• ই-পেপার

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

হামাস নেতার সঙ্গে কথা বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
হামাস নেতার সঙ্গে কথা বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ কথা জানিয়েছে।

ইরানের টেলিভিশন জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য বাসেম নাইমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কমানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়।

স্মারকে গাজার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, গাজা ও লেবাননসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। হামাস এ চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেছে, এটি গাজায় চলমান সহিংসতা কমাতে সহায়তা করবে।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের সমর্থক। ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর থেকে ফিলিস্তিন ইস্যু দেশটির পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফোনালাপে আরাগচি বলেন, ফিলিস্তিনিদের বৈধ জাতীয় অধিকার পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ইরান তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

এদিকে মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পাকিস্তান সফরে যান আরাগচি। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার আলোচনায় পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।


 

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আইএইএর পরিদর্শন চলবে

অনলাইন ডেস্ক
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আইএইএর পরিদর্শন চলবে
রয়টার্স ছবি

জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোতে তাদের পরিদর্শকরা প্রবেশ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

গালফ নিউজ বলছে, বুধবার জাপানের ফুকুশিমা দাইইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় আইএইএ মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি এ কথা জানান।

আইএইএ মহাপরিচালক বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, ইরানের পারমাণবিক উপাদান ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর কার্যক্রম আইএইএর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

গ্রোসি বলেন, ‘এই দায়িত্ব পালন করতে হলে আমাদের অবশ্যই পরিদর্শন করতে হবে। এটি দুই দিন পরে, এক সপ্তাহ পরে বা ১০ দিন পরে হোক—মূল বিষয় হলো, এই পরিদর্শন অবশ্যই হবে।’

সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পর্যায়ে বিভিন্ন বক্তব্য আসতে পারে, তবে চুক্তির বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

আইএইএর পরিদর্শন এই চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। কারণ, সমঝোতা অনুযায়ী ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কম সমৃদ্ধ পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। এ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি যাচাই ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব থাকবে আইএইএর ওপর।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচি অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আশা করছে, আন্তর্জাতিক তদারকির মাধ্যমে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং একটি চূড়ান্ত সমঝোতার পথ সুগম হবে।

যুদ্ধে অপহরণের শিকার ৩৭ লেবানিজ

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধে অপহরণের শিকার ৩৭ লেবানিজ
সংগৃহীত ছবি

২০২৪ সাল থেকে লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত দেশটির অন্তত ৩৭ নাগরিককে আটক বা অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের খোঁজে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্বজনরা।

সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

দক্ষিণ লেবানন থেকে প্রতিবেদক জেইনা খোদর জানিয়েছেন, ১৮ বছর বয়সী জাওয়াদ এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ।

তার মা সাওসান জানান, দক্ষিণ লেবাননে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিল, তখন ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল । সেসময় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা ছিল এবং অনেক বাসিন্দা নিজেদের গ্রামে ফিরতে শুরু করেছিলেন। 

তবে বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ছিল। সংঘাতের সামনের সারির অবস্থানও বারবার পরিবর্তিত হচ্ছিল, ফলে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছিল।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এসব পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ ভুলবশত ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত বা অভিযান চলমান এলাকায় প্রবেশ করে আটক হয়েছেন। নিখোঁজদের পরিবারগুলো স্বজনদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাচ্ছে না।

‘কুকুর’ উদ্ধারে যাওয়া দমকল কর্মীদের জন্য অপেক্ষা করছিল বড় চমক

অনলাইন ডেস্ক
‘কুকুর’ উদ্ধারে যাওয়া দমকল কর্মীদের জন্য অপেক্ষা করছিল বড় চমক
ছবি : সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে একটি হ্রদে ডুবে যাওয়ার উপক্রম হওয়া প্রাণীকে কুকুর ভেবে উদ্ধার করতে গিয়ে চমকে যান উদ্ধারকারীরা। পরে তারা জানতে পারেন, সেটি আসলে একটি ‘কায়োটি’ বা নেকড়ে শাবক।

কেপ কোরাল ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানায়, সোমবার সকালে ব্রিটানিয়া লেকের একটি খালে একটি কুকুর পানিতে ভাসছে, এমন খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে যায়। তখন প্রাণীটিকে নজরে রেখে অনুসরণ করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে প্রাণীটি একটি জেটির নিচে আশ্রয় নেয়। এতে উদ্ধারকারীরা সেটিকে নিরাপদে পানি থেকে তুলে আনতে সক্ষম হন।

তবে উদ্ধার করার পর দেখা যায়, সেটি কোনো কুকুর নয়, বরং একটি নেকড়ে শাবক। এ ঘটনায় উদ্ধারকারীরাও বিস্মিত হন। দমকল বিভাগের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে শাবকটি বেশ ক্লান্ত ছিল। তাই তাকে সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে না দিয়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য একটি প্রাণী পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এদিকে উদ্ধারকাজে সহায়তা করার জন্য ডেনাই জুড এবং তার প্রতিবেশী ব্রায়ানকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। দমকল বিভাগ জানায়, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতার কারণেই প্রাণীটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও | কালের কণ্ঠ