• ই-পেপার

ওমানের উপকূলে মার্কিন হামলায় জাহাজের ২ নাবিক নিখোঁজ

যুদ্ধের নির্মম মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ: জাতিসংঘ মহাসচিব

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধের নির্মম মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ: জাতিসংঘ মহাসচিব
রয়টার্স ছবি

মধ্যপ্রাচ্য ক্রমেই গভীর সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এর প্রভাব অঞ্চলটির গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা আলজাজিরা

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ এই যুদ্ধের নির্মম মূল্য দিচ্ছে এবং এর প্রভাব এখন বৃহত্তর বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দুর্বল দেশ ও সম্প্রদায়গুলো।’

সাম্প্রতিক উত্তেজনা পূর্ণমাত্রার সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যে এই পরিস্থিতি আবারও পূর্ণমাত্রার সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।’

গুতেরেস বলেন, চলতি সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে হামলা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; এর প্রভাব সীমান্ত ও মহাদেশ পেরিয়ে বৈশ্বিক রাজনৈতিক উত্তেজনা, বাস্তুচ্যুতি এবং নিরাপত্তাহীনতা বৃদ্ধি করছে।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজার, বাণিজ্যপথ, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জ্বালানি মূল্যের ওপরও পড়ছে। ফলে বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এর নেতিবাচক প্রভাব বহন করছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা যদি আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি শান্ত করতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

ইরান সফরে কাতারের প্রতিনিধিদল

অনলাইন ডেস্ক
ইরান সফরে কাতারের প্রতিনিধিদল
সংগৃহীত ছবি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং আঞ্চলিক সংকট নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে তেহরানে পৌঁছেছে কাতারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

ইরানের স্থানীয় সংবাদ সংস্থা ইসনা বরাত দিয়ে আলজাজিরা বলছে, কাতারের এই প্রতিনিধিদলটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

বিশেষ করে তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, তা এই সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে।

উল্লেখ্য, কাতার দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সুখবর দিল আরব আমিরাত

অনলাইন ডেস্ক
ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সুখবর দিল আরব আমিরাত
সংগৃহীত ছবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার এনেছে দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয়। খবর গালফ নিউজ

নতুন এই উদ্যোগের ফলে আবেদন প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে, কমেছে প্রশাসনিক জটিলতা এবং বেড়েছে ডিজিটাল সেবার পরিধি। মন্ত্রণালয়ের মতে, এতে নিয়োগকর্তা ও কর্মী উভয়েই কম সময় ও খরচে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

সম্প্রতি জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়েছে, সংস্কার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত অনলাইন জনপরামর্শ কার্যক্রম চালু থাকবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নাগরিক, নিয়োগকর্তা ও সেবাগ্রহীতারা বিদ্যমান ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থা নিয়ে মতামত ও সুপারিশ জানাতে পারবেন। বিশেষভাবে পারমিট অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং অপ্রয়োজনীয় শর্তাবলি কমানোর বিষয়ে মতামত আহ্বান করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘জিরো গভর্নমেন্ট ব্যুরোক্রেসি প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এ সংস্কার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। কিছু ওয়ার্ক পারমিটের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যের পরিমাণ ৭৫ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদন নিষ্পত্তির সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, ফলে সেবাগ্রহীতারা দ্রুত ফলাফল পাচ্ছেন।

বর্তমানে আমিরাতের শ্রম আইনের নির্বাহী বিধিমালা অনুযায়ী ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিট চালু রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের অনুমতি, চাকরি পরিবর্তনের জন্য ট্রান্সফার পারমিট, পরিবারের স্পন্সরশিপে থাকা ব্যক্তিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট, অস্থায়ী ও এককালীন মিশনভিত্তিক কাজের পারমিট, পার্ট-টাইম কর্মসংস্থানের অনুমতি এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিশেষ ওয়ার্ক পারমিট।
 
এছাড়া শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান পারমিট, আমিরাত ও জিসিসিভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ পারমিট, গোল্ডেন ভিসাধারীদের ওয়ার্ক পারমিট, ন্যাশনাল ট্রেইনি পারমিট, ফ্রিল্যান্স পারমিট এবং গৃহকর্মীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ক পারমিটও এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত।

পাক-আফগান সীমান্তে কেন দফায় দফায় ঝরছে প্রাণ

অনলাইন ডেস্ক
পাক-আফগান সীমান্তে কেন দফায় দফায় ঝরছে প্রাণ
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় গত কয়েক মাসের তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি ভেঙে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সবসময় আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বার্তা দিয়ে দুই দেশই একে অপরের প্রতি পাল্টা অভিযোগ চালিয়ে যেত। এর মধ্যে আফগান সীমান্তে এক দিনেই দুবার ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এতে অন্তত ৩৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তানি বিমান হামলায় কুনার, খোস্ত ও পাকতিকা প্রদেশে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১১ শিশু, একজন নারী এবং একজন বৃদ্ধ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।

অন্যদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেছেন, সীমান্তবর্তী চারটি লক্ষ্যবস্তুতে ‘পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট’ হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, এসব হামলায় ২৬ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন এবং একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও গোলাবারুদের গুদাম ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার এক বিবৃতিতে তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক পাকিস্তানে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সীমান্তের ওপারে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ঘাঁটি ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে।

তবে পাকিস্তান সবসময় আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চেয়েছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে স্পষ্ট জানান তিনি।

পাল্টাপাল্টি দোষারোপ

দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আশ্রয় পায় এবং সেখান থেকে পাকিস্তানে হামলা চালানো হয়। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

কাবুল স্পষ্ট জানিয়েছে, আফগান ভূখণ্ড কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে না। একই সঙ্গে অন্য দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করার অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ নিহত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক তীব্র উত্তেজনার মধ্যে পড়ে। পরে গত অক্টোবর মাসে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যার ফলে কয়েক মাস ধরে পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ছিল।

তবে সর্বশেষ বিমান হামলার ঘটনায় সেই যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল ইতোমধ্যে দুই দেশকে সংযম প্রদর্শন এবং উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে।

উন্মুক্ত যুদ্ধ

পাকিস্তানের সাম্প্রতিক হামলা আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে চলমান তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতিকে ভেঙে দিয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে দুই দক্ষিণ এশীয় প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত ছিল।

বার্তা সংস্থা ডয়েচে ভেলে বলছে, ফেব্রুয়ারিতে ইসলামাবাদ ঘোষণা দেয় যে তারা কাবুলের সঙ্গে ‘উন্মুক্ত যুদ্ধে’ রয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, দেশটির ভেতরে বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ার পেছনে আফগানিস্তানে আশ্রয় নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দায়ী।

পাকিস্তান অভিযোগ করে যে আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালানো জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ সমস্যা সম্পূর্ণ তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

এর পর মার্চ মাসে চীনের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনায় দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

এদিকে জাতিসংঘের গত মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে এই সংঘাতে অন্তত ৩৭২ জন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ৩৯৭ জন আহত হয়েছেন।

সম্পর্কে উত্তেজনা

আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, স্পেরা জেলায় একটি বাড়িতে হামলা চালানো হলে নয়জন নিহত এবং আরও ১০ জন আহত হন।

প্রতিবেশী পাকতিকা প্রদেশে স্থানীয় বাসিন্দারা এএফপিকে জানান, বারমাল জেলায় আরেকটি হামলায় তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। সেখানকার এক বাসিন্দার ভাষ্য অনুযায়ী, বিমান হামলাটি একটি বাড়িতে আঘাত হানে এবং নিহতদের মধ্যে শিশু ছিল।

বার্তা সংস্থা আলজাজিরা জানায়, এই হামলাগুলোর ঠিক একদিন আগে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার হাসান খেল এলাকায় সন্দেহভাজন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিদের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালানো হয়।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলার পর তীব্র বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়, যাতে ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারির (পাকিস্তানের প্রধান আধা-সামরিক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) ছয় সদস্য নিহত এবং আরো কয়েকজন আহত হন।

২০২১ সালে তালেবান দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আফগানিস্তান পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানোর পর দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরো তীব্র আকার ধারণ করে।

সব মিলিয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্ক এখনো অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছে, সর্বশেষ এই হামলা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।