• ই-পেপার

রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ, যাদের আমন্ত্রণ জানায়নি ব্রিটেন

প্রযুক্তিগত বিভ্রাটে জার্মানিজুড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
প্রযুক্তিগত বিভ্রাটে জার্মানিজুড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ
ছবি: রয়টার্স

জার্মানিজুড়ে হঠাৎ করেই ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। দেশটির জাতীয় রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডয়চে বান জানিয়েছে, রেলওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার গভীর রাতে সব ট্রেন থামিয়ে দিতে হয়েছে।

ডয়চে বান তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানায়, রেল নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত জিএসএম-আর ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেশব্যাপী ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এই সমস্যার কারণে ট্রেনচালক, নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং রেল পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যাহত হয়। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে দেশজুড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। চলন্ত ট্রেনগুলোকে নিকটবর্তী স্টেশনগুলোতে নিয়ে গিয়ে থামিয়ে রাখা হয়।

তবে এই প্রযুক্তিগত সমস্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। ডয়চে বান বলেছে, তাদের প্রযুক্তিবিদরা দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটি এখনো জানায়নি, ঠিক কত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। একই সঙ্গে কতসংখ্যক ট্রেন ও কতজন যাত্রী এই সমস্যার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন, সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। জার্মানির জনপ্রিয় সংবাদপত্র বিল্ডের প্রতিবেদনে ডয়চে বানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এভেলিন পালার বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, 'আমরা এখন ট্রেনগুলোকে স্টেশনগুলোতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে যাত্রীরা নিরাপদে নেমে যেতে পারেন। এরপর আমাদের সমস্যাটি সমাধান করতে হবে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমরা জানি না সমস্যার প্রকৃত কারণ কী।'

রেলওয়ে খাতে ব্যবহৃত জিএসএম-আর বা ‘গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস–রেলওয়ে’ হলো একটি বিশেষ ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে ট্রেনচালক, নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং রেল পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নির্দেশনা আদান-প্রদান করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ না করলে ট্রেন পরিচালনা নিরাপদভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। তাই যোগাযোগ ব্যবস্থা বিকল হলে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা ছাড়া বিকল্প থাকে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন রেলওয়ে সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সাল থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রেল পরিচালনার অভিন্ন মান হিসেবে জিএসএম-আর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি ইউরোপের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

জার্মানির রেল নেটওয়ার্ক ইউরোপের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত রেলব্যবস্থাগুলোর একটি। প্রতিদিন লাখো মানুষ যাতায়াতের জন্য এই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করেন। ফলে দেশজুড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অতীতে জার্মানিতে কয়েকবার বড় পরিসরে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও সেসব ঘটনা মূলত ঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঘটেছিল। তবে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে দেশব্যাপী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই বিরল।

কর্তৃপক্ষ বলছে, সমস্যা পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হবে না। এদিকে হাজারো যাত্রী স্টেশনগুলোতে আটকে পড়েছেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের হামলা, ১ সপ্তাহ পর কোমা থেকে ফিরলেন নারী

অনলাইন ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের হামলা, ১ সপ্তাহ পর কোমা থেকে ফিরলেন নারী
ছবি : সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির কুগি সৈকতে হাঙরের হামলায় গুরুতর আহত হওয়া ৩৪ বছর বয়সী লিয়া স্টুয়ার্ট এক সপ্তাহের বেশি সময় পর কোমা থেকে জেগে উঠেছেন। তার পরিবারের সদস্যরা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তাকে ‘ইনডিউসড’ কোমায় রাখা হয়েছিল। ‘ইনডিউসড’ কোমা বা চিকিৎসকদের তৈরি করা কোমা হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে বিশেষ ওষুধ দিয়ে রোগীকে সাময়িকভাবে গভীর অচেতন অবস্থায় রাখা হয়। গুরুতর অসুস্থ বা আহত রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার জন্য আইসিইউতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

গত ১৩ জুন সাঁতার কাটার সময় লিয়া হাঙরের আক্রমণের শিকার হন। এতে তার হাত ও পায়ে গুরুতর ক্ষত হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ ঘটে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার একটি হাত কেটে ফেলতে হয়েছে এবং একাধিক অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার লিয়ার ভাই জশুয়া স্টুয়ার্ট জানান, চিকিৎসকেরা ওষুধের মাত্রা কমিয়ে তাকে কিছু সময়ের জন্য জাগিয়ে তুলেছিলেন। জেগে ওঠার পর লিয়া তার মা ও সঙ্গীকে বলেন, ‘আমি তোমাদের ভালোবাসি।’ পাশাপাশি তিনি তার মেয়ের খোঁজও নেন।

জশুয়া বলেন, পরিবারের প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত এই উন্নতি হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সবাই তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছিলেন।
তিনি আরো জানান, লিয়া এখনো আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। গত সপ্তাহে তার টানা পাঁচ দিন অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং সামনে আরো কয়েকটি অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের হামলার ঘটনা বেড়েছে। জানুয়ারিতে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে চারটি হামলার ঘটনা ঘটে। গত মাসেও কুইন্সল্যান্ড ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় দুটি প্রাণঘাতী হাঙর হামলায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া ১১ হাজার নাবিককে উদ্ধারের উদ্যোগ আইএমও-র

অনলাইন ডেস্ক
পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া ১১ হাজার নাবিককে উদ্ধারের উদ্যোগ আইএমও-র
ছবি : রয়টার্স

দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পর অবশেষে স্বস্তির আলো দেখা যাচ্ছে পারস্য উপসাগরে। সেখানে আটকে পড়া শত শত বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং ১১,০০০-এরও বেশি নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতে একটি বিশাল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)

জাতিসংঘের এই সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকে তারা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেয়েছে। এখন ওমান, ইরান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য উপকূলীয় দেশ এবং সামুদ্রিক শিল্প খাতের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে এই উদ্ধার কাজ চালানো হচ্ছে। কয়েক মাসের অচলাবস্থার কারণে পারস্য উপসাগরের এই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন আটকে থাকায় জাহাজগুলোতে জ্বালানি ও রসদ ফুরিয়ে আসছিল। একই সাথে তীব্র মানসিক চাপ ও ক্লান্তিতে ভুগছিলেন আটকে পড়া হাজার হাজার নাবিক। এই সংঘাত চলাকালীন দুর্ভাগ্যবশত ১৪ জন নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। অভিযান শুরু করার আগে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি নিহত সেই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।

এই অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা হরমুজ প্রণালী বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল। সারা বিশ্বে সমুদ্রপথে যে পরিমাণ তেল পরিবাহিত হয়, তার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%) এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) একটি বিশাল অংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়েই যাতায়াত করে। ফলে পুরো বিশ্বের জ্বালানি বাজার এবং জাহাজ কোম্পানিগুলো এখন এই উদ্ধার অভিযানের দিকে গভীর নজর রাখছে।

সংগীত উৎসব যেন ‘দুঃস্বপ্ন’ : ‘সিরিঞ্জ হামলা’-ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল ফ্রান্স

অনলাইন ডেস্ক
সংগীত উৎসব যেন ‘দুঃস্বপ্ন’ : ‘সিরিঞ্জ হামলা’-ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল ফ্রান্স
ছবি : রয়টার্স

ফ্রান্সের বার্ষিক সংগীত উৎসব ‘ফেত দ্য লা মিউজিক’-এ বছর রাতভর সহিংসতা, যৌন নির্যাতন, সিরিঞ্জ হামলার অভিযোগ এবং ব্যাপক বিশৃঙ্খলার ঘটনায় আলোচনায় এসেছে। দেশজুড়ে আয়োজিত এই উৎসবে দুই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকজনকে সিরিঞ্জ দিয়ে খোঁচা দেওয়ার ঘটনাও তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত এই জনপ্রিয় পথসংগীত উৎসবে লাখো মানুষ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক বিদেশি পর্যটকও ছিলেন। তবে উৎসব চলাকালে একাধিক সহিংস ঘটনা ঘটায় আনন্দের পরিবেশ দ্রুত অস্থির হয়ে ওঠে। সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা দেখা যায় রাজধানী প্যারিসে। রাতভর বিভিন্ন এলাকায় মারামারি, বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে পুলিশ ব্যাপক অভিযান চালায়। ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশজুড়ে অন্তত ২৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ প্যারিস থেকে আটক করা হয়েছে।

উৎসব ঘিরে সবচেয়ে উদ্বেগজনক ঘটনাগুলোর একটি ছিল সিরিঞ্জ দিয়ে খোঁচা দেওয়ার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, ভিড়ের মধ্যে থাকা অবস্থায় কয়েকজন নারী হঠাৎ শরীরে সিরিঞ্জের খোঁচা অনুভব করেন। এক নারীকে প্যারিসের বুলভার দ্য লা মাদেলেন এলাকায় সিরিঞ্জ দিয়ে খোঁচা দেওয়ার পর অচেতন হয়ে পড়তে দেখা যায়। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তার শারীরিক পরীক্ষা করেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই সিরিঞ্জের মাধ্যমে কোনো মাদক বা অন্য কোনো পদার্থ শরীরে প্রবেশ করানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য ফরেনসিক পরীক্ষাও চলছে।

এদিকে উৎসব চলাকালে যৌন নির্যাতনের একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অন্তত দুই নারী ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন। এ ছাড়া আরো কিছু যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে। কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের মধ্যে কম বয়সীরাও থাকতে পারেন। তবে তদন্তের স্বার্থে কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। শুধু যৌন নির্যাতন নয়, বিভিন্ন এলাকায় ছুরিকাঘাত এবং দলবদ্ধ সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। প্যারিসের কেন্দ্রীয় এলাকা শাতলে সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে। সেখানে রাস্তায় মারামারি, আতঙ্ক এবং অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সরু রাস্তাগুলোতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কারণে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদে এলাকা ত্যাগ করতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে বারবার পুলিশ, অ্যাম্বুল্যান্স ও জরুরি সেবাকর্মীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।

স্টিভ নামে এক ব্রিটিশ প্রত্যক্ষদর্শী ডেইলি মেইলকে বলেন, উৎসবের পরিবেশ ছিল ‘অত্যন্ত জনাকীর্ণ এবং বিপজ্জনক’। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হঠাৎ করে বিভিন্ন স্থানে মারামারি ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক তৈরি হয় এবং মানুষের চাপে দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফরাসি কর্তৃপক্ষ ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়। দেশজুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য, অগ্নিনির্বাপণকর্মী এবং জরুরি সেবাকর্মী মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া নজরদারির জন্য ড্রোন ও হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়। যদিও সরকার নিরাপত্তাব্যবস্থাকে যথাযথ বলে দাবি করেছে, তবে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় জনসমাগমের আগে আরো শক্তিশালী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেত কি না। বিশেষ করে অতীতের অভিজ্ঞতা এবং বড় ধরনের ভিড়ের ঝুঁকি সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও কেন পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে যৌন নির্যাতন, সিরিঞ্জ হামলা, ছুরিকাঘাত এবং সহিংসতার অন্যান্য অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। কর্তৃপক্ষ বলছে, ফরেনসিক পরীক্ষার ফল এবং তদন্ত শেষ হওয়ার আগে ঘটনাগুলোর প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ, যাদের আমন্ত্রণ জানায়নি ব্রিটেন | কালের কণ্ঠ