• ই-পেপার

বিহারে সীমান্তের কাছে হেলিপ্যাড বানাচ্ছে নেপাল

যেভাবে গুপ্তচরদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হয়ে উঠল জাপান

অনলাইন ডেস্ক
যেভাবে গুপ্তচরদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হয়ে উঠল জাপান
ছবি : রয়টার্স

বিদেশি গুপ্তচরদের জন্য বরাবরই নিরাপদ জাপান। দেশটিতে বহু ক্ষেত্রে গুপ্তচরবৃত্তিকে এখনও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় না। এই সুযোগে জাপান গুপ্তচরদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে দেশটি এখন নিজেদের ইন্টেলিজেন্স ও কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সক্ষমতা গড়ে তুলতে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। দ্যা গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর নিত্যনতুন সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহে রুশ গুপ্তচরদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে জাপান। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে দেশটির সরকার।

আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই জাপানকে একটি ‘সহজ লক্ষ্য’ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমা দেশগুলো থেকে রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করা হলে তাদের অনেকেই জাপানে সক্রিয় হতে শুরু করেন।

জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই বিজনেস ২০২২ সালের আগস্টে জানায়, জাপানে প্রায় ১২০ জন রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সক্রিয় ছিলেন। এর আগে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সতর্ক করে জাপানি পুলিশ বলেছিল, রুশ গোয়েন্দারা তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।

নিক্কেই ও জিজি প্রেসের সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী মতে, টোকিওতে রাশিয়ার বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের একটি জ্যেষ্ঠ পদে সবসময়ই রুশ গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর–এর একজন কর্মকর্তা থাকেন। এসভিআর সোভিয়েত ইউনিয়নের গোয়েন্দা সংস্থার ফরেন ডিপার্টমেন্টের উত্তরসূরি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশের পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরো জানায়, একটি জাপানি মেশিন-টুল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের এক কর্মী একটি সন্দেহভাজন এসভিআর অপারেটিভের কাছে বাণিজ্যিক গোপন তথ্য সরবরাহ করছিলেন। ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি ইতোমধ্যে জাপান ছেড়ে চলে গেছেন।

এরপর ১২ জুলাই মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন বিমানসংস্থা অ্যারোফ্লটের টোকিও অফিসকে কেন্দ্র করে ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তি সংগ্রহের একটি রুশ নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল।

গত সোমবার জাপানের প্রধান সরকারি মুখপাত্র মিনোরু কিহারা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

তবে তিনি স্বীকার করেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরিসহ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা বিদেশি গোয়েন্দা কার্যক্রম মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই বাড়ছে।’

নতুন কৌশলে কোন পথে যাচ্ছে যুদ্ধ?

অনলাইন ডেস্ক
নতুন কৌশলে কোন পথে যাচ্ছে যুদ্ধ?
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরো বেড়েছে। এর জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার পাশাপাশি অঞ্চলের অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানি পথও বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভাষায় ‘আগ্রাসন’ বন্ধ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা হবে না। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত অন্যান্য জ্বালানি রপ্তানি পথও বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে কোন কোন রুটকে লক্ষ্য করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার সকালে ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও নৌবাহিনীর সমন্বয়ে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে রাতভর টানা ৭ ঘণ্টার আরেকটি অভিযানও পরিচালনা করা হয়।

বুধবার সকালের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরো দুর্বল করা হয়েছে বলে দাবি সেন্টকমের। প্রায় ৯০ মিনিটের অভিযানে গ্রেটার তুনব দ্বীপে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

নতুন হুমকি

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান আলোচনায় ফিরে না এলে আগামী সপ্তাহে দেশটির সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হবে। তবে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলাকে আপাতত শেষের জন্য রাখছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা সেসব লক্ষ্যবস্তুও আঘাত করব।

একই সময় ট্রাম্প জানান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর ২০ শতাংশ টোল আরোপের যে হুমকি তিনি দিয়েছিলেন, তার পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ‘বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির’ দিকে এগোতে চান।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলায় ট্রাম্পের দেওয়া হুমকির নিন্দা জানিয়েছিলেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। তিনি বলেছিলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা যুদ্ধাপরাধ।’

বাড়ছে উত্তেজনা

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় নৌ অবরোধ আরোপ করেছে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর। এর ফলে ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

গত মাসে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) অংশ হিসেবে এই অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন বিরোধের কারণে সেই সমঝোতা কার্যত ভেঙে পড়েছে।

অবরোধ পুনর্বহালের পর আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানায়, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানি পথও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, পৃথক অভিযানে জর্দান, কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এসব মিত্র দেশ জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে।

ফলে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলা ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে অচলাবস্থার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ায় ফের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।

যুদ্ধ চায় না ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, তবু কেন চলছে?

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধ চায় না ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, তবু কেন চলছে?
রয়টার্স ছবি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—কোনো পক্ষই পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়াতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা জেনারেল সাইমন মায়াল। তিনি বলেছেন, উভয়ই চলমান হামলাগুলোকে আলোচনার কৌশলের অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘কিছু পদক্ষেপ প্রতীকী, আবার কিছু সত্যিই প্রাণঘাতী—কারণ এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।’

তবে শেষ পর্যন্ত কে এমন চাপ সৃষ্টি করতে পারবে, যাতে আগের সমঝোতা স্মারকের চেয়ে আরো কার্যকর ও স্পষ্ট কোনো চুক্তি হয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। তার মতে, ‘আগের সমঝোতা স্মারকটি শুরু থেকেই টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম ছিল।’

মায়ালের মতে, তেহরানে এমন একটি অংশ রয়েছে যারা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো সুবিধা পেতে আগ্রহী। তবে তাদের এই অবস্থানের বিপরীতে রয়েছে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তারা সংঘাত অব্যাহত রাখার পক্ষপাতী করে।

তিনি বলেন, ‘ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে সরে আসে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে এবং তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনে, তাহলে তা বাস্তবসম্মত ও লাভজনক সিদ্ধান্ত হবে। কিন্তু কট্টরপন্থী গোষ্ঠী এবং আইআরজিসির কাছে বিষয়টি একইভাবে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।’

মায়ালের মন্তব্যে ইঙ্গিত করা হয়েছে, ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্য এবং কট্টরপন্থীদের অবস্থানই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার পথে অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

৪০ মিনিট ধরে সাহায্যের আকুতি, পুলিশ বুথের সামনেই রক্তক্ষরণে যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
৪০ মিনিট ধরে সাহায্যের আকুতি, পুলিশ বুথের সামনেই রক্তক্ষরণে যুবকের মৃত্যু

মাত্র ২০ রুপি ভাড়া নিয়ে অটোরিকশাচালকের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয় রাজ কুমারের। এক পর্যায়ে সেই চালককে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ বুথে যান ২২ বছর বয়সী এই যুবক। এক পর্যায়ে কোনো সাড়া না পেয়ে বুথের দরজায় আঘাত করতে গেলে কাচ ভেঙে তার হাত গুরুতরভাবে কেটে যায়। এ অবস্থায় সাহায্যের আকুতি জানালেও কোনো সহায়তা না পেয়ে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান।

ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে একটি ‘পিংক পুলিশ বুথের’ এ ঘটনাকে ঘিরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। পিংক পুলিশ বুথ হলো শুধু নারী সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সম্পূর্ণ নারী পুলিশ সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত রাজ কুমার পেশায় একজন গাড়ির মেকানিক ছিলেন। গত রবিবার বাপুধাম এলাকার একটি পিংক পুলিশ বুথের দরজায় আঘাত করতে গিয়ে কাচ ভেঙে তার হাতে গভীর ক্ষত হয়। এতে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে পরে তার মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বুথে দায়িত্বরত নারী পুলিশ সদস্যরা ভয় পেয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন এবং আহত যুবককে সাহায্য করতে বের হননি। একই অভিযোগ করেছেন রাজ কুমারের মা। তার দাবি, ছেলে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলেও কেউ এগিয়ে আসেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার ২০ রুপি ভাড়া নিয়ে অটোরিকশাচালকের সঙ্গে রাজ কুমারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। গাজিয়াবাদের সহকারী পুলিশ কমিশনার উপাসনা পাণ্ডে জানান, রাজ কুমার এবং অটোরিকশাচালক—দুজনই তখন মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। ভাড়া নিয়ে তর্কের পর দুজনই পিংক পুলিশ বুথে যান। সেখানে রাজ কুমার বুথের লোহার গেট জোরে আঘাত করতে থাকেন। পরে কাচের দরজায় আঘাত করলে সেটি ভেঙে যায় এবং তার হাত গুরুতরভাবে কেটে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুথে থাকা নারী পুলিশ সদস্যরা রাজকুমারকে কাছের থানায় যেতে বলেন। কিন্তু রাজ কুমার বুথের দরজায় আঘাত করতে থাকলে পুলিশ সদস্যরা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে কাচ ভেঙে তার হাতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

রাজ কুমারের আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী গুড়িয়া দেবী স্বামীর মৃত্যুর বিচার দাবি করেছেন। তিনি জানান, গত ১২ জুলাই সকাল ৯টায় রাজ কুমার কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন, কিন্তু আর ফিরে আসেননি। তিনি গাজিয়াবাদে গাড়ির মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন।

বিহারে সীমান্তের কাছে হেলিপ্যাড বানাচ্ছে নেপাল | কালের কণ্ঠ