মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ভেনিজুয়েলার ভূমিকম্প-আক্রান্ত এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং মানবিক সহায়তা পাঠাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মীদের সাহস ও পরিশ্রমের প্রশংসা করেন।
এর আগে মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং জরুরি সহায়তা পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।
ফেসবুকে শেয়ার করা এক বিবৃতিতে দেলসি রদ্রিগেজ বলেন, মার্কিন সরকার ভেনেজুয়েলাকে সমর্থন ও সংহতির প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যান্য নেতাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে রদ্রিগেজের শেয়ার করা একাধিক বার্তার মধ্যে এটি একটি। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিলির রাষ্ট্রপতি হোসে আন্তোনিও কাস্টসহ আরো অনেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
ভেনিজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে বলেছে, এ দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির প্রাথমিক মূল্যায়নে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন। এটাই ভূমিকম্পের পর সরকারিভাবে প্রকাশিত প্রথম হতাহতের হিসাব। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে হতাহতের সর্বশেষ সংখ্যা জানানো হবে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ জুন) ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় এই ভয়াবহ ভূমিকম্প দুইটি অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার (১৭৬ মাইল) পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে, যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।
এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার (১৮২ মাইল) পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।




