এল্ডার্সের পরিচালক চতুরা মিহুদুম জানিয়েছেন, বৃদ্ধাশ্রমটি নিবন্ধিত ছিল না। মাত্র ১৫ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ছোট জায়গায় গাদাগাদি করে ৭১ জনকে রাখা হয়েছিল।

বৃদ্ধাশ্রমটিতে বয়স্কদের পাশাপাশি কিছু মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণ ও শিশুও ছিল। অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের মধ্যে সবচেয়ে কম বযসী একজনের বয়স ছিল ১৭।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।