• ই-পেপার

স্কালোনির নয়া কৌশলে কপাল খুলতে পারে তরুণ তারকাদের

বাগদান সারলেন বিশ্বের ‘সবচেয়ে আবেদনময়ী’ ফুটবলার

ক্রীড়া ডেস্ক
বাগদান সারলেন বিশ্বের ‘সবচেয়ে আবেদনময়ী’ ফুটবলার
আলিশা লেহমানকে বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী ফুটবলার মনে করা হয়। ছবি : ইনস্টাগ্রাম

তাকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বা আবেদনময়ী ফুটবলার। হামজা চৌধুরীর ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলেন বলে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও তিনি পরিচিত নাম।

সেই আলিশা লেহমান এবার বাগদানের ঘোষণা দিলেন। প্রেমিক মন্টেল ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে গতকাল শুভ কাজ সেরে ফেলেছেন আলিশা। ২৭ বছর বয়সী এই সুইস ফুটবলারের ‘হবু স্বামী’ ম্যাকেঞ্জি ইংল্যান্ডের একজন টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব; একই সঙ্গে আধা-পেশাদার ফুটবলার। 

এ বছরের শুরুর দিকে আলিশা ও ম্যাকেঞ্জির মন দেওয়া-নেওয়া শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর সিদ্ধান্ত নিলেন।  

২৮ বছর বয়সী ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে বাগদানের ছবি গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন আলিশা। লিখেছেন, ‘চিরদিনের জন্য, সব সময়।’

Engage
ম্যাকেঞ্জির প্রস্তাবে ‘হ্যাঁ’ বলেন আলিশা। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

সমুদ্রসৈকতে এক রোমান্টিক মুহূর্তে হাঁটু গেড়ে বসে আলিশাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ম্যাকেঞ্জি। বিশেষ সন্ধ্যায় আলিশা কালো রঙের একটি ছোট জামা পরেন, যেটিতে ছিল সাদা বর্ডার। পায়ে ছিল সাদা স্যান্ডেল। তার সোনালি চুল ছিল খোলা। 

অন্যদিকে ম্যাকেঞ্জিকে দেখা যায় ক্রিম রঙের হাতাকাটা জাম্পার, শর্টস ও ট্রেইনার্স পরে বেশ স্টাইলিশ লুকে।

ম্যাকেঞ্জির প্রস্তাবে আলিশা ‘হ্যাঁ’ বলতেই একে-অপরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাদের সেই রোমান্টিক মুহূর্তের ছবিগুলো ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

একসময় সুইজারল্যান্ড দলের সতীর্থ রামোনা বাচমানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল আলিশার। পরবর্তীতে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার দগলাস লুইজের প্রেমে পড়েন।
লুইজ যখন যে ক্লাবে খেলতেন, আলিশাও সেই ক্লাবের নারী দলে চুক্তিবদ্ধ হতেন। অ্যাস্টন ভিলার পর জুভেন্টাসে একসঙ্গে ছিলেন তারা। তবে গত বছর তারা আলাদা হয়ে যান। 

PIC
হামজা চৌধুরীর ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলেন আলিশা লেহমান। ছবি: সংগৃহীত

আলিশা এ বছরই হামজা চৌধুরীর ক্লাব লেস্টার সিটিতে যোগ দেন। 

বিশ্বকাপের নকআউটে উঠায় দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে বইছে উৎসবের জোয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের নকআউটে উঠায় দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে বইছে উৎসবের জোয়ার

বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকা নকআউট উত্তীর্ণ হওয়ায় দেশজুড়ে উৎসবের জোয়ার বইছে। গ্রুপ ‘এ’তে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে ঐতিহাসিক এই গৌরব অর্জন করে বাফনারা।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল ভক্তরা ভুভুজেলা বাজিয়ে ও গান গেয়ে রাস্তায় নেমে এসে উল্লাস প্রকাশ করে।

মেক্সিকোর গুয়াদালুপের মন্তেরেই স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৬৩ মিনিটে উইঙ্গার থাপেলো মাসেকের করা একমাত্র গোলটি দক্ষিণ আফ্রিকার জয় নিশ্চিত করে।

দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এই নকআউট পর্বের যাত্রা সহজ ছিল না। গ্রুপ পর্বে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বাফনাদের। প্রথম ম্যাচে
সহ-আয়োজক মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হার। দ্বিতীয় ম্যাচে চেকিয়াদের সঙ্গে কষ্টার্জিত ড্র,দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে মেক্সিকোর পেছনে থেকে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে নকআউট রাউন্ডে পা রাখল তারা। 

দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে ম্যাচটি শেষ হওয়ার সাথে সাথেই জোহানেসবার্গ, সোয়েটো, ডারবান এবং ব্লুমফন্টেইনের মতো প্রধান শহরগুলোর রাস্তাঘাটে মানুষের ঢল নামে।

ভোরবেলার তীব্র ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে অনেক সমর্থক নিজেদের রাতের পোশাক (পায়জামা ও ড্রেসিং গাউন) পরেই রাস্তায় নেমে আসে।

দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলের প্রতীক ঐতিহ্যবাহী প্লাস্টিকের শিঙা ‘ভুভুজেলা’ বাজিয়ে, ভুভুজেলার শব্দে চারপাশ মুখরিত করে তোলে সমর্থকরা। একই সাথে আতশবাজি ফুটিয়ে তারা আনন্দ প্রকাশ করে।

সোয়েটোর রাস্তায় সাধারণ মানুষকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত জুলু গান গেয়ে নাচতে দেখা যায়।

ঐতিহাসিক এই বিজয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে দলটির প্রশংসা করে লিখেন, ‘আমরা ঐক্যবদ্ধ এবং আশাবাদী... এক জাতি, এক স্বপ্ন, এক লক্ষ্য।’

এর আগে ১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০১০ সালে ঘরের মাঠে খেললেও কখনো গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি দেশটি।

বিশ্বকাপের মাঠে সবার নজর কাড়া কে এই নারী চিকিৎসক

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের মাঠে সবার নজর কাড়া কে এই নারী চিকিৎসক
ছবি : টিওয়াইসি স্পোর্টস

বিশ্বকাপে কুরাসাও জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করে একটি অনন্য ইতিহাস গড়েছেন ড. সুজান হুরম্যান। চলমান বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে প্রধান চিকিৎসক নারী হিসেবে রয়েছেন তিনি। পুরুষতান্ত্রিক ফুটবল সংস্কৃতির প্রতিবন্ধকতা ভেঙে ড. সুজান এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক এই আসরের ৯৬ বছরের ইতিহাসে তৃতীয় নারী চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে জনসংখ্যা ও আয়তনের দিক থেকে কুরাসাও হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া সবচেয়ে ছোট দেশ।

এর আগে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড ফুটবল দলে প্রথম নারীপ্রধান চিকিৎসক হিসেবে ছিলেন ডা. সেলেস্তে গিয়ার্টসেমা। অন্যদিকে ডা. সিলজা শোয়ার্জ ২০২৩ সাল থেকে জার্মানি পুরুষ দলের চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফিফা যখন ডা. সুজানকে বলেছিল চলতি বিশ্বকাপে তিনি একমাত্র নারী চিকিৎসক, বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দেননি।  

ফুটবলে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ, সুযোগ এবং প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিবিসিকে হুরম্যান বলেন,‌ ‘শুরুতে আমি বুঝতে পারিনি, কারণ এতগুলো দলে একজন নারী হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু আমি আশা করি শীঘ্রই আরো বেশি নারীকে দেখতে পাব, কারণ এমন অনেক সক্ষম নারী রয়েছেন যারা পুরুষ ফুটবলারদের চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতে পারবেন।’

কুরাসাও ফুটবল ফেডারেশনের খেলোয়াড় এবং স্টাফসহ পুরো ৪৯ জনের বহরে তিনিই একমাত্র নারী।

ব্রাজিলীয় বংশোদ্ভূত ও ডাচ নাগরিক ৩৬ বছর বয়সী এই চিকিৎসক এর আগে রিয়াল মাদ্রিদ, পিএসভি আইন্দহোভেন এবং গো অ্যাহেড ইগলসের মতো নামি ক্লাবে কাজ করেছেন।

ট্রাম্পের চোখে সকারই আসল ফুটবল

ক্রীড়া ডেস্ক
ট্রাম্পের চোখে সকারই আসল ফুটবল
ফুটবল হাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

৪৮ দেশ নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ। যার মূল আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। 

কিন্তু মার্কিন মুলুকে সকার বনাম ফুটবল বিতর্কটা এখনো রয়ে গেছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে খেলাটিকে ফুটবল বলা হলেও যুক্তরাষ্ট্রে বলা হয় সকার।

দেশটির মানুষের কাছে ফুটবল মানে আমেরিকান ফুটবল। আর এই খেলার সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ন্যাশনাল ফুটবল লিগ (এনএফএল)। অথচ নামে আমেরিকান ফুটবল হলেও এটি মূলত হাত দিয়ে খেলা হয়; পায়ের ব্যবহার করা হয় কম। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার এই বিতর্ককে নতুন করে সামনে আনলেন। তিনি এনএফএলের নাম বদলে ফেলে সকারকে সত্যিকারের ফুটবল হিসেবে তার দেশে পরিচয় করিয়ে দিতে চান। 

ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘এনএফএলের জন্য আমাদের অন্য একটি নাম খুঁজে বের করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে আমরা যেটিকে সকার বলি, বাস্তবে এর নাম ফুটবল। এটিই আসল ফুটবল। একে সকার নামে ডাকার কোনো মানেই হয় না।’ 

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আমেরিকান ফুটবল নামটি অনেক সময় বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। যে খেলায় খেলোয়াড়রা বেশিরভাগ সময় হাতে বল বহন করেন, সেটিকে ফুটবল বলা যৌক্তিক নয়।’

যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। যদিও এনএফএল বা আমেরিকান ফুটবলের নাম পরিবর্তনে এখনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। লস অ্যাঞ্জেলেসে আগামীকাল সকালে ‘ডি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তুরস্কের মুখোমুখি হবে মার্কিনরা।