kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

পাকিস্তানে এক হিন্দু পরিবারের পাঁচজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক   

৮ মার্চ, ২০২১ ১৩:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকিস্তানে এক হিন্দু পরিবারের পাঁচজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান শহরে একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের পাঁচজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, নিহতদের সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের।

গত শুক্রবার রহিম ইয়ার খান শহরের ১৫ কিলোমিটার দূরে আবুধাবি কলোনিতে ঘটনাটি ঘটেছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের গলা কেটে ফেলা হয়েছে।

হত্যার অস্ত্র এরই মধ্যে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, তার মধ্যে কুড়াল এবং চাকু রয়েছে। নিহত পাঁচজনের মধ্যে একজন ছেলে, দু'জন মেয়ে এবং তাদের মা রয়েছেন। অন্যজন ওই পরিবারের প্রধান রামচন্দ্র।

পুলিশের দাবি, বাড়ির প্রধান রামচন্দ্র সবার গলা কেটে ফেলার পর আত্মহত্যা করেছেন। স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক থাকার ব্যাপারে সন্দেহ করে তিনি পরিবারের সবার গলা কেটে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

নিহতরা হলেন- ১২ বছরের ছেলে প্রেম কুমার, ১০ বছরের অঞ্জলি, চার বছরের আনিকা এবং তাদের মা লক্ষ্মী মাই। রামচন্দ্রকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও শেখ জায়েদ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

যদিও ওই পরিবারের সবার এই রহস্যজনক মৃত্যুর পেছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এ ঘটনায় রামের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছেন তার শ্যালক তীর্থ রাম। তার দাবি, সন্দেহের বশে ছেলে-মেয়ে এবং স্ত্রী-কে খুন করেছেন রাম। এরপর আত্মহত্যা করেছেন।

তদন্তকারীদেরও প্রাথমিক ধারণা, আত্মহত্যা করার আগে স্ত্রী-ছেলে-মেয়ের গলা কেটে হত্যা করেছেন রাম।

স্থানীয় সমাজকর্মী বীরবল দাস জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি দর্জির দোকান ছিল মেঘাওয়াল হিন্দু সম্প্রদায়ের রামের। নির্বিবাদী বলেই পরিচিতি ছিল তার। 

তবে হঠাৎ কী এমন ঘটল, যে জন্য ওই পরিবারের এমন মর্মান্তিক পরিণতি হলো তা নিয়ে ধোঁয়াশায় প্রতিবেশীরা। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যদিও ওই পরিবারের আত্মীয়দের দাবি, পেশায় দর্জি রামের আর্থিক দুরবস্থা নিয়ে বারবার কথা শোনাতেন লক্ষ্মী।

এদিকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী সরদার উসমান বুজদার ঘটনাটি আমলে নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন।

সূত্র : দ্য নিউজ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা