• ই-পেপার

হ্যারি-মেগানের অস্ট্রেলিয়া সফর কি সফল ছিল?

৬ দেশকে সুখবর দিলো আরব আমিরাত

অনলাইন ডেস্ক
৬ দেশকে সুখবর দিলো আরব আমিরাত
সংগৃহীত ছবি

অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই তালিকায় আরও ছয়টি দেশের নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ পাসপোর্টধারী নাগরিকরা আমিরাতে পৌঁছেই ১৪ দিন বা ৬০ দিনের ভিসা নিতে পারবেন। 

তবে এ সুবিধা পেতে হলে তাদের যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য রাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড অথবা কানাডা কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ আবাসিক অনুমতিপত্র থাকতে হবে। তাদের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরাও এ সুবিধার আওতায় থাকবেন।

এ প্রসঙ্গে আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসা-অন-অ্যারাইভাল কর্মসূচির আওতা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত মূলত বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বার্তা। 

পাশাপাশি এটি অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকরা আরব আমিরাতের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিবেশ, বিশ্বমানের পর্যটন সুবিধা, গতিশীল অর্থনীতি, আকর্ষণীয় ব্যবসায়িক পরিবেশের সুবিধা লুফে নিতে পারবেন।

মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ভ্রমণকারীদের যাতায়াত সহজ করা, কনস্যুলার প্রক্রিয়া আরও সরলীকরণ এবং ব্যবসা, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও মেধাবী জনশক্তির জন্য আরব আমিরাতকে শীর্ষ বৈশ্বিক গন্তব্যে পরিণত করতে চায় তারা।

এদিকে, আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপি) জানিয়েছে, নতুন ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পেতে আবেদনকারী এবং তার সঙ্গে আগত পরিবারের সদস্যদের অবশ্যই উল্লিখিত ছয়টি দেশের কোনও একটির নাগরিক হতে হবে। 

পাশাপাশি তাদের যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য রাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড অথবা কানাডা কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, প্রদত্ত ভিসার ধরন অনুযায়ী ১৪ থেকে ৬০ দিনের ভিসা ইস্যু করা হবে।

আইসিপি-এর তথ্যমতে, ১৪ দিনের ভিসা আরব আমিরাতে অবস্থানকালে একবার নবায়ন করা যাবে। তবে ৬০ দিনের ভিসা এককালীন অবস্থানের জন্য প্রদান করা হবে। এটি নবায়নযোগ্য নয়। উভয় ধরনের ভিসার মেয়াদ শেষ হলে ভিসাধারীদের দেশ ত্যাগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার বেশি অবস্থান করলে প্রতিদিন ৫০ দিরহাম হারে জরিমানা আরোপ করা হবে।

ভিসা ফি প্রসঙ্গে সংস্থাটি জানায়, ১৪ দিনের ভিসা ইস্যুর মোট ফি ১০০ দিরহাম এবং ৬০ দিনের ভিসা ইস্যুর মোট ফি ২৫০ দিরহাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে

অনলাইন ডেস্ক
ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে
রয়টার্স ছবি

ভেনিজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৬৪ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত ৯৭১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ধসে পড়া ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সংখ্যা বিবেচনায় এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে কর্তৃপক্ষ এখনো উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানান, প্রধান দুটি ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রদ্রিগেজ বলেন, উদ্ধারকারী দল পাঠানোর বিষয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয় করছেন তিনি।

পাশাপাশি দেশটির পুনর্গঠন কার্যক্রমের জন্য ২০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রাথমিক তহবিল গঠনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গেও কাজ করছেন।

উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ভারী যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে বেসরকারি খাতের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দেশের জনগণকে শান্ত ও ‘ঐক্যবদ্ধ’ থাকার আহ্বান জানিয়ে রদ্রিগেজ বলেন, যেসব ভবন নিরাপদ রয়েছে, সেসব ভবনের বাসিন্দাদের নিজ নিজ বাড়িতেই অবস্থান করা উচিত।

এ ঘটনায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা বৃহস্পতিবার ৭টায় দেশের সব ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় প্রার্থনার আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মাত্র ৪০ সেকেন্ড পর রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে আরো শক্তিশালী ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়।

এই ভূমিকম্পকে দেশটির গত ১২৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে ১৯০০ সালে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫।

ভারত

পুলিশের ওপর সেনাবাহিনীর হামলা

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশের ওপর সেনাবাহিনীর হামলা
সংগৃহীত ছবি

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। শুধু তা-ই নয়, কর্মরত এক ঊধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার ইউনিফর্মের শার্ট ছিঁড়ে ফেলেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এক কর্নেল, এক মেজরসহ সেনাবাহিনীর ৪০ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দায়েরকৃত এফআইআরে পুলিশ ১৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল এন অরুণ গান্ধী, মেজর বিকাশ শর্মা, নায়েব সুবেদার শঙ্কর গুরখে এবং আরো ৩০-৪০ জন অজ্ঞাতপরিচয় সেনা সদস্যকে আসামি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কিশতওয়ারের আথোলি থানায় জোরপূর্বক প্রবেশ, সরকারি কর্মকর্তা ও থানার ভেতরে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষা বিভাগের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনী আইনি প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করবে। যৌথ তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তবে তদন্ত চলমান থাকায় এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আথোলির ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) বিজয় কুমার ভগত এবং আথোলি থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) অমৃত কাটোচ।

এসএইচওর করা এফআইআরে বলা হয়েছে, তিনি যখন পাড্ডারের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছিলেন, তখন সেনা সদস্যরা থানায় হামলা চালান। ওই অনুষ্ঠানে কিশতওয়ারের জেলা কমিশনার সভাপতিত্ব করছিলেন। থানার ভেতরে সহিংস ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি দ্রুত থানায় ফিরে আসেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, অভিযোগকারী কর্মকর্তা থানার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই মেজর বিকাশ শর্মার নেতৃত্বাধীন সেনা সদস্যরা তার ওপর শারীরিক হামলা চালাযন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সেনা সদস্যরা তার ইউনিফর্মের শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন এবং এসডিপিও আথোলি শ্রী বিজয় কুমার ভগতের ওপরও হামলা করেন।

এফআইআর অনুযায়ী, সেনা সদস্যরা লাঠি, রড এবং সরকারি অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় থানার প্রধান ফটক ও সীমানাপ্রাচীর টপকে জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশ করেন।

হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্য ছিল দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ‘হত্যা করা’ বলে দাবি করেছে পুলিশ।

জানা যায়, কিশতওয়ারের সহকারী আঞ্চলিক পরিবহন কর্মকর্তা (এআরটিও) সেনাবাহিনীর একটি যানবাহন জব্দ করার পরই সেনা সদস্যরা থানায় হামলা চালান।

নিরাপত্তা শঙ্কায় উপসাগরীয় মিত্রদের স্বস্তি দেবে ইরান চুক্তি?

অনলাইন ডেস্ক
নিরাপত্তা শঙ্কায় উপসাগরীয় মিত্রদের স্বস্তি দেবে ইরান চুক্তি?
সংগৃহীত ছবি

সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়ায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। এ ছাড়া ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল এবং তেহরানের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো অন্তর্বর্তী এই চুক্তি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক স্বাভাবিক হলেও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে এ অবস্থায় ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাথমিক শান্তি চুক্তির বিষয়ে সন্দিহান উপসাগরীয় দেশগুলোকে আশ্বস্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, তিন দিনের আঞ্চলিক সফরের শেষ পর্যায়ে স্থানীয় সময় বুধবার রাতে বাহরাইনের রাজধানী মানামায় পৌঁছান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। এর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত সফর করেছেন।

1

বৃহস্পতিবার উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মিত্রদের আশ্বস্ত করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যে কোনো চুক্তি তাদের নিরাপত্তা ও স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়েই করা হবে। আমরা এমন কিছু করব না যা এই অঞ্চলে আমাদের দীর্ঘদিনের মিত্রদের নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে।’

বাহরাইনে অনুষ্ঠিত উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ ইরানের সঙ্গে এমন একটি স্থায়ী শান্তি চায়, যা অঞ্চলের মিত্রদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রাশিদ আল জায়ানি বৈঠকে ওমানের প্রস্তাবিত নিরাপদ নৌ-চলাচল করিডোরকে স্বাগত জানান। এই করিডোর হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচল সহজ করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা হওয়ার পর রুবিওর এই সফর ছিল প্রথম উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক উদ্যোগ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাতের পর এই সমঝোতা হয়।

2

সফরের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে রুবিও আঞ্চলিক নেতাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে প্রস্তাবিত চুক্তি ইরানের পক্ষে অতিরিক্ত সুবিধাজনক নয়। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এমন কিছু করব না যা আমাদের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তাকে দুর্বল করে।

তবে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান অনির্দিষ্টকালের জন্য পারমাণবিক স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু তেহরান এ দাবি অস্বীকার করেছে।

এ ছাড়া ইরানের জন্য আর্থিক প্রণোদনা, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং লেবাননে চলমান সংঘাতের মতো বিষয়গুলোতেও দুপক্ষের বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে।

জিসিসিভুক্ত দেশগুলো (সৌদি আরব, কাতার, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েত) যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মিত্র। যুদ্ধ চলাকালে তারা বিভিন্নভাবে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করেছে, তবে একই সঙ্গে ইরানি হামলারও শিকার হয়েছে।