• ই-পেপার

মিত্র দেশগুলোর কাছে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় শক্তিশালী হবে হিজবুল্লাহ?

অনলাইন ডেস্ক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় শক্তিশালী হবে হিজবুল্লাহ?
রয়টার্স ছবি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হতে যাওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক ও আর্থিক অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো।

তাদের মতে, ইরানের ওপর আরোপিত কিছু আর্থিক বিধিনিষেধ শিথিল হলে তেহরান তার দীর্ঘদিনের মিত্র হিজবুল্লাহকে আরো বেশি অর্থ সহায়তা দিতে পারবে। এতে ২০২৪ সালের যুদ্ধের পর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সুবিধা হবে গোষ্ঠীটির।

মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা থাকা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধের পথ তৈরি করতে পারে। যদিও চুক্তির বিস্তারিত শর্ত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

চুক্তির আলোচনায় লেবানন

ইরানের চাপে এই সমঝোতার আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে লেবাননের পরিস্থিতিও। গত ২ মার্চ ইরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে হামলা চালানোর পর নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এরপর ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চালায়। এতে সেখানকার হাজারো মানুষ নিহত ও বাস্তুচ্যুত হন।

বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল। ইরান ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে, ইসরায়েল যদি দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধ না করে, তাহলে তেহরান সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

হিজবুল্লাহকে বাড়তি সহায়তার আশ্বাস

একাধিক কূটনৈতিক ও লেবানিজ সূত্র জানিয়েছে, ইরান হিজবুল্লাহকে আশ্বাস দিয়েছে যে তাদের স্থগিত সম্পদ মুক্ত হলে সংগঠনটি আরো বেশি আর্থিক সহায়তা পাবে। তবে কোনো নির্দিষ্ট অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি।

হিজবুল্লাহর মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ইরানের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘যদি কোনো অর্থ সন্ত্রাসী সংগঠনের কাছে যায়, তাহলে সেই অর্থ মুক্ত করা হবে না।’

তিনি আরো দাবি করেন, নতুন সমঝোতা ইরানকে তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উৎসাহ দেবে। কারণ তা না হলে চুক্তির সুবিধা ভোগ করা সম্ভব হবে না।

চাপে লেবানন সরকার

সমঝোতার ফলে হিজবুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে আরো আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এতে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত লেবানন সরকারের অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

কার্নেগি মিডল ইস্ট সেন্টারের গবেষক মোহানাদ হাজে আলি বলেন, ‘ইরানের বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তা হিজবুল্লাহর জন্য গেম-চেঞ্জার হতে পারে। এতে তারা সমর্থকদের সহায়তা করতে এবং রাজনৈতিক জোটগুলো পুনর্গঠন করতে সক্ষম হবে।’

তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের প্রশ্নটি পেছনের সারিতে চলে যেতে পারে।

ইসরায়েল প্রত্যাহার নিয়ে টানাপোড়েন

ইরান দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার দাবি করছে। তেহরানের মতে, লেবাননে ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতি নতুন সমঝোতার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

হিজবুল্লাহও বিশ্বাস করে, ইসরায়েল লেবানন থেকে সেনা সরিয়ে না নিলে ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাবে না।

অন্যদিকে ইসরায়েল হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে হিজবুল্লাহ স্পষ্ট করেছে, ইসরায়েলি সেনা লেবাননে অবস্থান করা পর্যন্ত তারা অস্ত্র নিয়ে কোনো আলোচনা করবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি উপস্থিতি হিজবুল্লাহর ‘প্রতিরোধ আন্দোলন’-সংক্রান্ত রাজনৈতিক অবস্থানকে আবারও শক্তিশালী করেছে।

আটলান্টিক কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ ফেলো নিক ব্ল্যানফোর্ড বলেন, ‘ইসরায়েলি দখলদারিত্ব হিজবুল্লাহর প্রতিরোধের বয়ানকে নতুন প্রাণ দিয়েছে। ফলে এখন সরকারের জন্য হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া আরো কঠিন হয়ে পড়বে।’

তিনি সতর্ক করেন, যদি আবার সংঘাত শুরু হয়, তাহলে লেবাননের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে।

ইরান যুদ্ধে যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে মাস্কের এআই ‘গ্রোক’

অনলাইন ডেস্ক
ইরান যুদ্ধে যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে মাস্কের এআই ‘গ্রোক’
সংগৃহীত ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলায় ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ‘গ্রোক’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে মার্কিন সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়েছে বলে এক আইনি নথিতে স্বীকার করেছে পেন্টাগন।

গত ১৫ জুনের ওই নথিতে এই ট্রিলিয়নেয়ারের প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের একটি বিশাল ডেটা সেন্টারের গ্যাস টারবাইনের পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে, যা একটি পরিবেশবাদী মামলায় বিচারের মুখে রয়েছে।

এএফপির হাতে আসা নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ যুক্তি দিয়েছে যে, ‘এই মামলা মার্কিন জাতীয়, অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। কারণ, এটি এমন একটি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করতে চাইছে যা যুদ্ধ দপ্তরের সামরিক অভিযানে সহায়ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উদ্ভাবনকে শক্তি জোগায়।’

এই যুক্তির পক্ষে পেন্টাগনের এআই প্রধান ক্যামেরন স্ট্যানলির শপথপূর্বক দেওয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এআই-নির্ভর টার্গেটিং প্রোগ্রাম ‘প্রজেক্ট মাভেন’–এ ‘গ্রোক’ ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রকল্পটি শুরুতে অ্যানথ্রোপিকের ‘ক্লদ’ মডেল দিয়ে পরিচালিত হলেও পরে ‘গ্রোক’ যুক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে তিনি মাস্কের প্রযুক্তি এবং ‘গ্রোক গভ মডেল’–এর কারণে অভিযানের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়েছে বলে প্রশংসা করেন।

স্ট্যানলির বিবৃতি অনুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ‘মাভেন স্মার্ট সিস্টেম’ (এমএসএস) ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে দুই হাজারের বেশি গোলা নিক্ষেপ করেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা সংগঠন এনএএসিপি এক্সএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, কম্পানিটি বিনা অনুমতিতে কয়েক ডজন টারবাইন চালিয়ে ‘ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট’ লঙ্ঘন করছে এবং এর ফলে কৃষ্ণাঙ্গ-অধ্যুষিত এলাকাগুলো দূষণের শিকার হচ্ছে। 

তবে এক্সএআইয়ের দাবি, টারবাইনগুলো অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ হওয়ায় এগুলো সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধের আওতায় পড়ে না।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে অ্যানথ্রোপিক তাদের প্রযুক্তি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় হামলা বা মার্কিন নাগরিকদের গণ-নজরদারিতে ব্যবহার করতে অস্বীকৃতি জানালে সরকার তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে। 

এরপর পেন্টাগন গুগল, ওপেনএআই এবং এক্সএআইয়ের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে ঝুঁকেছে। যদিও গুগলের ৬০০-এর বেশি কর্মী গোপনীয় সামরিক অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির এআই সরবরাহ না করার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্ক গত ফেব্রুয়ারিতে এক্সএআইকে তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের সঙ্গে একীভূত করেন বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স

অনলাইন ডেস্ক
শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া আগামী শুক্রবারের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ওয়াশিংটন এই দলিল আরো দ্রুত প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছে। তবে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা কাতার ও পাকিস্তানের আলোচকরা ‘অল্প সময়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ না করার অনুরোধ’ জানিয়েছে।

মার্কিন জনগণের জন্য একটি ভালো চুক্তি হিসেবে অভিহিত করে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এটি আজই প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছি, কারণ আমরা চাই মার্কিন জনগণ যেন জানতে পারে এই চুক্তিতে কী আছে।’ 

গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া খসড়া নিয়ে প্রতিবেদনগুলোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়ে কিছু ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে। 

ভ্যান্স স্পষ্ট করে জানান, এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি ‘অবিলম্বে’ উন্মুক্ত হয়ে যাবে এবং এটি একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ‘ইরান যদি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোতে অর্থায়ন বন্ধ এবং পরমাণু অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা থেকে সরে আসার বিষয়ে আমাদের চাহিদা পূরণ করে, তবেই তারা কিছু সুবিধা পাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ পাবে।’

এই সুবিধা বলতে তিনি ইরানের অর্থনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা বুঝিয়েছেন। ভ্যান্স দাবি করেন, ‘আমরা তাদের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করে দিয়েছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন তাদের এমন প্রণোদনা দিতে চাইছেন যাতে তারা দীর্ঘ মেয়াদে আর সেই কর্মসূচি পুনর্গঠন করার চেষ্টা না করে।’

ওবামার বিরুদ্ধে ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক
ওবামার বিরুদ্ধে ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ ট্রাম্পের
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে ইরান পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) সম্পাদনের সময় তেহরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প দাবি করেন, ২০১৫ সালের ওবামা প্রশাসন চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ প্রদান করেছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘ওবামার করা জেসিপিওএ চুক্তির সময় তারা ইরানকে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ দিয়েছিল। ব্যাংক থেকে আনা সবুজ ডলার একটি বোয়িং ৭৫৭ বিমানে করে ইরানে পাঠানো হয়েছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, “তারা বিমানের পাশে দাঁড়িয়ে বলছিল- ‘ওহ মাই গড, দেখো আমাদের কত টাকা দেওয়া হচ্ছে।’ আমার কাছে এর ছবিও আছে।”

ওবামার নীতির সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি অর্থ দিয়ে সমাধান কেনার চেষ্টা করেছিলেন। আমি তা করিনি।’

এ ছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নেতারা ওই অর্থ পাওয়ার পর ওবামাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেননি এবং তাকে নিয়ে উপহাস করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত যৌথ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (জেসিপিওএ) চুক্তির মাধ্যমে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর আরোপিত কিছু আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছিল।

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং এরপর থেকে বারবার চুক্তিটিকে ‘খারাপ সমঝোতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছেন।