• ই-পেপার

দেশ সফরের অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডে রাজা তৃতীয় চার্লস

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে মার্কিন সংসদে বিল পাস

অনলাইন ডেস্ক
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে মার্কিন সংসদে বিল পাস
ছবি : রয়টার্স

ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক ক্ষমতার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির আইনসভা। রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত মার্কিন সিনেট সম্প্রতি এমন একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে যুদ্ধ বন্ধ করার অথবা নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর আগে কংগ্রেসের অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সিনেটে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি ৫০-৪৮ ভোটে পাস হয়।

ট্রাম্পের নিজস্ব দল রিপাবলিকানের কয়েকজন সিনেটর ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেওয়ায় প্রস্তাবটি সহজেই অনুমোদিত হয় চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একই বিল পাস হয়েছিল। কংগ্রেসের উভয় কক্ষে পাস হলেও এই প্রস্তাবটি মূলত একটি প্রতীকী পদক্ষেপ। মার্কিন আইন অনুযায়ী, এটি শুধু কংগ্রেসের মনোভাব বা ইচ্ছার প্রকাশ ঘটায়। এটি প্রেসিডেন্টের কাছে স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে না এবং এর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশ্লেষক লরা ব্লুমেনফেল্ড বিবিসিকে বলেন, এটি ট্রাম্পকে হাতকড়া পরানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি মৃদু তিরস্কার মাত্র। তবে এর বড় তাৎপর্য হলো, এটি মার্কিন জনগণের যুদ্ধবিরোধী অনুভূতিরই আসল প্রতিফলন।

জনগণের কাছে এই যুদ্ধটি দিন দিন অজনপ্রিয় হয়ে উঠছে, বিশেষ করে যুদ্ধ শুরুর পর পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। ফলে আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকলেও এই প্রস্তাবটি যুদ্ধ বন্ধে হোয়াইট হাউসের ওপর বড় ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন অনুযায়ী, ৬০ দিনের বেশি সামরিক অভিযান চালাতে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সংঘাত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, গত ৭ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আইনি সময় গণনার ঘড়িটি আবার নতুন করে (রিসেট) চালু হয়েছে। বর্তমানে হোয়াইট হাউসের দাবি, ৭ এপ্রিলের চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের মতো কোনো সংঘাত এখন আর কার্যকর নেই। গত সপ্তাহে দুই দেশের রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ওয়াশিংটন ও তেহরান ৬০ দিন সময় পেয়েছে। তবে একই দিনে পেন্টাগন কংগ্রেসের কাছে আরো ৮০ বিলিয়ন ডলারের বাজেট চেয়েছে, যার বড় অংশই ইরানের পেছনে যুদ্ধব্যয় মেটাতে খরচ হবে। 

সেনা সদস্য হত্যায় পাকিস্তানি মানবাধিকারকর্মীর যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
সেনা সদস্য হত্যায় পাকিস্তানি মানবাধিকারকর্মীর যাবজ্জীবন
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে জোরপূর্বক গুমের বিরুদ্ধে আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ মানবাধিকারকর্মী মাহরাং বেলুচকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। ২০২৪ সালে একটি বিক্ষোভে আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার কোয়েটার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। 

একই মামলায় বেলুচিস্তান ইউনিটি কমিটির (বিওয়াইসি) আরেক কর্মী সিবঘাতুল্লাহকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, দুজনই একটি অবৈধ সমাবেশে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন এবং সেখানে ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারির সদস্য শাব্বির আহমেদকে হত্যার ঘটনায় তাদের অভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল। 

অভিযোগপক্ষের দাবি, ২০২৪ সালে বন্দরনগরী গোয়াদারে অনুষ্ঠিত একটি বিক্ষোভে মাহরাং বেলুচ ও সিবঘাতুল্লাহ জনতাকে উসকে দিয়েছিলেন। তাদের বক্তব্যের পর উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গাড়িতে লাঠি ও পাথর ছুড়ে হামলা চালায়। এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় শাব্বির আহমেদ অন্য সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এরপর বিক্ষোভকারীরা তাকে মারধর করে হত্যা করে।

তবে মাহরাং বেলুচ ও সিবঘাতুল্লাহ শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তাদের দাবি, তারা কোনো হত্যাকাণ্ড বা সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে তাদের আইনজীবীরাও বিচার বর্জন করেছিলেন। রায়ের পাশাপাশি আদালত দুই আসামিকে নিহত শাব্বির আহমেদের পরিবারের কাছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লাখ পাকিস্তানি রুপি পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত প্রায় দুই বছর ধরে মাহরাং বেলুচ ও সিবঘাতুল্লাহ কারাগারে রয়েছেন। রায়ের পর পাকিস্তান মানবাধিকার কমিশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি দ্রুত এই মামলার পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে কমিশন বলেছে, মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করা কর্মীদের সঙ্গে রাষ্ট্র এমন আচরণ করছে, যেন তারা উগ্রবাদী বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য। এর ফলে প্রশাসনিক ও বিচারিক সিদ্ধান্তগুলো পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি। মাহরাং বেলুচের বোন ও আইনজীবী নাদিয়া বেলুচও এই রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, পুরো বিচার প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতার অভাব ছিল। তিনি বলেন, মামলাটি একটি ‘অজ্ঞাত আদালতে’ পরিচালিত হয়েছে। এ ছাড়া ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে সাক্ষ্য দেওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের যথাযথভাবে জেরা করার সুযোগও দেওয়া হয়নি বিবাদী পক্ষের আইনজীবীদের। 

এই বিচার নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থানবার্গ এক বিবৃতিতে বিচার প্রক্রিয়াকে ‘ন্যায়বিচারের প্রহস ‘ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো বিচার কার্যক্রম অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে পরিচালিত হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভিন্নমত ও সমালোচনাকে অপরাধ হিসেবে দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। 

অন্যদিকে বেলুচিস্তান সরকারের একজন মুখপাত্র এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে তিনি বলেন, মামলায় অভিযোগপক্ষের হাতে ‘অখণ্ডনীয় প্রমাণ’ রয়েছে। তার দাবি, এই রায়ের পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

মাহরাং বেলুচ বেলুচিস্তানে জোরপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। ২০২৪ সালে তাকে বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তার ব্যক্তিগত জীবনও এই আন্দোলনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ২০০৯ সালে তার বাবাকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। দুই বছর পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, তার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন ছিল। ২০২৩ সালের শেষ দিকে মাহরাং বেলুচের নেতৃত্বে শত শত নারী রাজধানী ইসলামাবাদে পদযাত্রা করেন। প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তারা নিখোঁজ স্বজনদের বিচার এবং জোরপূর্বক গুমের ঘটনার তদন্তের দাবি জানান। মাহরাংয়ের সংগঠন বিওয়াইসি দীর্ঘদিন ধরে বেলুচিস্তানে জোরপূর্বক গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রচার চালিয়ে আসছে।

তবে পাকিস্তান সরকার বারবার অভিযোগ করেছে, সংগঠনটির সঙ্গে বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর যোগাযোগ রয়েছে। যদিও বিওয়াইসি এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে আসছে।


 

পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা
ছবি: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরমাণু পরিদর্শকদের ইরানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে ইরানের সাম্প্রতিক দাবি তিনি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। 

সম্প্রতি ইরান দাবি করেছিল, তারা এমন কোনো পরিদর্শন ব্যবস্থায় সম্মতি দেয়নি, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তাদের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে প্রবেশাধিকার পাবে। তবে ট্রাম্প বলেছেন।

মঙ্গলবার জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান পরিদর্শন ব্যবস্থা নিয়ে যে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরছে, তা সঠিক নয়। ইরানি কর্মকর্তাদের এই বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই এবং তারা আলোচনার শর্তগুলো সম্পর্কে ভালোভাবেই জানে। তার মতে, চুক্তির অংশ হিসেবে পরিদর্শন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, ‘তারা ভুল বলছে। তারা জানে যে তারা ভুল বলছে। আর যদি তারা ঠিক হতো, তাহলে আমি বৈঠকগুলো বাতিল করে দিতাম।’ ইরানের পক্ষ থেকে পরমাণু পরিদর্শন নিয়ে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য ও প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের একটি পর্যায়ে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিদর্শকদের ইরানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘সঠিক সময়ে তারা সেখানে উপস্থিত থাকবেন।’ পরমাণু কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ ও যাচাইয়ের বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতবিরোধ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এমন এক সংকটময় মুহূর্তে ট্রাম্পের এই বক্তব্য সামনে এসেছে। 

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের পরমাণু কার্যক্রম সীমিত করার লক্ষ্যে যেকোনো সম্ভাব্য চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হবে আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ব্যবস্থা। তাদের মতে, চুক্তির শর্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক পরিদর্শন বা অবাধ প্রবেশাধিকার মেনে নেওয়ার মতো ধারণার প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা ।

পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর কূটনৈতিক ইস্যুগুলোর একটি। অতীতের বিভিন্ন পরমাণু চুক্তিতেও আন্তর্জাতিক নজরদারি ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে এসব চুক্তিতে পরিদর্শন ও যাচাই-বাছাইয়ের শর্ত নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই মতবিরোধ দেখা গেছে।

ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য থেকে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সমঝোতা হলে তার প্রশাসন পরিদর্শন ব্যবস্থাকে চুক্তির অপরিহার্য অংশ হিসেবে দেখতে চায়। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের অবস্থান হলো, কূটনৈতিক আলোচনায় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী যাচাই প্রক্রিয়া থাকতে হবে।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমানো এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ খুঁজে বের করার লক্ষ্যে যে বৃহত্তর কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য সেই প্রেক্ষাপটেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় আরো সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশের

অনলাইন ডেস্ক
বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় আরো সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশের
ছবি : রয়টার্স

বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় আরও তহবিল ও দ্রুত সহযোগিতা বাড়াতে উন্নত দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ুর হুমকি মোকাবেলার জন্য বাৎসরিক ৩০০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রার চাহিদা পূরণ হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের তালিয়ান শহরের তালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে এক সেশনে তিনি এ আহ্বান জানান।

‘সামার দাভোস’-এ ‘পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট জলবায়ু নেতৃত্ব’ শীর্ষক এই সেশনের আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম। 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, নভেম্বরে জাতিসংঘের পরবর্তী জলবায়ু সম্মেলনকে সামনে রেখে ধনী দেশগুলোকে তাদের জলবায়ু প্রতিশ্রুতির প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জলবায়ু মোকাবেলায় নিজ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন-পুনঃখনন, পদ্মা ও তিস্তা অববাহিকার পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সবুজশিল্পের বিকাশে পাটশিল্প ও পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক ভেহিকল চালু এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

দেশ সফরের অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডে রাজা তৃতীয় চার্লস | কালের কণ্ঠ