সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় ভেস্তে যায় যুদ্ধবিরতি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের সামরিক স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরানও।
তার পরই বুধবার (১০ জুন) ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, সমঝোতায় অনেক সময় নিয়ে ফেলেছে তারা। এর মূল্য চোকাতে হবে তেহরানকে।
ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল। ওদের বিমান এবং নৌবাহিনীর অধিকাংশেরই আর অস্তিত্ব নেই। ওরা সম্পূর্ণ পরাজিত হয়েছে। ইরান শুধু মুখেই কথা বলে, কাজ করে না। পশ্চিম এশিয়ার ত্রাস এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। ওরা চুক্তির জন্য সমঝোতা করতে অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলেছে। চুক্তি করলে তা ওদের জন্য খুব ভালো হতো। কিন্তু এখন ওদের মূল্য চোকাতে হবে।
অন্যদিকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধিতা করে বিবৃতি দিয়েছে তেহরান। সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই কিছুটা সুর নরম করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকার সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন। তবে যেকোনো সমঝোতার জন্যই স্থিতিশীল পরিস্থিতি দরকার হয়।
পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীল পরিস্থিতি চেয়ে বাঘেই বলেছেন, যুদ্ধবিরতি বার বার লঙ্ঘিত হলে আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতার প্রচেষ্টা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। রাত থেকে যা হয়েছে, আমাদের পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। যেকোনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্যই ন্যূনতম স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন।
বারবার পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করে কূটনীতিকে খাটো করেছে আমেরিকা বলে যোগ করেন বাঘেই।
লেবাননে আগ্রাসনের মাধ্যমে ইসরায়েলও এই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে বলে মনে করেন তিনি।




