ভারতের তামিলনাড়ুতে একটি বেসরকারি সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কারখানার অন্তত ৭ নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
আসছে বিস্তারিত...

ভারতের তামিলনাড়ুতে একটি বেসরকারি সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কারখানার অন্তত ৭ নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
আসছে বিস্তারিত...

সুইজারল্যান্ডের নিডওয়ালডেনে অবস্থিত বিলাসবহুল পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, এই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে কাতার ও পাকিস্তান।
কাতারের মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে যে এই বৈঠকগুলো একটি ‘সমগ্র ও স্থায়ী চুক্তির’ দিকে নিয়ে যাবে। যা যৌথ সমঝোতা স্মারকলিপিতে (এমওইউ) অন্তর্ভুক্ত সব বিষয়কে সমাধান করবে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষায়িত প্রযুক্তিগত ও বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে, যারা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সব দিক নিয়ে কাজ করবে।
এ ছাড়া বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য ফলোআপ গ্রুপ গঠন করা হয়েছে, যারা অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্নের দিকে কাজ করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি সব পক্ষের ‘সদিচ্ছার ভিত্তিতে’ আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে, যার লক্ষ্য একটি সমন্বিত ও টেকসই চুক্তিতে পৌঁছানো।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তারা পাকিস্তানসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে, যাতে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়, যা আলোচনাকে সফল করতে সহায়তা করবে। মন্ত্রণালয়ের মতে, সংঘাত ও বিরোধ সমাধানের সর্বোত্তম পথ হলো সংলাপ ও কূটনীতি।
এর আগে বুর্গেনস্টে ইরানের সঙ্গে বহুল প্রত্যাশিত আলোচনার আগে পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রতিনিধিরা। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির।
বৈঠকের সময় উভয় পক্ষকে করমর্দন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে দেখা যায়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, বৈঠকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তুতি, মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী আলোচনা কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের নিডওয়ালডেনে অবস্থিত বিলাসবহুল পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টে ইরানের সঙ্গে বহুল প্রত্যাশিত আলোচনার আগে পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রতিনিধিরা।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির।
বৈঠকের সময় উভয় পক্ষকে করমর্দন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে দেখা যায়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, বৈঠকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তুতি, মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী আলোচনা কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর কয়েক ঘণ্টা পরই ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই আলোচনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পর ইরানই তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে এসেছে। ইসরায়েলের একটি নতুন জনমত জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপে ইসরায়েলের বিপুলসংখ্যক নাগরিক বিশ্বাস করে যে যুদ্ধে জয়ী হয়েছে ইরান।
হিব্রু ইউনিভার্সিটি অব জেরুজালেম এবং আগাম ইনস্টিটিউটের যৌথভাবে পরিচালিত এই জরিপটি ১৭ থেকে ২০ জুনের মধ্যে তিন হাজার ৬৪৪ জন উত্তরদাতার ওপর চালানো হয়।
জরিপের ফলাফল দেশটির জনমনে বিরাজমান উদ্বেগের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯২ দশমিক ১ শতাংশ বলেছে, ইরান এই সংঘাত থেকে বিজয়ী হয়েছে বা তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা অর্জন করেছে। একই সঙ্গে ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করে, ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা এ ঘটনায় দুর্বল হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের সমর্থকদের মধ্যেও একই ধরনের ধারণা প্রবল। ওই শিবিরের ৯৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার মনে করেন, ইরানই এই সংঘাতে বিজয়ী হয়েছে।
জরিপে আরো দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তির বিরোধিতা ব্যাপক। ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা এই চুক্তির বিরোধিতা করেছেন, যেখানে মাত্র ১২ দশমিক ১ শতাংশ এটিকে সমর্থন জানিয়েছেন।